Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

‘বিতর্কিত’ ভাইরাল ছবি প্রসঙ্গে যা বললেন সিয়াম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি  টুডেস ডেস্ক:


ফের আলোচনায় ঢালিউডের চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ। তবে সিনেমা নয়, অন্য কারণে ভাইরাল সিয়াম। 



বছর তিনেক আগে স্ত্রী অবন্তীকে নিয়ে তোলা একটি ছবি নিয়েই বিদ্রূপের মুখে পড়েছেন সিয়াম। মূলত ঘুরতে গিয়েই ছবিটি তোলা।



সাজেকের লুসাই গ্রামে গিয়ে সেখানকার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাকে ছবিও তোলেন এই দম্পতি। সেই ছবি আবার সামাজিক মাধ্যমেও প্রকাশ করেন তাঁরা। 


কিন্তু হঠাৎ করেই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর পোশাক পরা সেই ছবি ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। 



সম্প্রতি ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি সাইনবোর্ডের ছবি ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সেখানে চাকমা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, গারো, খাসিয়া, মারমা, খুমি, লুসাই, রাখাইন, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষের ছবি আছে।



 কিন্তু ভুলবশত ‘পাংখোয়া’ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী হিসেবে সিয়াম ও তাঁর স্ত্রী অবন্তীর ছবিটিও দেওয়া হয়েছে। এই ছবি নিয়েই ট্রলের মুখে সিয়াম। যা নিয়ে বেশ বিব্রত সিয়াম।



পুরো বিষয়টি নিজের ফেসবুকেও তুলে ধরে সিয়াম লিখেছেন, ‘লুসাই জনগোষ্ঠীর সম্মানিত রাজার আমন্ত্রণে বছর তিনেক আগে সাজেকে ঘুরতে গিয়েছিলাম অবন্তীকে নিয়ে। তাঁদের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, পরিবেশ ঘুরে দেখেছিলাম। 



তাঁদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেছি, সবার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছিলাম সেবার। নিউজফিডে বেশ কয়েক জায়গায় দেখলাম, আমার আর অবন্তীর এই ছবিটি একটি সাইনবোর্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। 


সেখানে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে পাংখোয়া জনগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে। আমরা এতে বিব্রত হয়েছি। কারণ, এর মাধ্যমে পাংখোয়া জনগোষ্ঠীকে হেয় করা হচ্ছে।’



সামাজিক মাধ্যমে ট্রলের বিষয়ে তিনি লেখেন, ‘ঘুরতে গিয়েছিলাম পরিবারকে নিয়ে। সেই ছবিটি নিয়ে অনেক জায়গায় দেখলাম নানা রকমের ট্রল হচ্ছে। ভেবেছিলাম অন্য আরও অনেকবারের মতো এবারও এড়িয়ে যাব। 


কিন্তু ভাবলাম কিছু বলা উচিত। ট্রল আমরা অবশ্যই করব, মিম আমরা অবশ্যই বানাব। কিন্তু কিসে কাউকে অসম্মান করা হচ্ছে, একটি সম্প্রদায়কে ছোট করা হচ্ছে, সেই বোধ থাকাটাও জরুরি। 



যে তারুণ্যকে আমি প্রতিনিধিত্ব করি, সেই তারুণ্যের কাছে এই সেনসিবিলিটি তো প্রত্যাশা করতেই পারি।’



এ ছাড়া সাইনবোর্ড থেকে তাঁদের ছবি সরিয়ে নিতেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আহ্বান জানান সিয়াম।



আরও খবর



গোপন বিয়ের খবর ফাঁস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন ববি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিনোদন ডেস্ক:


‘নির্মাতাকে পিটিয়েছেন নায়িকা’ এমন খবর এখনও তাজা দেশের শোবিজাঙ্গনে। 



এর মধ্যেই ফাঁস হলো সেই নায়িকা ইয়ামিন হক ববির গোপন বিয়ের খবর। তবে বিষয়টিকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন তিনি।



