Logo
শিরোনাম

বাঙালি জাতির সব অর্জন এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ |
Image

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘দীর্ঘ ৭৩ বছরের পথচলায় আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বাঙালি জাতির সব অর্জন এসেছে।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এ কথা বলেন তিনি।

ড. হাছান বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশে, স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ বাঙালি জাতির সব অর্জন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে।’

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর আরো একটি বড় অর্জন হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে বিশ্ববেনিয়াদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে। তাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস প্রকৃতপক্ষে বাঙালি জাতিরই ইতিহাস। বাঙালি জাতির সমস্ত অর্জনের সাথে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।’

‘অতীতে যেমন সমস্ত ষড়যন্ত্রকে ছিন্ন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিশেষ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে, আমরা ইনশাআল্লাহ ২০৪১ সাল নাগাদ সমস্ত ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করবো’- প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী হাছান মাহমুদ।



আরও খবর



কনটেইনারে বিস্ফোরণ : ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মীসহ নিহত ৩৮

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনারে ভয়াবহ আগুনে ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মীসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জন হয়েছে। রবিবার (৫ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেন। বিস্ফোরণে সাড়ে চার শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ২৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কেমিক্যাল কন্টেইনার থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা।

শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কাশেম জুট মিল এলাকায় অবস্থিত বিএম কন্টেইনার ডিপোতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সরেজমিন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া সংস্থাটির ৩০ কর্মী, ১০ পুলিশ সদস্যসহ সাড়ে চার শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। এদিকে দুই ফায়ার কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। অনেক লোক তাদের স্বজনদের খুঁজে বিভিন্ন হাসপাতালসহ দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে বেড়াচ্ছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণে কন্টেইনার ডিপোর আশপাশের পাঁচ থেকে ছয় কিলোমিটার এলাকায় ব্যাপক কম্পনের সৃষ্টি হয়। মসজিদ ও আশপাশের শতাধিক ঘরবাড়ির জানালার কাচ ভেঙে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।


আরও খবর



বন্যার্তদের জন্য আরও এক কোটি টাকা বরাদ্দ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

রোকসানা মনোয়ার : বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার জন্য ৫০ লাখ টাকা করে আরও এক কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এ বরাদ্দ প্রদান করা হয়।

এর আগে দেশের ১১টি জেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় মানবিক সহায়তা হিসেবে জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে ১৭ মে থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত ১ হাজার ৭২০ মেট্রিক টন চাল, ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা এবং ৫৮ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে সিলেট জেলায় ১ হাজার মেট্রিকটন চাল, ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং ২০ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট।

সুনামগঞ্জ জেলায় ৫২০ মেট্রিক টন চাল, ৯৮ লাখ টাকা এবং ১২ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট।

নেত্রকোনা জেলায় একশত মেট্রিক টন চাল, ২০ লাখ টাকা এবং ৫ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট। রংপুর জেলায় ৩ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট।

নীলফামারী জেলায় ৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট। কুড়িগ্রাম জেলায় ১০ লাখ টাকা এবং ১ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট। হবিগঞ্জ জেলায় ১০ লাখ টাকা এবং ২ হাজার শুকনো অন্যান্য খাবারের প্যাকেট। মৌলভীবাজার জেলায় একশত মেট্রিক টন চাল, ১০ লাখ টাকা এবং ২ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট। শেরপুর জেলায় ১০ লাখ টাকা এবং ৪ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট। জামালপুর জেলায় ৪ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট। কিশোরগঞ্জ জেলায় ২ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট ।

বরাদ্দকৃত ত্রাণকার্য (নগদ) অর্থ শুধুমাত্র আপদকালীন সময়ে বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণ করতে হবে।


আরও খবর



অ্যান্টিবায়োটিকের অপ ব্যবহারে স্বাস্থ্যখাতে বিপর্যয়

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

দেশের সব জরুরি ও বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ ৫০ শতাংশেরও বেশি কার্যকারিতা হারিয়েছে। এতে দেশের পুরো জনগোষ্ঠী যে কোনো ধরনের মহামারির বিরুদ্ধে অরক্ষিত থেকে যেতে পারে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকাভুক্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি ওষুধ ক্রমশ অকার্যকর হয়ে পড়ছে বলে ২০১৭ থেকে ২০২১ এর মধ্যে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর) পরিচালিত এই সারভেইলেন্স গবেষণা থেকে জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদি সাবরিনা ফ্লোরা গতকাল একটি অনুষ্ঠানে বলেন, 'এই গবেষণা থেকে যে বার্তা পাওয়া গেছে, তা হচ্ছে পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। এই অনুষ্ঠানে ১০টি প্রাধান্য পাওয়া প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে ২১টি অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কার্যকারিতার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়।

