Logo
শিরোনাম

বায়তুল্লাহ- এর প্রেম মানুষকে বদলে দেয়

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

আমিনুল ইসলাম কাসেমী :


বায়তুল্লাহ। আল্লাহর ঘর। এর প্রেম মানুষকে বদলে দেয়।  কেননা ঘর তো আল্লাহর।  তার ঘরের সাথে প্রেম মানে তার সাথেই প্রেম।  আর আল্লাহর সাথে ভালবাসা মানেই দুনিয়া - আখেরাতের কামিয়াবী।    এভাবেই একজন মানুষ  বদলে যায়। বদলে যায় তার দেহমন- হৃদয়। ভালবাসা সর্বোচ্চ শিখরে পৌছে যায়। ঈমান- ইসলামের শিখরে অবস্হান করতে শেখে।


মক্কায় অবস্হিত বায়তুল্লাহ।  আল্লাহতায়ালা এ ঘর কে সর্বোপ্রথম বানিয়েছেন। যেটাকে করেছেন বরকতময়।  সেই বরকতময় ঘরের সাথে লটকে আছে লক্ষ- কোটি মুমিন- মুসলমানের হৃদয়। সেই ঘরের প্রতি সকল মুমিন- মুত্তাকীদের অপরিসীম ভালবাসা। প্রতিনিয়ত সে প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে অজস্র ঈমানদার মানুষ।  আর এটা এমন প্রেম এমন ভালবাসা, যে একবার এ সুধা পান করেছে তার পিপাসা আরো বেড়ে যায়। বারবার পান করতে চায় সেই আল্লাহ প্রেমের শরাব।


বহু হজ ওমরা পালনকারীদের ব্যাপারে আমার জানা আছে, এ জায়গাতে বারবার আসছেন, বারবার এ ঘর তাওয়াফ করছেন, তারপরেও তাদের যেন পিপাসা মেটেনা। বরং আরো বেশী ইশকের আগুন জ্বলে ওঠে। শত ব্যস্ততার মধ্যে বায়তুল্লাহ - তে এসে পড়ে। লুটে পড়ে মহান রবের দরবারে। ফরিয়াদ করতে থাকে তাঁর কাছে। দুনিয়ার সকল কর্মযজ্ঞের অবসান ঘটিয়ে মহান আল্লাহর প্রেমে মাতুয়ারা হয়ে ওঠে। 


বায়তুল্লাহ এমন এক ঘর যার উপর প্রতিদিন ১২০ চি রহমত নাজিল হয়। তাওয়াফকারীদের উপর ৬০ টি রহমত, অন্যান্য ইবাদতকারীদের উপর ৪০ টি রহমত এবং যারা  ঘরের প্রেমে পাগল হয়ে তাকিয়ে থাকে তাদের প্রতিও ২০ টি রহমত নাজিল হয়। মোটকথা খোদাপ্রেমিকগণ মোটেও বঞ্চিত নন এখানে। খালি হাতে কেউ ফেরে না এ জায়গাতে। বরং  এই বায়তুল্লাহপ্রেমিকগণ তৃপ্ত হৃদয় এবং মহান রবের অনুকম্পা নিয়েই বাড়ি ফেরে।  


তাই তো বদলে যায় বায়তুল্লাহর মুসাফিরগণ। পূর্বের অভিশপ্ত জীবনের ইতিটেনে নতুন স্বপ্নের বাসা বুনতে থাকে।।  নতুন জীবন পা রেখে ঈমানী তাকাতে উজ্জীবিত হতে থাকে। দিনে দিনে বদলে যায় তার জীবন। বায়তুল্লাহ প্রেমে পাগল হয়ে আবারো ছুটে চলে মক্কার পানে। তেমনি এক বায়তুল্লাহ প্রেমিকের দেখা হল।   বারবার তিনি ছুটে যান সেখানে। এভাবে নিজের জীবনকে  রাঙিয়ে দিচ্ছেন।


আল্লাহতায়ালা সকল মুমিন বান্দাকে তাঁর ঘরের প্রেমে পাগল  হয়ে সেখানে হাজিরি দেওয়ার তাওফিক দান করেন। আমিন।


লেখক : শিক্ষক ও কলামিস্ট


আরও খবর

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩




নওগাঁয় ২ হাজার ৭৯ লিটার মদ সহ দু'জন মাদক কারবারি আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র  রিপোর্টার :

নওগাঁয় র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, এর অভিযানে ২ হাজার ৭৯ লিটার চোলাই মদ সহ দু' জন মাদক কারবারিকে আটক। র‌্যাবের চৌকস টিম বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে নওগাঁর ধামুরহাট উপজেলার আবাদপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে চোলাই সহ হাতেনাতে তাদের কে আটক করেন। 

