Logo
শিরোনাম
মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

বেপরোয়া বাইক ঝরছে প্রাণ

প্রকাশিত:Friday ৩০ December ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : মোটরসাইকেল এখন প্রাণঘাতী বাহনে পরিণত হয়েছে। উচ্চগতির মোটরসাইকেল বেপরোয়াভাবে চালাতে গিয়েই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব দুর্ঘটনায় ঝরছে প্রাণ। দুর্ঘটনার কবলে পড়াদের বড় একটা অংশ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী। এমন অল্পবয়সী শিশু-কিশোরদের সড়কে যানবাহন চালানোর কোনো বৈধতা নেই। লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮। অথচ সড়কে মোটরসাইকেল দাপিয়ে বেড়ানোদের অনেকেরই বয়স আঠারোর কম।

সরকারি আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে লাইসেন্স দেওয়া হয় না। এটিই সবচেয়ে বড় মেসেজ। যেখানে সরকার পারমিশনই দিচ্ছে না, সেখানে অভিভাবকরা সন্তানদের আবদার রাখতে গিয়ে মোটরসাইকেল কিনে দিচ্ছেন। ফলে কয়েক বছরে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী অনেক শিশু-কিশোর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে।

বর্তমানে কিশোর ও যুবকদের কাছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বেশ লোভনীয়। উঠতি বয়সী এসব শিশু, কিশোর ও যুবকরাই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে বেশি। দুর্ঘটনার পরিণাম জানা সত্ত্বেও অনেক সচেতন অভিভাবক তাদের ১২-১৭ বছর বয়সী কিশোর সন্তানটিকে কিনে দিচ্ছেন মোটরসাইকেল। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত কিশোররা তিন-চারজন করে বন্ধু নিয়ে বাইক চালাচ্ছে সর্বোচ্চ গতিতে। তারা দল বেঁধে বাইক প্রতিযোগিতায় মেতে উঠছে। আবার কেউ কেউ মোটরসাইকেল অতিরিক্ত গতিতে চালিয়ে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করছে টিকটকের জন্য।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ বলছে, রাজধানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বেপরোয়া গতিতে চালানো, রাতে রেসিং করা, সিগন্যাল না মানার প্রবণতা, ফিটনেস না থাকা। অনেকের আবার বয়স কম, তারপরও লাইসেন্স পেয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া একটি আদর্শ শহরে ২৫ শতাংশ সড়ক থাকা প্রয়োজন। রাজধানীতে কাগজে-কলমে আছে ৯ শতাংশ। প্রকৃতপক্ষে আছে ৬ শতাংশ। এ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সে কারণে দুর্ঘটনা কোনোভাবেই কমানো সম্ভব হচ্ছে না।

বেসরকারি সংগঠন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের (আরএসএফ) তথ্যানুসারে, গত ২৮ মাসে সারা দেশে (চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত) এক হাজার ৬৭৪ শিশু সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। এর মধ্যে ৬১ দশমিক ৩৫ শতাংশ শিশু রাস্তা পারাপারের সময় নিহত মারা যায়। এছাড়া ১৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ শিশু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যায়।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত তিন বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪ হাজার ৬৪৮টি, প্রাণহানি হয়েছে ৪ হাজার ৬২২ জনের। এ ছাড়া চলতি বছরের ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ১ হাজার ৮৩১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৯১১ জনের। নিহতদের মধ্যে শিশু-কিশোর রয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের গবেষণায় উঠে এসেছে, মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক ও গ্রামীণ সড়কে মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে অধিকাংশ চালক নিয়ম মানেন না। ট্রাফিক সিগন্যাল সম্পর্কে ধারণা না থাকায় শিশু-কিশোররা মোটরসাইকেল পেলেই নিয়ম মানছেন না সড়কের। এতে যেমন মোটরসাইকেলে শিশু-কিশোরদের প্রাণ ঝরছে সড়কে, অন্যদিকে পথচারী কিংবা অন্য যানবাহন চালকরাও পড়ছেন বিপদে। পাড়া-মহল্লা কিংবা মূল সড়কেও দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক বড় ভাইয়ের প্রভাবে মোটরসাইকেল নিয়ে বেপরোয়া গতিতে রাজনৈতিক মহড়া ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছে কিশোর-যুবকরা। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অনেক সময় ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন এসব কিশোর-যুবকের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে মৃত্যুফাঁদ মোটরসাইকেল।


