Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুরের কমিটি গঠন

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ |
Image

সালেহ দোহা শাহীন সিঙ্গাপুর প্রতিনিধি ঃ

বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুরের নবম এজিএম সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পার্করয়েল হোটেলের জেড বলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজনেস চেম্বারের সহ-সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান রাহিম।

সভা পরিচালনা করেন বিজনেস চেম্বারের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির সাহান। বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুরের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির সাহান স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় বিজনেস চেম্বারের বিগত কার্যক্রম ও আর্থিক বিবরণী সাধারণ সদস্যদের নিকট উপস্থাপন করেন ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ আসাদ মামুন এবং বিজনেস চেম্বারের সার্বিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সদস্যদের মাঝে তুলে ধরেন বিজনেস চেম্বারের সাবেক সভাপতি মো. সাহিদুজ্জামান।

সভায় সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপ ও বিজনেস চেম্বারের ভাবমূর্তি নষ্ট ও শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে সদস্যদের সম্মতিক্রমে ৫ সদস্যকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- মির্জা গোলাম সবুর, আজহারুল ইসলাম, নাসিরুল ইসলাম মনি, সৈয়দ ফয়সাল আহমেদ পাভেল ও এমএ রাহীম।

বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বারের নবনির্বাচিত সদস্যরা হলেন-১.মোঃশাহিদুজ্জামান,২.মোঃ মনিরুজ্জামান,৩.আমানুল ইসলাম,৪.আসাদ মামুন,৫.ইশতিয়াক আহমেদ, ৬.আবু সায়েম আজাদ,৭. ফিরোজ আহমেদ চৌধুরী,৮.মোহাম্মদ হোসাইন, ৯.শামসুর রহমান ফিলিপ,১০.মাহাবুব আলম, ১১.আলী মোস্তফা,১২. আশ্রাফুর রহমান খান,১৩.জাহেদুল কবির,১৪.মোঃ তুহিন ও ১৫.সাব্বির হাসান শাহান।


আরও খবর



পানি বেড়ে ডুবছে গ্রাম ও শহর

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল:  অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে চতুর্থ দফায় নদণ্ডনদীর পানি বাড়ছে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। সুরমা কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি বেড়ে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। নদীর পাড় উপচে শহরে পানি ঢুকে পড়ায় বিভিন্ন এলাকার বাসবাড়ি তলিয়ে গেছে। সুনামগঞ্জের অসংখ্য রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী স্থলবন্দর এলাকা; বন্ধ রয়েছে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যও। এতে বেকার হয়ে পড়েছেন বন্দরের প্রায় ৬০০০ শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আর ১৫ গ্রাম ও চরের তিন সহস্রাধিক পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে নীলফামারীতে। এমন অবস্থায় এসব জেলার বন্যাকবলিত পরিববারগুলো দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগের শঙ্কা করছেন।

বন্যার্তরা জানিয়েছেন, দ্বিতীয় দফায় আবার বন্যা দেখা দেওয়ায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অধিকাংশ এলাকায় বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ছে। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় অনেকে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। খবর প্রতিদিনের সংবাদ প্রতিনিধিদের।

