Logo
শিরোনাম

চাহিদার চেয়ে ২০ লাখ গবাদি পশু বেশি

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

গত কয়েক বছরের মতো চলতি বছরও দেশে চাহিদার তুলনায় কোরবানির পশু বেশি আছে। জানা গেছে, এই বাড়তি পশুগুলোর চাহিদা হবে কমবেশি ২০ লাখ। খামারিদের কথা চিন্তা করে কোরবানিতে এবারও পশু আমদানি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে পশুর অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে থাকবে করা পাহারা। গরুর খামারি এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

এর আগে কয়েক দশক ধরে কোরবানিতে বিদেশি বিশেষ করে ভারতীয় গরুর প্রাধান্য ছিল। তখন কোরবানি উপলক্ষে গড়ে ২৪-২৫ লাখ গবাদি পশু দেশের বাইরে থেকে আসত। ধীরে ধীরে সেই চিত্র পাল্টেছে। গত কয়েক বছর দেশি পশু দিয়েই কোরবানি করা হচ্ছে। বাইরে থেকে আনা লাগছে না। মীর কাদিমের সাদা গরুও এবার বেশি সংখ্যায় মোটাতাজা করা হয়েছে। এগুলোর শৌখিন ক্রেতার কোরবানির চাহিদা মিটাবে বলে জানা গেছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কোরবানির জন্য ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি পশু রয়েছে। আর দেশে চাহিদা রয়েছে ১ কোটি ১০ লাখের মতো। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় ২০ লাখ পশু বেশি আছে।

গত বছর সারা দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদি পশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি। এর মধ্যে ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি পশু কোরবানি করা হয়। কোরবানি হওয়া গবাদি পশুর মধ্যে ৪৫ লাখ ৮১ হাজার ৬০টি গরু, ১ লাখ ৭ হাজার ৮৭৫টি মহিষ, ৪৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩২৮টি ছাগল, ৫ লাখ ২ হাজার ৩০৭টি ভেড়া এবং ১ হাজার ২৪২টি অন্যান্য পশু ছিল।

চাহিদার চেয়ে দেশে কোরবানির পশুর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এ বছরও পশু আমদানির অনুমতি দেবে না সরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানির অনুমতি দিলে দেশের খামারিরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে না।

এ প্রসঙ্গে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হক বলেন, দেশে চাহিদা অনুযায়ী কোরবানির পশু রয়েছে। পশু আমদানির প্রশ্নই ওঠে না। তিনি আরো বলেন, কোরবানি নিয়ে আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। যদি কেউ আমদানির চেষ্টা করে তাহলে সে ঠকবে।

কোরবানি উপলক্ষে সীমান্ত দিয়ে পশুর অনুপ্রবেশ যেন না ঘটে সেজন্য কঠোর নজরদারি থাকবে। কেউ যদি চোখ ফাঁকি দিয়ে পশু আনতে চায় তবে বিজিবি ব্যবস্থা নেবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রাণিসম্পদ-২ অনুবিভাগ) এ টি এম মোস্তফা কামাল বলেন, কোরবানির পশুর প্রস্তুতি নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা শেষে মন্ত্রী বিস্তারিত ঘোষণা দেবেন।

মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. এস এম যোবায়দুল কবির বলেন, আশা করা যাচ্ছে এ বছরও দেশি পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মিটবে। তবে বিস্তারিত বিষয় নিয়ে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক হবে। বৈঠক শেষে মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে সব তথ্য জানাবেন।

গত বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় সারা দেশে ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি গবাদিপশু কোরবানি করা হয়। সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি করা হয় ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম পশু কোরবানি করা হয় ময়মনসিংহ বিভাগে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ঢাকা বিভাগে ২৫ লাখ ৪৮ হাজার ১৮৪টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৭৭টি, রাজশাহী বিভাগে ২১ লাখ ৩২ হাজার ৪৬৯টি, খুলনা বিভাগে ৯ লাখ ৪৯ হাজার ৫৮১টি, বরিশাল বিভাগে চার লাখ ৩০ হাজার ৬৭৩টি, সিলেট বিভাগে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯টি, রংপুর বিভাগে ১১ লাখ ৪৯ হাজার ১৮৭টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৯০২টি গবাদি পশু কোরবানি করা হয়।

