Logo
শিরোনাম

বন্যাদুর্গত এলাকায় জরুরি টেলিসেবা স্থাপনে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

সিলেট ও সুনামগঞ্জসহ কিছু এলাকায় দুর্যোগকালীন জরুরি টেলিযোগাযোগ সেবা স্থাপনে ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। শনিবার (১৮ জুন) দিবাগত রাতে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, দুর্যোগকালীন জরুরি টেলিযোগাযোগ সেবায় এবারই প্রথম বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ সেবা দিতে যাচ্ছে, যা এই স্যাটেলাইটের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। যদিও টেলিভিশন ও ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন সেবায় স্যাটেলাইট সেবা দিয়ে যাচ্ছে। সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্য পরিস্থিতি ভয়াবহ, ১২২ বছরের ইতিহাসে এমন বন্যা হয়নি সেখানে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান।

বন্যাদুর্গত সিলেট ও সুনামগঞ্জ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ, বন্ধ হয়ে গেছে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবাও। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ও পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধারে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় শুক্রবার থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার।

বিএসসিএল জানায়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী ও সচিবের নির্দেশে ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড এরই মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ১২ সেট ভিস্যাট যন্ত্রপাতি দিয়েছে, যার মাধ্যমে জরুরি টেলিযোগাযোগ সেবা স্থাপন করা হবে। এ ছাড়াও বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরকেও আরও ২৩ সেট ভিস্যাট যন্ত্রপাতি দেওয়ার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে আরো ২৩টি বন্যা উপদ্রুত এলাকায় জরুরি টেলিযোগাযোগ সেবা স্থাপন করা হবে। ‌

বিএসসিএল চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ জানান, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি বন্যা উপদ্রুত এলাকায় নিয়োজিত সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ভিস্যাট যন্ত্রপাতি সরবরাহ করতে সক্ষম, যার মাধ্যমে বন্যাকবলিত আরো এলাকায় জরুরি টেলিযোগাযোগ সেবা স্থাপন করা যাবে। মোবাইল কোম্পানিগুলোর প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল নেটওয়ার্ক পুনরুজ্জীবিত করার কাজেও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ব্যবহার করা যেতে পারে।

ভিস্যাট এর মাধ্যমে দুর্যোগকালীন সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিএসসিএল ইতোমধ্যে একটি মনিটরিং সেল গঠন করেছে, যেটি মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে নিরবিচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করবে।

শাহজাহান মাহমুদ জানান, বন্যাকবলিত নীলফামারীতেও কাল ভিস্যাট পাঠানো হবে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানিয়েছেন, আমাদের টেলিকম অপারেটরগুলো তিনটি করে টোল ফ্রি নম্বর চালু করেছে বানভাসী মানুষদের জন্য।

প্রয়োজনে কল করুন :

গ্রামীণফোন- 01769177266, 01769177267, 01769177268

রবি- 01852788000, 01852798800, 01852804477

বাংলালিংক- 01987781144, 01993781144, 01995781144

টেলিটক- 01513918096, 01513918097, 01513918098


আরও খবর



১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশে ১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ২ হাজারের বেশি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ। সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৬২৭টি ধর্ষণ হয়েছে ২০২০ সালে। সে বছর দেশে করোনা মহামারি শুরু হয়। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময় দেশে ৯ হাজার ৬৫৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৭৯টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে দেশে যে পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, সে তুলনায় মামলা হয়েছে অনেক কম।

২০১৯ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৩টি এবং এরমধ্যে মামলা হয়েছে ৯৯৯টি। ২০২০ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৬২৭টি এবং মামলা হয়েছে ১ হাজার ১৪০টি। ২০২১ সালে ১ হাজার ৩২১টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৯১৬টি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৭৩৪টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫০৩টি। গত ১০ বছরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৫৭২ জনকে এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ১০৩ জন।

