Logo
শিরোনাম

বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে যমুনার পানি, ৬ হাজার ৯২ হেক্টর ফসল পানির নিচে

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ |
Image

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
এতে জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদী ও খাল-বিলের পানি বাড়ছে। ফলে জেলার বন্যা
পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে।

বুধবার (২২ জুন) সকাল ১০ টায় সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড গেজ রিডার
হাসানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘন্টায় কাজীপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টে ৫
সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে এবং  শহরের
হার্ডপয়েন্ট এলাকায় যমুনার পানি ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৫০
সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধিতে জেলার
করতোয়া, ইছামতি, ফুলঝোড়, বড়াল, হুড়াসগড় ও চলনবিলের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ
সকল অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা
পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

ইতোমধ্যেই জেলার সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর
উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় ২০টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম বন্যা
কবলিত হয়ে পড়েছে। এ সকল এলাকার বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, হাটবাজার,
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বন্যা কবলিতরা।

পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার ৫টি উপজেলার এ সকল এলাকার ৬ হাজার ৯২ হেক্টর
জমির আউস ধান, পাট, তিল, কাউন, বাদামসহ উঠতি ফসল নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে কৃষকেরা।

এদিকে, কাজ না থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন বন্যা কবলিত এলাকার শ্রমজীবীরা।
পরিবার-পরিজন নিয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন অনেকেই। বন্যা কবলিত এলাকায়
এখনো শুরু হয়নি সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ত্রাণ বিতরণ।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান জানান, বন্যার্তদের জন্য  ৯১১
মেট্রিক টন চাল, নগদ ২০ লাখ টাকা এবং ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ
পাওয়া গেছে। এগুলো বিতরণের জন্য স্ব-স্ব এলাকার উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তাদের কাছ ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী
বিতরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান,
যমুনা পানি ২৪ ঘন্টা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। এরপর পানি কমবে। এখনো বন্যার
আশংকাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এদিকে, যমুনায় পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার চৌহালী, কাজীপুর, এনায়েতপুর ও
শাহজাদপুরের চরাঞ্চলে দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ
ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে বন্যায়

ভাঙন রোধসহ সকল পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে তারা।

আরও খবর



চলতি সপ্তাহ নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

চলতি সপ্তাহের মধ্যে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ঘোষণা আসবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রবিবার (৫ জুন) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির ঘোষণাটি আসার কথা ছিল গত মার্চে। এরপর বলা হয়, মে মাসে আসবে। অবশেষে জুন মাসের শুরুতে এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যখন এমপিওভুক্তির ঘোষণা আসবে, তখন থেকে শিক্ষকরা এই সুবিধা পাবেন। এক সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা দেওয়া হলে এই অর্থবছরের বাজেট থেকেই শিক্ষকরা এমপিও সুবিধা পাবেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের বিষয়ে তিনি বলেন, জাতীয়করণের কাজ বেশ এগিয়েছে। এ বছরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। তৃতীয় শিক্ষক নিয়োগে প্রয়োজনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আবারও দেন-দরবার করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

ডা: দীপু মনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়, তৃতীয় শিক্ষক প্রয়োজন। এখন কোর্সের যে কলেবর ও সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে, তাতে সেই কোর্স দুজন শিক্ষকের দ্বারা করানো সম্ভব নয়। তৃতীয় শিক্ষক দরকার। কিন্তু আমরা একা কিছু করতে পারি না। আমাদের এসব সিদ্ধান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

মন্ত্রী বলেন, আমরা যখন এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে পাঠাই, তখন অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে তৃতীয় শিক্ষকের পদটি অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এটা নিয়ে আবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে দেন-দরবারে যেতে হবে। আশা করছি, তারা বিষয়টিকে বিবেচনা করবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এমপিও নীতিমালা রিভিউ করেছিলাম। সেখানেও মাদ্রাসা এবং মাউশির মধ্যে একটা তারতম্য হয়ে গেছে। সেটাকেও আমরা সংযুক্ত করব। তার সঙ্গে তৃতীয় শিক্ষকের বিষয়টিও দেখব।

তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাউশির তিন-চারটি সিদ্ধান্তের মধ্যে পার্থক্য আছে। সেটাকে সংযুক্ত করার জন্য ইতোমধ্যে আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটা প্রস্তাবনা পেয়েছি। তারা একটি কমিটি করবে, সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমাদের দুজন প্রতিনিধিও থাকবে। কমিটি বসলে আশা করছি, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।


আরও খবর

১০ জুলাই পবিত্র ঈদুল আযহা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




ইটনায় শুকনা খাবার নিয়ে বন্যায় প্লাবিত বাড়িতে ইউপি চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

 মুজাহিদ সরকারঃ 

অবিরাম বর্ষন আর উজানের পানিতে কিশোরগঞ্জের হাওরের নিম্নাঞ্চল এলাকায় বন্যায় প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে বন্যার পানি প্রবেশ করছে প্রায়ই চার থেকে পাঁচ হাজার ঘরে। তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, নলকূপগুলো তলিয়ে যাওয়ায় খাবার পানির সংকট এরিমধ্য দেখা দিয়েছে। 

কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলায় ৯ টি ইউনিয়নে প্রায় ৮০% গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে যাওয়া গ্রামের মানুষ আশ্রয় নিয়েছে পার্শ্ববর্তী গ্রামের উচ্চ স্থানে এবং স্থানীয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং প্রাইমারি বিদ্যালয়ে।

ইটনা উপজেলার ৩ নং মৃগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ দারুল ইসলাম কে দেখা গিয়েছে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং তাদের জন্য নিজ অর্থায়নে শুকনা খাবার বিতরণ করছেন। 

আজ ২০ জুন রোজ সোমবার লাইমপাশা পূর্ব গ্রাম থেকে আনন্দবাজার পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের মধ্যে তিনি খাবার বিতরণ করেন। তখন উপস্থিত ছিলেন ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলী হোসেন এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলী হোসেন, আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

মৃগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দারুল ইসলাম জানান, তিনি গত তিনদিন ধরে নিজ অর্থায়নে নৌকা করে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শুকনা খাবার বিতরণ করছেন এবং তাদেরকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি আরও জানান, এই পর্যন্ত ৭০০ থেকে ৯০০ পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করতে পেরেছেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে সবাইকে সাহায্য করতে পারবেন।


আরও খবর



পাহাড়ি ঢলে ভাঙছে যমুনার তীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

রোকসানা মনোয়ার :   উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও বাড়তে শুরু করেছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন ফসল ডুবে গেছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। এছাড়াও যমুনা তীরবর্তী চৌহালি ও শাহজাদপুর উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীতে পানি ৩৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধিপেয়ে বিপৎসীমার .৮০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি জানান, যমুনা নদীর পানি বাড়ায় বিশেষ করে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর, চৌহালী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নিম্নাঞ্চলের উৎপাদিত বাদাম ও পাটসহ বিভিন্ন ফসল ডুবে গেছে এবং এসব এলাকার বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙনও দেখা দিয়েছে। এ ভাঙনে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেক স্থানে এ ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলছে।

এ অবস্থায় বুধবার (১৫ জুন) এনায়েতপুরে যমুনার ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ জহিরুল ইসলাম। তিনি খুকনী ইউনিয়নের ভাঙন কবলিত ব্রাহ্মণগ্রামসহ যমুনার ডান তীরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় বগুড়া পওর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ ও সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামসহ জেলার সকল উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এব্যাপারে সিরাজগঞ্জ পানিউন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, জেলার কোথাও কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ নেই। তবে নদী তীরবর্তী কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যমুনার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে জানান।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যেই ভাঙন এলাকায় ৪০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এছাড়া ভাঙনরোধে ৩০ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ৯৬ হাজার জিও ব্যাগের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বাঁধসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো নজরদারিতে রাখা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


আরও খবর



হজ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

হজ ইসলামের পঞ্চম রুকন বা স্তম্ভ। হজ শব্দের অর্থ কোনো পবিত্র স্থান দর্শনের সংকল্প করা। ইসলামী পরিভাষায় হজ অর্থ আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টিলাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট স্থানগুলো এবং খানায়ে কাবা তাওয়াফ, ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত থাকা এবং অন্য কয়েকটি স্থানে আল্লাহ ও রসুলের নির্দেশিত অনুষ্ঠান পালন। আল্লাহ রব্বুল আলামিন ইরশাদ করছেন, ‘আর তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ ও ওমরাহ পরিপূর্ণভাবে পালন কর।’ (সুরা বাকারা আয়াত ১৯৬)