ঢাকা বিভাগে ১১ লাখ ৭১ হাজার ২১৭টি গরু, ৬ হাজার ৪৮০টি মহিষ, ১২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৯৫টি ছাগল, ১ লাখ ২ হাজার ১৬টি ভেড়া ও অন্যান্য ৮৭৬টি পশু কোরবানি করা হয়।

চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ লাখ ২৯ হাজার ৬২টি গরু, ৮৭ হাজার ২১৪টি মহিষ, ৬ লাখ ৪১ হাজার ৯৭৮টি ছাগল, ৯৩ হাজার ১৮১টি ভেড়া ও অন্যান্য ৩৪২টি পশু কোরবানি করা হয়। রাজশাহী বিভাগে ৭ লাখ ১১ হাজার গরু, ৯ হাজার ৪৬৯টি মহিষ, ১২ লাখ ৩১ হাজার ছাগল ও ১ লাখ ৮১ হাজার ভেড়া কোরবানি করা হয়।

খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৭০ হাজার ২১৯টি গরু, ১ হাজার ৪৯২টি মহিষ, ৬ লাখ ৫২ হাজার ৭৩১টি ছাগল, ২৫ হাজার ১২৩টি ভেড়া ও অন্যান্য ১৬টি পশু কোরবানি করা হয়।

বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৫টি গরু, ৯৮৯টি মহিষ, ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৬৪টি ছাগল ও ১ হাজার ৪৮৫টি ভেড়া কোরবানি করা হয়। সিলেট বিভাগে ১ লাখ ৯৯ হাজার ১৭২টি গরু, ১ হাজার ১৫৩টি মহিষ, ১ লাখ ৭২ হাজার ৭৪টি ছাগল ও ২১ হাজার ৬৪০টি ভেড়া কোরবানি করা হয়। রংপুর বিভাগে ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৭২০টি গরু, ২৬৯টি মহিষ, ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৭টি ছাগল ও ৬৫ হাজার ৮৩৩টি ভেড়া কোরবানি করা হয়। ময়মনসিংহ বিভাগে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩৫টি গরু, ৮০৯টি মহিষ, ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৯টি ছাগল ও ১২ হাজার ২৯টি ভেড়া কোরবানি হয়।


আরও খবর



দেবের সঙ্গে বিয়ে ও সন্তান প্রসঙ্গে মুখ খুললেন রুক্মিণী

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



বিডি টু ডে বিনোদন ডেস্ক:


টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ-এর হাত ধরে ‘বুমেরাং’ হয়ে সামনে আসছেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। সিনেমাটিতে রোবট হয়ে ধরা দেবেন ‘নিশা’ রুক্মিণী। 


সিনেমা মুক্তির আগে ‘বুমেরাং’-এর নিয়ে বিভিন্ন কথা বলছেন রুক্মিণী মৈত্র। একইসঙ্গে কথা বলেছেন নিজের বিয়ে নিয়েও। 



এদিকে কিছুদিন আগেই গুগল সার্চ করে দেব অনুরাগীরা চমকে যান। তাঁরা দেখেন, সেখানে লেখা দেব নাকি বিবাহিত! ২০২১-এর ৬ মে নাকি তিনি রুক্মিণীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এমনকি সেখানে লেখা ছিল, তাঁদের নাকি একটি সন্তানও রয়েছে। এবার বিয়ে নিয়ে নিজেই মুখ খুলেছেন রুক্মিণী।



বিয়ের খবরে অবাক রুক্মিণী সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনকে বলেন, ‘ওহ গড! এটা যে কোথা থেকে আসছে! গুগলেও পৌঁছে গেল। শুধু তাই নয়। সেখানে একটা বাচ্চার কথাও রয়েছে। যার কথা বলা হয়েছে, সেই আমাইরা আমার ভাইঝি। যেহেতু আমাইরার সঙ্গে আমার এত ছবি রয়েছে। ওরা ওকে আমার বাচ্চা বানিয়ে দিয়েছে।’


তবে বাস্তবে অনুষ্ঠান করে রুক্মিণী বিয়েটা কবে করবেন? এ বিষয়েও মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। রুক্মিণীর কথায়, ‘মিডিয়া যেদিন অনুমান করা বন্ধ করবে, আমি সেদিন বিয়েটা করে নেব। আমার মাও কিন্তু বিয়ের কথা জিজ্ঞাসা করেন না। তাহলে আপনারা কেন জিজ্ঞাসা করছো! 