আরও খবর



চালের দরে 'কারসাজি' মিল মালিকদের

প্রকাশিত:Friday ০৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : একই ধানে দুই বার লাভ করে মিল মালিকরা। একদিকে তারা ধান থেকে চাল তৈরি করে অতি মুনাফায় সেটি বিক্রি করেন। অন্যদিকে ধানের উপজাত হিসেবে খুদ, তুষ ও কুড়া বিক্রি করেও বাড়তি লাভ করেন। কিন্তু এই লাভের অঙ্ক গোপন করে আসছের মিল মালিকরা। সম্প্রতি ১৯৫টি চাল কল নিয়ে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে আসে চাল কল মালিকদের অতি মুনাফার চিত্র।

এক কেজি চাল তৈরীতে ধান লাগে প্রায় দেড় কেজি। দেড় কেজি আমনের দাম প্রকার ভেদে ৩৭ টাকা থেকে ৪২ টাকা। আর চিকন জাতের দাম ৪৫ টাকা। একই পরিমান বোরো ধানের দাম ৩৭ টাকা থেকে ৪৬ টাকা। আর চিকন জাতের দাম পড়ে ৫৪ টাকা।

মিল মালিকরা এই চাল আমন মৌসুমে বিক্রি করে ৪৩ থেকে ৫৪ টাকা। আর বোরো মৌসুমে ৪৩ থেকে ৬৩ টাকা । এতে কেজি প্রতি চালে তাদের আয় থাকে ৫.৬৪ টাকা থেকে ৯.০৬ টাকা। বোরোর ক্ষেত্রে লাভের অঙ্কটা ৫.৬৪ টাকা থেকে ৯.০৫ টাকা।

চাল তৈরীর সময় উপজাত বা বাই প্রোডাক্ট হিসেবে যে খুদ, তুষ ও কুড়া তৈরী হয় সেখান থেকেও প্রায় ৭ টাকা থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৯ টাকা আয় করে মিল মালিকরা। উপজাত পণ্যের এই লাভ যুক্ত করলে এক কেজি চালে মিল মালিকদের মুনাফা ৮ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ টাকা।

নিয়ন্ত্রনহীন চালের বাজার নিয়ে সম্প্রতি দেশের ১৯৫টি চাল কলের ওপর একটি গবেষণা প্রতিবেদন তৈরী করে বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইন্সটিটিউট। তাদের তথ্য বলছে মিল মালিকরা বরাবরই খুদ, তুষ ও কুড়া থেকে তাদের লাভের অঙ্কটা গোপন করে আসছে। একই পণ্য তারা দুবার লাভ করছে।


আরও খবর



টানা ৭ দিন বায়ু দূষণের শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

টানা সাতদিন বায়ু দূষণের শীর্ষে রাজধানী ঢাকা। যানবাহনের কালো ধোঁয়া ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধুলায় ঢাকা পড়ছে রাজধানীর আকাশ। গাড়ির কালো ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেই। প্রকল্পে দূষণ কমানোর জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকলেও নেই নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। এনিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বন ও পরিবেশমন্ত্রী আশ্বস্ত করলেন যে, দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

কুয়াশাচ্ছন্ন রাজধানীর আকাশ। তবে আসলে এটি শীতের কুয়াশা নয়। বরং গাড়ির কালো ধোয়া ও ধুলার কারনেই আকাশে তৈরী হয়েছে কুয়াসার মতো আবরন।

কালো ধোয়া ছড়ানো গাড়ির চলাচলে আইনে নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু এখনও রাজধানীর গণপরিহনে কালো ধোয়ার দাপট। প্রতিদিন আইন শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সামনেই রাস্তায় চলছে বায়ু দূষণকারি এসব পরিবহন।

