Logo
শিরোনাম
রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন মোরেলগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৈন্যদশা শিক্ষার্থী ৮ শিক্ষক ২

বিস্ফোরক মামলায় নওগাঁয় বিএনপির ৯ নেতা কারাগারে

প্রকাশিত:Wednesday ০৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের ৯ জন নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার ৪ জানুয়ারি দুপুরে নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ঐ ৯ জন উপস্থিত হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক মোঃ আবু শামীম আজাদ তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ফজলে হুদা বাবুল, বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাকির হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদি চৌধুরী ও দম্পর সম্পাদক শাহিন হোসেন, উপজেলার কোলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওমর ফারুক, বালুভরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ হোসেন, মিঠাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, মথুরাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহভাপতি রুস্তম আলী এবং  বদলগাছী উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি দুলাল মোহরী।

মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় বদলগাছী উপজেলা সদরে আওয়ামী লীগের শোক র‌্যালিতে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।  বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠেনর নেতা-কর্মীরা

বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে এমন অভিযোগে উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ছানাউল হোসেন বাদী হয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠেনর ১৮ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৫০ জনের বিরুদ্ধে বদলগাছী থানায় মামলা করেন। ঐ দিন রাতেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপির আট নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। ঘটনার পর থেকে মামলায় বাকী আসামিরা পলাতক ছিলেন ।

আজ দুপুরে নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদের আদালতে ওই মামলার নয় আসামি হাজির হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


আরও খবর



জামালপুরের বকশীগঞ্জে শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

জামালপুর প্রতিনিধি :

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নিলাক্ষিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়ার (পিরামিড বিএসসি) অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থী অভিভাবকরা। মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধনে সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়াকে চরিত্রহীন, দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে তার শাস্তি ও অপসারনের দাবি জানানো হয়। শিক্ষার্থী অভিভাবকদের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অভিভাবক সালেহ আহম্মেদ ময়না,কালু মিয়া,খাদর আলী,হাবিবুর রহমান ও ইউসুফ আলী সরকার প্রমূখ। 

মানববন্ধনে বক্তব্য কালে শিক্ষার্থী অভিভাবক হাবিবুর রহমান বলেন,নিলাক্ষিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়ার বিরুদ্ধে সীমাহীন অভিযোগ রয়েছে। স্ত্রী সন্তান থাকার পরেও সনাতন ধর্মাবলম্বী এক ছাত্রীকে বাগিয়ে বিয়ে করেছিলেন তিনি। নারী নির্যাতন মামলায় দুইবার জেলও খেটেছেন। শিক্ষার্থী অভিভাবকদের সাথে সব সময় অশালীন আচরন করেন এই শিক্ষক। তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। আমরা এই দুর্নীতিবাজ শিক্ষকের অপসারণ চাই। 

অভিভাবক খাদর আলী বলেন, বিদ্যালয়ের সামনেই পিরামিড মিয়ার বাড়ি। যে কারনে সে সব সময় প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে অসদাচরণ করেন। বিদ্যালয়ের পাশেই তার নিজের একটি লাইব্রেরী রয়েছে। তার লাইব্রেরী থেকে শিক্ষার্থীরা যদি খাতা কলম না কিনে তাহলে ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে অসাদাচরন করেন তিনি। এর আগেও একাধিকবার তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। এছাড়া তার অপসারণের জন্য বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক কর্মচারী সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। 

স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলী সরকার বলেন, পিরামিড বিএসসির কাছে প্রাইভেট না পড়লে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতায় নম্বর কম দেওয়া এমনকি ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। তার দোকান থেকে বেশি দামে শিক্ষার্থীদের খাতা কলম কিনতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া এই শিক্ষক সকলের সাথে খারাপ আচরণ করেন। তাই এলাকাবাসীর দাবি এই দুর্নীতিবাজ শিক্ষকের অপসারণ। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়া বলেন,আমার একটি দোকান রয়েছে সেটিতে আমি অবসর সময়ে বসি। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। 

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সুজা উদ্দিন বলেন, সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়ার বিরুদ্ধে মানবন্ধনের বিষয়টি বিদ্যালয়ের সভাপতির মাধ্যমে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। 