গণমাধ্যমকে ববি বলেন, এগুলো পুরোপুরি মিথ্যা সংবাদ। আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করার জন্য কেউ এগুলো ছড়াচ্ছে। সবাইকে আহ্বান করবো, এসব গুজবে কান না দেওয়ার জন্য।


এর আগে জানা যায়, গোপনে বিয়ে করেছেন আলোচিত এই নায়িকা। বরের নাম আবুল বাশার। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী।



 ঈদের সপ্তাহখানেক আগে একটি শুটিংয়ে ববি তার বরকে নিয়ে হাজির হলে, ঘনিষ্ঠজনরা প্রথম তার বিয়ের খবরটি জানতে পারেন।


আরও খবর



‘অন্যায়কারী অন্যায় একা করে না, দিয়ে-থুয়েই করে’

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

দেশে ছাগলকাণ্ডের পর থেকে শুরু হয়েছে একের পর এক দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উন্মোচন। সমসাময়িক আলোচিত ইস্যুগুলো প্রসঙ্গে মন্তব্য করা থেকে পিছিয়ে নেই তারকারাও। তারই ধারাবাহিকতায় এবার গুণী অভিনেতা আফজাল হোসেন আফজাল হোসেন নিজের অবস্থান জানালেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে ফেসবুকে একটি লেখা পোস্ট করে তিনি বলেছেন, দেশের চোর-ডাকাতগুলোর কলিজা বড়। তারা দেশের আইন বা আল্লাহকিছুরই ভয় করে না। ভাবে, আমি আমরা সবাইকে তুষ্ট করেই যা করার করছি। অন্যায়কারী অন্যায় একা করে না, অনেককে দিয়ে-থুয়েই করেসেটাই তাদের সাহস ও শক্তি জোগায়।

ফেসবুক পোস্টে আফজাল হোসেন লিখেছেন, একটু ভালো জীবনের আশায় শত চেষ্টা করেও কোটি কোটি মানুষের ভাগ্য বা কপাল বদলায়নি, বদলেছে কপালের খানিকটা ওপরের দিক। হয় কপালে পড়েছে ভাঁজ অথবা মাথার চুল হতাশার ঠ্যালা-গুঁতোয় হয়েছে উধাও।

আফজাল হোসেন তার লেখায় মানুষের কষ্ট এবং তাদের আনন্দ খোঁজার বিষয়টি উল্লেখ করে লিখেছেন, কষ্টের জীবন নিয়ে মানুষের অত ক্ষোভ-অশান্তি ছিল না। ক্ষোভ আর অশান্তি মন্দ মানুষদের নিয়েযাদের চাওয়া অশেষ, পাওয়ারও শেষ নেই। ঘোরতর অন্যায় তারা হাসতে হাসতে করতে পারে। অথচ যারা সাধারণঅন্যায়ের দিকে এক পা বাড়াতে কেঁপে মরে। ভাবে, অন্যায় যদি করিদেশের আইন গলা চেপে ধরবে, আবার ওপরওয়ালা শেষবিচারের দিন একচুলও ছাড় দেবেন না।

আফজাল হোসেনের পোস্টের শেষ অংশ ভালো মানুষের দীর্ঘশ্বাস আর চোর-ডাকাতদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যও উঠে এসেছে। তিনি লিখেছেন, ভালো মানুষেরা দীর্ঘশ্বাস ফেলেআমাদের ভয়ডর এত কেন! চোর, ডাকাত, লুটেরারা সংখ্যায় বাড়তে বাড়তে নিকট পর্যন্ত এসে গেছেসেই তাপে কারও কারও মনে হয়, সবাই করছে যখন, এক-আধটু নিজে করলে অসুবিধা কী! ওই ভাবা পর্যন্তই। ঠকতে ঠকতে জীবন তলানিতে পৌঁছেছে, তবু একদল মানুষ ভালো হয়ে থাকবার বাসনাটা টিকিয়ে রাখে। সে চেষ্টা কি সমাদর পায়? পায় না।


