Logo
শিরোনাম

বাঁশের খুঁটিতে সুখের বিদ্যুৎলাইন

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 |
Image

মোজাহিদ সরকার, কিশোরগঞ্জঃ 

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিঠামইন জোনাল অফিসের অধীনে তিন হাওর উপজেলা ইটনা, অষ্টগ্রাম ও মিঠামইনে বিদ্যুৎ সরবরাহে ১০৭ কিলোমিটারে ৩৩ হাজার ভোল্টেজ (কেভি) ও ১৩৬০ কিলোমিটারে ১১ হাজার ভোল্টেজ (কেভি) বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। 

এখন ভরা বর্ষা, দৃষ্টিসীমা অবদি পানি আর পানি, তার মাঝে কয়েক শত কিলোমিটার বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন। প্রতিদিন বৈদ্যুতিক তার ও খুঁটি ঘেঁষে অবাধে চলাচল করে হাজারো নৌকা, ট্রলার ও লঞ্চ। ঝড়ের রাতে ঘটে যাত্রী ও নৌযান দুর্ঘটনা। সাময়িক বন্ধ হয়ে পড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক খুঁটির পরিবর্তে, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের খুঁটিতে চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ। চলতি বর্ষায় কিশোরগঞ্জ হাওরাঞ্চলে নির্মিত হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ চারটি বাঁশের খুঁটি। 

বর্ষাকালে বিস্তৃর্ণ হাওরের পানিতে থাকা খুঁটির গোড়ার মাটি নরম থাকে। এসময় পানির স্রোত, ঝড় ও নৌযানের সামন্য ধাক্কায় নড়ে উঠে বা পড়ে যায় খুঁটি। বিদ্যুৎ লাইন ছিঁড়ে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ। এসময় গ্রাহকের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে হাওরে বাঁশ-কাঠ দিয়ে নির্মাণ করা হয় ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি। 

এই বছর কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল অষ্টগ্রাম উপজেলার কলমা ইউনিয়নের কাকুরিয়া হাওর,  ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ি ইউনিয়নের শিমুলবাঁক হাওর ও মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের মুন্সীপুর ও গোপদিঘী ইউনিয়নের ডুবি হাওরে ৪টি বাঁশের খুঁটির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করেছে মিঠামইন জোনাল অফিস। 

কলমা হাওরে মৎস্য শিকারী হরিচরণ দাস (৪০) বলেন, নড়বড়ে বাঁশের খুঁটি সামনে দিয়া নাও (নৌকা) লইয়্যা যাতায়াত করতে, ডর (ভয়) লাগে। কখন যে কোন বিপদে পড়ি বলা মুশকিল। সব সময় আতংকে থাহি (থাকি)। 

ঢাকী ইউনিয়নের মাঝি রফিকুল মিয়া (৩৭) বলেন, ভরপুর বাইষ্যার (বর্ষা) সময় জ্বানডা (প্রাণ) হাতে লাইয়্যা নৌকা চালাতে হয়। ডর-ভয় করলে নিরুপায় হয়ে চলাচল করি। 

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সুত্রে জানা যায়, ভৌগোলিকভাবে হাওর উচু এলাকা থেকে ভিন্ন ধাচের। এখানে বর্ষামৌসুমে খুঁটি ভাঙ্গলে নতুন করে পুঁতা যায় না। শুষ্ক মৌসুমে পানি নেমে গেলে নতুন খুঁটি পুঁত্তে হয়। কিন্তু গ্রাহেক কথা চিন্তা করে বাঁশের খুঁটির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের কোন বিকল্প নেই। 

প্রবল স্রোত ও বিস্তৃর্ণ পানিতে ১০-১২জন শ্রমিক ও টেকনিশিয়ান মিলে নৌকা দিয়ে ১-২দিনে ১৫-২০ হাজার টাকা খরচে তৈরি করা হয় এসব খুঁটি। প্রতিবছর বর্ষায় কয়েকটি খুঁটি নির্মাণ করলেও শুষ্ক মৌসুমে বৈদ্যুৎতিক নতুন খুঁটি বসানো হয়। তবে, স্থানীয় সমাধানে বিশেষ পরিকল্পনা প্রস্তাব উর্ধ্বতন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে দুই বছর আগে। 