বিএসটিআই মান অনুযায়ী দেশের গণপরিবহণ ও ট্রাকে ব্যবহৃত ডিজেলে সালফারের পরিমাণ থাকার কথা ৫০ পিপিএম। কিন্তু বাস্তবে তা দু’শ থেকে তিন’শ পিপিএম। বায়ু দূষণের অন্যতম উপাদান এই সালফার।

রাজধানী জুড়ে চলছে নানা রকম উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। দূষণ রোধে প্রতিটি প্রকল্পেই আছে অর্থ বরাদ্দ। কিন্তু সেই অর্থ প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা কতোটা ব্যয় করেন; তা নিয়েও নেই কোন নজরদারি। কিন্তু পরিণতিটা ভোগ করতে হচ্ছে নগরবাসিবে। বাতাসে ভাসা দূষিত সুক্ষ বা অতি সুক্ষ কণা রক্তের সাথে মিশে পৌছে যাচ্ছে মানুষের মস্তিকে। ফলাফল শ্বাস কষ্ট, উচ্চ রক্ত চাপ, কিডনী, বা হৃদরোগ।

আন্তর্জাতিক জরিপে টানা গেলো সাতদিন ধরে দেশের বায়ুর বিশ্বের সবচে দূষিত বলে উঠে আসছে। যা নিয়ে দু:খ প্রকাশ করে বন ও পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দেয়া হয়েছে কিন্তু কাজ হচ্ছে না। এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ বলে স্বীকার করলেন মন্ত্রী। 


আরও খবর



নওগাঁয় ২২শ' লিটার মদ সহ দু'জনকে আটক

প্রকাশিত:Wednesday ০৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁয় ২২শ' লিটার মদ সহ দু'জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৫, জয়পুরহাট ক্যাম্প কর্তৃক পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে নওগাঁর ধামইরহাট এলাকা হতে নিজ বসতবাড়ীতে প্রস্তুুতের সময় ২ হাজার ২শ' ২০ লিটার চোলাই মদ সহ দু' জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে প্রতিবেদক কে জানানো হয়, র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকশ অপারেশনাল দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান এবং সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা'র নেতৃত্বে মঙ্গলবার ৩ জানুয়ারি দিনগত রাত পনে ১২ টারদিকে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানাধীন মুকুন্দপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ১শ' ৭০ লিটার চোলাই মদ সহ মাদক ব্যবসায়ী শ্রী সুদেব (২৫), পিতা-মৃত প্রদিপ, সাং-মুকুন্দপুর কামারপাড়া, থানা-ধামইরহাট, জেলা-নওগাঁকে নিজ বসতবাড়ীতে প্রস্তুুতের সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া রাত পনে ১ টারদিকে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানাধীন কামারপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ৫০ লিটার চোলাই মদ- সহ মাদক ব্যবসায়ী আসামী শ্রী শ্যামল(৫০),পিতা-মৃত রমেশ, সাং-বেলাম্বা এক মন্দির, থানা ও জেলা- জয়পুরহাটকে নিজ বসতবাড়ীতে প্রস্তুুতের সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত ধৃত আসামীদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ নেশা জাতীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে উৎপাদন করে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবী ও মাদক কারবারীদের নিকট সরবরাহ করে আসছিল। 

এব্যাপারে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুসারে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।


আরও খবর



সড়ক ভবন নয়, এযেন একটি দেশিও বিদেশি ফুল গাছের বাগান

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁ সড়ক ভবনে দেশিও বিদেশি ফুল গাছের সমারহ।

নওগাঁ সড়ক ভবনের কার্যালয় বর্তমানে নানা ধরনের দেশি ও বিদেশি ফুলের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ভবনের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করার সময় চোখে পড়বে বিভিন্ন রঙ্গের বড় বড় গাঁদা ফুল থোকায় থোকায় ফুটে আছে। পাশেই সুন্দর অবকাঠামোর মাঝে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন দেশী, বিদেশী ফুল ও ওষুধী গাছের ভেষজ মিশ্রণ ফুল বাগান।