সিলেট : পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার প্রধান দুই নদী সুরমা কুশিয়ারা ও সারি নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বেড়েছে। সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৯৩ সেন্টিমিটার ও সিলেট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৩৩ সেন্টিমিটার এবং সারি নদের সারিঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া জেলার অন্য নদণ্ডনদীর পানিও ক্রমশ বাড়ছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, জেলার কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও সদর উপজেলার অন্তত ৫০০ গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি কার্যালয়ের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়েছে। এর বাইরে সিলেট নগরের অন্তত ৮ থেকে ১০টি এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামের সংযোগসড়ক পানিতে তলিয়ে আছে। এসব রাস্তা দিয়ে যানবাহনের বদলে মানুষজন নৌকায় চলাচল করছেন। বিকাল পর্যন্ত নগর ও পাঁচটি উপজেলায় অন্তত চার থেকে সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সিলেট নগরের তালতলা, জামতলা, সোবহানীঘাট, তেরোরতন, উপশহর, কালীঘাটসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সুরমার পাড় উপচে পানি ঢুকে পড়ায় আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষজন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি উঠেছে। কোথাও কোথাও হাঁটুপানি দেখা গেছে। ঘরের ভেতরে পানি ওঠায় অনেকে আত্মীয়ে বাড়ি সরে যাচ্ছেন। সিলেটের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে সর্বোচ্চ ১৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে কমণ্ডবেশি বৃষ্টিপাত হবে। তবে ১৯ ও ২০ জুন বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আনোয়ার সাদাত জানান, প্রয়োজনীয় স্থানে আশ্রয়কেন্দ্র চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। জেলার প্রায় সব উপজেলা বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। অসংখ্য রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। জেলা সদরের সঙ্গে পাঁচটি উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। জেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সুরমার পানি দিরাইয়ের পুরাতন এলাকার পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার, ছাতক পয়েন্টে ২ দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া তাহিরপুর এলাকায় জাদুকাটা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, নদণ্ডনদীর পানি দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। তবে বৃষ্টি কমলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পানি বাড়ছে, আর পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। জেলার লক্ষাধিক মানুষ এখন পানিবন্দি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

রংপুর : ভারী বর্ষণ এবং উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ৬৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে সকাল ৯টায় তা বেড়ে বিপৎসীমা ছুঁয়েছে।

এদিকে গঙ্গাচড়ার ছয় ইউনিয়ন ও নদী তীরের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এরই মধ্যে ৩০ গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তিস্তার পানি বাড়ায় লক্ষ্মীটারি, কোলকোন্দ, মর্নেয়া নোহালী ও আলম বিদিতর ইউনিয়নের ৩০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা লক্ষ্মীটারি ইউনিয়নের। এ ইউনিয়নের বিনার চর, শংকরদাহসহ বেশ কয়েকটি দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

এদিকে তিস্তা নদীর পানি বাড়ার কারণে চরাঞ্চলের শত শত হেক্টর জমির বাদাম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

লক্ষ্মীটারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী বলেন, অসময়ে তিস্তা নদীর পানি বাড়ায় ইউনিয়নের অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া বাদামসহ বেশ কিছু ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

গঙ্গাচড়ার ইউএনও এরশাদ উদ্দিন বলেন, পানি বেড়ে যাওয়ায় নদী তীরবর্তী ও দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় সহায়তা পৌঁছাতে কাজ চলছে।

নীলফামারী : তিস্তা নদীর পানি বাড়ায় ডিমলা উপজেলার তিস্তাবেষ্টিত পূর্ব ছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ি ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রাম ও চরের তিন সহস্রাধিক পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।

উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ খান বলেন, সকাল থেকে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করে। এতে ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেরস্বর, পূর্ব ছাতনাই ও খোকার চরের পাঁচ শতাধিক পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে।

টেপাখাড়িবাড়ির ইউপি চেয়ারম্যান মো. ময়নুল হক বলেন, ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার পরিবারের বাড়িঘরে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। সকালে স্বপন বাঁধের প্রায় ৫০ মিটার অংশ ভেঙে মসজিদ পাড়ার ১৪০টি পরিবারের বাড়িঘর বন্যাকবলিত হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদ্দৌলা বলেন, তিস্তার পানি বৃহস্পতিবার বিপৎসীমা ছুঁয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ কারণে ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। বর্তমানে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

কুড়িগ্রাম : রৌমারী স্থলবন্দর এলাকার রাস্তার দুই পাশে জমে আছে পানি। পানির মধ্যে থরে থরে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন আকারের পাথর ও বালু। ডিপোগুলোতে পাথর আছে, পাথর ভাঙার মেশিন আছে, কিন্তু নেই শ্রমিক। নেই কর্মচাঞ্চল্য, নেই মানুষের কোলাহল।

