Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ সবজি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

ভরা মৌসুমে বাজারে প্রচুর সরবরাহ থাকার পরেও লাগামহীন রয়েছে সবজির দাম। ষাটের নিচে তেমন কোনো সবজি নেই বললেই চলে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে আলুর দাম। প্রায় আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমেছে রসুনের দাম।

শুক্রবার (০২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, গোল বেগুন ৮০-৯০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ পিস, বাঁধাকপি ৪০-৫০ টাকা, শিম ৮০-১০০ টমেটো ৭০-৮০, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৭০-৮০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৭০-১০০ টাকা, শশা ৫০-৬০, মূলা ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে কিছুটা কমে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়াও শাকের মধ্যে সরিষা শাক আঁটি ১৫ টাকা, ডাটা শাক ১৫ টাকা, পালং ১৫-২০ টাকা, লাউ শাক ৪০-৫০, লাল শাক ১৫ টাকা, বথুয়া শাক ১৫-২০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় ভ্যানে কিংবা ফুটপাতের দোকানগুলোতে প্রত্যেক সবজির দাম ৫-১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর দাম কিছুটা কমেছে। ৪০ টাকায় নেমেছে আলুর কেজি। এছাড়াও ভ্যান গাড়িতে কিছু ছোট সাইজের আলু ৩৫ টাকাতেও বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে দেশি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়। ভরা মৌসুমেও কমছে না পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৯০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো বাজারে ১১০-১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে রসুনের দাম। প্রতি কেজি আমদানি করা রসুন ২২০-২৪০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। নতুন দেশি রসুন ২০০-২২০ টাকা কেজি। এছাড়াও আদা ২২০-২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে অস্বস্তি রয়েই গেছে মাছ-মাংসের বাজারে। আবারও ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে ব্রয়লার মুরগীর দাম। সোনালি ৩০০-৩৩০ টাকা। আবারও গরুর মাংস ৭০০-৭৫০ টাকায় দাম উঠেছে।

মাছের বাজারে সাইজ ভেদে তেলাপিয়া ২২০-২৩০ ও পাঙাশ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও একই দামে বিক্রি হয়েছে। অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। এছাড়াও ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ। মাছ যত বড় তার দাম ততো বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

 


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এক বদনা অজুর পানি ১০ টাকা !

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমা বিশ্ব ইজতেমার ৫৭তম আসর (প্রথম পর্ব)। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫১ মিনিটে এই মাঠেই দেশের বৃহত্তম জুম্মার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিকে নামাজের আগে ময়দানের বাইরে অজুর পানি সংকট দেখা দেয়। এতে বোতলজাত পানি কিনে অজু করেন অনেকে। এছাড়াও কিছু প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মুসল্লিদের বিনামূল্যে পানি দেওয়া হয়। তবে ভ্রাম্যমাণ কিছু ব্যবসায়ী এক বদনা পানি ১০ টাকায় বিক্রি করেন মুসল্লিদের কাছে।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জুমার নামাজের আগে ইজতেমার আশপাশে এমন চিত্র দেখা গেছে। এ ছাড়াও জায়নামাজের জন্য পলিথিন, ফয়েল পেপার, কাগজ ১০ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের স্টেশন রোড এলাকায় মুসল্লিদের কাছে ১০ টাকা বদনা পানি বিক্রি করছিলেন মারফত আলী। তিনি বলেন, বছরের অন্যান্য সময় আমি রিকশা চালাই। ইজতেমায় টঙ্গী এলাকায় রিকশা চলাচল এক প্রকার বন্ধ থাকে। তাই অজুর পানি সরবরাহসহ মুসল্লিদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে উপার্জন করে থাকি।

মারফত আলী বলেন, এক মহিলার মাধ্যমে দূর থেকে কলস দিয়ে পানি এনে ড্রামে মজুত করে তা মুসল্লিদের কাছে প্রতি বদনা ১০ টাকায় বিক্রি করছি।

পাশেই খোলা পানি বোতলজাত করে মুসল্লিদের কাছে বিক্রি করছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। তিনি খোলা পানি দুই লিটার বোতল ভরে ২০ টাকা দরে ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের কাছে বিক্রি করেন।

ইজতেমা ময়দানে জুমার খুতবা পাঠ শুরু হয় দুপুর ১টা ৩৭ মিনিটে। নামাজে ইমামতি করেন তাবলিগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বি এবং কাকরাইল মারকাজ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা জুবায়ের।

তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের কারণে এবারও বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাবলিগের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিরোধী পক্ষ মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা করছেন। চার দিন বিরতির পর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ইজতেমা করবেন ৯, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি।

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাড়বে রাতের তাপমাত্রা, বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

গত কয়েকদিন বৃষ্টির দেখা না পেলেও আবারও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বাড়বে রাতের তাপমাত্রা। তবে এখনও কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফে ৩১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় ঢাকার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যথাক্রমে ১৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি ও ২৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমের লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। প্রথম দিন বৃষ্টির আশঙ্কা নেই। তবে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও অপরিবর্তিত থাকবে দিনের তাপমাত্রা। শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

দ্বিতীয় দিনও বৃষ্টি শঙ্কা নেই। তবে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে। শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তৃতীয় দিন বৃষ্টি পূর্বাভাস রয়েছে। সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলসহ ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া অন্য জায়গায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও সামান্য বাড়বে রাতের তাপমাত্রা।

 

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তাপ ছড়ালেন রুনা খান!

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নতুন ছবি দিয়ে অন্তর্জালে উত্তাপ ছড়ালেন অভিনেত্রী রুনা খান। বছরখানেক আগে ওজন কমিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ছবি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরেও কয়েকটি স্থিরচিত্র পোস্ট করেন রুনা খান। জানালেন, এই ফটোশুটের পেছনের গল্প। রুনা বলেন, আমি ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করি। ইনস্টাগ্রামে দীপিকা, প্রিয়াঙ্কা, ক্যাটারিনা, কারিনা কাপুর, আলিয়া ভাট ওদের সবার ফটোশুট দেখি। সেই দেখা থেকে কিছুটা অনুপ্রাণিত হয়ে এমন একটা ফটোশুট করা।

টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু হয়। তিনি হালদা চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি গহীন বালুচরছিটকিনি ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। তার বেশকটি সিনেমা মুক্তিরও অপেক্ষায় রয়েছে।

রুনা খান বলেন, এই ফটোশুটের উদ্যোগ আমার নয়। অবশেষে যখন ফটোশুটের বিষয়টি ফাইনাল হলো, তখন শুধু একটা বিষয় চেয়েছিলাম, মেকআপটা যেন আন্তর্জাতিক মানের হয়।

কারণ হিসেবে রুনা বলেন, বাংলাদেশের মেকআপে অন্য রকম একটা ব্যাপার আছে, মোটা আইল্যাশ পরাবে। চোখের ওপর গ্লস দিয়ে ভরে ফেলবে। পারলার টাইপের মেকআপ যেটাকে বলে। আমি ধরে দেখিয়ে দিয়েছি, আমি দীপিকার এই লুক, প্রিয়াঙ্কার নো মেকআপ লুকটা চাই। চোখের পাপড়িটা চাই। চেহারার পুরো ব্যাপারটা যেন বোঝা যায়। এ চাওয়াটা ছিল।

তিনি আরও বলেন, চাইলেই তো আর প্রিয়াঙ্কা, দীপিকা ও ক্যাটরিনার মতো সবকিছু সম্ভব নয়। কারণ, ওরা তো আমাদের চেয়ে হাজার গুণ পেশাদার। তাঁদের কাজের ধরনও আমাদের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তারপর লুকওয়াইজ কাছাকাছি কিছু একটা করার চেষ্টা করেছি। আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ডে যতটা ধরা যায়।

এক যুগ আগে রুনা খানের ওজন ছিল ৫৬ কেজি। ২০০৯ সালে তার বিয়ে হয়। পরের বছরই সন্তান রাজেশ্বরীর জন্ম। একসময় রুনার ওজন ৯৫ কেজিতে গিয়ে ঠেকে।

সন্তান জন্মের এক বছর পর, মানে ২০১১ সাল থেকে ওজন কমানোর মিশন শুরু করেন রুনা। কিন্তু কোনোভাবেই পারছিলেন না, বরং একপর্যায়ে ওজন আরও বেড়ে হয় ১০৫ কেজি। ওজন কমাতে ধানমন্ডির একাধিক জিম ও প্রশিক্ষকের শরণাপন্ন হন তিনি। শুরু করেন সাঁতার। ভর্তি হন ইয়োগা ও অ্যারোবিকস ক্লাসেও। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া শুরু করেন।

 


আরও খবর

ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন পরীমণি

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত মাহিয়া মাহির

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাণীনগরে পানি সেচ না দেয়ায় আলু ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে চলতি মৌসুমে জমিতে পানি সেচ না দিয়ে আলু ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ ওঠেছে গভীর নলকূপ অপারেটর মোজাম্মেল মোল্লার বিরুদ্ধে। এঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক উপজেলা সেচ কমিটি এবং বিএমডিএ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে সু-বিচার দাবি করেছেন কৃষক এনামুল হক।

