Logo
শিরোনাম
মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

বহুল পরিচিত পাঁচ তরিকার : (কাদেরিয়া তরিকা )

প্রকাশিত:Sunday ০২ October 2০২2 | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক, ও গবেষক :

কুতুবে রব্বানী গাউসে সামদানী বড়পীর হযরত সৈয়্যেদ মহিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আবদুল কাদির জিলানী রহ. এই তরিকার প্রবর্তক। হযরত বড় পীর রহ.-এর নামানুসারে তাঁহার উদ্ভাবিত ও প্রচারিত তরিকার নাম কাদেরিয়া তরিকা। রাসূলুল্লাহ সা. হইতে শুরু করিয়া তরিকাতে খেলাফত প্রাপ্ত চতুর্দশ পুরুষ হইলেন গাউসুল আজম হযরত বড়পীর আবদুল কাদির জিলানী রহ.।

কালেমা তাইয়্যেবা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহযথা: লাম, আলিফ, আলিফ, লাম, হা, আলিফ, লাম, আলিফ, আলিফ, লাম, লাম, হা নোক্তা বিহীন এই বারোটি বর্ণের তালিম কাদেরিয়া তরিকার খাস তালিম। এই নোক্তা বিহীন বারোটি হরফের মধ্যে দুনিয়ার সমস্ত রহস্য লুকায়িত রহিয়াছে। এই বারোটি হরফই বিশ্ব জগতের মূল কারণ ও উৎস। তৌহিদের প্রকৃত রূপও এই কালেমা। নোক্তা শূন্য বর্ণ দিয়ে কেন কালেমার সৃষ্টি, তাহা গভীর রহস্যে নিমজ্জিত। এই কালেমাকে জানিলে, চিনিলে ও সঠিক ভাবে গবেষণা করিয়া পড়িলে তাহার নিকট সকল রহস্যের দ্বার উন্মোচিত হইয়া যায়। এই কালেমা বিশ্ব মহীরুহের মূল ও নূরে মুহাম্মদীর মূল উৎস। এই তালিম না পাওয়া পর্য্যন্ত কেহ কাদেরিয়া তরিকার সূফী-সাধক ও পীর হওয়ার যোগ্য হন না। যিনি এই কালেমার রহস্য জানেন - তিনি আরেফ বিল্লাহ ও অলিয়ে কামেল - এর মর্যাদায় আসীন হন। এই রূপ জ্ঞানী সম্পর্কেই বলা হইয়াছে:

مَن قَالَ لا الَهَ الا اللهُ مُخلِصاً دَخَلَ الجَنَّةَ

উচ্চারণ: মান কলা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিছান দাখালাল জান্নাতা।

অর্থ: যে তাহকিক (গবেষণা) করিয়া জীবনে একটি বারের জন্যও কালেমা পাঠ করিয়াছে, তাহার জন্য দোজখের আগুন হারাম।

এই কালেমা শরীফ প্রথমত: দুই ভাগে বিভক্ত। এর এক ভাগ ফানা ও এক ভাগ বাকা। ফানাকে নুজুল (অবরোহ) ও বাকাকে উরুজ (আরোহ)ও বলা হয়। কি ভাবে এই কালেমার শিক্ষা গ্রহণ করিতে হইবে, কালেমা সাবেত করিতে হইবে - তাহা সূফী-সাধক ও পীর-মোর্শেদগণ ব্যতীত সাধারণ শুষ্ক আলেমগণ (আরবী ভাষায় বিদ্বান) বলিতে পারেন না।

হযরত নবী করিম সা. এই কালেমার বিশেষ তালিম হযরত আলী রা.কে প্রদান করিয়াছিলেন। তিনি এই তালিম তাঁহার খলিফা হযরত হাসান বসরী রহ.-কে দান করেন। তাঁহার নিকট হইতে গাউসুল আজম হযরত আবদুল কাদির জিলানী রহ.- এর নিকট আসে। এই কালেমার রহস্য তাঁহার নিকট আসিবার পূর্ব পর্য্যন্ত ইহার তালিম সিনা-ব-সিনা আসিত। কিন্তু তিনি এই তালিমকে সু-বিন্যস্ত করিয়া লিখিত আকারে গুপ্ত ভাবে বিশেষ মুরিদানকে দান করেন। এতদ ব্যতীত এই তরিকার অন্যান্য পদ্ধতিও তিনি সু-সংবদ্ধ করেন।