আরও খবর



ঢাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তিন দিনের অর্ধবেলা কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন চলছে।

বুধবার কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে শিক্ষকরা তাদের নিয়মিত কার্যক্রম থেকে বিরতি নেন। এদিন কোনো ক্লাস হয়নি। তবে পরীক্ষা থাকলে তা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন অর্ধবেলা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, তিন দিনব্যাপী চলমান এ কর্মসূচিতে পরীক্ষা আওতামুক্ত থাকবে। তবে ক্লাস নেওয়া হবে না। কোনো শিক্ষক তাদের অফিসে যাবেন না, স্বাভাবিক কার্যক্রম থেকে বিরতি নেবেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, দ্বিতীয় দিনও আমরা আমাদের অর্থবেলা কর্মবিরতি জারি রেখেছি এবং ক্লাসগুলো নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষা যদিও এসব থেকে মুক্ত। এছাড়া পূর্বঘোষিত কর্মসূচির ভিত্তিতে আমরা আজও অবস্থান কর্মসূচি পালন করব। এতে কোনো ব্যতয় ঘটবে না। দাবি অনাদায়ে ৩০ তারিখ আমরা পূর্ণবেলা ও ১ তারিখ থেকে যতদিন পর্যন্ত দাবি আদায় না হবে ততদিন সম্পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাবেন শিক্ষকরা। এতে পরীক্ষাও অন্তর্ভুক্ত হবে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রাজাকার’ স্লোগানে ‘হতবাক ও ক্ষুব্ধ’ সুশীল সমাজ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার স্লোগানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু প্রগতিশীল আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার এই বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে এমন স্লোগানে হতবাক তারা।

আজ সোমবার (১৫ জুলাই) সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আহকাম উল্লাহ সাক্ষরিত বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে মর্মাহতঅপমানিত বোধ করায় রোববার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হল থেকে মিছিল নিয়ে বেরিয়ে বিক্ষোভ করেন। ওইসব মিছিলে শিক্ষার্থীরা তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার, চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার', লাখো শহীদের রক্তে কেনা, দেশটা কারও বাপের না' ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সাংস্কৃতিক জোট সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সই করা সোমবারের বিবৃতিতে বলা হয়, গতরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলনকারীদের মিছিলে আমরা সবাই রাজাকারতুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার স্লোগান প্রদান করার ঘটনায় আমরা বিস্মিত ও হতবাক।

বিবৃতিতে বলা হয়, যেকোনো বিষয়ে মত, ভিন্নমত থাকতেই পারে। আলাপ-আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন করবার প্রত্যেক নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অসম্মানজনক বক্তব্য প্রদান, কটাক্ষ করা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য ও ঔদ্ধত্যের সামিল। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী রাজাকার বাহিনীর পরিচয়কে আত্মপরিচয় হিসেবে স্লোগান দেয়ার পর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করার নৈতিক অধিকার থাকে কি?

সাংস্কৃতিক জোট আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছে, যারা নিজেদের রাজাকার বলে স্লোগান দিয়েছেন, তারা নানা কারণে বিভ্রান্ত। তারা মুক্তিযুদ্ধের মূলধারায় ফিরে আসবেন এবং কন্ঠে তুলে নেবেন সেই কালজয়ী স্লোগান জয় বাংলা


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় আপাতত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।



বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ চেম্বার আদালতের রায় বহাল রাখেন। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রইলো।



এসময় পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর কোটা নিয়ে নিয়মিত আপিল করার নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। একইসঙ্গে রাজপথে আন্দোলন করে সুপ্রিমকোর্টের রায় পরিবর্তন করা যায় কি না- সেটিও জানতে চান প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। 


এর আগে সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ অন্য কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র গত ৫ জুন অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। ফলে সরকারি চাকরিতে (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড) ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে। 



মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। 


এই রায়ের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা হয়। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হয়। এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিলও করে রাষ্ট্রপক্ষ।


আরও খবর