Logo
শিরোনাম

বুস্টার ডোজ দিবস আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দেশব্যাপী আজ বুস্টার ডোজ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একদিনে ৭৫ লাখ মানুষকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা দেওয়ার লক্ষ্যে আজ দেশব্যাপী এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এই ৭৫ লাখ টিকা বুস্টার (তৃতীয়) ও দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে দেওয়া হবে।  

এদিন ১৮ বছরের বেশি যেকেউ দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার চার মাস পূর্ণ হলে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। বুস্টার ডোজ হিসেবে ফাইজার টিকা দেওয়া হবে।

সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, এই ক্যাম্পেইন চলাকালে দেশের সব সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলার ওয়ার্ড পর্যায়েও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। একদিনে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষকে সুষ্ঠুভাবে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যে সারাদেশে ৬২৩টি স্থায়ী ও ১৫ হাজার ৫৫৮টি অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ভ্রমণে সাহিত্যিকদের জলভোজন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শফিউল আলম, স্টাফ রিপোর্টার :

সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার কবি সাহিত্যিক সাংবাদিক লেখক কলামিস্ট গীতিকার শিল্পী সহ

জেলার তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরে জলভোজনের আয়োজন করা হয়। ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হায়দারের আমন্ত্রণে জলভোজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

ইসলামগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বাংলা প্রভাষক সুরমার মোহনার সম্পাদক কবি ফজলুল হক দোলন,দিগেন্দ্র বর্মন সরকারি কলেজের ইংরেজি প্রভাষক কবি মোঃ মশিউর রহমান,

 জাগ্রত কন্ঠ সমাজকল্যাণ সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি কবি মোঃসহিদ মিয়া, কবি এস ডি সুব্রত,ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্সের জেলা এজিএম মিসবাহ উদ্দিন রুমি, মইনুল হক কলেজের প্রভাষক কবি তৈয়ুবুর  রহমান, পল্লী চিকিৎসক কবি মো শফিক আহমদ, গীতিকার সামরান আহমদ মিলন,সাংবাদিক শফিউল আলম প্রমুখ। টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের পরে শহীদ সিরাজ লেকে (নীলাদ্রি) 


বৈকালি আড্ডায় গান,কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত। প্রভাষক কবি মোঃ মশিউর রহমান বলেন,

সকালে টাঙ্গুয়ার হাওরে বিশাল জলরাশির সৌন্দর্য উপভোগ করে, দুপুরে তাহিরপুর উপজেলার পাটলাই নদীর তীরে উত্তর শ্রীপুর বাজার ঘাটে নৌকায় স্থানীয় চেয়ারম্যান আলী হায়দার সাহেবের আমন্ত্রণে জল ভোজন শেষে বিকেলে তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাটে শহিদ সিরাজ লেক ( নীলাদ্রি লেক) এ  গানে, আড্ডায় , কবিতা পাঠে চমৎকার সময় পার হলো।কবি ফজলুল হক দোলন বলেন,আজকের আয়োজন ছিল খুবই আনন্দদায়ক।এদিনটি কোন দিন ভুলা যাবে না।সময় পেলে যে কোন জন ভ্রমণে আসতে পারেন স্বপরিবারে! টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের পরে শহীদ সিরাজ লেকে (নীলাদ্রি) 

প্রকাশ জনৈক কবি খালেদ বলেন,বনে ভ্রমণ করে খাওয়া দাওয়া করলে হয় বনভোজন। এভাবে জলে ভ্রমণ করে খাওয়া দাওয়া করলে হয় জলভোজন।


আরও খবর



প্রেমঘটিত কারণ সবচেয়ে বেশি দায়ী

আট মাসে ৩৬৪ শিক্ষার্থীর আত্মহনন

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : দেশে ক্রমেই বাড়ছে আত্মহননের প্রবণতা। বিশেষ করে নানা কারণে শিক্ষার্থীরা বেশি আত্মহননের দিকে ঝুঁকছেন। এ বছর জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ৩৬৪ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এর মধ্যে ১৯৪ জনই ছিল স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী। আর ৭৬ জন কলেজপড়ুয়া এবং ৫০ জন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এছাড়াও মাদরাসার ৪৪ জন শিক্ষার্থী নিজের জীবন নিজেই বিসর্জন দিয়েছেন।

সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আঁচল ফাউন্ডেশনের এক জরিপে এসব তথ্য ওঠে আসে এসব তথ্য। 