ওষুধগুলো মূত্রনালীর সংক্রমণ, সেপ্টিসেমিয়া, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং ক্ষত সংক্রমণের মতো রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলোর বিরুদ্ধে পরীক্ষা করা হয়েছিল।

৯টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালিত এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়াগুলোর ৯ শতাংশ পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত সব অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে সহনীয়।

ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং পরজীবীর মতো অণুজীবকে ধ্বংস করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকারিতাকে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বলা হয়।

ফ্লোরা বলেন, 'এএমআর অন্য এক ধরনের মহামারি। আমাদের এমন হওয়া উচিত নয় যে—রোগ নির্ণয় হলো, সেই রোগের ওষুধও আছে কিন্তু সেটা রোগ সারাতে পারছে না।'

ওয়ান হেলথ বাংলাদেশের জাতীয় সমন্বয়কারী নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, ডেটা দেখে মনে হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার প্র্যাকটিশনারদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

'আমাদের এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে হবে। পেশাদারদের শক্তিশালী উদ্যোগ নিতে হবে। এএমআর জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনীতি উভয়ের জন্যই একটি চ্যালেঞ্জ,' তিনি যোগ করেন।

অ্যান্টিবায়োটিকগুলোকে মূলত তিনটি সেটে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। এগুলো হচ্ছে, প্রাথমিক পর্যায়ের সংক্রমণের জন্য 'অ্যাক্সেস গ্রুপ', উচ্চ সহনশীল ব্যাকটেরিয়ার জন্য 'ওয়াচ গ্রুপ' এবং পরিশেষে সব বিকল্প ব্যর্থ হলে 'রিজার্ভ গ্রুপ।'

২১টি অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে ৭টি অ্যাক্সেস গ্রুপ, ৯টি ওয়াচ গ্রুপ এবং ২টি রিজার্ভ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের মধ্যে ১৫টি ক্রমশ অকার্যকর হয়ে পড়ছে বলে পরীক্ষায় উন্মোচিত হয়েছে।

২০২১ সালে ওয়াচ গ্রুপের ওষুধ সেফটাজিডিম ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষেত্রে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ২০১৭ সালে এর অকার্যকারিতার হার ছিল ৬২ শতাংশ।

একই সময়সীমার মধ্যে ওয়াচ গ্রুপের বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকারিতা বেড়েছে, যেমন সেফিক্সিম (৫২ থেকে ৫৮ শতাংশ), সেফেপিম (৫৭ থেকে ৬১ শতাংশ), সেট্রিয়াক্সোন ৫২ থেকে ৬৫ শতাংশ), সিপ্রোফ্লোক্সাসিন (২০ থেকে ৪০ শতাংশ) ও কার্বাপেনেম (২০ থেকে ৪০ শতাংশ)।

একই সময়ে অ্যাক্সেস গ্রুপের ওষুধ ডক্সিসাইক্লিন ও টেট্রাসাইক্লিনের উপযোগিতা বেড়েছে। তাদের অকার্যকারিতার হার কমে যথাক্রমে ৪৭ থেকে ৩৯ শতাংশ এবং ৫৮ থেকে ৫৪ শতাংশ হয়েছে।

আইইডিসিআরের লিড ইনভেস্টিগেটর ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান জাকির হোসেন হাবীব বলেন, 'এর পেছনে কারণ হতে পারে এই ওষুধগুলোর কম ব্যবহার। চিকিৎসকরা মূলত ওয়াচ ও রিজার্ভ গ্রুপের ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন।'

অ্যাক্সেস গ্রুপের ওষুধের মধ্যে উপযোগিতা হারিয়েছে এ রকম ওষুধ হচ্ছে নাইট্রোফিউরানটয়েন, সালফামেথোক্সাজোল-ট্রাইমেথোপ্রিম, অ্যাম্পিসিলিন, অ্যামোক্সিসিলিন-ক্লাভুলানেট ও জেন্টামাইসিন। তবে পেনিসিলিনের উপযোগিতা সামান্য বেড়েছে।

