Logo
শিরোনাম

বিশ্বে বায়ু দূষণে অকাল মৃত্যুতে সর্বোচ্চ এশিয়া

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

মানবসৃষ্ট নির্গমন ও দাবানলের মতো অন্যান্য উৎস থেকে ছড়িয়ে পড়া দূষণে বিশ্বজুড়ে ১৯৮০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটেছে। সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির (এনটিইউ) এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, এল নিনো এবং ভারত মহাসাগরের ডাইপোলের মতো আবহাওয়ার ঘটনাগুলো বাতাসে দূষণের ঘনত্বকে তীব্র করে তুলছে। এর ফলে দূষণকারী অন্যান্য উপাদানের ওপর এর ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে।

গবেষকরা বলেছেন, বস্তুকণা পিএম-২.৫ এর ক্ষুদ্র কণাগুলো শ্বাসের সাথে মানবদেহে প্রবেশ করছে। এই বস্তুকণা রক্ত ​​​​প্রবাহে প্রবেশ করার মতো যথেষ্ট ছোট হওয়ায় তা স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বস্তুকণা পিএম-২.৫ হলো বাতাসে থাকা সব ধরনের কঠিন এবং তরল কণার সমষ্টি, যার বেশিরভাগই বিপজ্জনক। মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন প্রাণঘাতী ক্যানসার ও হৃদযন্ত্রের সমস্যা তৈরি করে পিএম-২.৫। এছাড়া বায়ু দূষণকারী আরেক পদার্থ এনও২ প্রধানত পুরোনো যানবাহন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্প স্থাপনা, আবাসিক এলাকায় রান্না, তাপদাহ এবং জ্বালানি পোড়ানোর কারণে তৈরি হয়।

ডব্লিউএইচও বায়ুমান নির্দেশক গাইডলাইন বলছে, পিএম২.৫ নামে পরিচিত ছোট এবং বিপজ্জনক বায়ুকণার গড় বার্ষিক ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি হওয়া উচিত নয়। তবে এরচেয়েও কম ঘনত্ব উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বের অনেক শহরের বাতাসে এসব কণার মারাত্মক উপস্থিতি রয়েছে।

এনভায়রনমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল সাময়িকীতে প্রকাশিত সমীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়টি বলেছে, ১৯৮০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যুর সঙ্গে ওই সূক্ষ্ম কণার সম্পর্ক রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, হার্ট, ফুসফুসের সমস্যা, স্ট্রোক ও ক্যানসারসহ যেসব রোগের বা অবস্থার চিকিৎসা আছে কিংবা প্রতিরোধ করা যেতে পারে, সেসব রোগে আক্রান্তরা মানুষের গড় আয়ুর চেয়ে কম বয়সে মারা যাচ্ছেন। আবহাওয়ার এসব বৈরী ধরন ১৪ শতাংশ মৃত্যু বাড়িয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

এনটিইউ বলেছে, দূষণ সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ওই সময়ের মধ্যে বিশ্বে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু ঘটেছে এশিয়ায়। ১৯৮০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এশিয়ায় এসব ঘটনায় ৯ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি মানুষের অকাল মৃত্যুতে ভূমিকা রেখেছে পিএম-২.৫ দূষণ; যাদের বেশিরভাগই মারা গেছেন চীন এবং ভারতে। এছাড়া বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া এবং জাপানেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে। এই চার দেশে একই সময়ে অকালে প্রাণ হারিয়েছেন ২০ থেকে ৫০ লাখ মানুষ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শুধুমাত্র বায়ু দূষণের কারণে প্রত্যেক বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬৭ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়টির বায়ুর গুণমান ও জলবায়ুর ওপর চালানো এই গবেষণাকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বিস্তৃত ও বৃহৎ পরিসরের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ এই গবেষণায় এনটিইউয়ের গবেষকরা স্বাস্থ্যের ওপর বস্তুকণা-২.৫ এর বিশাল প্রভাবের চিত্র হাজির করতে প্রায় ৪০ বছরের ডেটা ব্যবহার করেছেন।