সংগঠনটি জানায়, ১৫০টি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার থেকে নেওয়া তথ্যে এ জরিপ করা হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে সারা দেশে মোট ১০১ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিল বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। জরিপে দেখা গেছে, গত আট মাসে মোট আত্মহননকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০ জন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ৬০ শতাংশ এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ৪০ শতাংশ। কলেজ পড়ুয়াদের মধ্যে ৭৬ জন আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়, যাদের মধ্যে ৪৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ছেলে এবং ৫৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ মেয়ে শিক্ষার্থী। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে। গত আট মাসে ১৯৪ জন স্কুলগামী শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩২ দশমিক ৯৯ শতাংশ ছেলে এবং ৬৭ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ মেয়ে। আর মাদরাসাপড়ুয়া ৪৪ জন শিক্ষার্থীর ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ ছেলে এবং ৬০ দশমিক ৭১ শতাংশ মেয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের এডিসি (শিক্ষা ও আইসিটি ডিভিশন) আজিজুল হক মামুন এবং আঁচল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তানসেন রোজ উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, তরুণ প্রজন্মকে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে তৈরি করা দরকার এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল করে তোলার একান্ত প্রয়োজন। তাই আঁচল ফাউন্ডেশন শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এটি তরুণ প্রজন্মের ওপর জরিপ পরিচালনা ও আত্মহত্যার তথ্যও সংগ্রহ করছে। যাতে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থা নিরূপণ করা যায়।

জরিপে ওঠে এসেছে, আত্মহত্যাকারীদের অবস্থান বিবেচনায় সবার শীর্ষে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। আত্মহননকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ, খুলনা বিভাগে ১৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, রংপুর বিভাগে ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ, বরিশাল বিভাগে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং রাজশাহী বিভাগে ১৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শিক্ষার্থী রয়েছেন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে তুলনামূলক কম সংখ্যক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন, যা ৪ শতাংশ।

শিক্ষা স্তর বিবেচনায় আত্মহননকারীদের মধ্যে প্রাইমারি থেকে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীর হাড় ৫৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। আত্মহত্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা, যা ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী রয়েছে ১৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এবং মাদরাসার শিক্ষার্থী ১২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

মেয়েরাই বেশি আত্মহননে দিকে যাচ্ছে। আত্মহননের দিকে বেশি ঝুঁকছে মেয়ে শিক্ষার্থীরা, যা মোট আত্মহননকারীদের ৬০ দশমিক ৭১ শতাংশ। অন্যদিকে ছেলে শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক আত্মহত্যার হার। জরিপের ফল থেকে জানা যায়, ১৩ থেকে ২০ বছর বয়সিদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি, যা ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ। আত্মহননের ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ ২১ থেকে ২৬ বছর বয়সি শিক্ষার্থী। আর ১৩ নিচে ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ শিক্ষর্থী এ পথ বেছে নেন।

প্রেমঘটিত কারণ সবচেয়ে বেশি দায়ী : আত্মহত্যার ঘটনা অনুসন্ধানে আঁচল ফাউন্ডেশনের তরুণ গবেষকরা আত্মহননের পেছনের বিভিন্ন কারণ সম্পর্কে জানতে পারেন। বিশেষ করে অভিমান, প্রেমঘটিত, ডিজিটাল ডিভাইস, সেশনজট, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া, পড়াশোনার চাপ, পরিবার থেকে কিছু চেয়ে না পাওয়া, পারিবারিক কলহ, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি, চুরি বা মিথ্যা অপবাদ, মানসিক সমস্যা, বিয়েতে প্রত্যাখ্যাত, স্বামী পছন্দ না হওয়া, বাসা থেকে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়া ইত্যাদি। এছাড়াও মানসিক ভারসাম্যহীনতা, বিষণ্নতা, বন্ধুর মৃত্যু, আর্থিক সমস্যার মতো বিষয়ও রয়েছে। তবে প্রাপ্ত তথ্যে প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা ঝুঁকি বেশি যাওয়া যায়। অর্থাৎ ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা করেন। এরপর রয়েছে অভিমান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ২৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে চাওয়া-পাওয়ার অমিল হওয়ায় ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং পারিবারিক কলহের কারণে ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ধর্ষণ বা যৌন হয়রানির কারণে ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। মানসিক সমস্যার কারণে ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। পড়াশোনার চাপে শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ, সেশনজটের হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ এবং পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহননের দিকে যান। ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ চুরির মিথ্যা অপবাদে, ১ দশমিক ৯২ শতাংশ আর্থিক সমস্যায় এবং বন্ধুর মৃত্যুতে বিষাদগ্রস্ত হয়ে শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়াও বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এবং স্বামী পছন্দ না হওয়ায় ১ দশমিক ১০ শতাংশ। অন্যদিকে ১৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থীর আত্মহননের কারণ জানা যায়নি।