আটককৃতরা হলেন, নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার আবাদপুর গ্রামের সুরেশ সিং এর ছেলে পলাশ সিং (২০) এবং  বিজেন সিং এর ছেলে  বিজেট সিং (৪০)। 

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম প্রতিবেদক কে জানান, বেশ কিছু দিন থেকে আবাদপুর গ্রামে নিজ নিজ বাড়িতে পলাশ সিং এবং বিজেট সিং গোপনে চোলাই মদ উৎপাদন পূর্বক পুরাতন ছোট ছোট বোতল জাত পূর্বক বিভিন্ন এলাকায় ৫০ টাকা ও ১০০ টাকা করে বিক্রি আসছিলেন। এমন তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১০টারদিকে সহকারি পুলিশ সুপার ইমদাদ হোসেনকে সাথে নিয়ে এক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান কালে ২ হাজার ৭৯ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার সহ পলাশ সিং এবং বিজেট সিংকে হাতেনাতে আটক করা হয়। 

র‌্যাব প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এর বরাত দিয়ে আরো জানান, আটককৃতরা অবৈধভাবে নিজ বসত বাড়ীতে চোলাই মদ উৎপাদন করে সংরক্ষণের পর নওগাঁ ও জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবী ও মাদক কারবারীদের নিকট খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করে আসছিলেন। 

আটকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ধামইরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের শেষে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ বাহার উদ্দিন ফারুকী জানান, মামলায় আটকৃত পলাশ সিং এবং বিজেট সিংকে গ্রেফতার দেখিয়ে শুক্রবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়। 


আরও খবর



নির্বাচনে অংশগ্রহনের ব্যাপারে বিএনপি চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে অক্টোবরে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

সদরুল আইন, বিশেষ প্রতিবেদক :

বিএনপি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে এক দফা আন্দোলন করছে।

 টানা কর্মসূচির মধ্যে আজও তারা কিছু কর্মসূচি পালন করেছে। তবে এই কর্মসূচির মধ্যে বিএনপি নির্বাচনে যাবে কি যাবে না এমন গুঞ্জনও রয়েছে।

 বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখন নির্বাচন কেন্দ্রিক বক্তব্য-বিবৃতি দিচ্ছেন। সরকার নির্বাচনের জন্য প্রশাসন সাজিয়েছে, এক তরফা ভাবে নির্বাচন করতে চায়, আওয়ামী লীগ বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য মামলা হামলা ইত্যাদি দিচ্ছে এরকম নানা অভিযোগ তিনি সামনে এনেছেন। 

ধারণা করা হচ্ছে যে, নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে বিএনপি অপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিতে চায়। বিএনপির নেতারা মনে করছেন, একটি এক্সিট পয়েন্ট লাগবে।

 বিএনপি যে এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না বা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় ছাড়া কোনো নির্বাচনে যাবে না বলছে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য তাদের একটা পথ দিতে হবে।

 এরকম একটি পথ হতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা দেশগুলোর পরামর্শ। আগামী ৭ অক্টোবর মার্কিন প্রাক নির্বাচনী প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করছেন। তারা এই সফরে বিএনপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং এই সাক্ষাতে যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা বিএনপিকে আশ্বস্ত করে যে, তোমরা নির্বাচনে যাও এবং অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় কিনা সেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্য দেশগুলো তদারকি করবে তাহলে বিএনপি তার অবস্থান পাল্টাতে পারে।

 তবে সেক্ষেত্রেও নির্বাচনকালীন সরকার, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন সহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের অবস্থান রয়েছে। তবে বিএনপির একজন নেতা এই নিয়ে হতাশার কথা শুনিয়েছেন। 

তিনি বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না। তার মানে সরকার আবার একটি এক তরফা নির্বাচনের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি নির্বাচনের পর্যবেক্ষক দল না পাঠায় তাহলে পরে এই নির্বাচন যে একটা অর্থহীন নির্বাচন হবে সেটি বলাই বাহুল্য এবং ওই নির্বাচনের ফলাফল পূর্ব থেকে নির্ধারিত থাকবে। 

তাই সেই নির্বাচনে গিয়ে বিএনপি তার অবস্থান নষ্ট করতে চায় না। তবে এ নিয়েও বিএনপির মধ্যে ভিন্ন মত আছে।  

বিএনপির কোন কোন নেতা বলছেন, বিএনপির অবস্থা এখন আগের চেয়ে ভালো। বিএনপি যদি নির্বাচন না করে এবং শেষ পর্যন্ত যদি সরকার ঝুঁকি নিয়ে হলেও নির্বাচন করে ফেলতে পারে তাহলে বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। এর ফলে তাদেরকে রাজনীতি থেকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা যাবে। 

