Logo
শিরোনাম

বগুড়ায় ছাত্রলীগের সম্পাদকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বগুড়া প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজন কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকেলে সোনাতলা থানায় ৩০ বছর বয়সী ওই নারী মামলা করেছেন।  

অভিযুক্ত সুজন কুমার ঘোষ নামাজখালী গ্রামের সুভাষ ঘোষের ছেলে। 

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সোনাতলা থানা পুলিশের ওসি জালাল উদ্দিন। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী বগুড়া শহরের একটি তেলের ডিপোতে শ্রমিকের কাজ করেন।  তিনি প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে বের যান ও রাতে বাড়িতে ফেরেন। 

এই সুযোগে ছাত্রলীগ নেতা সুজন গত তিন বছর ধরে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে আসছেন। 

বিষয়টি গোপন রাখার জন্য তিনি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ওই নারীকে জীবন নাশের  হুমকি দিতেন। সর্বশেষ জুলাই মাসের ২৫ তারিখেও সুজন গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। 

এর মধ্যে গৃহবধূ বিষয়টি তার স্বামীকে জানান। পরে আজ মঙ্গলবার সোনাতলা থানায় ওই নারী বাদী হয়ে মামলা করেন। 

ওসি জালাল উদ্দিন জানান, গৃহবধূর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা মামলা গ্রহণ করেছি। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সুজনকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। 


আরও খবর



সরকারি চাকরিতে বাড়ল আবেদন ফি

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন ফি বাড়িয়েছে সরকার। এ বিষয়ে ২২ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ থেকে পরিপত্র ইস্যু করা হয়েছে, যা  ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয়। পরিপত্র অনুযায়ী এখন থেকে নবম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি হবে ৬০০ টাকা, যা আগে ছিল ৫০০ টাকা। দশম গ্রেডের আবেদন ফি আগের মতো ৫০০ টাকা রাখা হয়েছে।

১১ ও ১২তম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি ধরা হয়েছে ৩০০ টাকা। আগে গ্রেড দুটির চাকরির আবেদন ফি নির্ধারণ করা ছিল না। আর ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি বাড়িয়ে দ্বিগুণ অর্থাৎ ২০০ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে। অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া পরিপত্রে কয়েকটি শর্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তা হলো টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন ও পরীক্ষা ফি গ্রহণ করা যাবে এবং পরীক্ষা ফি বাবদ সংগৃহীত অর্থের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ কমিশন হিসেবে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে দেওয়া যাবে।

টেলিটকের মাধ্যমে পরীক্ষা ফি বাবদ অর্থ গ্রহণের পর তিন কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে জমা দেওয়ার পর ওই প্রতিষ্ঠান অবিলম্বে চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা করবে, তবে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ওই অর্থ নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে জমা করতে পারবে।

অনলাইন আবেদন গ্রহণ না করা হলে পরীক্ষা ফি বাবদ অর্থ চালানের মাধ্যমে নিতে হবে। তবে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডারে এ অর্থ নিতে পারবে। পরীক্ষা ফি বাবদ আদায় করা অর্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ১৩ ডিজিট প্রাতিষ্ঠানিক কোড এবং ৭ ডিজিট নতুন অর্থনৈতিক কোড ১৪২২৩২৬ এ অটোমেটেড চালানে সরকারি কোষাগারে জমা করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান ম্যানুয়াল চালানে (টিআর ফরম) পরীক্ষা ফি জমা করতে চাইলে ১- প্রাতিষ্ঠানিক কোড (চার অঙ্ক বিশিষ্ট) পরিচালনা কোড (চার অংক বিশিষ্ট)- অর্থনৈতিক কোড (২০০১) এ জমা করতে হবে


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




তরিকা সমূহের বর্ণনা, তরিকা কি ?

