Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়: সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:


সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেছেন, বছরে ৭ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার বা ৮১ থেকে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। টাকা পাচার থেকেই ডলার সংকটের শুরু। তাই জরুরি ভিত্তিতে এটি রোধ করার পদক্ষেপ দরকার।



বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি। 



সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঋণের ২২ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ব্যাংকের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর রাশ টানতে হবেই। ব্যাংক কমিশন করলে ভালো, না হলে অন্তত শক্তিশালী একটা কমিটি করা উচিত বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে।


এডিপি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা হওয়ার কথা এডিপি। হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে ধনীদের করহার বাড়ানো, সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানিতে করমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের মতো প্রস্তাব সাহসী পদক্ষেপ।’


ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ পর্যায়ে উৎসে কর ১ শতাংশ কমানো মূল্যস্ফীতি কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু পণ্যের দাম কমছে। বাজেটের পর দাম বাড়েনি। মে পর্যন্ত ১১ মাসে প্রবাসী আয় ২ বিলিয়ন বেড়েছে।


এবারের বাজেটে সরকার বেশ কিছু সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে শামসুল আলম বলেন, মূল্যস্ফীতি কমানোর উদ্দেশ্যে সরকার এবার বাজেটের আকার কমিয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির কারণে এবারের বাজেট হওয়ার কথা ছিল ৯ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা।


 সেখানে এবার বাজেট সংকুচিত করে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার বাজেট সংকুচিত করা হয়েছে। টাকার সরবরাহ কমলে মূল্যস্ফীতি কমবে। এবারের বাজেটে কৃপণতা দেখানো হয়েছে। 



এ ছাড়া ঘাটতিও কমানো হয়েছে, যা খরচ কমানোর স্বার্থে করা হয়েছে। সে জন্য বলছি, এটি একটি সাহসী বাজেট। বাজেটে করপোরেট কর হার কমানো হয়েছে। উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সামষ্টিক অর্থনীতিতে বাজেটের ইতিবাচক দিক হলো রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের আসল জায়গা। কৃষি না হলে বাংলাদেশ চলবে না। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে কৃষিকে সামনে রেখেই কাজ করতে হবে। কেন না কৃষিই আমাদের দেশের প্রাণ।


বাজেট নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট খুব কঠিন জিনিস। এবার অনেক চিন্তা-ভাবনা করে বাজেটটি দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার যে বাজেটটি দিয়েছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। এটি জনবান্ধব বাজেট। বাজেট এখনো পাশ হয়নি। তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে এবং করা হবে।


বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসান বলেন, বিগত ১৫ বছরের বাজেট পর্যালোচনায় দেশজ উৎপাদন ৬ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে দারিদ্র্যের হার ১৮ শতাংশ কমে এসেছে। আগে আয়ু ছিল ৪২ বছর, বর্তমানে তা বেড়ে ৭২ বছর হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষির উৎপাদন বেড়েছে। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসারকালে ৩০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যঘাটতি ছিল, বর্তমানে তা উদ্বৃত্ত রয়েছে। 


অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জিয়াকুন শি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির মহাসচিব মিজানুর রহমান কাজলসহ অনেকে।




আরও খবর



দেশের প্রাথমিক স্কুলসমুহ খুলছে কাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:


বিশ দিনের ছুটি কাটিয়ে আগামীকাল বুধবার (৩ জুলাই) খুলছে প্রাথমিক স্কুল। 



গত ১৩ জুন শুরু হয় চলতি বছরের ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি। শিক্ষাপঞ্জি হিসেবে আজ ২ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়। আগামীকাল ৩ জুলাই যথারীতি শুরু ক্লাস শুরু হবে। 



শিখন ঘাটতি পোষাতে মাধ্যমিকে ঘোষিত ছুটি এক সপ্তাহ কমিয়ে গত ২৬ জুন থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে স্কুল কলেজ। তবে প্রাথমিকে পূর্বঘোষিত ছুটি বহাল রাখা হয়।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন ২০ দিনের ছুটি শেষে আগামীকাল প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলছে। বন্যা ও অতি বৃষ্টির কারণে স্কুলের ছুটি বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেই।


এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মন্ত্রণালয়ের অধীন নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবারের গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হয়েছে।



 ২ জুলাই পর্যন্ত এই ছুটি থাকার কথা ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত হলো, বুধবার (২৬ জুন) থেকে খুলে দেওয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে শুক্রবারের পাশাপাশি শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




