Logo
শিরোনাম

বিশ্ববাজারের চাহিদা অনুযায়ী বৈচিত্র্যময় চা উৎপাদন করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে রিপোর্ট:


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে চা শিল্প সংশ্লিষ্টদের এখন থেকেই সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। 


বিশেষ করে, বিশ্ববাজারের চাহিদা অনুযায়ী গুণগত মানের বৈচিত্র্যময় চা উৎপাদনের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।’



আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে গতকাল দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপ্রধান।



রাষ্ট্রপতি ‘জাতীয় চা দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে চা শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘চা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। 


দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে চা শিল্পের রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। সিলেটের মালনিছড়া চা বাগানে ১৮৫৪ সালে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে চা শিল্পের যাত্রা শুরু হয়।’


মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৫৭ সালের ৪ জুন থেকে ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত তৎকালীন চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চা শিল্পের টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি এ বিষয়ে গবেষণার প্রতিও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। 


পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত চা শিল্পের পুনর্বাসনেও তিনি অসামান্য অবদান রাখেন। এ প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদানের তারিখ ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।’


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এক সময় চা ছিল দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য। পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে চা রপ্তানি কমে গেলেও সরকার চায়ের উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। 


এর ফলে ২০২৩ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ১০২ দশমিক ৯২ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। চা শিল্পের টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পনা প্রণয়নসহ চা বাগানের শ্রমিক ও পোষ্যদের মৌলিক চাহিদা পূরণ, মজুরি বৃদ্ধি, জীবনমান উন্নয়ন, নারী শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন ও বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সরকারের নানাবিধ পদক্ষেপের ফলে সমতলেও চা চাষে বৈপ্লবিক উন্নয়ন হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ ও স্মার্ট অর্থনীতি বিনির্মাণে অন্যান্য সেক্টরের পাশাপাশি চা রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাকেও কাজে লাগাতে হবে।’


চলতি বছর চা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশের সংকল্প, রপ্তানিমুখী চা শিল্প’ যথার্থ হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘চা শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডসহ চা শিল্প সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে, এ প্রত্যাশা করি।’


আরও খবর



নতুন সূচিতে চলবে মেট্রোরেল

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

সরকার নির্ধারিত নতুন অফিসের সময়সূচির কারণে পরিবর্তন হয়েছে মেট্রোরেলের পিক ও অফ পিক আওয়ারের সময়। আর তাই আজ বুধবার থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে মেট্রোরেল। শুরু ও শেষের সময় একই রকম থাকলেও মাঝে পিক ও অফ পিক সময় পরিবর্তন হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনে মেট্রোরেলের কার্যালয় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিক এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গত ৬ জুন সরকার থেকে অফিসের সময়সূচি ৯ থেকে ৫টা পর্যন্ত করেছে। এই সময়সূচি ১৯ জুন থেকে কার্যকর হবে। এজন্য মেট্রোরেলের পিক ও অফ পিক আওয়ারের সময়তেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী উত্তর থেকে থেকে মতিঝিল পর্যন্ত সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আগের মতোই স্পেশাল অফ পিক থাকবে। এই সময় হেডওয়ে হবে ১০ মিনিট। আর সকাল ৭টা ৩১ মিনিট থেকে সকাল ১১টা ৩৬ মিনিট পর্যন্ত পিক আওয়ার। এই সময় হেডওয়ে হবে ৮ মিনিট। আবার সকাল ১১টা ৩৭ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ২৪ মিনিট থেকে অফ পিক আওয়ার। এ সময় ১২ মিনিট হেডওয়ে। আবার দুপুর ২টা ২৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৩২ মিনিট পিক আওয়ার। এ সময় হেডওয়ে ৮ মিনিট। আবার রাত ৮টা ৩৩ মিনিট থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত স্পেশাল অফ পিক। এ সময় হেডওয়ে হবে ১০ মিনিট।

আবার অন্যদিকে মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর পর্যন্ত সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত স্পেশাল অফ পিক। এই সময় হেডওয়ে ১০ মিনিট। সকাল ৮টা ১ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৮ মিনিট পিক আওয়ার। এ সময় হেডওয়ে ৮ মিনিট। দুপুর ১২টা ৯ মিনিট থেকে দুপুর ৩টা ৪ মিনিট স্পেশাল অফ পিক। এ সময় হেডওয়ে ১২ মিনিট। আবার দুপুর ৩টা ৫ মিনিট থেকে রাত ৯টা ১২ মিনিট পর্যন্ত পিক আওয়ার। এ সময় হেডওয়ে ৮ মিনিট। রাত ৯টা ১৩ মিনিট থেকে রাত ৯টা ৪০ স্পেশাল অফ পিক। এ সময় হেডওয়ে ১০ মিনিট।

আগের মতোই সাপ্তাহিক বন্ধ শুক্রবার ৷ এছাড়া শনিবার ছাড়া সব সরকারি ছুটির দিনে মেট্রো ট্রেন ১২ মিনিটের পরিবর্তে ১৫ মিনিট করা হয়েছে।


আরও খবর



যমুনার পানি বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে, ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:



সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে। 



এরইমধ্যে বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়নের সাড়ে পাঁচ হাজার পরিবারের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। 



বন্যা কবলিত এলাকার বসতবাড়ি, রাস্তা-ঘাট, হাটবাজারের পাশাপাশি অসংখ্য তাঁত কারখানায় পানি প্রবেশ করায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমিকেরা।



রোববার (৭ জুলাই) সকালে শহর রক্ষা বাধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সিরাজগঞ্জের গেজ রিডার হাসান মামুন জানান, পানি বৃদ্ধির হার অনেকটাই কমে এসেছে।