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক, ও গবেষক

বহুল পরিচিত পাঁচ তরিকার বিবরণ :

কাদেরিয়া তরিকা
চিশতিয়া তরিকা
নকশবন্দিয়া তরিকা
মোজাদ্দেদিয়া তরিকা
মাইজভান্ডারীয়া তরিকা

তরিকা কি?
তরিকা শব্দটি আরবী তারিক শব্দ হইতে পরিগৃহীত হইয়াছে, ইহার বাংলা অর্থ হইল পথ, রাস্তা ইত্যাদি। কিন্তু অবশ্যই বুঝিতে হইবে যে, এই পথ কোন সাধারণ পথ নয় বরং মহান আল্লাহ্র নৈকট্য হাসিল করার নিমিত্তে যে পথ অতিক্রম করা হইয়া থাকে মূলত সেই পথকেই তরিকা বলা হইয়া থাকে। ইসলামী আধ্যাত্মিক পরিভাষায় তরিকা হইল বেলায়েতের জ্ঞান অর্জন করিতে আল্লাহর অলিগণের প্রবর্ত্তিত বিভিন্ন সাধন পদ্ধতি আর সে পথটির সিলসিলা হইতেছে নিম্নরূপ:

পবিত্র কোরআনের দিক নির্দেশনা এবং রাসূল সা. ও তাঁহার পবিত্র আহ্লে বাইত আ.- এর দিক নির্দেশনার আনুগত্য করাই হইতেছে- মহান আল্লাহ্র নৈকট্য হাসিল অর্থাৎ পরিপূর্ণতায় পৌঁছানোর পথ।
পবিত্র কোরআনে বলা হইয়াছে:

লাকাদ কানা লাকুম ফি রাসুলিল্লাহ্ উসওয়াতুন হাসানাহ্…”

অর্থ: আল্লাহ্ রাসূলের মধ্যেই রহিয়াছে তোমাদের জন্য সকল সুন্দরের আদর্শ।

রাসূল সা. কর্তৃক মদিনা মোনওয়ারাহ্তে তৌহিদ বা এলাহিয়্যাতের শিক্ষা তথা মারেফাত অর্জনের যে শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হইয়াছিল, তাহার পথ চলা শুরু হইয়াছিল পবিত্র কোরআন ও রাসূল সা.-কে আনুগত্যের মাধ্যমে। হযরত আলী রা. যেহেতু রাসূল সা.-এর একনিষ্ঠ বিশ্বস্ত এবং গোপন ভেদের আমিন ছিলেন তাই তাঁহার পরে তিনিই দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এই শিক্ষাকেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হন। তিনি স্বীয় জীবদ্দশায় বহু শিষ্য তৈরী করিয়াছিলেন এবং রাসূল সা.- এর পরে তাঁহার সকল শিষ্যই হযরত আলী রা.-এর শিষ্যে পরিণত হইয়াছিলেন।

হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা সা.- কে সূফীগণ প্রথম ও শ্রেষ্ঠ পীর বলিয়া অভিহিত করেন এবং আধ্যাত্মিক জ্ঞানের মূল উৎস বলিয়া মনে করেন। সেই জন্য হযরত রাসূলে করীম সা. হইতেই সমস্ত তরিকার উদ্ভব।

হযরত নবী করীম সা. তাঁহার বিশেষ কিছু সাহাবীকে মিনহাজ বা তাসাওউফ বা তত্ত্ব দর্শন শিক্ষা দান করিয়াছেন। তাঁহাদের উল্লেখ যোগ্য হইলেন - হযরত আবু বকর সিদ্দিক রা., হযরত ওমর ফারুক রা., হযরত আলী রা., হযরত সালমান ফারসী রা., হযরত আবু জর গিফারী রা., হযরত আবু হোরায়রা রা., হযরত আবু আইয়ুব আনসারী রা., হযরত মিকদাদ রা., হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রা., হযরত মাআজ রা. প্রমুখ।

হযরত আবু বকর রা.-এর মাধ্যমে বর্তমানেও দুইটি তরিকার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

এই তরিকা দুইটি হইল: নকশবন্দিয়া ও মুজাদ্দেদিয়া।

হযরত ওমর রা.-এর মাধ্যমে প্রচারিত তরিকার বর্তমানে কোন অস্তিত্ব নাই। হযরত সালমান ফারসী রা. ইয়ামেন অঞ্চলে তরিকত প্রচার করিতেন। নকশবন্দিয়া ও মোজাদ্দেদিয়া তরিকার শাজারা মোবারকেও তাঁহার নাম রহিয়াছে।

