Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশ-হাঙ্গেরি তিন চুক্তি-সমঝোতা স্বাক্ষর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এবং হাঙ্গেরির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী পিটার সিয়ার্তোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ৩টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনের সাইড লাইন বৈঠকে উভয় মন্ত্রী এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলো হলো অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি, ২০২৪-২৬ সালের জন্য স্টাইপেনডিয়াম হাঙ্গারিকাম প্রোগ্রামের কাঠামোর মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক এবং ২০২৩-২৫ বছরের জন্য স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক ২০২৩-২০২৫।

বৈঠকে দুদেশের মন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনসহ দ্বিপাক্ষিক অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া বিশ্বব্যাপী জনগণের দুর্দশা লাঘবের জন্য যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে হাঙ্গেরির সহযোগিতা কামনা করেন। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে হাঙ্গেরির প্রচেষ্টা থাকবে বলে জানান পিটার সিয়ার্তো।

এ ছাড়া বৈঠকে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর নিয়ে আলোচনা হয়। প্রস্তাবিত সফরে দ্বৈত কর পরিহার, বিনিয়োগের নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি এবং পানি সহযোগিতা চুক্তি স্মারক স্বাক্ষর হবে বলে উভয় মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

ড. মোমেন বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা ঢাকা থেকে আবেদনের প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিষয়ে হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান পিটার সিয়ার্তো।

এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাঙ্গেরির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রীকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান।

সূত্র : বাসস


আরও খবর



পদ্মা সেতুতে চলল পরীক্ষামূলক ট্রেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

পদ্মা সেতু হয়ে মাওয়া-ভাঙ্গা রেললাইনে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেনটি দুই দিন চলবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

১৫ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে পর্যায়ক্রমে গতি বাড়িয়ে চারবার এই রেলপথে যাতায়াত করে ট্রেনটি।

জানা গেছে, সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ট্রেনটি ফরিদপুরের ভাঙ্গা রেল স্টেশন থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া স্টেশনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে সকাল ৯টা ৬ মিনিটে পৌঁছায়। পরীক্ষামূলক এই ট্রেনের গতিসীমা ছিল ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। এরপর সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে মাওয়া রেল স্টেশন থেকে পুনরায় ভাঙ্গার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সে সময় গতিসীমা নির্ধারণ করা হয় ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার।

১০টা ৪০ মিনিটে ভাঙ্গা থেকে মাওয়ার উদ্দেশে চেড়ে যায় ট্রেনটি। সে সময় ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেনটি চলাচল করে। সবশেষে ১১টা ৩০ মিনিটে মাওয়া থেকে ভাঙ্গায় ফিরে আসে ট্রেনটি। তখন ট্রেনটির সর্বোচ্চ গতি ছিল ১২০ কিলোমিটার।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাওয়া-ভাঙ্গা অংশের ব্যবস্থাপক ব্রিগেডিয়ার সাঈদ আহমেদ জানান, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশে রেল চলাচলের চূড়ান্ত প্রস্তুতি হিসেবে এই পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল করেছে।এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে ঢাকা থেকে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক ট্রেন ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৌঁছায়।

জানা গেছে, আগামী ১০ অক্টোবর নতুন এই রুটে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের ট্রেনে চড়ে রাজধানীতে আসা-যাওয়ার বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে।


আরও খবর



মরক্কোর কাছে হারল ব্রাজিল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

স্পোর্টস ডেস্ক : ফুটবলে মরক্কো রূপকথা চলছেই। কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল হাকিমি-ইয়াসিন বুনোরা। এরপর গেল মার্চে মুখোমুখি দেখায় ব্রাজিলকে হারিয়েছিল দেশটি। সর্বশেষ নারী বিশ্বকাপেও চমক দেখিয়েছেন মরক্কোর মেয়েরা। 

আবারো ব্রাজিলকে হারাল আফ্রিকান দেশটি। তবে এবার জাতীয় দল নয়, বয়সভিত্তিক টিমে। শুক্রবার ব্রাজিলিয়ান অনূর্ধ্ব-২৩ দলটিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে মরক্কোর যুবারা।