কিন্তু কৌশলগত কারণের জন্য তারা যদি নির্বাচন করে এবং নির্বাচনের মধ্যেই তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখে, সরকারের পক্ষপাত এবং কারচুপির বিষয়গুলো প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করাতে পারে তাহলে তাদের আন্দোলনের একটা নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং ওই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমেই তারা নির্বাচন বানচাল এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিকে জোরদার করতে পারে। 

তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিএনপির এই মনোভাব নিয়ে যথেষ্ট আপত্তি রয়েছে। 

তারা মনে করছে, সরকারের অনেক এজেন্ড বিএনপির মধ্যে রয়েছে। যারা বিএনপিকে বারবার বিভ্রান্ত করছে। ২০১৮ নির্বাচনে এভাবেই বিএনপিকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল বলে তারা মনে করেন। এরকম ফাঁদে পা দিলে বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তাদের ধারণা। 

তবে এখন বিএনপির জন্য একটি জটিল মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো আন্তর্জাতিক চাপ। আন্তর্জাতিক মহল যদি বলে যে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দেখতে হবে যে নির্বাচন কতটুকু পক্ষপাতপূর্ণ হচ্ছে। আর দ্বিতীয়ত তৃণমূলের চাপ, তৃণমূল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তাহলে অনেক প্রার্থী নির্বাচনমুখী হতে পারে এবং সেটি বিএনপির জন্য আরেকটি বড় সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। 

কাজেই দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনের ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।


আরও খবর



যমুনা ও আত্রাই নদীর ৬ স্থানে ভাঙ্গন,

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

বুধবার নওগাঁর রাণীনগরে ছোট যমুনা নদীর নান্দাইবাড়ি ও কৃষ্ণপুর নামক স্থানের বেরিবাঁধ এবং মঙ্গলবার মান্দা উপজেলার আত্রাই নদীর উভয় তীরের ছয় স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত আড়াই হাজার পরিবার। এরই মধ্যে ভেঙেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তলিয়ে গেছে কয়েক হাজার বিঘা জমির আউশ ও আমন ধানের ক্ষেত। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে বন্যা কবলিত এলাকার হাজারো মানুষ। 

সরেজমিনে রাণীনগর গিয়ে জানা যায়, কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ছোট যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আসছিল। এতে আতঙ্কে ছিলেন বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। এরই মধ্যে বুধবার ভোররাতে উপজেলার গোনা ইউনিয়নের নান্দাইবাড়ি-মালঞ্চি মাদ্রাসা সংলগ্ন এবং মালঞ্চি-কৃষ্ণপুর ভাটা এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। ফলে প্লাবিত হয় বেড়িবাঁধ এলাকার নান্দাইবাড়ি, মালঞ্চি ও কৃষ্ণপুর তিন গ্রাম এবং ভেঙেছে মালঞ্চি মাদ্রাসার একটি দেওয়াল। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েন তিন গ্রামের প্রায় ৯শ’ পরিবার।

নান্দাইবাড়ি গ্রামের ফারুক ও একই এলাকার এছাহক বলেন, সকাল হওয়ার আগে আমার ঘরের ভিতর হাটু পানি হয়ে যায়। পুকুরে গিয়ে দেখি সব পুকুরের সব মাছ ভেসে গেছে। এতে আমার প্রায় লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। একই এলাকার এছাহক আলী জানান, বেড়িবাঁধ ভাঙনের কারণে তার দু'টি পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। প্লাবিত হয়েছে ফসল, সবজির ক্ষেতসহ বাড়িঘর।

তারা আরো বলেন, প্রতি বছরই এই বেড়িবাঁধ ভাঙে। নাম মাত্র করা হয় মেরামত। এতে করে প্রতি বছরই ৩ গ্রামের মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন। তারা বলছেন, গত বছর এবং তার আগের বছর ভাঙলে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নান্দাইবাড়ি-মালঞ্চি ও কৃষ্ণপুর বেড়িবাঁধ মেরামত করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে মেরামত কাজ না হওয়ায় এবারও বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। এতে প্রতি বছর ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাদের দাবি- বস্তাভর্তি বালু দিয়ে বেড়িবাঁধ মেরামত না করে সিসি ব্লক এর মাধ্যমে স্থায়ীভাবে বেড়িবাঁধ মেরামত করা হলে আমরা বন্যা থেকে রক্ষা পাবো।