অন্যত্র ইরশাদ কচ্ছে, ‘আর প্রত্যেক মানুষের ওপর ফরজ এ ঘরের হজ করা, যে এ ঘর পর্যন্ত যাতায়াতের (দৈহিক ও আর্থিক) সামর্থ্য রাখে। আর যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করে তবে আল্লাহ সমগ্র সৃষ্টিজগতের মুখাপেক্ষী নন।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত ৯৭)

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘পাঁচটি বিষয়ের প্রতি ইসলামের ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে- এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রসুল, নামাজ কায়েম, জাকাত আদায়, বায়তুল্লাহর হজ ও রমজানের রোজা রাখা।’ (বুখারি, মুসলিম)

হজ সম্পর্কে বিপুলসংখ্যক হাদিস রয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘নবী আমাদের উপস্থিতিতে বললেন, হে লোকেরা! আল্লাহ তোমাদের ওপর হজ ফরজ করেছেন। কাজেই তোমরা হজ কর। উপস্থিত জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রসুল! প্রতি বছরই কি হজ? তিনি নিরুত্তর রইলেন। অগত্যা ওই ব্যক্তি এ প্রশ্নটি পরপর তিনবার করলেন। তখন রসুলুল্লাহ বললেন, উত্তরে যদি আমি হ্যাঁ বলতাম, তাহলে তোমাদের ওপর প্রতি বছর হজ ফরজ হয়ে যেত, অথচ তা পালন করার সামর্থ্য তোমাদের থাকত না। এরপর তিনি বললেন, যতক্ষণ আমি তোমাদের ছেড়ে দিই, তোমরাও আমাকে ছেড়ে রেখ। কারণ, তোমাদের পূর্ববর্তী যারা ছিল তারা অতিরিক্ত প্রশ্ন করার ও নিজেদের নবীদের ব্যাপারে মতবিরোধের কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। কাজেই যখন আমি তোমাদের কোনো কিছুর হুকুম দিই, তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পালন কর। আর যখন কোনো কাজ থেকে বারণ করি, তা থেকে বিরত থেক।’ (মুসলিম) করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর হজ পালন সীমিত করা হয়েছে। আমরা আল্লাহর দরবারে মিনতি জানাব, এ মুসিবত থেকে তিনি যেন আমাদের সবাইকে মাফ করেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হজ পালনের তৌফিক দান করুন।


আরও খবর

১০ জুলাই পবিত্র ঈদুল আযহা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




মালিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নিহত ১৩২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের হামলায় কমপক্ষে ১৩২ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার এক বিবৃতিতে দেশটির সরকার জানিয়েছে, শনিবার ও রোববার রাতে মালির মোপ্তি অঞ্চলের ব্যাঙ্কাসের অন্তত তিনটি গ্রামে হামলা চালিয়ে এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।

কাতিবা মাকিনা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা এ হামলা চালিয়েছে বলে সন্দেহ করছে মালি সরকার। খবর এবিসির।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাতিবা মাকিনা গোষ্ঠীটি আল কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এরা ঠাণ্ডা মাথায় দিয়াল্লাসাগউ, দিয়াওয়েলি ও ডেসাগৌ গ্রামের নিরীহ মানুষদের হত্যা করেছে। তবে এখন পর্যন্ত এ হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো গোষ্ঠী।

ব্যাঙ্কাসের মেয়র মোলায়ে গুইন্দো বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, কীভাবে হামলাটি সংঘটিত হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীরা এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

এদিকে, মালিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন এক বিবৃতিতে বলেছে, পৃথক আরেকটি হামলায় রোববার একজন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীর মৃত্যু হয়েছে। মালিতে জাতিসংঘের মিশনের প্রধান এল ঘাসিম ওয়ানে বলেন,  চলতি বছরের শুরু থেকে বেশ কয়েকটি হামলায় জাতিসংঘের বেশ কয়েকজন শান্তিরক্ষীর মৃত্যু হয়েছে।

এসব হামলার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মালিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন। তারা এক টুইটার পোস্টে বলেছে, মালির মধ্যাঞ্চলে চরমপন্থীদের হামলায় অনেক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। এ হামলায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।


আরও খবর