হযরত আলী রা.-এর মাধ্যমে প্রচারিত তরিকার উপর ভিত্তি করিয়াই কাদেরিয়া, চিশতিয়া ও মাইজভান্ডারীয়া তরিকা  সহ বিভিন্ন তরিকা ও উপ-তরিকা বর্তমানে বিদ্যমান রহিয়াছে। তাঁহার প্রচারিত তরিকা প্রধানতঃ তাঁহার পুত্রদ্বয় হযরত ইমাম হাসান রা. ও হযরত ইমাম হোসাইন রা. এবং বিশিষ্ট তাবেঈন হযরত হাসান বসরী রহ.-এর মাধ্যমে প্রচারিত হইয়াছে।  

বিভিন্ন তরিকার নিয়ম-কানুন, আধ্যাত্মিক সুলুক ও তালিম সু-সংগঠিত ও সু-সংবদ্ধ হয় খৃষ্টীয় দশম শতাব্দীর দিকে। ইহার পূর্বে সূফীগণের আধ্যাত্মিক অনুশীলন মুখে মুখে চলিয়া আসিতেছিল। এই সময় (১০ম শতাব্দীতে) আধ্যাত্মিক সাধনার সু-বিখ্যাত কুতুব ও প্রৌজ্জ্বল পীর-মোর্শেদগণ বিভিন্ন তরিকা প্রতিষ্ঠা করেন। এই সকল সূফী-পীর স্বীয় তরিকার ইমাম ও কুতুব হিসাবে পরিগণিত। কাল-কালান্তরে হযরত আবু বকর সিদ্দিক রা., হযরত আলী রা.ও হযরত ওয়াইস করনী রহ.-এর তরিকার উপর ভিত্তি করিয়াই উল্লেখযোগ্য সূফী-সাধকগণের মাধ্যমে অনেক তরিকা প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে। তাঁহাদের সাধন পদ্ধতির পার্থক্যের কারণেই তরিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পাইয়াছে। তরিকা সমূহের সংখ্যা নির্দিষ্ট করিয়া বলা দুষ্কর। কাহারো মতে, তিন সহস্র বা ততোধিক। এই সকল তরিকার মধ্যে বহু সংখ্যক তরিকা অবলুপ্ত হইয়া গিয়াছে। প্রায় চারশত তরিকার সন্ধান পাওয়া যায়।

বহুল পরিচিত পাঁচ তরিকার বিবরণঃ

ভারত বর্ষে তিন শতাধিক তরিকার মধ্যে বহুল পরিচিত তরিকা গুলি হইল - কাদেরিয়া, চিশতিয়া, নকশবন্দিয়া, মোজাদ্দেদিয়ামাইজভান্ডারীয়া । 


( চলবে ...........)


আরও খবর

সুফিবাদ ও ইসলাম

রবিবার ২৪ জুলাই ২০২২




জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করি

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা শান্তি ও জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করি। রোহিঙ্গারা অর্থনৈতিক, সামাজিক, নিরাপত্তাসহ সব ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। তাদের দ্রুত মিয়ানমারে ফেরত না পাঠাতে পারলে বাংলাদেশ অনিরাপদ হয়ে ওঠবে।

সোমবার চার দিনব্যাপী ৪৬তম ইন্দো প্যাসিফিক আর্মিস ম্যানেজমেন্ট সেমিনার (আইপিএএমএস) ২০২২ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। গণভবন থেকে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই সেমিনারের উদ্বোধন করেন। রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে শুরু হয় এই সেমিনার। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের যৌথ আয়োজনে সেমিনারের এবারের থিম হলো ‘ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ইস্যু। বাংলাদেশ বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই কাজ করতে চায়।

সিনিয়র সামরিক নেতাদের নেতৃত্বে ২৬টি দেশের প্রতিনিধিরা সেমিনারে অংশ নেয়। ৪৬তম আইপিএএমএসের তিনটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী শান্তিরক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতায় ভূমি শক্তি।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়ছে

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় সারা দেশ থেকে গত পাঁচ বছরে ৯৯৯-এ যত কল এসেছে, তার মাঝে ১০ হাজার ২০৭টি ছিল অত্যাচার সংক্রান্ত। এর মাঝে ২০২২ এর প্রথম আট মাসেই এসেছে ৩ হাজার ৫৫২টি কল, গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ২৯২টি। গত পাঁচ বছরে শুধু স্বামীর হাতে নির্যাতনের অভিযোগই এসেছে ৯ হাজার ৩১৩টি। এর ৪৫ শতাংশই এসেছে এ বছরের প্রথম আট মাসে। ২০১৮ সাল থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত সময়ে যৌন হয়রানি এবং ধর্ষণের ঘটনায় মোট কল এসেছে যথাক্রমে ৫ হাজার ৭৭০টি এবং ২ হাজার ৬৬৯টি। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা অ্যাসিড নিক্ষেপ এবং যৌতুকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। তারপরও এ ধরনের ঘটনা বন্ধ হয়নি।