অপরদিকে মঙ্গলবার নওগাঁর মান্দা উপজেলায় বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নুরুল্লাবাদ ইউনিয়নের সাতটি গ্রাম। এ ইউনিয়নের নুরুল্লাবাদ ও পারনুরুল্লাবাদ এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ৪শ পরিবার এবং ফকিন্নি নদীর তীরবর্তী এলাকায় আরও অন্তত ৬শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া প্রসাদপুর ইউনিয়নের বাইবুল্যা ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কয়লাবাড়ী এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৫শ পরিবার। দীর্ঘদিন যাবত নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ মূল বাঁধ সংস্কার না করার কারণে বেশকিছু অংশ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাই নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বাঁধের ঝঁকিপূর্ণ অংশে নতুন করে ভেঙ্গে যাওয়ার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে অন্যান্য স্থানের নদীপাড়ের মানুষরা।

মান্দা উপজেলার নুরুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এই ইউনিয়নের সাতটি গ্রামের অন্তত ১ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব গ্রামের পানিবন্দি মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, ইতিমধ্যে বন্যা কবলিত এলাকা গুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে বস্তায় বালু ভর্তি করে মেরামতের কাজ চলছে। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সার্বক্ষনিক তদারকি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, বেড়ি বাঁধের আর কোথাও যেন নতুন করে ভেঙে না যায় এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা নিয়ে ভেঙে যাওয়া অংশে বস্তায় বালি ফেলে বন্ধ করার কার্যক্রম চলছে।

নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রবীর কুমার পাল বলেন, রবিবার সকাল থেকে ছোট যমুনা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত এ নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ১১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ভেঙে যাওয়া অংশগুলো আমরা উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে জিওব্যাগের মাধ্যমে মেরামতের চেস্টা অব্যাহত রেখেছি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে নদীতে আরও পানি বাড়তে পারে। নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আরও খবর



ইউক্রেনের নজর এবার ক্রিমিয়ায়

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

দক্ষিণে জাপোরিজ্জিয়া ও পূর্বে বাখমুত রণক্ষেত্রে পাল্টা আক্রমণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সাফল্য পাচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী। এই সাফল্যের মধ্যেই তারা রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়ায় আক্রমণ জোরদার করেছে।

রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের সদর দপ্তরে হামলার পর দিন শনিবার ক্রিমিয়ায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে শেয়ার করা ছবিতে আকাশে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।

সেভাস্তোপলের রাশিয়াপন্থি গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ টেলিগ্রামে বলেছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, রুশ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইউক্রেনীয় হামলায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। বিস্তারিত তথ্য না দিয়ে তিনি শুধু বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ শহরের বিভিন্ন স্থানে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের বিপদ শিরোনামে পরবর্তী পোস্টে সতর্ক করে তিনি বলেছিলেন, বাড়ির গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রাখতে হবে। অন্য এক বার্তায় তিনি বলেন, আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শঙ্কা রয়েছে।

টেলিগ্রামের তথ্য অনুসারে, রাশিয়ার সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়েছে।

টানা দুদিনের হামলায় স্পষ্ট হচ্ছে, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী ক্রিমিয়া ও রাশিয়া কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরকে লক্ষ্য করে আক্রমণ জোরদার করেছে।

২০১৪ সালে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া। এখানে রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহর মোতায়েন রয়েছে। মস্কোর এই দখলকে স্বীকৃতি দেয়নি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। রুশ সেনাদের দখল থেকে ভূখণ্ডটি পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

সূত্র : নিউজউইক।


আরও খবর

পাকিস্তানি ১৬ ভিক্ষুক আটক

সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3




ফুলবাড়িতে পৃথক দুটি অভিযানে দুই মাদক কারবারি আটক

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

উত্তম কুমার মোহন্ত, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এর নির্দেশ ক্রমে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে ফুলবাড়ি থানা পুলিশের বিশেষ পৃথক দুটি অভিযানে ১৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ৫০ বোতল ইস্কাফ সহ দুই মাদক কারবারি আটক।

জানাযায়,১৫(সেপ্টেম্বর) শুক্রবার ফুলবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) তদন্ত জনাব সজীব এর নেতৃত্বে থানা পুলিশের মাদক উদ্ধার কারী একটি চৌকস টিম রাত নয়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর মৌজার ডোলের পাট নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ইস্কাফ সহ অত্র এলাকার মোঃ মহাজার আলীর মাদক কারবারি ছেলে মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৩৬) কে হাতেনাতে আটক করে।

অপরদিকে থানা পুলিশের আরও একটি মাদক উদ্ধার কারী চৌকস টিম ১৬ (সেপ্টেম্বর ) রোজ শনিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর চারটার দিকে একই ইউনিয়নের অনন্তপুর মৌজার তেঁতুল তলা গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪০) এর বসত বাড়ীতে তল্লাশি চালিয়ে ১৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা সহ তাকে হাতেনাতে আটক করে।

এব্যাপারে ফুলবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) তদন্ত জনাব, সজীব জানান, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর