Logo
শিরোনাম

বিমানের সাবেক এমডিসহ ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:


বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাবেক এমডিসহ ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 


মিসর থেকে বোয়িংয়ের দুই উড়োজাহাজ লিজ গ্রহণ ও রি-ডেলিভারি পর্যন্ত ১ হাজার ১৬৪ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে এ চার্জশিট দাখিল করা হয়।


বুধবার (১৫ মে) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে দুদকের উপ-পরিচালক আনোয়ারুল হক এ চার্জশিট দাখিল করেন।


২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৩ কর্মকর্তাকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক জেসমিন আক্তার। তদন্ত শেষে এজাহারভুক্ত ২৩ আসামির মধ্যে ১৪ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।


অন্যদিকে নতুন করে অপর সাতজনকে অভিযুক্ত করে আসামি হিসেবে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।


চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেভিন জন স্টিল, সাবেক পরিচালক ফ্লাইট অপারেশনস ক্যাপ্টেন ইশরাত আহমেদ, সাবেক ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল আলম সিদ্দিক (মো. এস এ সিদ্দিক), সার্ভিসেস অ্যান্ড অডিটের সাবেক প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার শহীদ উদ্দিন মোহাম্মদ হানিফ, সাবেক প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার দেবেশ চৌধুরী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের প্রকৌশলী কর্মকর্তা মো. সাদেকুল ইসলাম ভূইয়া, প্রিন্সিপাল সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার (স্ট্রাকচার) শরীফ রুহুল কুদ্দুস, সাবেক উপপ্রধান প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, সাবেক ইঞ্জিনিয়ার মো. জাহিদ হোসেন, প্রকৌশলী কর্মকর্তা হীরালাল চক্রবর্তী, লুৎফর রহমান ও প্রিন্সিপাল সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার অশোক কুমার সর্দার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক (এওসি-এয়ারওয়ার্দিনেস) মোহাম্মদ সফিউল আজম, সহকারী পরিচালক (এরোস্পেস/ এভিয়নিক্স) দেওয়ান রাশেদ উদ্দিন, উপ-পরিচালক আব্দুল কাদির ও এয়ারওয়ার্থনেস কনসালটেন্ট গোলাম সারওয়ার।


অন্যদিকে, এজাহারভুক্ত যে ১৪ জনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে তারা হলেন-বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান প্রকৌশলী এ আর এম কায়সার জামান, মহাব্যবস্থাপক আবদুর রহমান ফারুকী, ডিজিএম কামাল উদ্দিন আহমেদ, সাবেক ক্যাপ্টেন মো. নজরুল ইসলাম শামিম, উপ-মহাব্যবস্থাপক জিয়া আহমেদ, সাবেক চিফ পার্সার কাজী মোসাদ্দেক আলী, ফ্লাইট পার্সার শহিদুল্লাহ কায়সার ডিউক, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আজাদ রহমান, সাবেক ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল কাদির, সহকারী ব্যবস্থাপক মো. ফজলুল হক বসুনিয়া, ব্যবস্থাপক মো. আতাউর রহমান, চিফ পার্সার মোহাম্মদ সাজ্জাদ উল হক (শাহিন), ফ্লাইট পার্সার শাহনাজ বেগম ঝর্ণা ও সাবেক চিফ ইঞ্জিনিয়ার গাজী মাহমুদ ইকবাল।


চার্জশিটের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে পাঁচ বছরের চুক্তিতে ইজিপ্ট এয়ার থেকে বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর উড়োজাহাজ দুটি লিজ নিয়েছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফ্লাইট পরিচালনার পর একটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।


 উড়োজাহাজটি সচল রাখতে ইজিপ্ট এয়ার থেকেই ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। দেড় বছরের মাথায় নষ্ট হয় বাকি ইঞ্জিনটিও। উড়োজাহাজটি সচল রাখতে ইজিপ্ট এয়ার থেকে ফের ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। পরে ভাড়ায় আনা ইঞ্জিনও নষ্ট হয়ে যায়। 


সেই ইঞ্জিন মেরামত করতে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। তবে কোনো সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। সে কারণে ইজিপ্ট এয়ার এবং মেরামতকারী কোম্পানি উভয়কেই অর্থ দিতে হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে। ফলে উড়োজাহাজ দুটির জন্য রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় ১ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা।


আরও খবর



এই সংগ্রাম দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার : মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে রিপোর্টঃ

দেশ রক্ষায় তরুণ যুবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তরুণ-যুবক সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। 


কারণ এই সংগ্রাম শুধু বিএনপির একার নয়, এই সংগ্রাম দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করার সংগ্রাম।


আজ বুধবার (১২ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সংকট-উত্তরণের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