বন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা সৈয়দ আরিফুর রহমান বলেন, বন্দরে যাতায়াতের সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে ছয় হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। এছাড়া এ কাজের সঙ্গে জড়িত অন্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আর সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকায় শ্রমিকদের পরিবারে দেখা দিয়েছে অভাব। অনেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করছেন।

রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ আবদুুল্লাহ বলেন, বন্দর অচল হওয়ায় ছয় হাজার শ্রমিক অত্যন্ত অসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাদের দ্রুত সহযোগিতা করা দরকার।


আরও খবর



একাই পাঁচ গোল করলেন মেসি

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

একে একে প্রতিপক্ষ এস্তোনিয়ার জালে পাঁচবার বল ঢুকিয়েছেন সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী লিওনেল মেসি। ক্লাব ফুটবলে বার্সেলোনার হয়ে এক ম্যাচে পাঁচ গোলের রেকর্ড থাকলেও জাতীয় দলের জার্সিতে এর আগে তিন গোলের বেশি ছিল না। এবার সেই আক্ষেপই যেন দূর করলেন আর্জেন্টাইন তারকা। ক্যারিয়ারের অষ্টম আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিকের দিনে গোল উৎসবই করলেন ক্ষুদে জাদুকর।

রবিবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে ওসাসুনার মাঠ আল সদর স্টেডিয়ামে একাই দলের হয়ে পাঁচটি গোল করেন লিওনেল মেসি।

শুরু থেকে প্রায় পুরোটা সময় নিজেদের অর্ধ ও ডি বক্সের আশপাশেই ছিলেন এস্তোনিয়ার খেলোয়াড়। ল্যাতিন পরাশক্তিদের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম‍্যাচে লড়াইয়ের মানসিকতা দেখাতে পারেনি তারা।

২০১৯ সালের পর আর কোনো ম‍্যাচ না হারা দলটি এগিয়ে যায় অষ্টম মিনিটে মেসির সফল স্পট কিকে। হেরমান পেস্সেইয়াকে এস্তোনিয়ার গোলরক্ষক ফাউল করায় পেনাল্টি পেয়েছিল দুইবারের বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়নরা। এ গোলের মধ্যদিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ভিন্ন ভিন্ন ৩০টি দলের বিপক্ষে গোলের রেকর্ড গড়েন মেসি।

এদিন ফিনালিসিমা ম্যাচের একাদশ থেকে আট পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে আর্জেন্টিনা। এতে বড় পরিবর্তনে খেলার ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি আলবিসেলেস্তেদের। প্রথমার্ধে প্রায় ৮৫ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণ করে যায় আর্জেন্টিনা।


আরও খবর



কনটেইনারে বিস্ফোরণ : ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মীসহ নিহত ৩৮

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনারে ভয়াবহ আগুনে ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মীসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জন হয়েছে। রবিবার (৫ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেন। বিস্ফোরণে সাড়ে চার শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ২৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কেমিক্যাল কন্টেইনার থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা।

শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কাশেম জুট মিল এলাকায় অবস্থিত বিএম কন্টেইনার ডিপোতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সরেজমিন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া সংস্থাটির ৩০ কর্মী, ১০ পুলিশ সদস্যসহ সাড়ে চার শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। এদিকে দুই ফায়ার কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। অনেক লোক তাদের স্বজনদের খুঁজে বিভিন্ন হাসপাতালসহ দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে বেড়াচ্ছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণে কন্টেইনার ডিপোর আশপাশের পাঁচ থেকে ছয় কিলোমিটার এলাকায় ব্যাপক কম্পনের সৃষ্টি হয়। মসজিদ ও আশপাশের শতাধিক ঘরবাড়ির জানালার কাচ ভেঙে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।


আরও খবর



বন্যাকবলিত মানুষের পাশে আছি: শাকিব খান

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

চেরাপুঞ্জির রেকর্ড বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক বন্যায় জনদুর্ভোগ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। 