গত পাঁচ বছরে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনায় ৪০টি এবং যৌতুকের প্রতিকার চেয়ে ৮৬৩টি কল এসেছে ৯৯৯-এ। জাতীয় জরুরি সেবার নম্বরে এ বছর আগস্ট পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট কল এসেছে ৫৫ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৪টি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৯১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৭টি। আর ২০১৭ এর ডিসেম্বর থেকে ২০২২ এর আগস্ট পর্যন্ত মোট কল এসেছে ৪ কোটি ৪ লাখ ২১ হাজার ৪৩৫টি। এসব কলের মাঝে ৫৯ দশমিক ২৫ শতাংশই ছিল ‘প্র্যাংক’ ও ‘ব্ল্যাংক’ কল।

যে কলাররা সত্যিই সেবা পেতে কল করেছিলেন, তাদের মাঝে পুরুষের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। দ্বিতীয় অবস্থানে শিশু এবং সবচেয়ে কম কল করেছেন নারীরা।

জাতীয় জরুরি সেবা বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, ‘অপরাধ বাড়ছে কি না (এই সংখ্যা থেকে) তা বলা যাচ্ছে না। সচেতনতা বাড়ছে কি না সেটাও বলা যাচ্ছে না। তবে এটা বলা যায়, ৯৯৯-এর প্রতি আস্থা বাড়ছে। যে কারণে মানুষের মাঝে এটি ব্যবহার করার প্রবণতাও বাড়ছে। সরকারের তরফ থেকে বিভিন্ন ফোকাল পয়েন্ট থেকে বলা হয়েছে, ১৬২৬৩ (স্বাস্থ্য সেবা) অথবা ৩৩৩ (খাদ্য সহায়তা) তে ফোন দিন। কিন্তু তারপরও ৯৯৯-তে যে সংখ্যক কল এসেছে, তা মানুষের বিশ্বাস থেকেই এসেছে।

কোভিড সংক্রমণ শুরুর দুই মাস অর্থাৎ মার্চ ও এপ্রিলে ৯৯৯-এ সবচেয়ে বেশি কল এসেছে। ২০২০ এর মার্চে ১০ লাখ ২৯ হাজার ২৯৬টি এবং এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১১ লাখ ৫ হাজার ৭১২। এরপর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।

৯৯৯-এর পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, পুলিশি সহায়তা দেওয়ার কিছুক্ষণ পর ৯৯৯ থেকে কলারকে কল করা হয়, সমস্যার সমধান হয়েছে কি না তা জানতে চাওয়া হয়। এসব কারণেই হয়ত মানুষ আমাদের ওপর ভরসা পাচ্ছে। কিন্তু সেজন্য অপরাধ বাড়ছে এটা কোনোভাবেই বলা যাবে না। একটা ভালো দিক যে, এখন একটা মেয়ের অভিযোগ করার জায়গা আছে। তার পাশে রাষ্ট্র দাঁড়াচ্ছে, পুলিশ প্রশাসন দাঁড়াচ্ছে। এত দিন ধরে আমরা চেষ্টা করছি। কিন্তু আমাদের ক্ষমতা তো রাষ্ট্রের মতো না। আমাদের সবসময়ই দাবি ছিল রাষ্ট্রের এজেন্সিগুলো যেন এগিয়ে আসে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ইভিএম নিয়ে ইসিতে বৈঠক

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নতুন করে, আরো ২ লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ আবারো বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে, গত মঙ্গলবারের বৈঠকে, ইভিএমের দাম যাচাই করতে, বাজার দর যাচাই সংক্রান্ত কমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়। আজকের বৈঠকেই, প্রকল্পের ব্যয় ঠিক করা হবে। এরপরই কোন দেশ থেকে ইভিএম কেনা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে মেশিন কেনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও জনবল নিয়োগসহ পুরো প্রকল্পে, সম্ভাব্য ৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসির কর্মকর্তারা।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২