মিঠামইন পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন বলেন, হাওরে প্রবল স্রোতের কারনে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে সমস্যা হলে, মানুষের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অস্থায়ী বাঁশের খুঁটি নির্মাণ করা হয়। শুষ্ক মৌসুমে মেরামত করা হয়। তবে, স্থায়ী সমাধানে উর্ধ্বতন কর্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। 



আরও খবর



নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


ব্যতিক্রমী উৎপাদন-নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষ।

জংলি বেগুন গাছের সাথে গ্র্যাফটিং পদ্ধতিতে হাইব্রিড জাতের গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে সফল হয়েছেন কৃষক জহুরুল ইসলাম বাদল। কৃষক জহুরুল ইসলাম বাদলের বাড়ি নওগাঁর রানীনগর উপজেলার শিয়ালা গ্রামে। তিনি নিজস্ব জমিতে ফসল উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। জমিতে নতুন নতুন জাতের এবং অধিক উৎপাদনশীল ফসল উৎপাদন তার নেশা। সাধারণ যে কোন ফসলকে ব্যতিক্রমী উপায়ে উৎপাদন করে অধিক  লাভবান হওয়ার উপায় খুজে বের করেন কৃষক জহুরুল ইসলাম বাদল।

এ বছর তিনি জংলি বেগুন গাছের সাথে গ্র্যাফটিং পদ্ধতিতে হাইব্রিড জাতের গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে সফল হয়েছেন। জহুরুল ইসলাম বাদলের এসফলতা নিয়ে এলাকার কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পরেছে। তার এ সফলতা দেখে অনেক কৃষক গ্র্যাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেছেন।

কৃষক জহুরুল ইসলাম বাদল মোবাইল ফোনে ইউটিউব দেখা  ধারনা অনুযায়ী তার নিজস্ব ১৩ কাঠা জমিতে জংলি বা ঘুটি বেগুন গাছের চারা তৈরী করে সেই জংলি বেগুন গাছে গ্র্যাফটিংয়ের মাধ্যমে হাইব্রডি জাতের টমেটোর গাছ সংযোগ করার মাধ্যমেই কৃষক জহুরুল ইসলাম বাদল এখন সফল। বেগুন গাছে টমেটো চাষ করতে গিয়ে ১৩ কাঠা জমিতে সব মিলিয়ে তার খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।


রোপণ এর মাত্র দু' মাস পর থেকেই গাছে ফল আসতে শুরু করে এমনকি স্বাভাবিক টমেটোর গাছ থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরী গাছে অনেক বেশী টমেটো ধরেছে। ইতি মধ্যেই কৃষক জহুরুল ইসলাম বাদল জমি থেকে প্রতিদিন ৬০ বা ৭০ কেজি করে টমেটো উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। আগাম তোলা টমেটো বাজারে প্রতি কেজি প্রথম দিকে ১১০ টাকা করে বিক্রি করছেন এবং এখনও কিছুটা দর কমলেও তুলনা মূলক ভালো মূল্য পাচ্ছেন তিনি। ইতি মধ্যেই তিনি সেই হিসাবে মত বিগত দু’মাসে প্রায় ৪ লাখ টাকার টমেটো বিক্রি করেছেন। এগাছগুলো থেকে আরো এক মাস তিনি টমেটো বিক্রি করবেন বলে প্রত্যাশা করছেন। উৎপাদনের হার থাকবে একই রকম। খরচ বাদ দিয়ে নীট মুনাফা আসবে ৪ লাখ টাকার উপর বলেই তার আশা।  

নতুন প্রক্রিয়ায় টমেটো চাষের সফলতা দেখে এলাকার অনেক কৃষক-ই এখন এ পদ্ধদিতে টমেটো চাষ করতে অগ্রহী হয়ে উঠেছেন। জহুরুল ইসলাম বাদলের সহায়তায় তারা চাষ করতে চান।

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার কৃষি অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সময়ের প্রয়োজনে কৃষকদের নতুন নতুন অধিক উৎপাদনশীল ফসল চাষে আগ্রহী করে তুলতে কৃষি বিভাগ কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় চাষী জহুরুল ইসলাম বাদল সহ অনেকেই গ্র্যাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করে সাফল্য অর্জন করেছেন। এ ব্যপারে কৃষি বিভাগ সর্বাত্মক পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রাখবে বলে জানান কৃষি তিনি।


আরও খবর

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতীয় বীরদের স্মরণ

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




গজারিয়া মুন্সীগঞ্জ রুটে পুনরায় ফেরি সার্ভিস এর উদ্ধোধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