আসক সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত ৯টি জাতীয় দৈনিক ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এর বাইরেও সংবাদে প্রকাশ হয়নি এমন ধর্ষণের ঘটনাও তাদের তথ্যে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের  অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, ধর্ষণের সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক আছে। ধর্ষণের ক্ষেত্রে একজন পুরুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় তার শক্তি প্রদর্শনের চিন্তা। তাছাড়া বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা এসব কিছুর সঙ্গেও ধর্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। যখন দেশে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তখনই তা নিয়ে আলোচনা হয়। এর বাইরে কোনো আলোচনা হয় না। মানুষের নৈতিক শিক্ষারও অভাব রয়েছে। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ায় অনেকেই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে চান না জানিয়ে রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, ধর্ষণের কোনো ঘটনা প্রকাশ পেলে উল্টো ভুক্তভোগীকেই সমাজ দোষীর চোখে দেখে এবং তাকেই কটুকথা শোনায়। অনেক সময় তার ওপরই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং ধর্ষককে নিরপরাধী হিসেবে তুলে ধরা হয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দুটি প্রবৃত্তি থাকে। তার মধ্যে একটি হলো পাশবিক প্রবৃত্তি। যারা ধর্ষণ করেন, তারা এই পাশবিক প্রবৃত্তি দ্বারা চালিত হন। এটিকে কোনোভাবেই মানসিক সমস্যা বলার সুযোগ নেই। করোনার সময় ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, করোনার সময় মানুষ ঘরের মধ্যে এক ধরনের বন্দিজীবন কাটানোর ফলে সামাজিক কর্মকা- খুব কম হয়েছে। সামাজিক সম্পর্ক মানুষ চালিয়ে যেতে পারছিল না। এতে করে মানুষের মধ্যে এক ধরনের একঘেয়েমি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করে; যা মানুষকে নানা অপরাধের দিকে প্ররোচিত করে। তাছাড়া বিভিন্ন দুর্যোগের সময় এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যায়।



আরও খবর

নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




আজ সেই ভয়াল ১২ নভেম্বর

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

আতোয়ার রহমান মনির ,লক্ষ্মীপুর :

আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর ১৯৭০ সালের এই দিনে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে বয়ে যায় ইতিহাসের সবচেয়ে প্রলয়ঙ্কারী প্রাণঘাতি ঘূর্ণিঝড়প্রাণ হারান প্রায় ১০ লাখ মানুষ কিন্তু ৫২ বছরেও উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধ না হওয়ায় আতঙ্কে লক্ষ্মীপুরের মানুষ রাতে লক্ষ্মীপুর ভোলাসহ উপকূলীয় ১৮ জেলায় আঘাত হানে মহা প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় গোর্কি স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ওই ঝড়ে প্রায় প্রাণ হারান প্রায় ১০ লাখ মানুষ

২৫ থেকে ৩০ ফুট উচ্চতার জলচ্ছাসে বিলীন হয়ে যায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি কমলনগর বেড়িবাধ বিধ্বস্ত হয় ঘরবাড়ি ভেসে যায় গবাদি পশু হাঁস-মুরগী মুহূর্তেই ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয় লক্ষ্মীপুরের উপকূলীয় জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হয় মাঠের ফসলসহ অসংখ্য গাছপালা সেই দুর্যোগের কথা মনে করে আজও শিউরে ওঠেন উপকূলের মানুষ

ঘূর্ণিঝড়ের গোর্কির ৫২ বছরেও টেকসই বাধ তৈরি হয়নি লক্ষ্মীপুর উপকূলে কারণে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হলেই এখনও উপকূলবাসীকে থাকতে হয় আতঙ্কে তবে উপকুলের ভাঙন এলাকা ঘুরে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, রামগতি-কমলনগরে টেকসই বেড়িবাধ তৈরিতে নেয়া ৩১শ কোটি টাকা প্রকল্প শিগগিরই দেখবে আলোর মুখ


আরও খবর

নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




সড়কে-ফুটপাতে রাখা নির্মাণসামগ্রী নিলামে

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রাজধানীর একটি সড়ক ও ফুটপাত দখল করে রাখা নির্মাণসামগ্রী ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তাৎক্ষণিক নিলামে সাড়ে ১২ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এ ছাড়া একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা অবৈধ পাঁচটি লোহার ফটক ভেঙে সেগুলোও নিলামে প্রায় ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৫-এর আওতাধীন রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকায় ওই অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ।

ঢাকা উত্তর সিটির কর্মকর্তারা জানান, আবাসিক ওই এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের সামনে রাস্তা ও ফুটপাতে ইট রেখে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরে ওই ইট ১৩ হাজার টাকা, ভ্যাট ও আয়করসহ ১৪ হাজার ৬২৫ টাকায় বিক্রি করা হয়। পাশের আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনের সামনের রাস্তা ও ফুটপাতের জায়গা দখল করে বালু, ইটের খোয়া ও রড রাখা হয়েছিল। সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নিলামে তোলা হয়। নিলামে ভ্যাট ও আয়করসহ সেগুলো ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭৫ টাকায় বিক্রি হয়।