প্যারিস অলিম্পিক ২০২৪ সালের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আফ্রিকান দেশটিতে দুটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে গিয়েছে ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২৩ দল। মরক্কোর ফেজ স্পোর্টস কমপ্লেক্সে আয়োজিত প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে হেরে সিরিজ শুরু করেছে জুনিয়র সেলেসাওরা।

এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে তেমন জোরালো আক্রমণ শানাতে পারেনি দুই দলের কেউই। ফলে গোলের গেরোও খোলা যায়নি। দ্বিতীয়ার্ধে হঠাৎ ফ্লাড লাইট বন্ধ হয়ে যায়। বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। ফের ম্যাচ শুরু হলে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে ব্রাজিল। 

 ব্রাজিলের একের পর এক আক্রমণের মুখে পাল্টা অ্যাটাকে লিড নেয় স্বাগতিকরা। ৭৩ তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে জাকারিয়া এল ওউহাদি বল জালে জড়ান। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারতো মরক্কো। তবে বরাত মন্দ। ম্যাচের ৮১ মিনিটে সালিম এল জাবেরির গোলটা অফসাইড ঘোষণা করে রেফারি। 

শেষদিকে খেলায় ফেরার বেশ চেষ্টা করেও সমতা আনতে পারেনি ব্রাজিল। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর সিরিজের দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে মরক্কো এবং ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-২৩ দল।


আরও খবর

আসল ঘটনা কী, জানালেন তামিম !

বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

তামিমকে ছাড়া বিশ্বকাপ দল

মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩




রাশিয়া ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করছে

প্রকাশিত:বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

রাশিয়া ১৭টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পাশাপাশি রাতভর মাইকোলাইভ এবং ওডেসা অঞ্চলে আক্রমণে ২৪টি ড্রোন ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন। সোমবার ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার ১৮টি ড্রোন এবং সবকটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।

ওডেসার আঞ্চলিক গভর্নর ওলেহ কিপার বলেন, শস্য রফতানির জন্য ব্যবহৃত বন্দরগুলোর স্থান ইজমাইল আবার আক্রমণের শিকার হয়েছে এবং ভিলকোভ শহরের একটি বিনোদন কেন্দ্র আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। এসব হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

মাইকোলাইভের আঞ্চলিক গভর্নর ভিটালি কিম বলেন, ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি ভবনে আগুন লেগেছে। অন্যদিকে একটি বিস্ফোরণ তরঙ্গে আশপাশের অন্যান্য ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আঞ্চলিক গভর্নর ওলেক্সান্ডার প্রোকুদিনের মতে, খেরসন অঞ্চলে রাশিয়ার এক হামলায় কমপক্ষে চারজন আহত হয়েছে। রাশিয়ার বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে বেরিল শহরের একটি জনাকীর্ণ বাস স্টেশনে হামলা চালায়।

সোমবার ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হানা মালিয়ার বলেন, ইউক্রেনের বাহিনী বাখমুত এলাকায় রাশিয়ার বাহিনীর কাছ থেকে দুই বর্গকিলোমিটার, পাশাপাশি দক্ষিণ ইউক্রেনে পাঁচ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে।

এদিকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার জয়ের পরিণতি নিয়ে ভাবতে বলছেন ইউক্রেনের প্রধান ভলোদিমির জেলেনস্কি। এর ফলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। যুদ্ধবাজ ভ্লাদিমির পুতিনকে বারবার নির্বাচিত করে দ্বিতীয় হিটলার তৈরির জন্য রাশিয়াকে দোষারোপ করেন তিনি।

প্রায় ২৫ বছরে ধরে রাশিয়া শাসন করছেন পুতিন। এর মধ্যে চার বছর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