যেদিন মনে হবে, আমি বিয়ের জন্য তৈরি, সেদিন বিয়েটা করে নেব। আমি বিয়েতে বিশ্বাসী, আর বিয়ে লুকিয়ে রাখতেও চাই না। এখন এত ব্যস্ততা রয়েছে, তাই বিয়ের প্ল্যান করা সম্ভব নয়। 


তবে আমার মনে হয় প্রতিশ্রুতি জরুরি। আজকাল দেখি বহু বিয়েই টিকে আছে, তবে সেই সম্পর্কে কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। তাই আমাদের প্রতিশ্রুতিটাই আগে থাকুক। বাকিটা ক্রমশ প্রকাশ্য।’


রুক্মিণীর কথায়, অভিনেত্রী হওয়াটাই তাঁর জীবনের সব থেকে বড় বুমেরাং। ভেবেছিলাম কোনো দিনই অভিনেত্রী হবো না, তবে সেটাই ঘটেছে।


এদিকে সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনে আরও একবার ঘাটাল থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন দেব। ভোটের আগে জোর কদমে প্রচার চালিয়েছেন অভিনেতা। তবে দেবের কোনো প্রচারেই রুক্মিণীকে দেখা যায়নি। এ প্রসঙ্গে রুক্মিণী বলেন, ‘এটা এক্কেবারেই ওর আলাদা কর্মক্ষেত্র। ওর একার জার্নি। ওই বিষয়টা ও একাই খুব পরিণত হাতে সামলাচ্ছে। 


প্রচারে ওর সঙ্গে না থাকলেও আমি ওর পাশে সবসময় আছি।’



আরও খবর

ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪




মেট্রোরেলে শিডিউল বিপর্যয়ে যাত্রীদের ভোগান্তি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

মেট্রোরেল চালু হবার পর থেকে অনেকটাই ঝামেলামুক্ত সকাল কাটান রাজধানীর অধিকাংশ অফিসগামী যাত্রীরা।


 তবে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আধাঘণ্টা বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন মেট্রোর যাত্রীরা।


সকালে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনে মতিঝিলগামী একটি ট্রেন বন্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর এ সময় উত্তরাগামী ট্রেনটি মিরপুর-১০ নম্বর স্টেশনে আটকে ছিল। এ সময় প্লাটফর্ম থেকে ঘোষণা করা হয় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচলে দেরি হচ্ছে।


এদিকে হঠাৎ ট্রেন চলাচল বন্ধ হওয়ায় স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বাড়ে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।


এদিকে সকালে মেট্রোরেলের ফেসবুক পেজে ঘোষণা দেওয়া হয়, ‘অনিবার্য কারণবশত অদ্য ৩০ মে মেট্রোরেল ১৫ মিনিট Headway-তে (বিরতির সময়) চলাচল করবে। পরবর্তীতে নির্ধারিত Headway চালু হলে জানানো হবে।’ 


এতে মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বেড়ে যায় সকাল থেকেই। পরে সোয়া ১০টার দিকে আবার পূর্ব নির্ধারিত বিরতিতেই স্টেশনগুলোতে আসতে শুরু করে মেট্রোরেল।



মেট্রোরেলের এ ধরনের বিভ্রাট নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। নির্ধারিত সময় নিয়ে বের হয়েও মাঝে মাঝেই মেট্রোর বিভিন্ন ত্রুটির কারণে শিডিউল বিপর্যয় হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।


বর্তমানে মেট্রোরেল চলছে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত। উত্তরা থেকে মতিঝিল অভিমুখী ট্রেনের পিক আওয়ার হচ্ছে সকাল ৭টা ৩১ মিনিট থেকে ১১টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত। 


আবার বিকেল ৩টা ১৩ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পিক আওয়ার হিসেবে গণ্য হয়। অন্যদিকে মতিঝিল থেকে উত্তরা রুটের পিক আওয়ার শুরু হয় সকাল ৮টা ১ মিনিট থেকে ১২টা ৮ মিনিট এবং বিকেল ৩টা ৫৩ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত।


পিক আওয়ারে প্রতি ৮ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচল করে। অফ পিক আওয়ারে ১২ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচল করে।



 