গজারিয়া প্রতিনিধিঃ 

গজারিয়া হতে মুন্সীগঞ্জ পুনরায় ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে।এসময় ৪টি প্রাইভেটকার স্বর্ণচাঁপা ফেরি দিয়ে গজারিয়া থেকে মুন্সীগঞ্জে পার করা হয়।

বুধবার ১ টায় গজারিয়া কাজীপুরা ঘাট হতে চর কিশোরগঞ্জ নৌরুটে আবার ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে স্বর্ণচাঁপা নামে একটি ফেরি চলাচল করবে। চাহিদা বাড়লে পর্যায়ক্রমে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হবে।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা ২০১৮ সালের ৩ জুন মুন্সীগঞ্জ-গজারিয়া নৌপথে প্রথমবারের মতো ফেরি সার্ভিস চালু করে। ২০১৮ সালের মাঝামাঝিতে এই নৌরুটে ফেরি সার্ভিস চালু করা হলেও নদীর দুই পাড়ের সড়কের বেহাল দশার কারণে কাঙ্খিত যানবাহন না থাকায় অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় ফেরি সার্ভিস। তবে এবার নদীর দুই পাড়ের সড়কের প্রশস্ততা বৃদ্ধি এবং মানোন্নয়নের কারণে এ পথে যোগাযোগ আগের চাইতে অনেক বেশি আরামদায়ক এবং দ্রুততর হবে ফলে যানবাহনের সংখ্যা আগের চাইতে অনেক বেশি বাড়বে আশা সংশ্লিষ্টদের।


এ সময় প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য মুন্সীগঞ্জ - ৩ আসন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক  এ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস। সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম,  বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিসি যুগ্ম সচিব ও কারিগরি ও প্রশাসন পরিচালক  মো. রাশেদুল ইসলাম , গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ মিনহাজ-উল- ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি, গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জেলা পরিষদ এর সদস্য, উপজেলা পরিষদ এর ভাইস চেয়ারম্যান গণ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান গণ, উপজেলা ছাত্র লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ সহ মুন্সীগঞ্জ জেলা ও গজারিয়া উপজেলার কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক সহ প্রমুখ।

এদিকে ৪ বছর পর মুন্সীগঞ্জ-গজারিয়া নৌপথে ফেরি চালু হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার ৬০ কিলোমিটার দূরত্ব কমেছে। গজারিয়ায় ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বাস্তবায়নাধীন শিল্পপার্ক, গার্মেন্টস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের বিষয়গুলো বিবেচনায় এনে ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে।


আরও খবর



কুমিল্লার কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রা‌মে ২০০৯সা‌লের ২৫জুন গৃহবধূ ঝর্ণা আক্তারকে যৌতুকের জন্য হত্যার ঘটনায় ১৩ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ও দশহাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ অনাদা‌য়ে ২মা‌সের সশ্রম কারাদ‌ন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।                                          বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালতের নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেষাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত। 

দণ্ডপ্রাপ্ত হ‌লেন জেলার চৌদ্দগ্রা‌মের আব্দুল কাদের। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার মালু মিয়ার ছেলে। 

নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেশাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত জানান  ২০০৯ সালের ২৪ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার আব্দুল কাদের তার স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার ৪ মাস আগেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়েতে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের কথা থাকলেও তারা ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকি ৩০ হাজার টাকার জন্যই তাকে হত্যা করে স্বামী আব্দুল কাদের। পরে তার লাশ পাশবর্তী একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার পর নিহতের বোন খা‌লেদা বেগম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত‌্যা  মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা,ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেটসহ ১২জ‌নের স্বাক্ষ‌্য গ্রহ‌ণ শে‌ষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর মামলার রায় দেন আদালত।  রা‌য়ে স্বামীর  মৃতু‌্যদন্ড হ‌লে এ মামলায় বাকী আসামী ২জন‌কে ‌বেকসুর খালাস প্রদান ক‌রে আদালত।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। আদাল‌তের রা‌য়ের পর আসামী‌কে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হ‌য়ে‌‌ছে। ২০০৯সা‌লের ২৫জুন গৃহবধূ ঝর্ণা আক্তারকে যৌতুকের জন্য হত্যার ঘটনায় ১৩ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ও দশহাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ অনাদা‌য়ে ২মা‌সের সশ্রম কারাদ‌ন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।                                          বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালতের নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেষাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত। 