এ ব্যাপারে নিলাক্ষিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সাত্তার বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভা আহবান করা হবে। সভায় সকলের সিদ্ধান্তমতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



চালের দরে 'কারসাজি' মিল মালিকদের

প্রকাশিত:Friday ০৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : একই ধানে দুই বার লাভ করে মিল মালিকরা। একদিকে তারা ধান থেকে চাল তৈরি করে অতি মুনাফায় সেটি বিক্রি করেন। অন্যদিকে ধানের উপজাত হিসেবে খুদ, তুষ ও কুড়া বিক্রি করেও বাড়তি লাভ করেন। কিন্তু এই লাভের অঙ্ক গোপন করে আসছের মিল মালিকরা। সম্প্রতি ১৯৫টি চাল কল নিয়ে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে আসে চাল কল মালিকদের অতি মুনাফার চিত্র।

এক কেজি চাল তৈরীতে ধান লাগে প্রায় দেড় কেজি। দেড় কেজি আমনের দাম প্রকার ভেদে ৩৭ টাকা থেকে ৪২ টাকা। আর চিকন জাতের দাম ৪৫ টাকা। একই পরিমান বোরো ধানের দাম ৩৭ টাকা থেকে ৪৬ টাকা। আর চিকন জাতের দাম পড়ে ৫৪ টাকা।

মিল মালিকরা এই চাল আমন মৌসুমে বিক্রি করে ৪৩ থেকে ৫৪ টাকা। আর বোরো মৌসুমে ৪৩ থেকে ৬৩ টাকা । এতে কেজি প্রতি চালে তাদের আয় থাকে ৫.৬৪ টাকা থেকে ৯.০৬ টাকা। বোরোর ক্ষেত্রে লাভের অঙ্কটা ৫.৬৪ টাকা থেকে ৯.০৫ টাকা।

চাল তৈরীর সময় উপজাত বা বাই প্রোডাক্ট হিসেবে যে খুদ, তুষ ও কুড়া তৈরী হয় সেখান থেকেও প্রায় ৭ টাকা থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৯ টাকা আয় করে মিল মালিকরা। উপজাত পণ্যের এই লাভ যুক্ত করলে এক কেজি চালে মিল মালিকদের মুনাফা ৮ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ টাকা।

নিয়ন্ত্রনহীন চালের বাজার নিয়ে সম্প্রতি দেশের ১৯৫টি চাল কলের ওপর একটি গবেষণা প্রতিবেদন তৈরী করে বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইন্সটিটিউট। তাদের তথ্য বলছে মিল মালিকরা বরাবরই খুদ, তুষ ও কুড়া থেকে তাদের লাভের অঙ্কটা গোপন করে আসছে। একই পণ্য তারা দুবার লাভ করছে।


আরও খবর



নওগাঁয় শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখার আলোকে যষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিখন শেখানো কার্যক্রম প্রণয়নে নওগাঁ জেলায় বিষয় ভিত্তিক শিক্ষকদের ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯ টায় নওগাঁর ১১টি উপজেলার ৬ হাজার ২শ ২জন শিক্ষককে নিয়ে ১০টি ভেন্যুতে শুরু হয়েছে এ প্রশিক্ষণ। নওগাঁ জেলায় এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি পরিদর্শন করেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান ও জেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান, জেলা সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক মোঃ নাজমুল হোসেন, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

নওগাঁর সদর উপজেলার নামাজগড় গাউসুল আযম কামিল মাদ্রাসা ভেন্যুতে ৬শ ২৫ জন, আত্রাই উপজেলার আহসান উল্লাহ মেমোরিয়াল মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৩০জন, বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫শ ৫৫জন, ধামইরহাটের চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫শ ৬৭ জন, মান্দার মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬ শ ৪৭জন, মহাদেবপুরের জাহাঙ্গীরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ ভেন্যুতে ৬শ ২৫ জন, নিয়ামতপুর সরকারি বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৫৫ জন, পত্নীতলার নজিপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৪৫ জন, রাণীনগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫ শ ৪৪জন ও সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৮১ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রশিক্ষণ নিতে জেলার পোরশা উপজেলা থেকে পত্নীতলা উপজেলা ভেন্যুতে আসা বিষ্ণুপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আঃ সালাম, পত্নীতলা উপজেলার পুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এস এম গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১ এর আলোকে প্রণীত জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২ কে বাস্তবায়ন ও প্রণীত এ শিক্ষাক্রমে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য শিখন সামগ্রী ব্যবহার করে কিভাবে শ্রেণি কার্যক্রমকে আনন্দময়, ফলপ্রসূ ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক করা যায় তার উপর সর্বাধিক জোর দেয়া হয়েছে। 

