Logo
শিরোনাম

বিমান বাহিনী প্রধান হলেন হাসান মাহমুদ খাঁন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। 


তিনি আগামী ১১ জুন থেকে নতুন দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। 


রোববার (২৬ মে) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বিমান বাহিনী প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মঞ্জুরুল করিম।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, হাসান মাহমুদ খাঁনকে প্রতিরক্ষা-বাহিনীগুলোর প্রধানদের (নিয়োগ, বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা) আইন-২০১৮ অনুসারে ১১ জুন, ২০২৪ তারিখ (অপরাহ্ণ) এয়ার মার্শাল পদবিতে পদোন্নতি দিয়ে তিন বছরের জন্য বিমান বাহিনী প্রধান হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হলো।


পৃথক এক প্রজ্ঞাপনে বর্তমান বিমান বাহিনী প্রধান শেখ আব্দুল হান্নানকে ১১ জুন থেকে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



হাসিনা-মোদির শীর্ষ বৈঠক আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে  ডিজিটাল ডেস্ক:


বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক আজ শনিবার (২২ জুন)। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার বিকালে ভারতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এর আগে, দুপুর ২টা ৮ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। সাক্ষাতের ছবি দিয়ে জয়শঙ্কর ‘এক্স’ হ্যান্ডলে লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে আমি উৎফুল্ল।


 আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক কত ঘনিষ্ঠ ও চিরন্তন, এই সফর তার পরিচায়ক। আমাদের বিশেষ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তার নেতৃত্ব প্রশংসনীয়।’


সফর শুরুর দিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়ালও বলেন, এই সফর থেকে দুই দেশই অনেক কিছু প্রত্যাশা করছে। 


শুক্রবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করে তিনি বলেন, এত বিপুল প্রত্যাশার কারণ দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা। সম্পর্ক এত বিশেষ ও বন্ধুত্বপূর্ণ বলে প্রত্যাশাও অনেক।




আরও খবর



নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে ডেস্ক:


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


শুক্রবার (২১ জুন) প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট (স্থানীয় সময়) বিকেল সাড়ে ৩টায় নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। 


এরআগে ফ্লাইটটি দুপুর ২টা ৩ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ত্যাগ করে।


ভারতের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল এবং বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান বিমান বন্দরে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানান।


লোক সভা নির্বাচনে জয়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর ভারতে কোনো সরকার প্রধানের এটিই প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। সফরকালে উভয় প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং তারপর প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনা হবে। 



উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে।



এছাড়া একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত এক দশকে শক্তিশালী আঞ্চলিক অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে বেশ কিছু আন্তঃসীমান্ত উদ্যোগ চালু করা হয়েছে।



 এটি ১৫ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে ভারতের রাজধানীতে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর। তিনি গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।


শনিবার সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার অবস্থানস্থলে সাক্ষাৎ করবেন। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে লাল গালিচা বিছানো হবে।



 এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং দু’দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার দেয়া হবে এবং তিনি গার্ড পরিদর্শন ও করবেন।


এরপর তিনি রাজঘাটে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সেখানে পরিদর্শন বইয়ে তিনি স্বাক্ষর করবেন। একই দিন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক এবং প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনার জন্য হায়দরাবাদ হাউসে যাবেন।



 উভয়েই সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করবেন। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দেবেন। হায়দ্রাবাদ হাউসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেবেন তিনি।


বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখারের সঙ্গে তার সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করবেন।


স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে পালাম বিমানবন্দর থেকে ভারতের রাজধানী ত্যাগ করবেন এবং রাত ৯টায় ঢাকায় অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।-বাসস।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় হারাতে পারেন হাজারো বাংলাদেশি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ব্রিটেনের নতুন লেবার সরকার বহুল আলোচিত রুয়ান্ডা প্রকল্প বাতিল করেছে। তবে কনজারভেটিভ সরকার গত ১৬ মে ব্রিটেনে আশ্রয় অনুমোদিত না হওয়া বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় এসওপি চুক্তি করেছিল। নতুন সরকারের আমলে সেই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশি ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠানোর শঙ্কায় হাজারো বাংলাদেশি ও তাদের স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে লন্ডনে ব্রিটিশ হোম অফিসের স্বরাষ্ট্র-বিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকেই প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরিত হয়।