এ ছাড়া চন্দ্রিমা হাউজিং আবাসন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে ৫টি লোহার ফটক তৈরি করে রেখেছিল। সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়। পরে ওই ফটকগুলো নিলামে ৪৬ হাজার ১২৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।

মোতাকাব্বীর আহমেদ বলেন, জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় নির্মাণসামগ্রী জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো জনসমক্ষে উন্মুক্ত স্থানে প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়। তিনি আরও বলেন, আবাসন প্রতিষ্ঠানের ৫টি অবৈধ ফটক ভাঙা হয়েছে। বাকি যে কয়টি ফটক রয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানকে আগামী সাত দিনের মধ্যে অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে কমেছে ভাড়ার নৈরাজ্য

মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২




নিখোঁজের তিনদিন পর বুয়েট ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ চৌধুরী ঃ

রাজধানীর রামপুরা থেকে নিখোঁজের তিনদিন পর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিন নূর পরশ নামে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। সন্ধ্যায় সিদ্ধিরগঞ্জের বনানীঘাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সে দেলপাড়া কুতুবপুর ইউনিয়নের নয়ামাটি এলাকার কাজী নুরুদ্দীন রানার ছেলে। তবে তারা বর্তমানে ঢাকার ডেমরার শান্তিবাগ কোনাপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। 

স্বজনরা জানান,গত ৪ নভেম্বর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। পর    ৫ নভেম্বর নিহতের বাবা রামপুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। খবরপেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ সনাক্ত করে। তারা রামপুরা এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে ফারদিন রিক্সা থেকে এক নারীকে নামিয়ে দিয়ে পুনরায় রামপুরার দিকে যায়। সে থেকে সে নিখোঁজ থাকে।

নারায়ণগঞ্জ নৌ-থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান মনির বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা যাবে। 


আরও খবর

নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে রক্তি নদীতে বাল্কহেড ডুবি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শফিউল আলম স্টাফ রিপোর্টার :


সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নে রক্তি নদীতে ৯ হাজার ফুট বালি সহ বাল্কহেড ডুবেছে।৩০ নভেম্বর বিকেলে আনোয়ারপুর বাজার সংলগ্ন স্থানে স্টীল বডি খালি নৌকার সাথে সরাসরি সংঘর্ষ হলে বাল্কহেড নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রীজের পিলারে ধাক্কা লাগলে ডুবে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আনোয়ারপুর গ্রামের চিতু দাশ স্টীলবডি খালি নৌকাটি ভাড়ায় পরিচালনা করছে। এক্সিডেন্টের সময় চিতু দাশ নৌকায় ছিল না এমনকি সে শশুড় বাড়ীতে বেড়াতে গেছে অনেকেই একথা বলেছেন। তবে নৌকায় যারা ছিল তারা ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায়। কেউ তাদের পরিচয় প্রকাশ করেনি।এদিকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের এমবি রহমতুল্লাহ বাল্কহেড এর চালক (সুকানি) স্বাধীন মিয়া জানান তারা রাইট ছিল বাল্কহেডে মানুষ চারজন। সবাই পানিতে ঝাপ দিয়ে নদীর তীরে এসে পৌঁছেছে এখানে কেউ হতাহত হয়নি।বাল্কহেড এর মালিক তারেক ডালি জানান ৫-৬ মাস পূর্বে ৩৫ লক্ষ টাকায় বাল্কহেড ক্রয় করেছেন আংশিক অংশীদার চালক স্বাধীন মিয়া রয়েছেন।এদূর্ঘটনায় তারা বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। বালিজুরী গ্রামের বাসিন্দা ফেরদৌস আলম জানান,আনোয়ারপুরে নির্মিত হয় ২০১১ সালে ১২৫ মিটার দীর্ঘ এ সেতু আর এই সেতুটি ‘আনোয়ারপুর ব্রীজ’ নামে পরিচিত।দেখা যায় (মালবাহী বড় নৌযান) চলাচলের সময় খুঁটিতে ধাক্কা লাগে এতে করে ঝুঁকিতে পড়েছে সেতুটি।এলাকাবাসী সেতুটির নীচ দিয়ে বাল্কহেড চলাচল বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন জানান বর্ষার সময় বড় নৌ যান চলাচলে সমস্যা হয় তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্রীজ উঁচু করতে উদ্যোগ নিয়েছেন বরাদ্দ হয়েছে টেন্ডার হবে অতিশীঘ্রই কাজ আরম্ভ হবে আশাবাদী।


আরও খবর