এবিষয়ে মাস্টার ট্রেইনার প্রণব কুমার দাস, আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে প্রশিক্ষণটি যথা সময়ে আমরা শুরু করতে পেরেছি। এই প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষকগণ আন্তরিকতার সাথে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।


আরও খবর



লোকালয়ে বাঘের গর্জন, এলাকাবাসী ও বন বিভাগ রাতভর পাহারা

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট : 

 সুন্দরবনে বাঘের আক্রমনে জেলে আহতের ঘটনার দুই দিন পরে আবারও লোকালয়ে বাঘের গর্জন শোনা গেছে। গত রবিবার রাতে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম আমুরবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দারা এই বাঘের গর্জন শুনতে পান। ধারণা করা হচ্ছে সুন্দরবন পূর্ববন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সুধীরের সিলা ও মিস্ত্রির সিলা এলাকায় এই বাঘ ডাকাডাকি করেছে।

এদিকে বাঘের গর্জনের খবর পেয়ে রাতভর বন বিভাগ ও স্থানীয়রা এলাকায় মাইকিং ও সংর্ঘবদ্ধ হয়ে পাহাড়া দিয়েছেন। সোমবার সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের মোরেলগঞ্জের জিউধরা স্টেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা রাতভর পাহাড়া দিয়েছি। এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে বাঘটি লোকালয়ের পাশাপাশি রয়েছে।

মোহাম্মদ শাহজাহান আরও বলেন, সুন্দরবন ও পশ্চিম আমুরবুনিয়া গ্রামের মাঝের ভোলা নদী অনেক ছোট। নদীটির নাব্যতা হারিয়েছে শুকিয়ে গেছে, যার কারণে যেকোন সময় বাঘ আসতে পারে। এই কারণে এলাকার লোকজন আতঙ্কে রয়েছে। বনবিভাগ খুব সতর্ক অবস্থায় আছে। আশাকরি কোন সমস্যা হবে না। এর আগে গেল শুক্রবার সুন্দরবন থেকে খালের পাড়ে আসা একটি বাঘ হঠাৎ আক্রমন করে অনুকুলকে। তার সাথে থাকা মাহবুবের ডাক চিৎকারে নিকটস্থ আমরবুনিয়া গ্রামের ১৫/২০ জন লোক বনে গিয়ে অনুকুলকে উদ্ধার করে। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত অনুকুল অবিবাহিত তার পরিবারে শুধুমাত্র বৃদ্ধ মাতা কুমুদিনী গাইন (৯০) রয়েছেন।  বর্তমানে অনুকুল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  


আরও খবর



দেড় মাসে ঠাণ্ডাজনিত রোগে ৭৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : গত দেড় মাসে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে শিশুসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন ডায়রিয়ায় মারা গেছেন। নভেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে জানুয়ারির ৯ তারিখ পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের শীতজনিত রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর এক বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিভাগভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রোগী চট্টগ্রামে। এ বিভাগে ১৪ নভেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ হাজার রোগী এ রোগে ভুগছেন।

ময়মনসিংহে তিন হাজার ৫৮২ জন, রাজশাহীতে এক হাজার ৮৩৬ জন, রংপুরে এক হাজার ৪৭২ জন, খুলনায় ছয় হাজার ৬১৭ জন, বরিশালে তিন হাজার ৩২১ জন ও সিলেট বিভাগে দুই হাজার ৮৬৬ জন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে মারা যাওয়া ৭৩ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এ বিভাগে মারা গেছেন ৪৯ জন। এছাড়া ময়মনসিংহে ২০ জন, খুলনায় দুজন ও বরিশালে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি বিভাগগুলোতে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ দুই লাখ ২৮ হাজার ৫২১ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে ১৪ নভেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে কেউ মারা যাননি। তবে চট্টগ্রাম বিভাগে এসময়ে ডায়রিয়ায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আর বিভাগটিতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার।


আরও খবর