উপজেলার কালীগ্রাম ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে কৃষক এনামুল হক অভিযোগ করে বলেন,চলতি মৌসুমে গ্রামের পশ্চিম মাঠে বিএমডিএর গভীর নলকূপের আওতায় প্রায় সাড়ে ১৬শতক জমিতে আলু রোপন করেছেন। জমিতে আলু রোপনের পর থেকে একই মাঠে সকল কৃষকের জমিতে পানি সেচ দিলেও আমার জমিতে এক ফোটা পানিও সেচ দেয়নি গভীর নলকূপের অপারেটর একই গ্রামের মোজাম্মেল মোল্লা। এতে পানির অভাবে ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি আরো জানান,জমিতে পানি সেচ না দেয়ায় স্থানীয় মেম্বার ও গন্যমান্য লোকজন নিয়ে বসেছিলাম। সেখানে পানি সেচের জন্য ১৫শত টাকা মিটমাট হলেও পরে আর পানি দেয়নি। ফলে ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি জানান,পারিবারিক দ্ব›েদ্বর জ্বের ধরে জমিতে পানি সেচ দেয়নি। বাধ্য হয়ে সু-বিচার পেতে রোববার বিকেলে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিএমডিএ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

স্থানীয় মেম্বার হেলাল উদ্দীন বলেন,আমরা বিষয়টি নিয়ে বসে সমাধান করেছিলাম। কিন্তু উভয় পক্ষের জিদের কারনে পরে আবারো তা ভেস্তে গেছে।

এব্যাপারে গভীর নলকূপের অপারেটর মোজাম্মেল হকের সাথে যোগাযোগ করতে তাকে না পাওয়ায় মোজাম্মেলের ছেলে আব্দুল মমিন মোল্লা বলেন,ধানের জমিতে পানি সেচ দিয়ে গত দুই বছরেও এনামুল কোন টাকা দেয়নি। তার জমিতে পানি সেচ ও জমিতে চাষ বাবদ ৩হাজার  ৩০০টাকা পাওনা রয়েছি আমরা। টাকা চাইলে নানানভাবে টালবাহনা করে। ফলে আমরা জমিতে পানি সেচ দিইনি।

রাণীনগর উপজেলা বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী ইমানুর রহমান বলেন,এব্যপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাবাসসুম বলেন,লিখিত অভিযোগের বিষয়টি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সামান্য কমেছে সবজির দাম, বেড়েছে মাংসের!

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

কিছুদিন আগে সবজির ভরা মৌসুমেও দাম ছিল চড়া। সপ্তাহের ব্যবধানে এখন কিছুটা কমেছে সবজির দাম। তবে বেড়ে চলেছে গরুর মাংসের দাম। এছাড়া বাজারে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দেখা গেছে চিত্র।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতের শিম, মুলা, শালগম প্রতি কেজি ও এবং ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার মধ্যে। যা গত সপ্তাহ থেকে প্রকারভেদে ১০-২০ টাকা কম। এর মধ্যে প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। লাউয়ের দামও প্রায় ১২০ টাকা থেকে কমে নেমেছে ১০০ টাকার নিচে নেমেছে।

যাত্রাবাড়ি বাজারের সবজি বিক্রেতা কামরুল হাসান বলেন, এখন বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো। এ কারণে সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। দীর্ঘদিন পরে সবজির দাম নিম্নমুখী।

যাত্রাবাড়ির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আলুর কেজি ৪০ টাকা, টমেটো গাজার ও শসার কেজি ৪০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, বরবটি ও করলা ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো কমেনি। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়। একই সঙ্গে চড়া দামে আদা ও রসুন দুই পদই বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা দরে।

এদিকে বাজারে কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। ভোটের আগে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬০০ টাকা পর্যন্ত নামলেও ভোটের পর তা ৭০০ টাকায় গিয়ে ঠেকে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে আরও দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা।

গরুর মাংসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, রোজা ও কোরবানি সামনে রেখে খামারিরা গরু বিক্রি কমিয়েছেন। সেজন্য বাজারে সরবরাহ কম, দাম বাড়ছে।

রূপস নামের এক ক্রেতা বলেন, অনেকে দামের কারণে গরুর মাংস কেনা ছেড়ে দিয়েছিলেন। মাঝখানে দাম কমানোয় ক্রেতা বেড়েছিল। এখন আবার দাম বাড়া শুরু করেছে। রমজান মাসে গরুর মাংসের দাম বেড়েছে। রমজান শুরু হলে এর দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে কে জানে।

এদিকে বাজারে চড়া দামে আটকে আছে ব্রয়লার মুরগি ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। প্রতি হালি বাদামি ডিম ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বড় বাজারে। আর পাড়া-মহল্লার দোকানে প্রতি হালি ডিমের দাম ৫০ টাকা, ডজন ১৫০ টাকা। এছাড়া ব্রয়লার মুরগির কেজি ২২০ থেকে ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