জেলেনস্কিকে উদ্ধৃত করে দ্য মিরর এক প্রতিবেদনে বলেন, বিশ্ববাসীর কাছে সব সম্মান খুইয়েছে রাশিয়া। বারবার পুতিনকে নির্বাচিত করে দ্বিতীয় হিটলার তৈরি করেছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন সিবিএসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন হেরে গেলে এতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু হতে পারে। রুশরা যদি পোল্যান্ড পৌঁছে, এরপর কী হবে? তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ? আমরা অতীতে ফিরে যেতে পারব না। কিন্তু আমরা এখানেই এর সমাপ্তি ঘটাতে পারি।


আরও খবর

পাকিস্তানি ১৬ ভিক্ষুক আটক

সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3




দেশে ১১ বছরের গ্যাস মজুদ রয়েছে

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ৮.৪৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত রয়েছে। যা দিয়ে আগামী প্রায় ১১ বছর সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সংসদে সরকারি দলের সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুলের টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, দেশে এ যাবৎ আবিষ্কৃত ২৯টি গ্যাসক্ষেত্রের প্রাথমিক মোট মজুত ৪০.৪৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এরমধ্যে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুদের পরিমাণ ২৮.৭৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত উত্তোলন করা হয়েছে ২০.৩৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ফলে মজুত অবশিষ্ট রয়েছে ৮.৪৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলনের লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এসব পদক্ষেপের আওতায় বিভিন্ন প্রচেষ্টা সত্ত্বেও নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে এবং বর্তমান হারে গ্যাস সরবরাহ করা হলে অবশিষ্ট মজুদ ৮.৪৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আগামী প্রায় ১১ বছর সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।’

তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাস চাহিদা পূরণে সরকার ২০২৫ সাল নাগাদ ৪৬টি (অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার) কূপ খননের মাধ্যমে নতুন নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তার মধ্যে ৭টি কূপ খনন কাজ শেষ হয়েছে এবং সম্প্রতি তিনটি নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে (টবগি-১, ভোলা নর্থ-২ এবং ইলিশা-১)। ২টি কূপ (বিয়ানীবাজার-১ এবং তিতাস-২৪) ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে ৭৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দেশের সমুদ্র এলাকায় নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের লক্ষ্যে ২ডি মাল্টি ক্লায়েন্ট সাইসমিক জরিপ পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া গত ৭ জুলাই ‘বাংলাদেশ অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৩’ অনুমোদিত হয়েছে। বর্তমানে দেশের অফশোর এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন বিডিং রাউন্ড আহ্বানের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


আরও খবর



কৃষি মার্কেটে ফায়ার সেফটি ছিল না : ফায়ার সার্ভিস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে কোনো ফায়ার সেফটি ছিল না। প্রাথমিক ফায়ার ফাইটিংয়ের কোনো ব্যবস্থাই ছিল না। ফুটপাত ও সড়কে দোকান থাকায় ও মানুষের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়েছে। পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও ছিল না।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কৃষি মার্কেটে লাগা অগ্নিকাণ্ডস্থলে সাংবাদিকদের একথা বলেন ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মোহাম্মদপুর নতুন বাজারে (কৃষি মার্কেট) আগুন ধরার খবর পেয়ে ৯ মিনিটের মাথায় আমরা এখানে চলে আসি। রাত ৩টা ৫২ মিনিট থেকে আমরা এখানে আগুন নির্বাপণের চেষ্টা করি। আমরা সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছি। ১৭টি ইউনিটে ১৫০ জন ফায়ার ফাইটার কাজ করেছে। আমাদের সঙ্গে বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী সহযোগিতা করেছে।

তিনি বলেন, আগুন লাগা এই মার্কেটটিতে কোনো সেফটি প্ল্যান নেই। এই মার্কেটটিতে বারবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্নভাবে গণসংযোগ করা হয়েছে। সচেতনতার প্রোগ্রাম যেভাবে আমরা করেছি সেভাবে তারা সাড়া দেয়নি। এই মার্কেটটা কিছুটা বঙ্গবাজার টাইপের। এখানে ভেতরে অনেক সাবওয়ে ছিল ছোট ছোট। কিন্তু ছোট ছোট এবং ভেতরে যতগুলো রাস্তা এবং বাইরের যে ছোট ছোট রাস্তা পুরোটাই বিভিন্ন মালামালে দিয়ে গাদাগাদি করে রাস্তাটা বন্ধ করা ছিল। এবং পুরো মার্কেটটাই গেট দিয়ে আটকানো ছিল।