এনটিইউয়ের এশিয়ান স্কুল অব দ্য এনভায়রনমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক স্টিভ ইম এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন যে, বায়ু দূষণকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে আমাদের গবেষণার ফলাফলে সেই চিত্র উঠে এসেছে।

স্টিভ ইম বলেন, এল নিনোর মতো জলবায়ুর নির্দিষ্ট কিছু ঘটনায় দূষণের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। যার অর্থ পিএম-২.৫ দূষণের কারণে মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটতে পারে। বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় বায়ু দূষণ মোকাবিলা করার সময় জলবায়ুর এসব বৈশিষ্ট্য বোঝার ও এই বিষয়ে হিসেব-নিকেশ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে আমাদের এই গবেষণা।

সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির এই গবেষণায় হংকং, যুক্তরাজ্য ও চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরাও অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শুধুমাত্র বায়ু দূষণের কারণে প্রত্যেক বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬৭ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।


আরও খবর



দেশব্যাপী বিতর্কের মুখে ভারতে নতুন ফৌজদারি আইন কার্যকর, দিল্লিতে প্রথম মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক :


ব্রিটিশ আমলের ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ধারা বদলে তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন আগেই পাশ হয়েছিল।



 সোমবার (১ জুলাই) থেকে তা চালু হয়েছে দেশটিতে। অবশ্য চালু করার আগে এই আইনগুলো নিয়ে আরো বেশি আলোচনা-পর্যালোচনার প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছেন বিরোধীরা। খবর ডয়চে ভেলে ও ইন্ডিয়া টুডের।



নতুন যে তিনটি আইন চালু হলো সেগুলো হলো- ভারতীয় নয়া সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম। এর আগে এই ধারাগুলো ছিল ব্রিটিশদের তৈরি তিনটি আইনে।



 ইন্ডিয়ান পেনাল কোড (আইপিসি), কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর এবং দ্য ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট। ব্রিটিশ আমলের এই তিনটি আইন বাতিল করে নতুন এই তিনটি আইন চালু করা হলো।



বস্তুত, এই তিনটি নতুন ফৌজদারি আইনকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই আইন নিয়ে বলেছেন, এর ফলে ভারতে ফৌজদারি বিচারের গতি আগের চেয়ে অনেকটাই দ্রুত হবে।



নতুন আইনগুলো পুরোনো আইনের থেকেই তৈরি করা। কিন্তু তাতে বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, প্রথম শুনানির ৬০ দিনের মধ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করতে হবে।



 বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে সাজা ঘোষণা করতে হবে। অর্থাৎ, বিচারপ্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক দ্রুত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে নতুন আইনে। 


নতুন আইন অনুযায়ী, দেশের যে কোনো প্রান্তে বসে পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করা যাবে। অর্থাৎ, যে অঞ্চলে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, কেবল সেই অঞ্চলের থানায় গিয়েই এফআইআর করতে হবে, এমন কোনো নিয়ম আর থাকল না। 



যে কোনো পুলিশ স্টেশন যে কোনো অঞ্চলের এফআইআর নিতে বাধ্য থাকবে। পাশাপাশি অনলাইনেও অভিযোগ নথিভুক্ত করা যাবে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সমন পাঠানো যাবে।


নতুন আইনে বলা হয়েছে, যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে ক্রাইম সিন বা অপরাধ যেখানে সংঘটিত হয়েছে সেই জায়গার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। বস্তুত, ক্রাইম সিনের ভিডিওগ্রাফি এখনো হয়। কিন্তু তা বাধ্যতামূলক নয়। নতুন আইনে তা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


