Logo
শিরোনাম

বিএনপির নেতৃত্বে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বিএনপি। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটি থেকে শুরু করে ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ নির্বাহী কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে শিগগিরই। ইতোমধ্যে দলটির হাইকমান্ড সংগঠন ঢেলে সাজানোর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জানা গেছে, সহসা জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা না থাকায় বর্তমানে বিভিন্ন পদে দায়িত্বশীল নেতাদের কন্ট্রিবিউশন ও ডেডিকেশন বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে শীর্ষ পদগুলোতে নিয়োগ দেয়া হবে।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল। এরপর ওই বছরের ৬ আগস্ট দলটির নির্বাহী কমিটি, স্থায়ী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদ মিলিয়ে মোট ৫৯২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পরপর সম্মেলন (কাউন্সিল) করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচন করার কথা। সে হিসেবে মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় কমিটি দিয়ে চলছে বিএনপির কার্যক্রম। সর্বশেষ কাউন্সিলের পর দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারবিরোধী দ্ুিট আন্দোলনও করেছে দলটি। তবে নির্ধারিত সময়ে কাউন্সিল করতে না পারার জন্য সরকারবিরোধী আন্দোলনে থাকা এবং সরকারের দমন-পীড়নকে দায়ী করছে বিএনপি। সর্বশেষ গত মার্চের শুরুতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একটি বৈঠকে কাউন্সিল নিয়ে আলোচনা হলেও পরবর্তীতে সে আলোচনা আর এগোয়নি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির আন্দোলন ও বর্জনের মধ্যেই গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। এমন রাজনৈতিক বাস্তবতায় আগামী দিনে বিএনপির কর্মপন্থা কী হবে তা নিয়ে আন্দোলনের মিত্র দলগুলোর সাথে শলাপরামর্শ শুরু করেছেন নেতারা। একই সাথে দল পুনর্গঠনেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, আন্দোলন-পরবর্তী বিভিন্ন সাংগঠনিক প্রতিবেদনে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় নেতাদের তালিকা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া দলের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে এখন অর্ধশতাধিক পদ শূন্য রয়েছে। নেতাদের মৃত্যু, দলত্যাগ, অব্যাহতি, পদোন্নতি ও পদাবনতিজনিত কারণে এসব পদ শূন্য হয়েছে। এছাড়া বয়সের কারণে অনেকে দলীয় ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন।


আরও খবর



রামগড়ে ৪ প্রতিষ্ঠানকে ৫২ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

মোহাম্মদ শাহেদ হোসেন রানা,রামগড় :

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে অভিযান চালিয়ে ৪ প্রতিষ্ঠানকে ৫২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার ৫ই জুন দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খাগড়াছড়ি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় নানা অনিয়ম ও ভোক্তা অ‌ধিকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে অপরাধ প্রমাণিত হওয়াতে ৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে এ জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সূত্রে জানা গেছে, নোংরা পরিবেশে খাবার পরিবেশন করায় খালেক হোটেল মালিককে ১০ হাজার, মেয়াদহীন কসমে‌টিকস রাখার অপরাধে রুপ কথা কসমেটিকস'কে ২০ হাজার, মেয়াদহীন ঔষধ দোকানে রাখার অপরাধে জাহাঙ্গীর মেডিকেল হলের মালিককে ২০ হাজার ও হৃদয় কসমেটিকসকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এর সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ও ৪৩ দ্বারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়াতে রামগড়ে ৪ প্রতিষ্ঠানে ৫২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, ও প্রতিষ্ঠানের মালিককে সর্তক করা হয়, তিনি আরো জানান ভোক্তা অধিকারের এ অভিযান চলমান থাকবে।

অভিযানে রামগড় থানার উপপরিদর্শক এস আই মো.তারেক এর নেতৃত্বে  পুলিশের একটি টিম সঙ্গে থেকে সা‌র্বিক সহযো‌গিতা করেন।