ক্ষমতাসীন সরকারকে প্রধান শত্রু উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এই সরকার দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে। আমাদের সুর একটাই এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। 



আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে, শিগগির আমাদের আন্দোলন আরও বেগমান হবে। আমরা সব দল এক হতে পেরেছি। কীভাবে এই সরকারক সরাতে পারি, কীভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারি, সে লক্ষেই আমরা সংগ্রাম করছি।’



নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আসুন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করি। বিশেষ করে গণতন্ত্র এবং ভোটের অধিকার রক্ষার লড়াই। আমাদের লক্ষ্য একটাই এই সরকারকে সরিয়ে দেয়া।



 মানুষ জেগে ওঠেছে। আমরা হয়তো তাদের জেগে ওঠাকে কাজে লাগিয়ে চুড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারি নাই। তবে নতুন সূর্যোদয় হবেই। সেখানে অবশ্যই আমাদের পৌঁছাতে হবে।’


মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘এই সরকারের অপকীর্তি বলে শেষ করা যাবে না। এরা রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি তারা অর্থনৈতিক কাঠামোও ধ্বংস করেছে।


বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাইফুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পার্টির চেয়ারম্যান নুরুল হক নুর প্রমুখ বক্তব্য দেন।


আরও খবর



এমপি আনারের হাড়-খুলি খুঁজতে ভারতে নতুন উদ্যোগ

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি  ডেস্ক:


খালের নোংরা পানি থেকে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের দেহের হাড় এবং মাথার খুলি উদ্ধার করতে ভারতীয় নৌসেনা এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর সাহায্য নিতে প্রক্রিয়া শুরু করেছে দেশটির সিআইডি।


আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খুনের ঘটনায় আটক জিয়াদ হাওলাদারের দাবি ছিল, আজিমের দেহের হাড় এবং মাথার অংশ টুকরো টুকরো করে ভাঙড়ের পোলেরহাট থানার কৃষ্ণমাটি এলাকার বাগজোলা খালে ফেলা হয়েছে।


 সেখানে গত সাত দিন ধরে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালিয়েও কিছু পাওয়া যায়নি।



ওই খালটির পানি বেশ নোংরা, ঘোলা এবং মাটি ভর্তি। তাই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে ওই হাড় বা মাথার খুলির অংশ উদ্ধার হতে পারে বলে মনে করছেন ভারতের সিআইডি কর্মকর্তারা।


সিআইডির এক কর্মকর্তার বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, উন্নততর প্রযুক্তি রয়েছে নৌসেনা এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর কাছে। তাই তাদের ডুবুরি দিয়ে তল্লাশি চালালে আনারের দেহের ওই অংশ উদ্ধার করা যেতে পারে। এটা ধরে নিয়েই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তবে এটি ফলপ্রসু হবে কিনা, তা পরবর্তী সময়ে বোঝা যাবে।



ইতোমধ্যে নিউ টাউনের বিলাসবহুল আবাসনের সেপটিক ট্যাংক থেকে যে মাংসপিণ্ড উদ্ধার হয়েছে, সেগুলো আনারের কিনা তা জানতে ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। মাংসপিণ্ড উদ্ধার হলেও আজিমের দেহের হাড় কিংবা মাথার অংশ এখনও উদ্ধার করতে পারেনি সিআইডি।


তদন্তকারীরা আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওই ফরেন্সিক রিপোর্ট আসবে। তা পজ়টিভ হলে এমপির মেয়ে কিংবা তার কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে ডিএনএ প্রোফাইল ম্যাচিংয়ের জন্য পাঠানো হবে ল্যাবরেটরিতে। প্রায় একই সঙ্গে হাড় এবং মাথার খুলি উদ্ধার করা গেলে তদন্তের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলে দাবি তদন্তকারীদের।


বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের বরাতে আনন্দবাজার বলছে, নেপালে আটক হয়েছে এই হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সিয়াম হোসেন। যদিও ভারতের সিআইডির তরফে ওই খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। সিয়ামকে হাতে পেতে সবরকম চেষ্টা চলছে বলে সিআইডি জানিয়েছে।


কলকাতার নিউ টাউনের আবাসনে গত ১৩ মে আনোয়ারুল আজিমকে হত্যা করা হয়। জানা যাচ্ছে, তার দেহ টুকরো টুকরো করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সিয়ামের। ঘটনার কয়েক দিন পরেই সিয়াম কলকাতা থেকে উত্তরপ্রদেশের মজফ্ফরপুর হয়ে নেপাল চলে যায়।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ৩০ কি.মি. যানজট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:


ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। 


উত্তরের পথে আজ শুক্রবার সকালে যানবাহনের ধীরগতি থাকলেও দুপুরের পর গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ার প্রায় ৩০ কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। 