এ চুক্তির ব্যাপারে লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, সুসংবাদ হলো যুক্তরাজ্যে অনথিভুক্ত নাগরিকদের সংখ্যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ শীর্ষ দশটি দেশের মধ্যেও নেই। তবুও ব্রেক্সিট-পরবর্তী যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আমাদের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা প্রয়োজন ছিল। তাই এই সমঝোতা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নতুন চুক্তি ছাড়াও এতদিন নাগরিকদের ফেরত পাঠানো যেত। এর আগে আলবেনিয়া সরকারের সঙ্গেও প্রত্যাবাসন চুক্তি করেছে ব্রিটেন।

ব্রিটেনের দ্য টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের মার্চ মাস থেকে চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত ১১ হাজার বাংলাদেশি ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক বছরে ১১ হাজার বাংলাদেশি ব্রিটেনে এসেছেন ছাত্র, কর্মী কিংবা ভ্রমণ ভিসা নিয়ে। এরপর তারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করে ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের চেষ্টা করছেন। যারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন তাদের মাত্র পাঁচ শতাংশের আবেদন সফল হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক আশ্রয় প্রত্যাখ্যাতদের ব্যাপারে নতুন সরকার কী করতে পারে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ক্রয়েডন কাউন্সিলে লেবার গ্রুপের চেয়ার কাউন্সিলর মো. ইসলাম সোমবার বাংলা বলেন, আগের সরকারের সঙ্গে লিখিতভাবে সম্পন্ন হওয়া চুক্তির ক্ষেত্রে নতুন সরকারের কোনও পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা দেখি না।

লন্ডনের লিংকন্স চ্যাম্বারস সলিসিটরসের প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার নাজির আহমদ বলেন, চুক্তি অনুযায়ী এখন বাংলাদেশ হাইকমিশন দ্রুতগতিতে সংশ্লিষ্টদের ইমারজেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিয়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবে। অনেক ক্ষেত্রে শুক্রবার ধরে রবিবার ফ্লাইটে তুলে দেওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। হোম অফিস উইকএন্ডের সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে। এই চুক্তির ফলে অনেক প্রকৃত আবেদনকারী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে লন্ডনের চ্যান্সেরি সলিসিটরসের প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, নতুন সরকার যদি বাংলাদেশি ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠাতে নতুন করে ফাস্ট ট্র্যাক চালু করে তাহলে সেটি বাংলাদেশিদের জন্য খুব ভয়াবহ হবে।

সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও প্রায় লক্ষাধিক বাংলাদেশি বৈধ কাগজপত্র ছাড়া আশ্রয় আবেদন করে ব্রিটেনে বসবাস করছেন। অনেকেই কাজের অনুমতিও পেয়েছেন। স্থানীয় কমিউনিটির অনেকের মতে, নতুন জনশক্তি না এনে পুরোনো বৈধতাহীনদের বৈধতা দিলে অর্থনীতি লাভবান হবে। তাদেরকে ব্রিটিশ অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করে কর আদায় করতে পারত সরকার।

এ ব্যাপারে লুটনের লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা মাহবুবুল করীম সুয়েদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা তো দূরের কথা নতুন নতুন কড়াকড়ি আরোপের কথা বলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কেয়ার ভিসাসহ বিভিন্ন কাজের ভিসায় আসা হাজার হাজার মানুষ রয়েছেন বেকার অবস্থায়। সব মিলিয়ে গত এক দশকের মধ্যে ব্রিটেনে সবচেয়ে বড় দুঃসময় পার করছেন অভিবাসীসহ সাধারণ মানুষ।


আরও খবর



‘গরুর মাংস’ বিতর্কে অভিনেত্রীকে বয়কটের ডাক

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলাদেশের একটি রান্নার শোতে এসে গরুর মাংস রান্না শিখে বিপাকে ভারতের নির্মাতা ও অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। 



এই মুহূর্তে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল রান্নার শোয়ের একটি ভিডিও। সামাজিকমাধ্যমে তাকে নিয়ে আলোচনা চলছে। তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন তিনি। এমনকি ‘জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা’র হুমকিও শুনতে হচ্ছে তাকে। 



বিতর্কের মুখে পড়ে গোমাংস রান্না নিয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন সুদীপা। তবে ক্ষমা চাওয়ার পরেও গোমাংসকাণ্ডে তার বিরুদ্ধে উঠেছে বয়কটের ডাক।



বিনোদন জগতের জনপ্রিয় নাম সুদীপা। রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান ‘জি বাংলা রান্নাঘর’র সঞ্চালনা করে খ্যাতি পেয়েছেন। বাংলাদেশেও আছে তার জনপ্রিয়তা। তাই ঈদ উপলক্ষে একটি রান্নার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন তিনি।



অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী তারিন জাহানের সঙ্গে দেখা গেছে সুদীপাকে। সেখানে দুজনে মিলে রান্না করেন গরুর মাংসের কোফতা। আর এতেই পশ্চিমবঙ্গের নেটিজেনদের রোষানলে পড়েছেন তিনি। অনবরত হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে।



 এমনকি তার পাঁচ বছরের ছেলে আদিদেব চ্যাটার্জিকেও অপহরণ করার হুমকি পাচ্ছেন।


এ প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সুদীপা বলেন, আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে বারবার। যারা এটা নিয়ে ট্রল করছেন, তাদের মধ্যে সিংহভাগ মানুষ ভিডিওটা দেখেননি, আমি নিশ্চিত। আমি গরুর মাংস খাওয়া তো দূর অস্ত, রান্নাও করিনি। এমনকি ছুঁইওনি। 



দ্বিতীয়ত, তারিন জাহান নিজে রান্নাটা করেছেন। ভিডিওগুলো এখনও অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। যে কেউ চাইলে দেখে নিতে পারেন। কোথাও দেখতে পাবেন না যে আমি গরুর মাংস স্পর্শ পর্যন্ত করেছি।



ভিডিওতে তারিনকেই মাংস রান্না করতে দেখা গিয়েছে, তবে রান্না শেষে হাতার মাধ্যমে গরুর মাংসের কোফতা পরিবেশনে তারিনকে সাহায্য করেন সুদীপা। আর সেই ভিডিও প্রকাশ হতেই দুই বাংলায় ব্যাপক তোপের মুখে পড়েছেন তারিন ও সুদীপা। 



শিগগিরই মানসী সিনহার সিনেমার শুটিংয়ে কলকাতায় যাবেন তারিন। তাকে সামাজিকমাধ্যমে অনেকেই হুমকি দিচ্ছেন, সেই নিয়েও উদ্বিগ্ন তারিন। এবার মুখ খুললেন তারিনও।


ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারকে তারিন বলেন, কোন পর্বে কী পদ রান্না হবে তার, চিত্রনাট্য আগে থেকেই ঠিক করা হয়ে যায়। এই রান্নার অনুষ্ঠানকে ঘিরে যত বিতর্ক। আর আমি এই বিতর্কে না চাইতেও জড়িয়ে পড়লাম।



 ঈদের সময় দর্শকের কথা মাথায় রেখে গরুর মাংসের একটি পদ চূড়ান্ত করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী আমরা দর্শকদের জন্য ওই রান্না দেখিয়েছিলাম। আমি কিন্তু ওই অনুষ্ঠানে সুদীপাদিকে গরুর মাংস খেতে বলেছি বা আমি গরুর মাংস খাওয়াব বলেছি, এমন নয়। আমরা খাওয়া তো দূর, ছুঁয়েও দেখিনি। ওই অনুষ্ঠানের ভিডিও যে কেউ দেখতে পারেন।


ভাইরাল ভিডিওতে তারিনকে বলতে দেখা যায়, তুমি যেহেতু গেস্ট, আমি হোস্ট হিসেবে তোমাকে রান্না করে খাওয়াব। ইনফ্যাক্ট দর্শকদের রান্না করে দেখাব গরুর মাংসের কোফতা।


তারিন বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, বকরি ঈদে আমরা গরুর মাংসের পদ রান্না করি। কিন্তু একজন অতিথিকে ঈদের সময় তো বলতে পারব না, আমি তোমাকে খাওয়াব না! তাই ‘খাওয়াব না’ কথাটা বলিনি। আবার ‘গোমাংস খাওয়াব’ও বলিনি।


আরও খবর



হজে গিয়ে এ পর্যন্ত ৫৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ৫৩ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৪০ এবং নারী ১৩ জন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৪২ জন, মদিনায় ৪ জন, মিনায় ৬ জন ও জেদ্দায় একজন মারা গেছেন। সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সে দেশে দাফন করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৯০৯ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সৌদি থেকে ৬১টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৭টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ২৪টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২০টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।

পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৩৯২০ জন‌, ৩৫ হাজির মৃত্যু হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

এদিকে, চলতি বছর প্রখর তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমের জেরে হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবে রেকর্ড মৃত্যু এক হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। সৌদিতে তীব্র দাবদাহের কারণে ওই হজযাত্রীরা মারা গেছেন বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৩ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।‌ এর মধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ১৭ জন, বাকি ৩৬ জন‌ হজের আনুষ্ঠানিকতার শুরুর পর মারা গেছেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৫০ জনের পরিচয় প্রকাশ করেছে হজ পোর্টাল। বাকি তিনজনের পরিচয় এখনো প্রকাশ করতে পারেনি ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না। মক্কায় হজযাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে জানাজা হয়।


আরও খবর