আরও খবর



রাইসির মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন মুসলিম বিশ্ব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে মুসলিম দেশগুলোতে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান তার এক্স অ্যাকাউন্টে আবেগঘন একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, আমি আমার এক ভাই হারালাম। প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ছিলেন আমার প্রিয় একটি ভাই। তাকে হারিয়ে আমি গভীর শোকাহত।

তিনি আরও লেখেন, এই শোকের দিনে তুরস্কের মানুষ ইরানি ভাইদের সঙ্গে আছে। প্রেসিডেন্ট রাইসির মৃত্যুতে তুরস্কের ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণ গভীরভাবে শোকাহত। এটি কি নিছকই দুর্ঘটনা, না-কি এর পিছনে অন্য কিছু আছে, তা খুঁজে বের করতে ইরানি কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের সহযোগীতা করবে তুরস্ক।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট রাইসি ও তার সঙ্গীদের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে জানায়, এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমরা ইরানের পাশে রয়েছি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ গভীর সমবেদনা এবং সহানুভূতি প্রকাশ করে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, মহান ইরানি জাতি তাদের প্রথাগত সাহসের মাধ্যমেই এই ট্র্যাজেডি কাটিয়ে উঠবে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় পাকিস্তান একদিনের জন্য শোক পালন করবে এবং পাকিস্তান তার পতাকা অর্ধনমিত করবে।

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেছেন, ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা এবং নিহতদের জন্য মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার কাছেই ফিরে যাব।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, তার (ইব্রাহিম রাইসি) পরিবার এবং ইরানের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। ভারত এই দুঃখের সময়ে ইরানের পাশে আছে।

এ ছাড়া ইরাক, সিরিয়া, আজারবাইজান, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, মিশর, লেবানন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, জর্ডান, কুয়েত, ইয়েমেন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় কাউন্সিল ও জাতিসংঘ মহাসচিব শোকপ্রকাশ করেছে।

এর আগে, রোববার (১৯ মে) আজারবাইজানের সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। পরে দীর্ঘসময় উদ্ধার অভিযান চালানোর পর হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পায় তারা। এরপর হেলিকপ্টারে থাকা কোনো আরোহী জীবিত নেই বলে নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে, ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ মোখবের। তিনি বর্তমানে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট মারা গেলে বা কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে সক্ষম না হলে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট। পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে এবং নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে হবে। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলাবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য, ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। তিন বছর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ইব্রাহিম রাইসিকে মনে করা হয় একদিন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরি হবেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে দেশটির প্রধান বিচারপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।


আরও খবর



নরসিংদীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটানোর ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, দল থেকে অব্যাহতি

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদীতে এক প্রতিবন্ধী ও মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে 

লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় সেই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে রবিবার রাতে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। 

 অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান বাবু সদর উপজেলার পাঁচদোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহব্বায়ক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

 রবিবার রাতে মাধবী থানায় উপস্থিত হয়ে মামলাটি দায়ের করেন আহত যুবকের মা রেজি বেগম। 

সেই সাথে একই দিনে মাধবদী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা বঙ্গ ও অমানবিক কাজ করায় পাঁচদোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক পদ থেকে বাবুকে অব্যাহতি । সেই সাথে পাঁচদোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

 আহত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এবং মৃগীরোগে আক্রান্ত সোহেল মিয়া (৪০) সদর উপজেলার চর-মাধবদী এলাকার মৃত সাইদ মিয়ার ছেলে। গত শুক্রবার সকাল ৯ টার দিকে চরমাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত সোহেল মিয়ার মা রেজি বেগম বলেন, আমি আমার পরিবার নিয়ে আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। থানায় মামলা দায়ের করেছি। কখন যানি আবার বাবু হামলা চালায় ‌। সে এলাকার মধ্যে প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা আশ্রয় প্রশ্রয় বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে । সাংবাদিকরা পাশে থাকলে  আমি একটু বিচার পাবো । আমার ছেলেকে চিকিৎসা করার পর্যন্ত টাকা আমার কাছে নেই। আমি বাবুকে গ্রেফতার চাই এবং সর্বোচ্চ বিচার দাবি করছি। তাকে যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে তাদেরও বিচার চাই।