এদিন দুপুরের পর ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে। গণপরিবহণ ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, মোটর সাইকেল, এমনকি গাড়ির ছাদেও চড়ে হলেও স্বজনদের কাছে ফিরছে মানুষ। 



এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে টাঙ্গাইল নগর জলফৈ বাইপাস পর্যন্ত কালিহাতী অংশের প্রায় ৩০ কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়। সাধারণ যাত্রীদের মতে, কিছু যানবাহন বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করায় এই যানজট আরও ভয়াবহ হয়েছে। 



ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সকাল ৮ টার সময় রওনা হয়ে ৭ ঘন্টারও বেশি সময় পর কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা-ভূঞাপুর লিংক রোডে পৌছেছেন লালমনিরহাটের আমেনা আক্তার। বাড়ি পৌঁছাতে কতক্ষণ লাগবে সেই অনিশ্চয়তা ফুটে উঠেছে তার চোখে-মুখে। 


তার অভিযোগ, রাস্তায় পানিসহ সব ধরণের খাবারের দাম কয়েকগুন বেশি রাখা হচ্ছে।


এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মীর সাজেদুর রহমান বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে হটাৎ করে গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।


 দুপুরের পর এই চাপ আরও বেড়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চাপ আরও বাড়তে পরে।  গুরুত্বপূর্ণ  বিভিন্ন পয়েন্টে এবং মোড়ে মোড়ে হাইওয়ে পুলিশ এবং জেলা পুলিশ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



তারেক আতঙ্কে আন্দোলনে দ্বিধা বিএনপির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কদিন আগে জানিয়েছেন যে, তারেককে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোই এখন তার প্রধান কাজ। 


প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বিএনপির মধ্যে চিন্তার ভাঁজ। বিএনপি নেতারা উদ্বিগ্ন, আতঙ্কিত। শুধু ঢাকায় বিএনপির নেতারাই নয়, লন্ডনে তারেক জিয়াও এই বার্তাকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।


বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, তারেক জিয়া লন্ডন থেকে বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। 


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কদিন আগে জানিয়েছেন যে, তারেককে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোই এখন তার প্রধান কাজ। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বিএনপির মধ্যে চিন্তার ভাঁজ। 


বিএনপি নেতারা উদ্বিগ্ন, আতঙ্কিত। শুধু ঢাকায় বিএনপির নেতারাই নয়, লন্ডনে তারেক জিয়াও এই বার্তাকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।


বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, তারেক জিয়া লন্ডন থেকে বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। 



নানা বাস্তবতা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে বিএনপি। আর এই কারণেই তারা মনে করছে যে, এ রকম পরিস্থিতি হলে বিএনপির জন্য তা হবে এক কঠিন বার্তা। 


এমনিতেই বেগম খালেদা জিয়া মুচলেকা দিয়ে ফিরোজায় অবস্থান করছেন। এখন তারেক জিয়াকেও যদি দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তির আওতায় আনা হয়, তাহলে বিএনপির জন্য এক কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হবে। 


আর এই কারণেই জোরেশোরে আন্দোলনের ব্যাপারে বিএনপির মধ্যে দ্বিধা দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। 



দায়িত্বশীল একাধিক সূত্রগুলো বলছে যে, বিএনপির নেতারা জানার চেষ্টা করছেন কেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ করে তারেক জিয়ার বিষয়টি বললেন এবং এই বিষয়কে বিএনপি নেতারা কেন গুরুত্ব দেবেন। বিএনপির নেতারাই একাধিক কারণে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।



 প্রথমত, বিএনপির নেতারা বলছেন যে, প্রধানমন্ত্রী যখন যেটা বলেন, সেটা তিনি বাস্তবে করে দেখেন এবং এখানে তিনি সাহসিকতার সাথে কাজ করেন। যেমন, কেউ বিশ্বাস করেনি যে বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হবে।



 কিন্তু বাস্তবে সেটাই ঘটেছে। সকলের কাছে অকল্পনীয় ছিল যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে দুই বছরের বেশি সময় আটকে রাখা সম্ভব হবে না। কিন্তু সেটাই করে দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



 কাজেই তারেক জিয়াকে লন্ডন থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা কেবল কথার কথা নয়। তিনি জেনে বুঝেই কথাটি বলেছেন বলে মনে করছেন বিএনপির অনেক নেতারা। 



দ্বিতীয়ত, যুক্তরাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি অন্যতম বিষয়। যুক্তরাজ্যে আগামী ৪ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং এই নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির পরাজয় সময়ের ব্যাপার বলে মনে করা হচ্ছে। 