রিজার্ভ গ্রুপের ওষুধ অ্যাজট্রিওনামের অকার্যকারিতা ৫৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬১ শতাংশ হয়েছে এবং লিনেজোলিডের ক্ষেত্রে তা ৩৭ শতাংশে অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসেনশিয়াল ড্রাগস অ্যান্ড মেডিসিনের কারিগরি বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ রামজি ইসমাইল বলেন, 'আমরা ফার্স্ট-লাইন অ্যান্টিবায়োটিক (অ্যাক্সেস গ্রুপ) হারিয়ে ফেলছি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় লাইন অ্যান্টিবায়োটিকগুলো ব্যয়বহুল এবং টক্সিক।

তিনি আরও জানান, নতুন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের ক্ষেত্রে গবেষণার পাইপলাইনে শুধুমাত্র অল্প কিছু আশাব্যঞ্জক বিকল্প রয়েছে।

এএমআরের সঙ্গে মোকাবিলায় ইসমাইল 'ওয়ান হেলথ' দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বনের আহ্বান জানান। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ওয়ান হেলথে ভালো উন্নতি করেছে।

ওয়ান হেলথে স্বীকার করা হয় মানুষ যে পরিবেশে থাকে এবং সে পরিবেশের অন্যান্য প্রাণীদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির সঙ্গে তার নিজের স্বাস্থ্যের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

কোনো কোনো দেশে চিকিৎসার চেয়ে খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিক বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।

'আমাদের এই ফ্র্যাজাইল ওষুধের অপব্যবহারে অবদান রাখে এমন সমস্ত আচরণকে চিহ্নিত করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে,' তিনি যোগ করেন।


আরও খবর

বাড়ছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2




রায়গঞ্জের চকঁনুর চারমাথার ব্রিজটি যেন মরণ ফাঁদ

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ |
Image
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ৮ নং পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চকঁনুর চারমাথা থেকে গোঁতগাতী রাস্তায় যে ব্রিজটি রয়েছে তা মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। ব্রিজটির দু,পাশের দু' টি পাখা ভেঙ্গে পড়েছে। সাইটের মাটি সরে গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এ পথের শত শত শিক্ষার্থী।

এছাড়াও এই ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। তাছাড়া প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই ব্রিজের ওপর দিয়ে আসা-যাওয়া করছে। বলা চলে দিন দিন ব্রিজটি নরবড়ে হয়ে যাচ্ছে।

স্হানীয় বেশ কয়েক জন বাসিন্দার সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন সংস্কার না করা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ব্রিজটির এমন ভগ্নদশা হলেও ব্রিজটি সংস্কারে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষও নিচ্ছে না কোনো কার্যকর পদক্ষেপ।

এমতাবস্হায় উপজেলার হাটপাঙ্গাসী আন্চলিক মহাসড়ক চকঁনুরের চারমাথা থেকে গোতগাতী রাস্তার ব্রিজটি ভেঙ্গে নতুন একটি ব্রিজ নির্মাণ অথবা উক্ত ব্রিজটি সংস্কার করার জন্য সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোড় দাবি জানিয়েছেন অত্র এলাকাবাসী।

আরও খবর



সালাত ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ইসলাম ধর্ম পাঁচটি ভিত্তির ওপর স্থাপিত। তার মধ্যে নামাজ বা সালাত শীর্ষে। সালাত এমন এক ইবাদত যার মাধ্যমে বান্দা ও তার প্রভুর সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়। যে বান্দা অত্যন্ত বিনয়, নম্রতা, ভক্তি ও আন্তরিকতার সঙ্গে পবিত্র অবস্থায় সালাত আদায় করে সেই তার মহান প্রভুর সান্নিধ্যে উপনীত হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে।

