Logo
শিরোনাম

বিএনপির সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দেবে আওয়ামী লীগ : পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করতে করতে বিএনপি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তারা গণধিকৃত দলে পরিণত হয়েছে। আন্দোলনের ভয় আওয়ামীলীগকে দেখিয়ে লাভ নাই। দীর্ঘ আন্দোলন, লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এ অবস্থানে এসেছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের কারো কাছে ধরনা দেয়ার প্রয়োজন হয় না। 

শনিবার (১৪ মে) বেলা ১২ টায় শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়ন পরিষদে মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপমন্ত্রী বলেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে কাউকে আনা না আনা সরকারের দায়িত্ব না। আইন অনুযায়ী, নির্বাচন পরিচালনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত। তবে আমরা প্রত্যাশা করি, গণতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এবং বিএনপি ষড়যন্ত্রের পথ পরিহার করে জনকল্যাণের রাজনীতিতে নিজেদের নিয়োজিত করবে।


আরও খবর



কেউ কেউ সরকার উৎখাতের কথা বলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image

সরকারকে উৎখাতের দাবি যারা তুলছেন- তাদের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানতে চাইলেন, আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনায় কোথায় ব্যর্থ হয়েছে। শনিবার বিকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
দীর্ঘদিন পর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির এ বৈঠক শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শুরু হয় বিকাল সাড়ে পাঁচটায়। সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান দলের নেতারা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কিছু আছে, দলটল করার চেষ্টা করছে, নানা কথা বলছে, রোজই সরকার উৎখাত করার চেষ্টা করছে- এখানে আমার একটা প্রশ্ন, তারা যে এ সরকারকে উৎখাত করতে চায়, আমাদের অপরাধটা কী? সেটাই আমি জিজ্ঞেস করি। অপরাধটা কী? কোথায় আমরা ব্যর্থ হয়েছি? তারা শুধু ব্যর্থতাই দ্যাখে’।
বর্তমান সরকারের আমলে জনগণের জীবন-মানের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অথচ এদেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে, দেশ উন্নয়নশীল, মাথাপিছু আয় বেড়েছে, দারিদ্র্য বিমোচন করতে আমরা সক্ষম হয়েছি- যেখানে ৪০ ভাগ ছিল আজকে তা আমরা প্রায় ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছি’।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘এবারের সেন্সাস রিপোর্টে হয়ত আপনারা অবাক হয়ে দেখবেন যে, এ দারিদ্র্যের হার বা হতদরিদ্রের হার এমনভাবে কমে গেছে, যেটা সারা বিশ্ব বিস্মিত হবে। এটা আমি বলতে পারি। ঠিক যেভাবে আমরা কিছু কাজ করে যাচ্ছি’।
বাংলাদেশ আজকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের একটু কিছু জিনিসের দাম বাড়ার প্রবণতা ছিল। আমরা সাথে সাথে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি, তাতে প্রকৃতপক্ষে সেভাবে তো জিনিসের দাম বাড়েনি। কিন্তু জিনিসের দাম তো সারা বিশ্বব্যাপী বেড়েছে।
‘আপনারা যদি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের হিসাবটা নেন কোথাও ১০ শতাংশ ইনফ্লেশন, আমেরিকায়ই তো তাদের প্রেডিকশন আগামীতে ১০ শতাংশ ইনফ্লেশন হবে এবং ইউরোপে কোনো কোনো দেশে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত ইনফ্লেশন বেড়ে গেছে; সব জিনিস পাওয়া যায় না। ভোজ্যতেল পাওয়া যাচ্ছে না। লন্ডনে রেশন করে দেওয়া হয়েছে। এক লিটারের বেশি কেউ তেল কিনতে পারবে না। ওখানে কিন্তু প্রত্যেকটা জিনিস সুনির্দিষ্ট একজন, একটা পরিবার এক লিটার তেল কিনতে পারবে, তার বেশি নিতে পারবে না’।
বিশ্বজুড়ে এমন অবস্থা চলছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধের ফলে আমাদের শিপিংয়ে ভাড়া এত বেড়ে গেছে। তারপর যেসব দেশ থেকে আমরা সাধারণত যেগুলো আমদানি করি এ আমদানির ওপর একটা বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সেটাও আপনাদের মনে রাখতে হবে।
‘আমাদের দেশে যারা... তাদেরকেও তো সেটা চিন্তা করতে হবে। যেখানে সারাবিশ্বে দাম বেড়ে যাচ্ছে, মানুষের যে কষ্ট, অন্তত আমাদের দেশে তো এখন মানুষ খেয়ে পরে চলতে পারছে’।
‘ইউক্রেনের যুদ্ধের পর পুরো ইউরোপের অর্থনৈতিক অবস্থা, এমনকি আমেরিকায়ও তার প্রভাব পড়ছে, ইংল্যান্ডে প্রভাব পড়ছে, বিশ্বব্যাপী প্রভাব পড়ছে। আমরা তো এর থেকে বাইরে না এখন। কারণ আমাদের কিছু জিনিস তো নিজেদের উৎপাদন হয় না, বাইরে থেকে আনতে হয়’- যোগ করেন তিনি।
দেশে পেঁয়াজ ও তেল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেক্ষেত্রে যেমন আমাদের পেঁয়াজের সমস্যাটা, এখন আমরা অনেক পেঁয়াজ উৎপাদন করতে পারি। সেটা নিয়ে আর পেঁয়াজের কান্না আর কাঁদতে হবে না। এরকম একটা অবস্থায় আমরা আনতে পেরেছি।
‘এখন আছে ভোজ্যতেল। সেটাও আমি মনে করি, আমরা যদি উদ্যোগ নেই আমরা ওটাও সমাধান করতে পারি। কারণ আমাদের দেশে এক সময় বাদাম তেল হত। একেবারে ছোট ছোট আকারে এলাকাভিত্তিক বাদাম তৈরি করে তারা তেল বানাত আর সেই তেল দিয়েই ভাজা পোড়াটা হত। আমাদের সেদিকে আবার দৃষ্টি দিতে হবে। তাছাড়া আমাদের ভালো শস্য হচ্ছে, তিল হচ্ছে অন্যান্য যেগুলো তেল আমাদের ধানের কুড়া থেকে তুষ থেকে তেল হচ্ছে’।
এভাবে আরো তেল উৎপাদনে কোন কোন পদ্ধতি নেওয়া যেতে পারে সেটা নিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন শেখ হাসিনা
বিশ্বব্যাপী যে সঙ্কট দেখা দিয়েছে তা ব্যাপকভাবে বাড়তে পারে স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আর তার প্রভাব কিন্তু আমাদের ওপরও আসতে পারে। কাজেই আমরা যদি এখন থেকে সতর্ক হই, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন যে, আমার মাটি আর মানুষ আছে, আমি তাই দিয়েই তো দেশ গড়ব। আমাদের সেই মাটিও আছে, মানুষও আছে। তাহলে আমরা পারব না কেন?
‘আমরা কিন্তু একটু উদ্যোগ নিলেই পারি। সেটা আমরা করতে পারব। সেইভাবেই আমাদের কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে’