সাত বছরের বেশি সাজা হতে পারে যে অপরাধে, তেমন ঘটনায় ফরেনসিক দলকে ক্রাইম সিনে যেতেই হবে। গণপ্রহার, গণধর্ষণ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের মতো অপরাধের ক্ষেত্রেও ফরেনসিক টিমকে ঘটনাস্থলে যেতে হবে।


এর ফলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তৈরি হয় জাতীয় ফরেনসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই মুহূর্তে ভারতে ৯টি রাজ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় আছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ১৬টি রাজ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হবে।



কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলোর বক্তব্য, নতুন আইন খুব দ্রুত চালু করা হচ্ছে। এই আইনগুলো নিয়ে আরো বেশি আলোচনা হওয়ার প্রয়োজন ছিল। এর সাংবিধানিক ব্যাখ্যা নিয়েও আলোচনা করা দরকার ছিল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও একই কথা বলেছেন। তার বক্তব্য, ‘এই আইনগুলো নিয়ে আরো বেশি পর্যালোচনার প্রয়োজন ছিল।’


তবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় নতুন আইনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এটি একটি অভূতপূর্ব সময়। ভারতে দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে ফৌজদারি আইন। সেই আইনের ঐতিহাসিক সংস্কার হলো।


এদিকে নতুন এই আইনের অধীনে দিল্লিতে ইতিমধ্যে একটি মামলাও নথিভুক্ত হয়েছে। দিল্লির কমলা মার্কেট থানায় এ মামলা নথিভুক্ত হয়। এক জন হকারের বিরুদ্ধে রাস্তা আটকে ব্যবসা করার অভিযোগে এ মামলা হয়।


আরও খবর



কোটা নিয়ে আন্দোলন আদালতবিরোধী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সরকার বাতিল করেছিল, আদালত বহাল রেখেছেন। কোটা নিয়ে আন্দোলন আদালতবিরোধী।



বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) প্রেসক্লাবে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারসাম্যর পররাষ্ট্রনীতি ও বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়ন’ বিষয়ে আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আদালতের রায় আদালত হয়েই সমাধান করতে হবে।



এসময় সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয় নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, পেনশন ব্যবস্থা সবার জন্য করা হয়েছে। আশাকরি শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে।


ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। ভারতের পণ্য বাংলাদেশের ভুখণ্ড ব্যবহার করছে এতে বাংলাদেশেরও উপকার হচ্ছে। ট্যারিফ পাচ্ছে। ভারতের সহযোগিতায় রেল ও সড়ক পথের উন্নয়ন হচ্ছে।



উল্লেখ্য, সম্প্রতি হাইকোর্ট মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে সরকারের পরিপত্র অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।



 অন্যদিকে পেনশন স্কিম প্রত্যয় চালু করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছেন। ১ জুলাই থেকে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মবিরতি চলছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘোষণা করবেন আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান আজ শুক্রবার (৫ জুলাই)। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষ হওয়ায় এর আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



এ উপলক্ষে আজ বিকেল ৪টায় মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় পদ্মাসেতু উত্তর প্রান্তে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।



অস্ত্র-গুলিসহ দুই রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার

পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি বলেন, ‘নানা অনিশ্চয়তার মধ্যেই আমাদের কাজটি সম্পন্ন করতে হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থার সরে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেষ্টায় আমরা সেতুর কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি।



 মানুষকে একটি সুন্দর সেতু তৈরি করে দিতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের সবশেষ বরাদ্দ থেকে ১ হাজার ৮৩৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা কম খরচ হয়েছে। আমরা ওই টাকা নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে দেব।’


তিনি আরও বলেন, ‘এটি অনেক বড় একটি প্রকল্প। আমাদের কিছু ক্লেইম ছিল। নদীশাসন ও কারিগরি কিছু কাজ বাকি ছিল। বড় কাঠামো তৈরির পর ডিফেক্ট লাইবিলিটি পিরিয়ড থাকে। 