গত ১৬ জুন থেকে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকটে ভুগছেন বয়স্ক, নারী ও শিশুরা।  শহর-গ্রাম নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে হাহাকার চলছে। নিরাপদ আশ্রয় না পেয়ে নৌকায় মাথা গোঁজার ঠাঁই নিয়েছেন অশীতিপররাও।এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান। বন্যার্তদের জন্য তহবিল গঠন করছেন ঢাকাই ছবির পোস্টার বয়। 

বন্যাকবলিত এলাকার একটা ছবি শেয়ার করে শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন শাকিব খান। লিখেছেন, ‘এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে থাকলেও সংবাদমাধ্যম ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে জেনেছি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। বন্যাকবলিত মানুষের দুর্দশা আমাকে ভীষণভাবে কষ্ট দিচ্ছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়া মানুষের পাশে আছি। তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে আমার সামর্থ্যের মধ্যে অর্থ সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছি।’

‘সেই সঙ্গে একটি তহবিল গঠনেরও কথা ভেবেছি, যা থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও অন্যান্য সহায়তা পৌঁছে যাবে কষ্টে থাকা সেসব বানভাসি মানুষের সাময়িক সংকট মোকাবিলায়। বন্যাকবলিতদের যে কোনো ধরনের সহায়তা দিয়ে যারা পাশে থাকতে চান, এই ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন [email protected]।’

সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে শাকিব খান আরও লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ও প্রবাসে থাকা আগ্রহী বিত্তবানদের কাছে আহ্বান— আপনারাও নিজেদের সামর্থ্যের মধ্য থেকে বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোক। সবার জন্য প্রার্থনা।’


আরও খবর

শিশুদের সিনেমায় মিথিলা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

আগামী ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিকেলে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে ৫১তম বাজেট। নতুন বাজেটে বিভিন্ন ধরনের পণ্যে শুল্ক ও কর আরোপের প্রস্তাবনা আসতে পারে। পাশাপাশি জনস্বার্থে কিংবা দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় থাকবে শুল্ক ও ভ্যাট ছাড়। এসব কারণে সার্বিকভাবে অনেক পণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি কিছু পণ্যের দাম কমতেও পারে।

ভ্যাট ও কর অব্যাহতি প্রস্তাবে দাম কমবে যেসব পণ্যের এখন কম্পিউটার সামগ্রীর মধ্যে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, প্রিন্টার ও অন্যান্য কম্পিউটার ও আইসিটি পণ্যে ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে স্থানীয় শিল্পের বিকাশে ওই শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব আসছে। অন্যদিকে আমদানিকরা ওই সব পণ্যে ২০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। ফলে স্থানীয় শিল্পে উৎপাদিত কম্পিউটার ও আইসিটি পণ্যের দাম কমতে পারে।

একই কারণে কমতে পারে স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত কৃষি যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের দাম। এছাড়া কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ কর সুবিধার প্রস্তাব আসতে আসছে বাজেটে।

ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা পাচ্ছে দেশীয় গাড়ি তৈরির শিল্প। ফলে মোটরগাড়ি তৈরিতে যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের পাশাপাশি ৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রস্তাব আসতে পারে বাজেটে। ফলে দেশে তৈরি গাড়ি তুলনামূলক কম দামে মিলবে।

এ ছাড়া স্থানীয় উৎপাদিত মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বড় ধরনের শুল্ক ও ভ্যাট সুবিধা ভোগ করে আসছে। যেখানে আমদানি করা হ্যান্ডসেটের ওপর ৫৮ শতাংশ শুল্ক-কর প্রযোজ্য। সেখানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ও অ্যাসেম্বলড হ্যান্ডসেটের জন্য কর দিতে হয় যথাক্রমে ১৩ ও ১৮ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটেও এই সুবিধা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। এতে আমদানি করা মোবাইলের তুলনায় আগামী অর্থবছরের তুলনামূলক কম দামে ফিচার ফোন (বাটন ফোন) মিলতে পারে।


আরও খবর