আরও খবর



পুলিশী নির্যাতনে মৃত্যু মেনে নেয়া অসম্ভব

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ১০২জন দেখেছেন
Image

পুলিশের হেফাজতে নির্যাতনে মৃত্যু মেনে নেওয়াকে অসম্ভব বললেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম (গোলাম মোহাম্মদ) কাদের এমপি।

 এক বিবৃতিতে লালমনিরহাটে পুলিশের হেফাজতে নিহত রবিউল ইসলামের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

বিবৃতিতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, পুলিশের হেফাজতে রবিউলের মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী পুলিশের নির্যাতনে রবিউলের মৃত্যু হলে অবশ্যই দায়ী ব্যক্তিকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

অপরাধীকে কোনভাবেই ছেড়ে দেয়া যাবে না। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে রবিউলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান জিএম কাদের।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জ জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ১০৬জন দেখেছেন
Image
অদিত্য রাসেলঃ সিরাজগঞ্জ জেলা অটোটেম্পু অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে অর্থআত্মসাতে অভিযোগ করেছে সাধারণ শ্রমিকেরা। শনিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে শহরের রেল গেইট সিএনজি স্টেশনের সামনে নির্বাচন ও সমিতির আয়-ব্যায়ের হিসাব চেয়ে মানববন্ধন করেছে।

মানববন্ধনে অটোটেম্পু অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য উজ্জাল হোসেন, আব্দুল্লাহ হাসান, টুকু শেখ, সাইদুর রহমান স্বপন, আনিছুর রহমান, বাবু শেখ, আব্দুস সবুর, আবুল কাশেম, জাহিদ হাসানেরা বলেন, দীর্ঘদিন সিরাজগঞ্জ জেলা অটোটেম্পু অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের মেয়াদ শেষ হয়েছে। কিন্তু মেয়াদ শেষ হলেও অবৈধভাবে এই কমিটির নেতাকর্মীরা ক্ষমতায় রয়েছে।