শুধু ফুল বাগানের সৃজন নয়, পুরো সড়ক ভবনের প্রাঙ্গন-ই যেন ছিমছাম সৌন্দর্য্যরে ছোঁয়া আর আবাসিক ভবনের বাইরের অংশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার প্রিয় দেশের পতাকার রঙ্গের আদলে মনকাড়া ছোঁয়াও রয়েছে সেই সাথেই বাগানের মাঝে শোভা পাচ্ছে ডোরাকাটা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রতিকৃতি আর পুরো বাগান জুড়ে ফুল গাছের পাশাপাশি নানা রকমের শোভাবর্ধক বিভিন্ন প্রজাতির গাছও শোভা পাচ্ছে। যা দেখার মতো।

মনোরম বাগানে প্রবেশ করতেই দ্যামাস্ক গোলাপ, রংগন, জবা, ক্রিসমাস, বেরিসহ বিভিন্ন ফুল গাছের পাশে শোভা পাচ্ছে সুন্দর সুন্দর নাম ফলক। একবার বাগানে প্রবেশ করে পুরো বাগানটি অবলোকন করলেই চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কারো। এছাড়া ফুলের সৌন্দর্য্য আর মিষ্টি গন্ধে সতেজ হয়ে উঠবে প্রান। প্রতিটি মানুষেরই এমন ফুল বাগান অন্তত একবার পরিদর্শন করা উচিত। বিশেষ করে ফুল বিষয়ে শিশুসহ সকল ধরনের মানুষেরই জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে এই বাগান পরিদর্শন করার কোন বিকল্প নেই। নওগাঁ সড়ক বিভাগের সড়ক ভবন প্রাঙ্গণে হৃদয়ের সবটুকু ভালোলাগা ও ফুলের প্রতি ভালোবাসার সবটুকু ঢেলে এমন ব্যতিক্রমী ফুল বাগানে সাজিয়েছেন, সওজ নওগাঁ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ও লেখক মোঃ সাজেদুর রহমান সাজেদ।

নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান সাজেদ বলেন, নওগাঁ সড়ক বিভাগে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন আমার উত্তরসুরী সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হামিদুল হক। তারই ধারাবাহিকতায় একটু একটু করে অফিস কম্পাউন্ডকে সাজানো শুরু করি আমি। আমি যেখানে কাজ করি সেখানেই সড়ক নেটওয়ার্কের পাশাপাশি অফিস ও বাসা সবকিছু পরিপাটি করার চেষ্টা করি। মানুষ সাধারনত পুরাতন ও জরাজীর্ণ সরকারী অফিস দেখে অভ্যস্ত। কিন্তু সুন্দর পরিবেশ করতে পারলে সবার মন প্রফুল্ল থাকে। কাজের গতি পায়। মানুষের মন মানসিকতা পরিবর্তনেও পরিবেশ সহায়ক ভূমিকা রাখে। আর এ জন্য খুব বেশি অর্থেরও প্রয়োজন হয় না। সরকারি দপ্তর সম্পর্কে মানুষের ধারনা বদলানোর জন্যই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা। সরকারের স্বক্ষমতা বেড়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মানসিকতাও ইতিবাচকভাবে বদলে যাচ্ছে। আমরা যেখানে জীবনের অধিকাংশ সময় কাটাই সেই অফিসকে সুন্দর রাখা নৈতিক দায়িত্ব। এতে করে যেমন একটি সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি হয় তেমনি ভাবে ওই অফিসের সবকিছুতে স্বচ্ছতার পাশাপাশি কাজের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায় এবং মন মানসিকতার পরিবর্তনের পাশাপাশি সবকিছুতেই পরিচ্ছন্নতা ফিরে আসে বলেও মনে করেন তিনি।


আরও খবর



কাতারে দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে আরো দু'জন। শুক্রবার কাতারের আল শামাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নারায়ণগঞ্জের মোহাম্মদ শাকিল ও মোহাম্মদ ইউসুফ, মৌলভীবাজারের মোহাম্মদ রাহাত এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। রাহাতকে শনিবার কাতারের আবু হামুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। বাকি তিনজনের মরদেহ দোহা হামাদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মর্গে থাকা তিনজনের লাশ দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে দূতাবাস। আহত হয়েছেন মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন ও হাবিবুর রহমান নামে দুই প্রবাসী। তাদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জে। 


আরও খবর