এদিকে সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের হার্ড পয়েন্ট ও মালশাপাড়ায় পাউবোর চায়না বাঁধ এলাকা থেকে ভ্রমণকারীদের যমুনায় নৌকা চলাচল শনিবার দিনভর নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন। ‌



পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়াতে প্রশাসন থেকে শহর রক্ষা বাঁধের আশেপাশে ও যমুনায় নৌ চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে।


পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজা্দপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানি উঠে পড়ায় এসব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখা হচ্ছে।


সিরাজগঞ্জে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‌আজ থেকে পানি বৃদ্ধির হার আরও কমার সম্ভাবনা আছে।


আরও খবর



বাংলা ব্লকেড : শিক্ষার্থীদের নামে পুলিশের মামলা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা করেছে পুলিশ। আন্দোলনের সময় পুলিশের যানবাহন ভাঙচুর, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা এবং মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় আসামি হিসেবে অজ্ঞাতপরিচয় অনেক শিক্ষার্থী উল্লেখ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের পরিবহন বিভাগের গাড়িচালক খলিলুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ জুলাই কোটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্ব ঘোষিত আন্দোলনের কর্মসূচি ছিল। সে অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অজ্ঞাতপরিচয় ছাত্ররা জড়ো হয়ে বিভিন্ন হলের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করে বিকেল ৪টার সময় স্লোগান দিতে দিতে শাহবাগ মোড়ের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড় অতিক্রম করে বেআইনি জনতায় আবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা সৃষ্টি করে সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করেন। তারা শাহবাগ মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন ও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করেন। এসময় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের মারধর করে সাধারণ জখম করেন।

পরে তারা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তারা ছাত্রদের বুঝিয়ে শুনিয়ে পুনরায় শাহবাগ মোড়ে ফিরিয়ে আনতে যায়। এ সময় বিএসএমএমইউয়ের পাশে নিরাপদ স্থানে রাখা এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যাননের চারদিকে ঘেরাও করে অনেক সংখ্যক আন্দোলনকারীরা উঠে উদ্দাম নৃত্য শুরু করেন। তারা ওয়াটার ক্যানন চালককে গাড়ি থেকে জোর করে বের করার চেষ্টা ও গতিরোধ করেন। এর ফলে এপিসি ২৫ এর সামনের দুইটি এসএস স্ট্যান্ড, বনাটের উপরে বাম পাশে রেডিও অ্যান্টেনা এবং ডান পাশের পেছনের চাকার মার্টগার্ড চলি এবং ওয়াটার ক্যাননের বাম পাশের লুকিং গ্লাস ভেঙে অনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেন। এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ছাত্রদের অন্যান্য সিনিয়র স্যাররা বুঝিয়ে শুনিয়ে এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যানন থেকে নামিয়ে আনেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে পানির বোতল, টেপটেনিস বল ও ইটের টুকরা ছুড়ে মারেন। এতে অনেক পুলিশ সমস্য আঘাতপ্রাপ্ত হন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সব সিনিরয় কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে অজ্ঞাতপরিচয় ছাত্ররা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শাহবাগের আন্দোলনে যোগ দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বারডেম হাসপাতালের গেটের ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশ সদস্যদের আহত করেন। তারা পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি করেন। ছাত্ররা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানায় ছাত্রদের ধরে নিয়ে গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশকে মারতে তেড়ে আসেন ও পুলিশকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে শাহবাগ মোড় ত্যাগ করেন।

এ ছাড়া বিবাদীরা বেআইনিভাবে জড়ো হয়ে দাঙ্গা সৃষ্টি করে সরকারি কাজে বাধা দেন। তারা স্বেচ্ছায় আঘাত করেন, গতিরোধ, দাঙ্গা দমনকারী কর্তব্যরতদের প্রতি আক্রমণ ও বাধা দিয়ে ক্ষতিসাধন ও ভয়ভীতি দেখান বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর



ফুলবাড়িতে,২০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি আটক

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

উত্তম কুমার মোহন্ত, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) :

চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি কে আটক করে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার ০৪ (জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এর মাদক উদ্ধার কারী একটি চৌকস টিম ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের ফুলমতি ঘাট পাড় ব্রীজ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চর গোড়ক মন্ডল এলাকার মাদক কারবারি মোঃ শফিকুল ইসলাম (৩২) কে ২০ কেজি গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করে।

এব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রুহুল আমিন জানান,গ্রেফতার কৃত আসামির বিরুদ্ধে ফুলবাড়ী থানায় নিয়মিত মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলায় মাদক নির্মূলে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



বাতিল হতে পারে বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি : ঢাবি সিনেটে প্রস্তাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:



পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের পিএইচডি ডিগ্রি বাতিলের জন্য সিনেটে প্রস্তাব করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্যরা।


বুধবার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে বৈঠকে সিনেটের অন্তত তিনজন সদস্য এ প্রস্তাব দেন। 



সিনেট সদস্য বলেন, বেনজীর আহমেদ ভর্তির যোগ্যতা পূরণ না করলেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি পেয়েছেন।



বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ডিগ্রি পাওয়ার পর তিনি তার নামের শুরুতে ‘ড.’ ব্যবহার শুরু করেন। 


তবে বেনজীরের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা ছিল না। তাকে ভর্তির জন্য অনিয়ম করে যোগ্যতার শর্ত শিথিল করা হয়েছিল।



বেনজীর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। এই প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য প্রয়োজন স্নাতক ডিগ্রি। 



এই প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে, যা বেনজীরের ছিল না।


সিনেট সদস্য রণজিৎ কুমার সাহা, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বেনজীরের ডিগ্রি বাতিলের প্রস্তাব করেন।






আরও খবর