 স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় জাকির হোসেনের মুদী দোকানে যায় সোহেল। এসময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা বাবুর বাবা প্রতিবেশী মোখলেছুর রহমানের সাথে বিস্কুট খাওয়া নিয়ে কথাকাটাকাটি হয় সোহেলের। পরবর্তীতে স্থানীয় এলাকাবাসীর সমন্বয়ে বিষয়টি  নিরসন করা হয়। এর আবার সোহেলের মামা বাবুল মোল্লাকেও মারধোর করে বাবু। শুক্রবার সোহেল একা বাজারে গেলে সাধারণ মানুষ এর সামনে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করে কলা বাগানে তাকে ফেলে চলে যান ছাত্রীলীগ নেতা বাবু। 


বাবুকে অব্যাহতির  বিষয়ে জানতে চাইলে মাধবদী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম হাফিজুর রহমান সৈকত বলেন, কোন অপরাধীর দায় ছাত্রলীগ নিবে না। ছাত্রলীগের পদ নিয়ে কেউ অপরাজনীতি করবে সেটা আর সম্ভব না। বাবু অমানবিক কাজ করেছে তাই সংগঠন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য এটা একটি শিক্ষা। 

এদিকে মাধবদী থানার ওসি মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনাটি দুঃখজনক। সোহেল এর মা আমাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। সাথে সাথে আমরা মামলা নিয়েছি। আসামিকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছি। সে এখন পলাতক রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা হবে। 


আরও খবর



মধুপুর ফল্টে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকার অর্ধেকের বেশি ভবন ধসে পড়বে: রাজউক

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:


টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্টে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকার ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৯টি থেকে ১৩ লাখ ৯১ হাজার ৬৮৫টি ভবন ধসে বা ভেঙে পড়বে, যা মোট ভবনের ৪০.২৮ থেকে ৬৪.৮৩ শতাংশ। 


এছাড়া যদি সিলেট লাইনমেন্টে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়– তাহলে ঢাকার ৪০ হাজার ৯৩৫টি থেকে ৩ লাখ ১৪ হাজার ৭৪২টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যা মোট ভবন সংখ্যার ১.৯১ থেকে ১৪.৬৬ শতাংশ।


শনিবার (১ জুন) রাজউক আয়োজিত ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলা বিষয়ক এক সেমিনারে যা তুলে ধরেন রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল লতিফ হেলালী। রাজউকের আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট এর অধীনে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছিল।  


 

আব্দুল লতিফ জানান, রাজউক এলাকার অধীনে ঢাকায় ২১ লাখ ৪৭ হাজার ২১৯টি ভবন রয়েছে, যার মধ্যে পাকা ভবন ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭টি। ৩ হাজার ২৫২টি (পাকা) ভবনের ওপর জরিপ পরিচালনা করা হয়। এগুলোর মধ্যে অতি-ঝুঁকিতে থাকা ৪২টি ভবন সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


হেলালী বলেন, ‘টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্টে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকার ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৯টি থেকে ১৩ লাখ ৯১ হাজার ৬৮৫টি ভবন ধসে বা ভেঙে পড়বে, যা মোট ভবনের ৪০.২৮ থেকে ৬৪.৮৩ শতাংশ। 



এছাড়া যদি সিলেট লাইনমেন্টে ৭.১ মাত্রার  ভূমিকম্প হয়– তাহলে ঢাকার ৪০ হাজার ৯৩৫টি থেকে ৩ লাখ ১৪ হাজার ৭৪২টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যা মোট ভবন সংখ্যার ১.৯১ থেকে ১৪.৬৬ শতাংশ।



রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী সতর্ক করে বলেন, ‘মধুপুর ফল্টে যদি সকালের দিকে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয়– তাহলে ঢাকায় ২ লাখ ১০ হাজার থেকে ৩ লাখ ১০ হাজার মানুষ নিহত হবে। 


দুপুরে হলে ২ লাখ ৭০ হাজার থেকে ৪ লাখ, এবং রাতে হলে ৩ লাখ ২০ হাজার থেকে ৫ লাখ মানুষ নিহত হবে।’


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘টেকসই অবকাঠামোর ব্যাপারে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজউকের সাথে দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে শহরে ভূমিকম্প সহনশীলতার বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে।'


সালমান এফ রহমান বলেন, ‘বর্তমানের পরিকল্পনায় ভবিষ্যতের ঢাকাকে গড়ে তুলবে। ১২৫ বছর ধরে বড় কোনো ভূমিকম্প হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলেন সহসাই একটি বড় ভূমিকম্প হতে পারে। 


তাই এ বিষয়ে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করছে সরকার। যত দ্রুত সম্ভব এ কাজটি করতে হবে।’


সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী র আ ম উবায়দুল চৌধুরী বলেন, ‘ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

 

সেমিনারে রাজউক চেয়ারম্যান, সচিবসহ দেশি-বিদেশি অতিথিরা আলোচনা করেন। রাজউকের আয়োজনে চলা দুদিনের এই সেমিনার শেষ হবে আজ (২ জুন)।


আরও খবর



দুর্নীতিবাজদের তালিকা প্রকাশ করবে বিএনপি!

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:



আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে বিভিন্ন সেক্টরে ‘ভয়াবহ’ দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে বলে মনে করছে বিএনপি। 


দলটির নেতারা এসব দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রকাশ্যে তুলে ধরতে চান। এজন্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দায়িত্ব পালন করা বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ক্ষমতাসীন দলের সাবেক ও বর্তমান এমপি-মন্ত্রী ও নেতাদের দুর্নীতি অনুসন্ধান করবে দলটি।


প্রশাসনিক বিষয়ে অভিজ্ঞদের দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা নিবিড়ভাবে অনুসন্ধান করে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন। পরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে বিএনপি।


 একই সঙ্গে তথ্য-প্রমাণসহ সরকার সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের নামে লিফলেট তৈরি ও বিতরণ করা হবে। সোমবার রাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গণমাধ্যমকে বলেন, সাবেক সেনাবাহিনীর প্রধান আজিজ আহমেদ ও সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদের মতো সরকারে আরও অনেক রয়েছে। 


তাদের নানা দুর্নীতি ও অনিয়ম জনগণের সামনে আমরা তুলে ধরব। দুর্নীতিবাজদের তালিকা আমরা প্রকাশ করব। এ নিয়ে দায়িত্বশীলরা কাজ করছেন।


সূত্রমতে, বৈঠকে সাবেক সেনাবাহিনীর প্রধান আজিজ আহমেদ ও পুলিশের সাবেক প্রধান বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির ঘটনায় সরকারের মনোভাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। বিএনপি নেতাদের আলোচনায় সরকারসংশ্লিষ্ট আরও অনেকের দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি উঠে আসে। কলকাতায় খুন হওয়া সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত বলে মনে করেন তারা। বৈঠকে নেতাদের আলোচনায় আনারের একজন রাজনৈতিক গডফাদার নিয়েও আলোচনা হয়।




তবে ভারতের মাটিতে একজন এমপিকে খুন ও লাশ গুম করা হলেও সরকারের আচরণ রহস্যজনক মনে করছেন নেতারা। বৈঠকে নেতারা বলেন, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের এ ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপি আগে থেকেই করে আসছিল। তাদের সেই অভিযোগের সত্যতা এখন গণমাধ্যমে বের হয়ে আসছে।


আরও খবর