আইএমএফ থেকে ১১৫ কোটি ডলার ঋণ পেল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের তৃতীয় কিস্তিতে ১১৫ কোটি মার্কিন ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। 



গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) এই ঋণ ছাড় করে আইএমএফ বোর্ড। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, আইবিআরডি (ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ও আইডিবি (ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) থেকে ৯০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়া গেছে।


  সব মিলিয়ে মোট ২০৫ কোটি মার্কিন ডলার যোগ হয়েছে রিজার্ভে।



বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক এনটিভি অনলাইনকে বলেন, আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে যোগ হয়েছে।



 ঋণ হিসেবে আসা দক্ষিণ কোরিয়া, আইবিআরডি ও আইডিবি থেকে মোট ৯০ কোটি ডলার যোগ হয়েছে রিজার্ভে। এতে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের রিজার্ভ ২৬ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন (দুই হাজার ৬৫০ কোটি) ডলারে দাঁড়িয়েছে।


 গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী বোর্ড সভায় ঋণের তৃতীয় কিস্তি অনুমোদন করা হয়েছিল। 



ঋণ চুক্তি অনুমোদনের পর গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার হাতে পায় বাংলাদেশ। 


আর গত ১২ ডিসেম্বর দ্বিতীয় কিস্তিতে বাংলাদেশ পায় ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।



আরও খবর



জামালপুরের বকশীগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আপন চাচা-ভাতিজি’র লড়াই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

জামালপুর প্রতিনিধি::


জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলাক্ষিয়া ইউপি’র উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন আপন চাচা-ভাতিজি। দুজনেই স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে রয়েছেন। একই পরিবারে দুই প্রার্থী হওয়ায় ভোটাররা পড়েছেন অনেকটা বিপাকে। কাকে ছেড়ে কাকে সমর্থন দেবেন তা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে চলছে জল্পনা কল্পনা। তাদের আত্মীয়স্বজনরাও রয়েছেন দ্বিধাদ্বন্ধে। এই ইউনিয়নে ৬ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন।   


জানা গেছে,নিলাক্ষিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যগ করে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন নজরুল ইসলাম সাত্তার। নির্বাচনে জয়লাভ করেন তিনি। ফলে ইউপি চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষনা করে তফসিল ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন। ২৭ জুলাই চেয়ারম্যান পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে চাচা-ভাতিজিসহ ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। 


তাদের মধ্যে চাচা হাবিবুর রহমান ওয়াকার আনারস প্রতীক ও ভাতিজি মেহেজাবীন বিনতে হাসিব অরিন টেবিল ফ্যান প্রতীক নিয়ে প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছেন সমান তালে। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন তারা। নির্বাচনে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। চাচা-ভাতিজি প্রার্থী হওয়ায় ভোটের চেয়ে তাদের নিয়েই আলোচনা বেশি হচ্ছে। এছাড়াও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হবি (চশমা),সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম লিচু (অটোরিকশা),মাওলানা কারিমুল ইসলাম (মোটরসাইকেল) ও  হান্নান মিয়া (ঘোড়া) প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন। সকল প্রার্থীই জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদি। ৬ জন প্রার্থী থাকলেও আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম লিচু ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হবি। 


ব্যাবসায়ী সেলিম মাহমুদ বলেন,আপন চাচা ও ভাতিজি প্রার্থী হওয়ায় ভোটাররা বিব্রত। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। তাই আমরাও দ্বিধায় আছি। তাছাড়া তারাতো শুধু ভোটের সময় এলাকায় আসেন। ভোট শেষ হলে তাদের আর দেখা যায়না। তাই এলাকার মানুষ বুঝে শুনে শেষ মুহূর্তে উন্নয়নের স্বার্থে যোগ্য প্রার্থী দেখেই ভোট দেবেন।  


চেয়ারম্যান প্রার্থী মেহেজাবীন বিনতে হাসিব অরিন বলেন, চাচা প্রার্থী হলেও আমার নির্বাচনে কোন প্রভাব পড়বে না। আমার বাবা এডভোকেট হাসিবুর রহমান নাজার এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। গত নির্বাচনে অল্প ভোটে আমি পরাজিত হই। এবার প্রার্থী হওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষ অনেক খুশি। ভোটারদের সাড়া পাচ্ছি বেশ। সুষ্ঠ নির্বাচন হলে জয় নিয়েই ঘরে ফিরতে চাই। 


এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান প্রার্থী হাবিবুর রহমান ওয়াকার বলেন, ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। সাড়াও পাচ্ছি বেশ। ভোটাররা যাকে যোগ্য মনে করবে তাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। আশা করছি ভালো কিছুই হবে। 


চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম লিচু বলেন,দীর্ঘদিন প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। এলাকার মানুষের বিপদে আপদে সব সময় পাশে থাকেন। তাই সাধারণ ভোটাররাও তার সাথেই রয়েছেন। ভোটারদের যে সাড়া পাচ্ছি তাতে করে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। স্বচ্ছ সেবা ও উন্নয়নের স্বার্থেই ভোটাররা তাকে ভোট দিবেন বলে দাবি তার।


উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতীক বরাদ্ধের পর প্রার্থীরা প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছেন। পরিবেশ একদম স্বাভাবিক রয়েছে। ২৭ জুলাই ইভিএমে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধ পরিকর জানিয়ে তিনি আরো বলেন,এই উপলক্ষে সকল প্রস্তুতি রয়েছে। আচরণ বিধি লঙ্গনের কোন অভিযোগ পেলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। 


আরও খবর



বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

কাঁচা মরিচের কেজি ৩২০ টাকা। ৩০ টাকার সবজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। আলুর কেজি ৬৫ টাকা। এ ছাড়া চাল, পিয়াজ ও রসুনের দামও বেড়েছে। বাজার করতে এসে হিসাব মেলাতে পারছেনা ক্রেতা।

 

সবজিতে স্বস্তি নেই: কাঁচা বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, আড়তভরা সবজি। তারপরও বৃষ্টির কারণ দেখিয়ে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, কাঁচা মরিচ ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, টমেটো ২০০ টাকা, গাঁজর ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, পটোল, ঝিঙে, ধুন্দুল ৬০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লাউ ও চালকুমড়ার পিস ৭০ থেকে ৯০ টাকা। কচুরলতির কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা কেজি। 

রসুনের কেজি ২৪০, পিয়াজের ১২০ টাকা:  সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে পিয়াজের দাম। রাজধানীর বাজারগুলোতে এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পিয়াজ। শনিবার তালতলা ও বিএনপি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। বিএনপি বাজারে পিয়াজ ও রসুন কিনতে আসেন শিক্ষার্থী জুনায়েদ। তিনি বলেন, এক মাস আগেও পিয়াজ কিনেছি কেজি ৯০ টাকায়। এখন সেই পিয়াজের দাম ১২০ টাকা। আর এক মাসের ব্যবধানে ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেড়ে রসুনের দাম হয়েছে ২৪০ টাকা। আধা কেজি পিয়াজ কেনার পরিকল্পনা থাকলেও ২৫০ গ্রাম পিয়াজ কিনতে হচ্ছে বলে জানান এই শিক্ষার্থী। এদিকে পিয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান, দেশি পিয়াজের সাপ্লাই কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। এখন ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। আপাতত কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

 
আলুর কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা: সুখবর নেই আলুতেও। শনিবার বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম ৫ টাকা বেড়েছে। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)
র তথ্য অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে আলুর দাম ৫৫.১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের এই সময়ে প্রতি কেজি আলুর দাম ছিল ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়। 

চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী: সম্প্রতি বোরো ধান উঠেছে। তারপরও কমছে না চালের দাম; বরং বর্ষার অজুহাতে সপ্তাহের ব্যবধানে আটাশ ও মোটা চালের খুচরা বাজারে কেজিতে ১ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। তবে আগের মতোই মিনিকেট চালের দাম ৭০ থেকে ৭২ টাকা। খুচরা বিক্রেতা নাসির হোসেন জানান, আগের সপ্তাহে আটাশ চাল ৫২ থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি হলেও এখন তা ৫৮ টাকা ও ৫০ থেকে ৫২ টাকার মোটা চাল ৫৫ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ঈদের পরে আটাশ চাল ও মোটা চালের দাম কিছুটা বেড়েছে।