তাজুল ইসলাম বলেন, এখানকার নাইট গার্ড যারা ছিলেন তারা বাইরে ছিলেন। তাদেরকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। ভেতরে ফায়ার ফাইটারদের প্রবেশ করতে আমাদেরকে বেগ পেতে হয়েছে। তালা ভেঙে এবং কলাপসিবল গেট ভেঙে আমাদেরকে ভেতরে গিয়ে তারপর আগুন নির্বাপণের কাজ করতে হয়েছে। এ মার্কেটের বাইরেও বিভিন্নভাবে রাস্তাগুলো দখল করা ছিল।

তিনি বলেন, দোকানের সামনে ছোটখাটো দোকান আমাদের একটা কালচার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এগুলোর জন্য আমাদেরকে বেগ পেতে হয়েছে। আমরা আসার পরই আগুনের মাত্রা অনেক বেশি দেখেছি। একটা পর্যায়ে মার্কেটের প্রায় চার ভাগের তিনভাগ সম্পূর্ণ আগুন ধরে যায় এবং আমরা চেষ্টা করি এই মার্কেটের ভেতরে যেন আগুনটা আবদ্ধ থাকে। আমাদের ফায়ার ফাইটাররা সর্বাত্মক চেষ্টা করে আগুনটাকে একটা জায়গায় সীমাবদ্ধ রাখতে পেরেছে।

আমরা এখন যেটা করছি আগুনটা সম্পূর্ণ নির্বাপণের চেষ্টা চলছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে তবে নির্বাপণে কিছুটা সময় লাগবে।

এর আগে আগুন লেগেছিল, তখন কী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেননি? জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রতি সপ্তাহের শনিবার গণসংযোগ করি। এছাড়াও বিভিন্ন সময় মার্কেটের প্রতিনিধিদেরকে ডেকে আমরা অনেকবার আলোচনা করেছি, অনেক ওয়ার্কশপ করেছি। মার্কেটের যারা মালিকপক্ষ তাদেরকে ডেকে আমরা বুঝিয়েছি সচেতনতার প্রোগ্রাম আমরা কীভাবে করবো।

প্রাথমিক ফায়ার ফাইটিং ওনাদেরকেই করতে হবে। এই মার্কেটে প্রাথমিক ফায়ার ফাইটিংয়ের কোনো ইকুইপমেন্টই ছিল না। কোনো ধরনের পানির সোর্স ছিল না। আমরা সবচেয়ে বেশি বেগ পেয়েছি পানির সোর্স। এখানে বিভিন্ন ভবনে পানির সোর্স রয়েছে, কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। খুব দ্রুত আমাদের পানি শেষ হয়ে যায়। আমরা বিশেষ পানির গাড়ি এনে এবং অন্যান্য বাহিনীর সহায়তায় এই কার্যক্রমগুলো করি।

আগুন নেভানোর এত সময় লাগার আরও বড় কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগুন নেভানোর আরেকটি বড় কারণ ছিল মানুষের ভিড়। মানুষের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের পুলিশ বিজিবি খুবই হিমশিম খেয়েছে। এই ভিড়ের কারণে আমাদের এত সময় লেগেছে। যদিও মানুষ চেষ্টা করতে চায় আমাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য কিন্তু আদৌ এটা আমাদের অনেক সময় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আগুনের সূত্রপাত আমরা তদন্ত করে দেখার চেষ্টা করবো জানার জন্য। তবে যতটুকু বুঝেছি মুদির দোকানের যেই অংশটি ছিল ওই অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত। আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যারা ছিল তাদের দুই একজন কিছুটা আহত হয়েছে। এর বাইরে কোনো বড় ধরনের হতাহতের তথ্য নেই।


আরও খবর