আরও খবর



৮০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ |

Image

দেশের পাঁচ অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। রবিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, সিলেট এবং কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ অবস্থায় এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, আবহাওয়া অফিসের অন্য বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সন্ধ্যা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। বৃষ্টিপাতের এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু সেতুতে একদিনে টোল আদায় ২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


কোরবানির ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে ততই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।



 তারমধ্যে পশু ও পণ্যবাহী পরিবহন বেশি চলাচল করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। এদিকে, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু ওপর দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৪০১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ২০ হাজার ২৫০ টাকা।


বুধবার (১২ জুন) সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি জানান, গত সোমবার রাত ১২টা থেকে ১০ জুন মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৪০১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ২০ হাজার ২৫০ টাকা।


উত্তরের ঈদযাত্রায় এবারও যানজটের শঙ্কা

তারমধ্যে টাঙ্গাইলের সেতু পূর্বে ১৪ হাজার ২৮০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, এর বিপরীত টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা এবং সিরাজগঞ্জের সেতু পশ্চিমে ১৪ হাজার ১২১ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, এর বিপরীত টোল আদায় ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫০ টাকা।


গত মঙ্গলবার ১১ জুন বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ছোট-বড় সব মিলিয়ে ২৫ হাজার ৯২৩টি যানবাহন পারাপার হয়। এতে ২ কোটি ৪৮ লাখ ৮৭ হাজার ১০০ টাকা টোল আদায় হয়েছিল।


আরও খবর



নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে সুপার এইটের পথে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ক্রীড়া ডেস্কঃ

টার্গেট ১৬০ রানের। এক সময় মনে হচ্ছিল এই টার্গেট অনায়াসেই করে ফেলবে নেদারল্যান্ডস। ঠিক সেই সময় এক ওভারে জোড়া উইকেট তুলে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। 

এরপর টাইগার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৫ রানে জয় পায় বাংলাদেশ।

এই জয়ে সুপার এইটের স্বপ্ন বেশ ভালোভাবে জিইয়ে রাখলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ৩ ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটে এক পা দিয়ে রাখলো বাংলাদেশ। নিজেদের শেষ ম্যাচে নেপালকে হারালেই সেরা আট নিশ্চিত করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। 

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ওয়েস্ট ইন্ডিজের আর্নোস ভ্যালে গ্রাউন্ডে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান ডাচ অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ড। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পরে বাংলাদেশ।  

তবে সাকিব আল হাসানের ফিফটি ও তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে ভর করে লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। সাকিব আল হাসান ৪৬ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া তানজিদ তামিম ২৬ বলে ৩৫ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ করেন ২১ বলে ২৫ রান। 

১৬০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করে নেদারল্যান্ড। দেখেশুনে খেলতে থাকেন দুই ডাচ ওপেনার মাইকেল লেভিট, ম্যাক্স ও’দাউদ। উদ্বোধনী জুটিতে ২২ রান যোগ করেন তারা।

এরপর ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন তাসকিন। ১৬ বলে ১৮ রান করা লেভিটকে আউট করেন এই টাইগার পেসার। 

এরপর দলীয় ৩২ রানে ডাচ শিবিরে আঘাত হানেন আরেক পেসার তানজিম হাসান সাকিব। ১৬ বলে ১২ রান করা ম্যাক্স ও’দাউদকে আউট করেন সাকিব। এরপর সিব্রান্ড এঙ্গেলব্রেখটকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন বিক্রমজিত সিং।

তবে দলীয় ৬৯ রানে ১৬ বলে ২৬ রান করে ফিরে যান বিক্রমজিত। তার বিদায়ের পর অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসকে সঙ্গে নিয়ে রানরেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে থাকেন এঙ্গেলব্রেখট।

দলীয় ১১১ রানে এঙ্গেলব্রেখটকে আউট করে বাংলাদেশকে স্বস্তি দেন দেন রিশাদ হোসেন। ২২ বলে ৩৩ রান করে আউট হন এঙ্গেলব্রেখট। একই ওভারে বাস ডি লিডকে আউট করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান এই লেগ স্পিনার। 

এরপর দ্রুতই আরও দুই উইকেট তুলে নিয়ে হারিয়ে ডাচদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন রিশাদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। 

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান করতে সক্ষম হয় ডাচরা। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ নেন ৩টি উইকেট। 


আরও খবর