তরিকার নিয়মানুসারে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে অজিফা পাঠ, বিশেষ দরূদ শরীফ, নফী-এসবাতের জিকির ও মোশাহাদা করিতে হয়। মুরিদের মনের অবস্থা ও পরিবেশ বা পারিপার্শ্বিকতা ভঙ্গ করিয়া জিক্রে জলী বা জিক্রে খফী উভয় প্রকার জিকির করিবার নিয়ম এই তরিকায় রহিয়াছে। কাদেরিয়া তরিকা ভুক্ত অনেক উপ-তরিকা রহিয়াছে। তন্মধ্যে প্রধান ও আদি নয়টি উপ-তরিকা রহিয়াছে, যথা: হাবিবিয়া, তারফুরিয়া, কারখিয়া, সকতিয়া, জুনায়দিয়া, গাজর দিদিনিয়া, তুরতুসিয়া, কারতুসিয়া ও সোহরাওয়ার্দিয়া। এই তরিকা ভুক্ত জুনায়েদিয়া উপ-তরিকা মতে সামারও প্রচলন রহিয়াছে।

আওলাদে রাসূল সা. হযরত বাবা ফতেহ আলী ওয়াইসী পাক রহ.-এর প্রিয়তম মুরিদ-খলিফা হযরত শাহ সূফী সৈয়্যেদ আহমদ আলী ওরফে জানশরীফ শাহ সুরেশ্বরী রহ. কাদেরিয়া তরিকা সম্পর্কে স্ব-রচিত র্সিরেহক্ক জামেনূরকিতাবে একটি ভিন্ন অধ্যায় রচনা করিয়াছেন। নিম্নে উহার অংশ বিশেষ তুলিয়া ধরা হইল:

কাদেরিয়া তরিকার সাধনা কোন লতিফার সহিত সম্পৃক্ত নহে। বরং খোদা প্রেমিকের যেই স্থানে আল্লাহ শব্দের প্রভাব পড়িবে, সেখানেই জিকির জারী হয়। সেইখান হইতে তাহা সমস্ত শরীরে শিহরিত হয়। অতঃপর সেখানে বিশেষ অবস্থা ও নূর সমূহ বিচ্ছুরিত হইবার পর তাজাল্লী বা আলোক প্রভার বিকিরণ এবং ঊর্ধ্ব জগতের ভ্রমণ সংঘটিত হয়। ফলে এমন আবেগের উত্থান এবং অবস্থার পর্য্যায়ক্রমিক উন্নতি সাধিত হয়, যাহা বলা বা লেখা যায় না।
মোর্শেদের তাওয়াজ্জুহ্ ব্যতীত সালেকের এই পথে সফল হওয়া খুবই কঠিন। যখনই এই সকল বিশেষ অবস্থার উন্নতি সাধিত হয়, তখনই মোর্শেদ তাহাকে নিজের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা বলে উন্নততর মনজিলে পৌঁছার পথ নির্দেশ করেন। প্রকৃত মকসুদে পৌছাইবার পথ বাতলাইয়া দেন। সালেক চলার পথে যখনই ধীরে ধীরে নূরানী জগতে অগ্রসর হয় এবং বিশাল বিশাল ভয়ানক সমুদ্র অতিক্রম করিবার পর জাতী তথা মূল নূরের প্রভাবে ফানার মাকামের বহিঃপ্রকাশ ঘটে, তখনই মূল সত্তার দরিয়ায় ডুবিয়া যায়। সমুদ্রের মতো যাহার কিনারায় মূলের মূল, শাখার শাখা বিভিন্ন পর্য্যায়ে ওয়াহ্দাতুল ওজুদ বা অস্তিত্বের একত্বের অলি-গলিতে ঘুরিতে থাকে। ইহারই মধ্যে শাহে লা-তায়াইউন বা অসীম অমূর্ত বা নির্বস্তুক জগতের আবির্ভাব ঘটে, যাহার কূল-কিনারা নাই।


( চলবে...)


আরও খবর



শীত আরও বাড়বে, হতে পারে শৈত্যপ্রবাহ

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা কমেছে, কিছুটা বেড়েছে শৈত্যপ্রবাহের আওতা। ১৬ জানুয়ারি তাপমাত্রা কমার ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের আওতা আরও বাড়তে পারে।

সোমবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল দিনাজপুরে। আর রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, সোমবার সকালে দিনাজপুর, সৈয়দপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও মৌলভীবাজার জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি বলেন, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।


আরও খবর



লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র

প্রকাশিত:Friday ০৩ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি :

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে বয়লার মুরগীর খামার পরিস্কার করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিকেল ৪ টার দিকে উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের সেবকদাস গ্রামে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত স্কুলছাত্রের নাম মোঃ শাহীন, সে নিথক এস.এসইচ.পি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্র।এবং সেবকদাস এলাকার হাফিজুল ইসলাম বাচ্চার পুত্র।