ডিজিটাল ডিভাইস ও সাইবার ক্রাইম অন্যতম : আত্মহননকারী কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে আত্মহত্যার পূর্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের মানসিক অবসাদ কিংবা বিদায় নেওয়ার কথা জানান দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। তাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যা করেন আটজন এবং ভিডিও কলে এসে আত্মহত্যা করেন দুজন। আর সেলফি ক্যামেরা নিজের দিকে তাক করে আত্মহত্যা করেন শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ প্রেমিক যুগল। এছাড়া মৃত্যুর আগে চিরকুট বা সুইসাইড নোট লিখে আটজন আত্মহত্যা করেছেন। আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও মোবাইলে ধারণের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইলের শিকার শিক্ষার্থীরা আত্মহত্যার পথ নিচ্ছে। এই জরিপে ওঠে আসে এ কারণে চারজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন।

আঁচল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তানসেন রোজ আবেগ বলেন, আমরা দেখেছি শিক্ষার্থীরা পরিবার থেকে কোনো কিছু না পেয়ে অভিমান করেও আত্মহত্যা করেছেন। মোটরসাইকেল, মোবাইল চেয়ে না পাওয়ার কারণে অনেকেই আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। প্রত্যাশা পূরণ না হলে কীভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, সে বিষয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক বড় ধরনের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের অনেক বড় ধরনের প্রকল্প হাতে নিতে হবে। সাত বছরের একজন বাচ্চা যার আত্মহত্যা বোঝার মতো বয়সও হয়নি, তার আত্মহত্যার পেছনের কারণগুলোও বিশ্লেষণ করে শিশু অবস্থা থেকেই শিক্ষার্থীদের মনোবল শক্ত করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন এসেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, আত্মহত্যার ঘটনাগুলো আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে কম বয়সি স্কুলগামী থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, স্কুলগামী আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ৬০ শতাংশেরও বেশি। এই হার এত উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে কারণগুলো কী! তা খুঁজে বের করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় শিক্ষার্থীরা এখন যে অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তাতে আত্মহত্যা না করলেও তাদের অন্যান্য মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আঁচল ফাউন্ডেশনের ১০ প্রস্তাবনা :

১. আত্মহত্যা মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন।

২. পাঠ্যপুস্তকে মানসিক শিক্ষাকে এবং মনের যত্নের কৌশলগুলোকে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া।

৩. স্কুল-কলেজে অভিভাবক সমাবেশের আলোচিত সূচিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মহত্যা সম্পর্কিত এজেন্ডা রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা প্রদান।

৪. মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা।

৫. প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক মানসিক স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রদান।

৬. সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

৭. মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা।

৮. হতাশা, আপত্তিকর ছবি, আত্মহত্যার লাইভ স্ট্রিমিং, জীবননাশের পোস্ট ইত্যাদি চিহ্নিত করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ টুলস ব্যবহার করা।

৯. আত্মহত্যার ঘটনায় পরিবার ও পরিচিতদের দায় অনুসন্ধানে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকা।

১০. মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত ও সহজলভ্য করতে একটি টোল ফ্রি জাতীয় হট লাইন চালু করা।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




শতাধিক নদী সংস্কার করবে পাউবো

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নদীর স্রোতধারা ফিরিয়ে আনতে দেশের মৃত শতাধিক নদী সংস্কারের কথা ভাবছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পার্বত্য তিন জেলা বাদে জেলাওয়ারি দুটি নদী চিহ্নিত করে এ সংস্কার কর্মযজ্ঞ চালাবে সংস্থাটি। 

এরই মধ্যে বিশাল এই কর্মযজ্ঞ সফল করতে জেলা পর্যায়ে পাউবোর প্রকৌশলীর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। নদী পাড়ের স্টেকহোল্ডারদের অংশীজন হিসেবে মতামত নেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। 

জানতে চাইলে পাউবোর একজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জেলায় দুটি করে নদী সংস্কারের নিমিত্তে একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের প্রধান অংশীজন হওয়া দরকার কৃষক। তাদের মতামত নিয়ে কীভাবে নদী সংস্কার করা হলে সরকারের অর্থের যথার্থ ব্যবহার হবে তা নিশ্চিত করা। কিন্তু যাদের সম্পৃক্ততা নেই, এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে মতামত নেওয়া হয়। ফলে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে নদী সংস্কার করা হলেও প্রকৃত উপকারভোগীরা সুবিধা পান না। তাই এ ধরনের প্রকল্প নেওয়ার আগে সব দিক বিবেচনা করাই শ্রেয়। তবে প্রকল্প প্রেজেন্টেশনের দিন বোঝা যাবে কীভাবে করা হবে নদীর সংস্কার কাজ।

নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা নিয়ে নানা মত রয়েছে। শিশু একাডেমির শিশু বিশ্বকোষের তথ্যনুযায়ী, বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা বলা হয়েছে ৭০০-এর অধিক। অশোক বিশ্বাস নদীকোষ গ্রন্থে একই সংখ্যা উল্লেখ করেছেন। তবে, মোকারম হোসেন বাংলাদেশের নদী গ্রন্থে দেশে নদ-নদীর সংখ্যা ১০০০-এর কথা বলা হলেও সৈয়দ শামসুল হক তার কবিতায় এ সংখ্যা ১৩০০টি উল্লেখ করেন। 

তবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্যনুযায়ী বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা ৪০৫টি। একই মত দিয়েছেন নদী গবেষক মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক। নদী কর্তৃপক্ষ পাউবোর তথ্যমতে, ৪০৫টি নদীর মধ্যে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীর সংখ্যা ১০২টি, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ১১৫টি, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৮৭টি, উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ৬১টি, পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী ১৬টি এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীর সংখ্যা ২৪টি।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ঢাকা জেলায় ১৫টি নদী রয়েছে। রাজধানীর আশপাশের গত ৫০ বছরে পাঁচটি নদী হারিয়ে গেছে। বেড়িবাঁধের মাধ্যমে নদীর প্রবাহ নষ্ট করা হয়েছে। এরপর আবার বেড়িবাঁধের দুপাশই দখল করা হয়েছে। ঢাকার আশপাশের নদীগুলোর অনেক শাখা নদী ছিল, সেগুলো দখল হয়ে গেছে। আর হারিয়ে যাওয়া নদী চেষ্টা করলেও পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারে না সরকার।

সারা দেশের নদ-নদীর পূর্বের-বর্তমান অবস্থা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজধানীর নিকটবর্তী জেলা মানিকগঞ্জে নদীর সংখ্যা ১৬টি আর খাল ১১৭টি; দখলদারের সংখ্যা ১ হাজার ৩৯৯ জন। ফরিদপুর জেলায় ১৩টি নদী ও ১৫টি খাল রয়েছে; দখলদারের সংখ্যা ১ হাজার ৮৩৪ জন। টাঙ্গাইল জেলায় নদী দখলদারের সংখ্যা ১ হাজার ৭৮৮ জন। নদী কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬৪ জেলায় মোট ৫৭ হাজার ৩৯০ জন নদী দখলদারের ১৮ হাজার ৫৭৯টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। তবে পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও সক্ষমতা না থাকার কারণে জেলা প্রশাসন পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রত্যাশিত উচ্ছেদ অভিযান চালাতে পারছে না।

তবে মৃত প্রায় নদীগুলোকে স্বরূপে ফেরাতে ফের সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে ৬১ জেলার শতাধিক নদীকে সংস্কার করা হবে। 


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




রাজাকারদের তালিকা তৈরির নীতিমালা হচ্ছে

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রাজাকারদের তালিকা তৈরির আইন সংসদে পাশ হবার পর নীতিমালা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি।

রবিবার দুপুরে, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। নীতিমালা তৈরি হবার পর তালিকা প্রস্তুত করার জন্য সংসদীয় কমিটির সভাপতি শাহজাহান খানকে কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তালিকা তৈরি করতে আরও এক মাসের মত সময় লাগবে। তিনি বলেন, আগে এর কোন ভিত্তি ছিলো না, কিন্তু এখন পাশ হবার পর এর নীতিমালা তৈরি হচ্ছে। এসময় তার সাথে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




সৌদিতে আন্তর্জাতিক খাদ্য মেলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সৌদি আরবে দিনকে দিন বাংলাদেশি পন্যের সামগ্রির প্রসার ঘটছে। কেবল ২৭ লাখ প্রবাসীদের টার্গেট করে নয়, দেশটির সাড়ে তিন কোটির মানুষকে মাথায় নিয়ে বাংলাদেশি পন্যের বাজার তৈরী করতে হবে।

রিয়াদের আন্তর্জাতিক কভেনশন হলে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক খাদ্য মেলায় একথা বলেন, সৌদিতে বাংলাদেশি পন্যের প্রসার ঘটাতে প্রয়োজন আরও বেশি বিনিয়োগ। বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহযোগিতায় এবারের প্রাণ, বসুন্ধরা, এস এন্ড বি, বেঙ্গল ফুড প্রসেসিং কোম্পানিসহ বাংলাদেশের ৪টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিয়েছে। ভারত,পাকিস্তান বাংলাদেশ সহ ৩০ টি দেশের প্রায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানের পণ্য প্রদর্শিত হয়েছে মেলায়। বাংলাদেশের গামেন্টস পন্য, সবজি, মাছ ও কারি মসলার ব্যপক চাহিদা রয়েছে সৌদি আরবে।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২