এই সময়ে অবকাঠামোর ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে (যেমন কোথাও রং উঠে গেছে, কোথাও কিছুটা কাজ বাকি থেকে গেছে ইত্যাদি) তা সংশোধন করা হয়। ঠিকাদারেরও বেশ কিছু ক্লেইম ছিল। যে কারণে বারবার আমাদের মিটিং করতে হয়েছে। অর্থাৎ এই সবগুলো কাজ এই সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ করা হয়েছে। সবমিলিয়ে আমাদের কাজ এখন সম্পূর্ণ। গত ৩০ জুনই সম্পন্ন হয়েছে।’


জানা গেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি উপলক্ষে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথি ছাড়াও থাকবেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।



এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা আর সর্বাত্মক প্রস্তুতি থাকার কথা জানিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ৫ জুলাই বিকেলে পদ্মা সেতু প্রকল্পের মাওয়া এলাকায় আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।



 মূলত পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজের মেয়াদ সমাপ্তি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী আসবেন। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিসহ যারা এই সেতুর কাজে বিভিন্ন সময় অংশ নিয়েছেন, তাদের নিয়ে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংশ্লিষ্টদের কথা শোনার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।’


তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও সব দপ্তরের অংশগ্রহণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’


উল্লেখ্য, ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়ায় প্রথম পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। এরপর নানা প্রতিবন্ধকতায় আর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা শেষে যাত্রা শুরু হয় দেশের আলোচিত প্রকল্পটির মূল কাজ। যার সবশেষ মোট বরাদ্দ ছিল ৩২ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা।



আরও খবর



এক নজরে ঈদের পাঁচ চলচ্চিত্র

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

মুক্তি পেয়েছে 'তুফান', 'ময়ূরাক্ষী', 'রিভেঞ্জ', 'ডার্ক ওয়ার্ল্ড', ও 'আগন্তুক'।


শাকিব-চঞ্চলের তুফান

পাঁচ সিনেমার মধ্যে প্রচার দৌড়ে এবং দর্শক আগ্রহে এগিয়ে রয়েছে রায়হান রাফি পরিচালিত তুফান। এর মূল আকর্ষণ কেবল শাকিব খান নন। অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী এবং কলকাতার নায়িকা মিমি চক্রবর্তীসহ, দেশের নাটক-সিনেমা জগতের দর্শকপ্রিয় কিছু শিল্পীকে এক পর্দায় এনে হইচই ফেলে দিয়েছেন রাফি। প্রকাশ হয়েছে সিনেমার ট্রেইলার। তাতে শাকিবের দ্বৈত চরিত্রের আভাস মিলেছে।

পুলিশ বুবলীর 'রিভেঞ্জ'

শবনম বুবলী ও জিয়াউল রোশান অভিনীত 'রিভেঞ্জ' মুক্তি পাচ্ছে দেশের প্রায় ৩০টি প্রেক্ষাগৃহে।

নির্মাতা ও প্রযোজক মোহাম্মদ ইকবাল গ্লিটজকে বলেন, "এখন পর্যন্ত ৩০টার মত হল বুকিং হয়েছে। এই সংখ্যা বাড়বে বলে বুঝতে পারছি। চূড়ান্ত হলে সবাইকে জানানো যাবে।"

ময়ূরাক্ষী' কেবল সিনেপ্লেক্সে

জাজ মাল্টিমিডিয়ার পরিবেশনার মুক্তি পাচ্ছে 'ময়ূরাক্ষী'। জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ গ্লিটজকে বলেন," 'ময়ূরাক্ষী' সিনেমাটি স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, লায়ন সিনেমাসসহ মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে মুক্তি পাচ্ছে। সিঙ্গেল হলগুলো টার্গেট করা হচ্ছে না।

কলকাতার অভিনেত্রী নিয়ে 'ডার্ক ওয়ার্ল্ড'