সমিতির আয়-ব্যায় হিসাব না দিয়ে জোরপুরর্বক ক্ষমতায় রয়েছে ওই অবৈধ নেতাকর্মীরা। তারা সমিটির লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করছে। গত ২০ মার্চ সমিটির সাধারণ সভা হওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্তও আহবায়ক কমিটি না করে জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের কাছে দায়িত্ব দেন। গত ২০ মার্চ থেকে জেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীনের স্বাক্ষরিত রশীদের মাধ্যমে শ্রমিকদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় উত্তোলনকৃত চাঁদার টাকা এখন পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ জেলা অটোটেম্পু অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যাংকের একাউন্ডের জমা দেয়নি। আমরা সমিতির সদস্যরা মনে করছি আমাদের শ্রমিককের চাঁদার টাকা কেনো জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা উত্তোলন করবে।

সিরাজগঞ্জ জেলা অটোটেম্পু অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম লিটন বলেন, গত ২০১৭ সালের ১৯ মে নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের এই কমিটি গঠন হয়। পরে ২০২০ সালের মে মাসে কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। করোনার কারনে আমাদের এই কমিটির দুই বছরের জন্য বৃদ্ধি করা হয়। তার পর থেকে সাধারণ সভা ও নির্বাচনের কোন নির্ধারিত তারিখ ঘোষনা হয়নি। সমিতির আয়-ব্যায় আমার কাছে নেই। সকল হিসাব সভাপতির নিকট রয়েছে।  

সিরাজগঞ্জ জেলা অটোটেম্পু অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইয়াসিন আলী বলেন, আমাদের কমিটির সদস্যের ভিতরে সমস্যার কারনে জেলা শ্রমিক লীগের কাছে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা আগামী ১ মাসের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন একটি কমিটি গঠন করে দিবে।

সিরাজগঞ্জ জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলা অটোটেম্পু অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সম্পাদকসহ কমিটির বিরুদ্ধে অর্থআত্মসাতসহ নানা অভিযোগের কারণে জেলা শ্রমিক লীগ আগামী এক মাসের জন্য নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দায়িত্ব নিয়েছে।

চাঁদার টাকা ব্যাংকে না রেখে নিজেদের কাছে রাখছেন এই প্রশ্নে তিনি বলেন, গত কয়েকদিনের ৬০ হাজার টাকার মতো চাঁদা উত্তোলন করা হয়েছে। সেই বর্তমানে আমাদের কাছে রয়েছে। এক মাস পরে নির্বাচন হলে নতুন কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও খবর



অশনি’র সঙ্কেতে উপকূলে আতঙ্ক

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। এমন বার্তায় উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্ক ও শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা অনেকটা অনিরাপদ থাকায় তাদের মধ্যে এটি ভীতির বার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড বরগুনা কার্যালয় সূত্রের তথ্যমতে, জেলার ২২টি পোল্ডারে ৯৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধই ঝুঁকিপূর্ণ। এসব বাঁধের নিকটবর্তী বাসিন্দারা ঝড়ের পূর্বাভাসেই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

ফকিরহাটের হাসান মিয়া বলেন, এলাকার প্রায় ৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নড়বড়ে হয়ে আছে। এ জন্য আমতলী তালতলি উপজেলার নদী তীরবর্তী বাঁধ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা সবসময়ই আতঙ্কে থাকেন।

জেলায় ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, মহাসেন, ফণীসহ একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় সাড়ে পাঁচ’শ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেসব বাঁধ এখনও সম্পূর্ণ মেরামত হয়নি। এ অবস্থায় অশনির আগমনের বার্তায় আতঙ্কে রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দা।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কাওছার হোসেন বলেন, বাঁধ মেরামত করা জরুরি, আমরা কিছু কিছু এলাকার বাঁধ নির্মাণ ও সংষ্কার করছি।

তিনটি নদীবেষ্টিত বরগুনা জেলার নদী তীরের বাসিন্দাদের অনেকেরই কাছাকাছি পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নেই। জেলার ১৪ লাখ মানুষের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বসবাস নদী তীরবর্তী গ্রামে। সেই তুলনায় বরগুনা উপকূলের বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা অনেক কম।

বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, অশনি মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বৃষ্টি শুরু : এদিকে, ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে বরগুনায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বইছে হালকা বাতাস। সোমবার (৯ মে) সকাল থেকে বৃষ্টির সঙ্গে হালকা বাতাস বইতে শুরু করে। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।

বরগুনা জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে ৯ মে সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ঘণ্টা বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। বর্তমানে ২নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যাচ্ছেন তারা।


আরও খবর



জমজমাট ঈদবাজারে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৯৯জন দেখেছেন
Image