একজন বান্দার জন্য এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে? পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে রয়েছেন’ (সুরা বাকারা-১৫৩)।  আল্লাহ আরও বলেন, ‘আমার স্মরণের জন্য সালাত আদায় করো’ (সুরা ত্বাহা-১৪)। রসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কারও ঘরের দরজার সামনে যদি কোনো নদী থাকে আর তাতে তোমরা যদি প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করো, এরপর তার শরীরে কি কোনো ময়লা থাকতে পারে? সাহাবিগণ উত্তরে বললেন, না তার শরীরে কোনো ময়লা থাকতে পারে না। নবী করিম (সা.) বললেন, ঠিক তেমনি যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পবিত্রতার সঙ্গে আদায় করল, আল্লাহ রব্বুল আলামিন তার সমস্ত পাপ ঠিক তেমনি করে মোচন করে দেন’ (সহিহ মুসলিম) সুবহানাল্লাহ।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সঠিকভাবে আদায় করতে পারলে এর চেয়ে বড় সৌভাগ্যের আর কী হতে পারে? সালাত একজন মুসলমানের জীবনের সবচেয়ে বড় নেয়ামত। হাদিসে এসেছে, ‘পরকালের হিসাব নিকাশ গ্রহণের সময় সর্বপ্রথম আল্লাহতায়ালা সালাতের হিসাব-নিকাশ গ্রহণ করবেন।’ (তাজিমু কাদরিস সালাত)।

‘বেহেশতের চাবিকাঠি হলো সালাত’ (তিরমিজি শরিফ)। তাই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের নৈকট্য লাভ করতে হলে সালাতকে মনেপ্রাণে হৃদয়ে আঁকড়ে ধরতে হবে এবং বিনয় ও ভক্তি সহকারে আল্লাহর প্রতি সালাতের মাধ্যমে আনুগত্য প্রদর্শন করতে হবে।

নামাজ আদায়ের শর্তসমূহ : পবিত্রতা অর্জন করা. নামাজ আদায়ের প্রথম শর্ত শরীর ও পরিধেয় কাপড় পবিত্র হওয়া। পাশাপাশি প্রয়োজন অন্তরের পবিত্রতা। কারণ অন্তর পবিত্র না হলে মূল পবিত্রতার প্রাণশক্তি নষ্ট হয়।

আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা পবিত্র বস্তুসামগ্রী আহার করো। যেগুলো তোমাদের আমি রিজিক হিসেবে দান করেছি এবং শুকরিয়া আদায় করো আল্লাহর যদি তোমরা তাঁর বান্দা হও’ (সুরা বাকারা-১৭২)। ছতর বা লজ্জা স্থান ঢেকে রাখা। সালাতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিংবা সালাতের পরও লজ্জা স্থান ঢেকে রাখা ফরজ। একেই ইসলামী পরিভাষায় পর্দা বলা হয়। পর্দা নারী-পুরুষ সবার জন্য ফরজ।

অন্তরে বিনয়ী হওয়া : নামাজ আদায়ের আগে মনকে দুনিয়ার যাবতীয় বিষয় থেকে মুক্ত করে পুরোপুরি বিনয় ও ভক্তির সঙ্গে উত্তমভাবে শরীরের অঙ্গসমূহের পূর্ণাঙ্গ নিয়োজিতকরণের মাধ্যমে সালাত আদায় করতে হবে। মনে রাখতে হবে, আল্লাহর আনুগত্য লাভের উদ্দেশ্যই সালাত আদায় করছি যা আমার জন্য পরকালের সম্বল হিসেবে গণ্য হবে। সালাতের উদ্দেশ্যে মনকে প্রফুল্ল রাখতে হবে : সালাত আদায় করতে হবে খুশি মনে। আল্লাহ আমাকে দেখছেন এ কথাটি মনে রাখতে হবে।

সুতরাং বিনম্রচিত্তে প্রফুল্ল মন নিয়ে সালাত আদায় করতে হবে অত্যন্ত ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের এবং তোমার পরিবার পরিজনকে সেই আগুন থেকে রক্ষা করো, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর। যাতে নিয়োজিত রয়েছে কঠোর স্বভাব, পাষাণ হৃদয়ের ফেরেশতারা।

তারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে না এবং যা করতে আদেশ করা হয় তারা তাই করে’ (সুরা তাহরিম-৬)। সুতরাং দোজখের আগুনের ইন্ধন থেকে নিজ ও পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করতে হলে বিনম্রচিত্তে সালাত আদায় করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। 


আরও খবর

১০ জুলাই পবিত্র ঈদুল আযহা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২