স্থানীসূত্রে জানাগেছে নিহত স্কুলছাত্র শাহীন দুপুরের খাবার শেষে তাদের বাড়ী সংলগ্ন বয়লার মুরগীর খামারে কোদাল দিয়ে মেঝে পরিস্কার করছিলো।খামার ঘরের ছাদ থেকে ঝুলে থাকা বিদুৎতের তার শাহিনের কোদালে লেগে কেটে যায় এবং কাটা তার তার গায়ে জড়িয়ে ঘঠনাস্থলেই বিদুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নিহত হয় শাহীন।স্থানীয় বাসিন্দা শাহারআলী জানায়,নিজের কাজে ব্যস্ত ছিলাম হঠাৎ শুনলাম প্রতিবেশী স্কুলছাত্র শাহীন বিদুৎ স্পৃষ্টে নিহত হয়েছে।শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের ছিলো ছেলেটি।

গোড়ল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান পানির লাইন সংযোগ দেয়ার সময় বিদ্যুত স্পৃষ্টে মারাগেছে শাহীন। পুলিশ ঐ বাড়িতে এখনো রয়েছে এবং নিয়মানুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রস্তুতি চলছে। 


আরও খবর



বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :আগামী ১৩ জানুয়ারি টঙ্গীর তুরাগতীরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৫৬ তম বিশ্ব ইজতেমা। এরই মধ্যে বিশ্ব ইজতেমায় সম্পূর্ণ করা হয়েছে অধিকাংশ কর্মকাণ্ড। এরই মধ্যে ময়দানের ৭৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজতেমা আয়োজক কমিটি। প্রস্তুত করা হয়েছে জেলাভিত্তিক খিত্তার তালিকা।

জুবায়েরপন্থির তিন দিনের ইজতেমাকে ঘিরে টঙ্গী ও আশপাশ এলাকায় ধর্মীয় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতি বছর ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের ঢাকা জেলার সাথিরা সবার শেষে তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তার কাজ করে থাকেন এবারও শুধু ঢাকা জেলার মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত খিত্তার স্থান বাদে অন্যসব কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি ময়দানে এসে তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নেবেন।

এ বছর প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমায় আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা যেসব খিত্তায় অবস্থান করবেন তা হলো গাজীপুর (খিত্তা-১), টঙ্গী (খিত্তা-২, ৩ ও ৪), ঢাকা (খিত্তা-৫ থেকে ১৮ ও ২১, ২২, ২৫, ২৭, ২৮, ৩০), রাজশাহী (১৯), চাঁপাইনবাবগঞ্জ (২০), নাটোর (২৩), নওগাঁ (২৪), নড়াইল (২৬), সিরাজগঞ্জ (২৯), টাঙ্গাইল (৩১), রংপুর (৩২), গাইবান্ধা (৩৩), লালমনিরহাট (৩৪), মুন্সীগঞ্জ (৩৫), যশোর (৩৬), নীলফামারী (৩৭), বগুড়া (৩৮), জয়পুরহাট (৩৯), নারায়ণগঞ্জ (৪০), ফরিদপুর (৪১), ভোলা (৪২), নরসিংদী (৪৩), সাতক্ষীরা (৪৪), বাগেরহাট (৪৫), কুষ্টিয়া (৪৬), মেহেরপুর (৪৭), চুয়াডাঙ্গা (৪৮), ময়মনসিংহ (৪৯, ৫১), শেরপুর (৫০), জামালপুর (৫২), গোপালগঞ্জ (৫৩), কিশোরগঞ্জ (৫৪), নেত্রকোনা (৫৫), ঝালকাঠি (৫৬), বান্দরবান (৫৭), বরিশাল (৫৮), পিরোজপুর (৫৯), হবিগঞ্জ (৬০), কক্সবাজার (৬১), সিলেট (৬২), সুনামগঞ্জ (৬৩), ফেনী (৬৪), নোয়াখালী (৬৫), লক্ষ্মীপুর (৬৬), চাঁদপুর (৬৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৬৮), খুলনা (৬৯), পটুয়াখালী (৭০), বরগুনা (৭১), চট্টগ্রাম (৭৪), কুমিল্লা (৭৫), তুরাগ নদের পশ্চিমপাড় কাঁচাবাজারে মৌলভীবাজার (৭৬), রাজবাড়ী (৭৭), মাদারীপুর (৭৮), শরীয়তপুর (৭৯), মানিকগঞ্জ (৮০, সাফা টাওয়ার), রাঙ্গামাটি (৮১), খাগড়াছড়ি (৮২), দিনাজপুর (৮৩), পাবনা (৮৪), ঠাকুরগাঁও (৮৫), ঝিনাইদহ (৮৭, যমুনা প্লট), মাগুরা (৮৮, যমুনা প্লট), কুড়িগ্রাম (৮৯, কামারপাড়া বেড়িবাঁধ বঙ্গবন্ধু মাঠ) ও পঞ্চগড় (৯০, কামারপাড়া হাইস্কুল মাঠ-বধির স্কুল ভবন)। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগতরা নির্দিষ্ট খিত্তার আওতাভুক্ত জায়গায় অবস্থান নিয়ে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন।