দণ্ডপ্রাপ্ত হ‌লেন জেলার চৌদ্দগ্রা‌মের আব্দুল কাদের। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার মালু মিয়ার ছেলে। 

নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেশাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত জানান  ২০০৯ সালের ২৪ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার আব্দুল কাদের তার স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার ৪ মাস আগেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়েতে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের কথা থাকলেও তারা ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকি ৩০ হাজার টাকার জন্যই তাকে হত্যা করে স্বামী আব্দুল কাদের। পরে তার লাশ পাশবর্তী একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার পর নিহতের বোন খা‌লেদা বেগম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত‌্যা  মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা,ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেটসহ ১২জ‌নের স্বাক্ষ‌্য গ্রহ‌ণ শে‌ষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর মামলার রায় দেন আদালত।  রা‌য়ে স্বামীর  মৃতু‌্যদন্ড হ‌লে এ মামলায় বাকী আসামী ২জন‌কে ‌বেকসুর খালাস প্রদান ক‌রে আদালত।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। আদাল‌তের রা‌য়ের পর আসামী‌কে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হ‌য়ে‌‌ছে।


আরও খবর



নওগাঁয় আওয়ামীলীগের কার্যালয় ভাঙচুর

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 |
Image
বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ৯ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার ২০ নভেম্বর দিনগত রাতে নজিপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রাণেশ্বর হালদার বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধি-১৮৬০-এর ১৪৩, ৪৪৮, ৪২৭, ১১৪ ও ৩৪ ধারায় পত্নীতলা থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

পত্নীতলা থানার ওসি সেলিম রেজা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে এই মামলায় এখন পর্যন্ত "সংবাদ সংগ্রহকালে" কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

উল্লেখ্য- শনিবার দিবাগত রাতে নজিপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মামুদপুর মোড়ে অবস্থিত পৌর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এ হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবু তাহের, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বায়েজিদ হোসেন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল কাদের, পত্নীতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপি'র ২০ থেকে ২৫ জন নেতা-কর্মী এ হামলায় অংশ নেন। এ সময় তারা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে কার্যালয়ের ভেতর ঢুকে চেয়ার, টেবিল ও টিভি ভাঙচুর করেন। এছাড়া আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য অফিসের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নজিপুর পৌরসভার মেয়র রেজাউল কবীর চৌধুরী জানান, বিএনপি-জামায়াত ত্রাস সৃষ্টি করার জন্য আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নিজেরাই দলীয় অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। যাতে করে আগামী ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে নেতা-কর্মীরা যেন অংশ নিতে না পারেন, সে জন্য আওয়ামী লীগ এই মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে। সমাবেশে যেতে বাধাগ্রস্ত করতে আরো নতুন নতুন চক্রান্ত করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তিনি।


আরও খবর



নওগাঁর মহাদেবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ১০ জন আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁর মহাদেবপুর থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টমূলে ১০ জনকে আটক করেছে। 

বুধবার ২৩ নভেম্বর দিনগত রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন পুলিশ। আটককৃতদের বৃহস্পতিবার বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন, মারামারি প্রভৃতি মামলায় তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, মহাদেবপুর উপজেলা সদরের মাংস হাটির মৃত বিশ্বনাথ রবিদাসের ছেলে রাজন রবিদাস, সদর ইউনিয়নের লিচুবাগান ফাজিলপুর গ্রামের মৃত হাসেম আলী শেখের ছেলে তমিজ উদ্দিন, জোয়ানপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে আবু রায়হান, চেরাগপুর ইউনিয়নের শালবাড়ী গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ মামুন, ভীমপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দনারায়নপুর গ্রামের মৃত ছপতুল মন্ডলের ছেলে হেলাল ওরফে হেলু, খাজুর ইউনিয়নের কুঞ্জবন গ্রামের তসলিম উদ্দিন মন্ডলের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের মৃত তছির উদ্দিন মোল্লার ছেলে আবদুল জলিল মোল্লা, দরিয়াপুর গ্রামের সিদ্দিক শেখের জামাই মাসুদ রানা ওরফে হান্নান এবং পোরশা উপজেলার গোপালগঞ্জ যমুনার বাগান গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে তারেক হোসেন।


আরও খবর