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দ্য অভি কথাচিত্র থেকে মুক্তি পাচ্ছে 'ডার্ক ওয়ার্ল্ড' 'আগন্তুক' নামের দুই সিনেমা।

অভি কথাচিত্রের কর্ণধার জাহিদ হাসান অভি বলেছেন, ডার্ক ওয়ার্ল্ড যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাস ছাড়াও ময়মনসিংহের পূরবী, ফতুল্লার বনানী, জয়পুরহাটের নাজমাসহ ১২টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে।

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। অভিনয় করেছেন নবাগত মুন্না খান ও কলকাতার অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়।

আগন্তুক', জুটি বেঁধেছেন পূজা ও শ্যামল

পূজা চেরি ও শ্যামল মাওলাকে জুটি করে আগুন্তক সিনেমার চিত্রনাট্য তৈরি করেছিলেন সুমন ধর। সিনেমা পরিচালানও করছেন তিনি।


আরও খবর



চলচ্চিত্র ছাড়ার কারণ জানালেন শাবানা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী শাবানার আসল নাম আফরোজা সুলতানা রত্না। ষাটের দশকের শুরুতে ‘নতুন সুর’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তার।

 ১৯৬৭ সালে পরিচালক এহতেশামের উর্দু ছবি ‘চকোরী’ দিয়ে পর্দায় শাবানার আগমন ঘটে। দীর্ঘ চার দশক দাপটের সঙ্গে ঢালিউড দাবড়িয়ে তিনি। নায়িকা চরিত্রের বাইরেও ভাবি ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে শাবানা। তার অভিনীত ছবির সংখ্যা প্রায় ৫০০। 

২৪ বছর আগে অভিনয়কে বিদায় জানানো ৭২ বছর বয়সী শাবানা এখনো কোটি বাঙালির হৃদয়ে অভিনয়ের রানি হয়ে আছেন।

অভিনয়ের জন্য শাবানা ১১ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তার বাবার নাম ফয়েজ চৌধুরী, যিনি একজন টাইপিস্ট ছিলেন এবং মা ফজিলাতুন্নেসা ছিলেন গৃহিণী। পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া গ্রামে হলেও শাবানা জন্মগ্রহণ করেন ঢাকার গেণ্ডারিয়ায়। 

শাবানার স্বামীর নাম ওয়াহিদ সাদিক। তিনি একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল এসএস প্রোডাকশনস। তাদের তিন সন্তান। তারা সবাই স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তবে বাংলাদেশে আসেন, কয়েক দিন স্বজনদের সঙ্গে কাটিয়ে আবার উড়াল দেন যুক্তরাষ্ট্রে।

বাংলা সিনেমার দাপুটে অভিনেত্রী শাবানা ঠিক কী কারণে অভিনয় ছেড়েছিলেন এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শৈশবে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হই। নিজেকে দেওয়ার মতো সময় পাইনি। কাজ, কাজ আর কাজ। এভাবেই কেটেছে একটানা ৪০ বছর। 

পরিবার ও সন্তানদের সময় দেওয়ার ব্যাপারটি একটা সময় জরুরি হয়ে পড়ে। দেশের বাইরে পড়াশোনার বিষয়ও ছিল। তাই সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অভিনয়টা ছাড়তে হয়েছে।

বারবার অভিনয়ে ফিরে আসা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো শাবানা বলেন, এই বয়সে আর কীভাবে? এখন তো অনেক বয়স হয়ে গেছে। আল্লাহর নাম নিয়ে পার করে দিচ্ছি সময়। মাঝেমধ্যে সুখময় স্মৃতিগুলো মনে করি। ছেলেমেয়ে, নাতি-নাতনিরা মাঝেমধ্যে আমার ছবি সম্পর্কে নানা কিছু জিজ্ঞাসা করে।

 আমিও তখন বলি, ওই ছবিটা দেখো। এখন পরিবারটাই আমার জগৎ। এ জগতে আমার অনেক ব্যস্ততা।


আরও খবর