এ ছাড়া ময়দানের চারপাশে ১১ ও ১২ নম্বর খিত্তার কিছু অংশ, ৩২ ও ৩৭ নম্বর খিত্তার মাঝামাঝি ১২, ৭২, ৭৩, ৮৬ ও ৯১ নম্বর খিত্তা সংরক্ষিত হিসেবে রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরব্বি ডা. খান মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন। টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নিরাপত্তায় পুরো ময়দানে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র‌্যাবের পক্ষ থেকে তিন শতাধিক ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। সিসিটিভির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পুরো ময়দানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যেবক্ষণ করা হবে।

১৩ জানুয়ারি শুক্রবার শুরু হয়ে ১৫ জানুয়ারি রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে প্রথম পর্বের (জুবায়েরপন্থি) বিশ্ব ইজতেমার সমাপ্তি ঘটবে। মাঝে ৪ দিন বিরতি দিয়ে ২০ জানুয়ারি দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাযের অনুসারী (মাওলানা সাথদপন্থি) মুসল্লিরা বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবেন।

২২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে এবারের বিশ্ব ইজতেমার সমাপ্তি ঘটবে। ২০২০ সালে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর করোনা-১৯ মহামারির কারণে গত দুই বছর ২০২১ ও ২০২২ সালে ইজতেমা হয়নি।

 


আরও খবর



ত্রিশালে ৬ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের ত্রিশালের মোখলেসুর রহমান মুকুলসহ পলাতক ছয় আসামিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামসহ তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

আটক, অপহরণ, নির্যাতন, হত্যাসহ ছয়টি অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে রায় দেয়া হয়। রায়ে পলাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।তিনজনকে হত্যার অভিযোগে তাদের মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। বাকি তিন অভিযোগে ৭ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। বিচার শুরুতে এ মামলায় মোট নয় আসামি ছিলো। কারাগারে তিন আসামি মারা যায়। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি এ মামলার তদন্ত শুরু হয়। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর তদন্ত সংস্থা অনুসন্ধান কাজ শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়।পরের বছর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।  


আরও খবর



নওগাঁয় শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখার আলোকে যষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিখন শেখানো কার্যক্রম প্রণয়নে নওগাঁ জেলায় বিষয় ভিত্তিক শিক্ষকদের ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯ টায় নওগাঁর ১১টি উপজেলার ৬ হাজার ২শ ২জন শিক্ষককে নিয়ে ১০টি ভেন্যুতে শুরু হয়েছে এ প্রশিক্ষণ। নওগাঁ জেলায় এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি পরিদর্শন করেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান ও জেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান, জেলা সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক মোঃ নাজমুল হোসেন, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

নওগাঁর সদর উপজেলার নামাজগড় গাউসুল আযম কামিল মাদ্রাসা ভেন্যুতে ৬শ ২৫ জন, আত্রাই উপজেলার আহসান উল্লাহ মেমোরিয়াল মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৩০জন, বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫শ ৫৫জন, ধামইরহাটের চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫শ ৬৭ জন, মান্দার মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬ শ ৪৭জন, মহাদেবপুরের জাহাঙ্গীরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ ভেন্যুতে ৬শ ২৫ জন, নিয়ামতপুর সরকারি বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৫৫ জন, পত্নীতলার নজিপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৪৫ জন, রাণীনগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫ শ ৪৪জন ও সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৮১ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রশিক্ষণ নিতে জেলার পোরশা উপজেলা থেকে পত্নীতলা উপজেলা ভেন্যুতে আসা বিষ্ণুপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আঃ সালাম, পত্নীতলা উপজেলার পুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এস এম গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১ এর আলোকে প্রণীত জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২ কে বাস্তবায়ন ও প্রণীত এ শিক্ষাক্রমে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য শিখন সামগ্রী ব্যবহার করে কিভাবে শ্রেণি কার্যক্রমকে আনন্দময়, ফলপ্রসূ ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক করা যায় তার উপর সর্বাধিক জোর দেয়া হয়েছে। 

এবিষয়ে মাস্টার ট্রেইনার প্রণব কুমার দাস, আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে প্রশিক্ষণটি যথা সময়ে আমরা শুরু করতে পেরেছি। এই প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষকগণ আন্তরিকতার সাথে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।


আরও খবর