প্রাণসংহারী নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে দুই বছরে ঈদ অর্থনীতি স্থবির ছিল। উৎসবকেন্দ্রিক অর্থনীতির মধ্যে সবচেয়ে বড় অঙ্কের বাণিজ্য হয়ে থাকে এই রমজানের ঈদে। ফলে এবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকায় স্থবিরতা কাটিয়ে জমজমাট ঈদবাজার। ক্রেতাদের পদচারণায় ভরে উঠেছে মার্কেটগুলো। ব্যবসা ভালো হওয়ায় খুশি বিক্রেতারা। আগের বারের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রাণপণ চেষ্টা তাদের। পোশাকের পাশাপাশি দেশি শিল্প ও অন্য বাণিজ্যের প্রতিটি খাতে বেচাকেনা কয়েক গুণ বেড়েছে। ঘুরে দাঁড়াচ্ছে উৎসবের অর্থনীতি। গতকাল শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, ইস্টার্ন মল্লিকা, গাজী ভবন, ইস্টার্ন প্লাজা, মৌচাক মার্কেটসহ একাধিক মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে মানুষের ঢল।

বসুন্ধরা সিটির টপ টেনের ব্র্যান্ড ম্যানেজার আবু সাইদ বলেন, দুই বছর পর আমরা ভালোমতো ব্যবসা শুরু করতে পারছি। এবারের ঈদে আমরা দুই বছরের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। শুক্রবার তাই ক্রেতাদের সমাগম একটু বেশি। এমন সমাগম আশাকরি মাসজুড়ে হবে। এর মাধ্যমে আমরা অর্থনৈতিকভাবে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাব।

একই শপিং মলের ইনফিনিটি ব্র্যান্ডের ম্যানেজার সুমন মিয়া আশাবাদী হয়ে বলেন, দুই বছর ধরে তো আমরা লসের মধ্যেই ছিলাম। দোকান খুলেও সবকিছুর ভাড়া দেওয়া লাগছে। তবে এবার ক্রেতারা মার্কেটে আসছে অনেক। আশা করছি এভাবে ক্রেতারা আসতে থাকলে ব্যবসা সফল হবে এবারের ঈদ।

যমুনা ফিউচার পার্কে একজন ক্রেতা ইলমা জাহান। এসেছেন বারিধারা থেকে। তাকে অনেকটা খোশমেজাজে দেখা গেছে। তিনি বলেন, এটা অত্যন্ত আনন্দের যে আমরা আবার আগের মতো করে মন মতো কেনাকাটা করতে পারব। নিজের পছন্দমতো কিনতে পারব সবকিছু।

ইলমার ভাষায়, আসলে দুই বছর অনলাইন থেকেই বেশিরভাগ কেনাকাটা করতে হয়েছে। কিন্তু এবার নিজে এসে দেখে শুনে পছন্দমতো কিনতে পারছি। এটা সত্যিই আনন্দদায়ক। আবারও ঈদের একটা অনুভূতি হচ্ছে। বাস্তবে শপিং করতে না পারলে ঈদের আমেজটা আসে না ওইভাবে। তাই এবার অনেক উৎফুল্ল লাগছে।

ক্লাস ফাইভে পড়া আদনান সাকির এসেছে বাবা-মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা করতে। নিজের পছন্দমতো জিন্স প্যান্ট, শার্ট, গেঞ্জি, জুতা, চশমা, ঘড়িসহ অনেক কিছু কিনেছে। তার পছন্দমতো সবকিছু কিনে দিতে পেরে তার বাবা-মাও অনেক খুশি। তিনি বলেন, ‘দুই বছর ঈদে মার্কেটে এসে শিশুদের পছন্দমতো কেনাকাটা করে দিতে পারিনি। তারা প্রায়ই মন খারাপ করত। তা পূরণ করতাম অনলাইনে। তবে এবার সশরীরে এসে সন্তানের এবং নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিনতে পারছি, এটাই ভালো লাগছে।’

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলালউদ্দিন বলেন, দুই বছরে পহেলা বৈশাখ ও ঈদের মৌসুমে বাণিজ্য হয়নি। এ সময় সাধারণ ব্যবসাটাই হয়নি। বাড়তি বেচাকেনা তো পরের কথা। সুতরাং বড় লোকসানের কবলে পড়তে হয়েছে ব্যবসায়ীদের। এ বছর করোনা পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় এবার অনেক আগে থেকেই ব্যবসা চাঙ্গা হতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা পেছনের লোকসান থাকা সত্ত্বেও বৈশাখ ও ঈদ সামনে রেখে সবার শেষটুকু দিয়ে, ঋণ করে আবার বিনিয়োগ করেছেন। মৌসুমে ভালো আয় করতে জোর চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা।


আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২