হাত দেয়া যাচ্ছে না কাঁচা মরিচে, কেজি ৩২০ টাকা: কাঁচা মরিচের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সপ্তাহর ব্যবধানে কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা ১০ টাকার মরিচ কিনতে চাইলে বিক্রেতা অপারগতা প্রকাশ করছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দামের কারণে ১০ টাকার মরিচ বিক্রি করা যায় না। ১০০ গ্রামের নিচে মরিচ বিক্রি করা ব্যবসার জন্য ক্ষতি। চাহিদার তুলনার বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে বলেও জানান তারা। 

খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে: এদিকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৮টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে খোলা সয়াবিন তেল। বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকা দরে। এর আগে চলতি বছরের ১৮ই এপ্রিল খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। তবে বোতলজাত সয়াবিন তেল নির্ধারিত দামেই বিক্রি করতে দেখা গেছে। 

ডিমের দাম চড়া: রাজধানীতে ফার্মের বাদামি ডিম প্রতি ডজন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর হালি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। অথচ ডিম উৎপাদক খামারিরা পাইকারদের কাছে এসব ডিম বিক্রি করছেন ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা দরে। অর্থাৎ পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ডজনে ২৫ টাকার বেশি দাম বাড়ছে। এমন মূল্যবৃদ্ধিকে অস্বাভাবিক দাবি করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলেছে, পাইকারি ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণেই ডিমের দাম বাড়ছে। 

মাছের দামও বাড়তি: বাজারে সব ধরনের মাছের দাম বাড়তি। বাজারে প্রতি কেজি পাবদা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, রুই প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, কাতল প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, কই প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, টেংরা প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, বড় বোয়াল প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় আইড় মাছ প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকরা যা বলছেন: নিত্যপণ্যের লাগামছাড়া দাম বৃদ্ধি নিয়ে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের পকেট কাটার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো যেহেতু সেভাবে তদারকি করতে পারছে না, সেহেতু তারা নিজের ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে। এ বিষয়ে কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন মানবজমিনকে বলেন, এখন ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা চলে যে, কে কতো টাকা নিতে পারে। একটা সময় কয়েকটি পণ্যের সংকট হতো, এখন সবগুলো পণ্যেরই সংকট দেখা যায়। এর মূল কারণ হলো কে কতো মুনাফা করতে পারে, কে কতো পকেট কাটতে পারে। তিনি বলেন, সরকারের তদারকির পরিমাণ আগের তুলনায় অনেক কমেছে। এখন ব্যবসায়ীরাই সর্বেসর্বা। তারা যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই ব্যবসা করতে পারছেন। এগুলো আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক। বর্তমানে সীমিত আয়ের মানুষদের জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে


আরও খবর



পদ্মা সেতুর সমাপনী অনুষ্ঠান শুক্রবার, ব্যয় ৫ কোটির বেশি

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

 


বিডি টুডেস রিপোর্ট:



পদ্মা বহুমুখী সেতুর সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে আগামী শুক্রবার (৫ জুলাই)। 



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এই অনুষ্ঠান আয়োজনে যে ব্যয় হবে তা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।



বুধবার (৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।


সমাপনী অনুষ্ঠানের বাজেট কত, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সচিব বলেন, বাজেট ৫ কোটি টাকার ওপরে। ৫ কোটি টাকার কম হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অনুমোদন করতে পারেন। খরচ না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত খরচ বলা সম্ভব না।


তিনি বলেন, গত দুই বছরে পদ্মা সেতু দিয়ে ১ কোটি ২৭ লাখ যানবাহন চলাচল করেছে। ২৯ জুন পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা। প্রতিদিন গড়ে যান চলাচল করেছে প্রায় ১৯ হাজার। প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা।


সচিব বলেন, আমরা সবাই জানি ২০২২ সালের ২৫ জুন আমাদের গর্বের, অহংকারের পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই পদ্মা বহুমুখী সেতুর নির্মাণের মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হয়েছে। এই সমাপ্তি উপলক্ষে মাওয়া প্রান্তে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী থাকার সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।


আগামী ৫ জুলাই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে জানিয়ে সচবি বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান যেখানে হয়েছিল সেখানেই সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।


তিনি আরও বলেন, এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে যে কার্যক্রমগুলো নেওয়া হবে, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে তা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের সময় কম, সে কারণে ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে করা সম্ভব হবে না।



 সে জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কাজটি করার জন্য বিষয়টি এখানে উত্থাপন করা হয়েছে এবং মন্ত্রিসভা কমিটি সেটি অনুমোদন দিয়েছে।




আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