যদি শেষ পর্যন্ত এই নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টি পরাজিত হয় এবং লেবার পার্টি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে তারেক জিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনার পথ সহজ হবে। কারণ ইতোমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যে আবেদন করা হয়েছে যে তারেক জিয়াকে যেন দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। 



তৃতীয়ত, লেবার পার্টি ক্ষমতায় এলে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং তিনি ব্রিটিশ সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হবেন। ফলে তারেক জিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনাটা অনেক সহজ সাধ্য ব্যাপার হবে। 


চতুর্থত, ব্রিটেনে যে অভিবাসন সংকোচন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, এই নীতির কারণে এখন হয়তো তারেক জিয়ার বেশি দিন লন্ডনে থাকা কঠিন হয়ে যাবে। তাছাড়া বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্য যে চুক্তি গুলো স্বাক্ষর করেছে তাতে যে কোন দন্ডিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ যেমন যুক্তরাজ্যকে ফেরত দিবে, তেমনি যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে ফেরত দিবে।


এ সমস্ত বাস্তবতায় অনেকে মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী একটি পরিকল্পিত চিন্তার অংশ থেকেই এই ঘোষণাটি দিয়েছেন। আর তাই বিএনপির মধ্যে একটি আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিএনপির নেতারা মনে করছেন যে, এখন বড় ধরনের আন্দোলনের চেষ্টা করলে তারেক জিয়ার ওপর চাপ বাড়বে, তারেক জিয়ার যুক্তরাজ্যে থাকা দুর্বিষহ হয়ে পড়বে।


 এ কারণে তারা আন্দোলন করবে না সরকারের সাথে গোপন সমঝোতা করবে এটি নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে রয়েছে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালে ২০ জেলায় ক্ষতি ৭ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি টু ডে  রিপোর্ট:

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দেশের ২০ জেলায় ৬ হাজার ৮৮০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


রোববার দুপুরে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমালের সার্বিক বিষয় নিয়ে আন্ত:মন্ত্রণালয় সভা শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ২৬ মে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানে। এর প্রভাবে উপকূলীয় বেশকিছু এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়। যার ফলে এসব এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়।



 এ ছাড়া ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। বেশকিছু রাস্তাঘাট, বেড়িবাঁধ, ঘরবাড়ি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মন্ত্রণালয়গুলো থেকে আগামী ৯ জুনের মধ্যে সব হিসাব পেয়ে জানানো হবে।


তিনি বলেন, আমরা গত কয়েকদিন থেকেই দুর্যোগ প্রস্তুতির জন্য নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছি। সরকারের সব বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দুর্যোগপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। 


এখন দুর্যোগ পরবর্তী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছি। ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানার পরদিন আমি ব্যক্তিগতভাবে উপকূলীয় জেলার সংসদ সদস্যদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে স্থানীয়দের খোঁজখবর নিয়েছি।

ঘূর্ণিঝড়ে পায়রা বন্দরের পাশে পায়রা নদীর চলমান ড্রেজিং কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আশপাশ থেকে পলি এসে নদীর ড্রেজিং কাজ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একইভাবে অনেক দিনের পুরোনো বেড়িবাঁধগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন আধুনিক বেড়িবাঁধ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত ১৯ জেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের অনুকূলে ত্রাণকার্যে নগদ পাঁচ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, পাঁচ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল, ৯ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার, ২০০ বান্ডিল ঢেউটিন, গো-খাদ্যের জন্য দুই কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং শিশু খাদ্য কেনার জন্য দুই কোটি ৪৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিভাগ, দপ্তর-সংস্থা, স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ আওয়ামী লীগের এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

 ঘূর্ণিঝড়ের পরপরই আমি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা খুলনার কয়রা, ভোলার চরফ্যাশন এবং পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী পরিদর্শন করেছি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ ও জরুরি সেবা পৌঁছানো নিশ্চিত করেছি।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রেমাল এলাকা পরিদর্শনের জন্য পটুয়াখালীর কলাপাড়া পরিদর্শন করেন এবং ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্তদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।


তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও দিনাজপুর জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার্তদের সাহায্যে সিলেট জেলায় ২০ লাখ টাকা নগদ অর্থ, ৫০০ মে. টন চাল, ১০ লাখ টাকার গো-খাদ্য এবং ১০ লাখ টাকার শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।



 অন্যদিকে সুনামগঞ্জ জেলায় ১৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ, ৫ লাখ টাকার গো-খাদ্য এবং ৫ লাখ টাকার শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। একইভাবে দিনাজপুর জেলায় ১৫ লাখ টাকার নগদ অর্থ এবং ৩ লাখ টাকার শুকনো ও অন্যান্য খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে।


আরও খবর