Logo
শিরোনাম

চালের বাজারে আবারও অস্বস্তি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

আতপ চাল রপ্তানিতে বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছে ভারত। এখন থেকে বাংলাদেশে আতপ চাল আমদানিতে ২০ শতাংশ হারে রপ্তানি শুল্ক দিতে হবে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের। খুদ রপ্তানিও নিষিদ্ধ করেছে দেশটি। আমদানিকারকদের আশঙ্কা, ভারতের এ সিদ্ধান্তে আবার অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে চালের বাজার। এদিকে, শুল্ক বৃদ্ধিকে দাম বাড়ানোর অজুহাত হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।

লাগামহীনভাবে চালের দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয় সরকার। এ লক্ষ্যে আমদানি বাড়াতে দেওয়া হয় শুল্ক ছাড়। গত ২৮ আগস্ট চাল আমদানির ওপর ১০ শতংশ শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে বাজারে। আমদানি বেড়ে যাওয়ায়, কয়েক দিনের ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরায়, সব ধরনের চালের দাম কেজিতে কমে আসে ৫ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু ভারত আতপ চাল রপ্তানির ওপর শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আবার অস্থিতিশীল হচ্ছে চালের বাজার।

আমদানি করা চাল পাইকারি ও খুচরা বাজারে আসছে না- এমন অভিযোগ করে পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি করা চালের পুরোটাই কিনে নিচ্ছেন মিল মালিক ও হাতে গোনা বড় কয়েকটি কোম্পানি। দেশের উৎপাদন এবং আমদানি মিলে পুরো মজুদ থাকছে তাদের কাছেই। আর তাদের খেয়াল-খুশিতেই নির্ধারিত হচ্ছে দাম। সরবরাহ বাড়াতে মিল গেট এবং মজুদ পর্যায়ে তদারকির দাবি ব্যবসায়ীদের।


আরও খবর

লিটারে ১৪ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




বিশ্বম্ভরপুরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রবাসীর পক্ষ থেকে ব্যাগ বিতরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শফিউল আলম,স্টাফ রিপোর্টার :

 সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর   ইউনিয়নের অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রবাসী জিয়াউল হক এর পক্ষ থেকে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে।২২ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে শ্রেণিকক্ষে ব্যাগ বিতরন করা হয়।


এদিকে স্কুল সভাপতি মাইন উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক  আলমগীরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউল হক বলেন, এক সময় আমি এ  বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছি।এ গ্রামের সন্তান আমি, সুখে-দুঃখে সবসময় গ্রামবাসীর পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ। লেখাপড়া করে তোমরা মানুষের মত মানুষ হও এই প্রত্যাশা সব সময়। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ-সময় উপস্থিত বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা ও ম্যানেজিং কমিটির  সহ-সভাপতি নুর আলম সুমন,সদস্য শাহিনুল ইসলাম, তৌহিদা বেগম, সহকারি শিক্ষক পিংকি তালুকদার,চঞ্চলী রানী দে,সাবেক সভাপতি বেলায়েত হোসেন তালুকদার, জাহাঙ্গীর আলম,সাংবাদিক শফিউল আলম, শাহ আলম, শাহিন মিয়া প্রমুখ।


আরও খবর



শুভ জন্মদিন জনকের যোগ্য উত্তরসূরী

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক, গবেষক :

দীর্ঘ নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে বলেছিলেন, বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তির সংগ্রামে অংশ নেয়ার জন্য আমি দেশে এসেছি। কথা তিনি রেখেছেন দেশ ও জাতির উন্নতির জন্য তার দূরদর্শী নেতৃত্ব দিয়ে। রাষ্ট্রনায়ক থেকে নিজেকে নিয়ে গেছেন বিশ্বনেতার কাতারে। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্মগ্রহণের দিন। শুভ জন্মদিন শেখ হাসিনা।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী-বিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা। এবছর তাঁর ৭৬তম জন্মদিন।

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএর সাধারণ আলোচনায় অন্যান্য বছরের মতো বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী। চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন একটি রোল মডেল। বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও প্রশংসা কুড়িয়েছেন বিশ্বনেতাদের। মিয়ানমারে জাতিগত নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই মহামারীর ধাক্কার পরও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এশিয়ার প্রায় সব দেশের ওপরে। সঠিক নেতৃত্ব, সময়োচিত পদক্ষেপ, মানুষের জন্য আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা, অর্থনীতিকে বাঁচাতে প্রণোদনা ঘোষণা এবং বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষকে করেছেন ক্ষুধামুক্ত।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশ্বকে চমকে দেবার মতো সাফল্য আছে বাংলাদেশের। বিশেষত শিক্ষা সুবিধা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার ও জন্মহার কমানো, গরিব মানুষের জন্য শৌচাগার ও স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান এবং শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম অন্যতম।

গত ১৩ বছর ধরে শেখ হাসিনার বিশ্বাসযোগ্য ও বুদ্ধিমান নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যতিক্রমীভাবে দুর্দান্ত সফলতা অর্জন করেছে। ফলস্বরূপ, বিভিন্ন খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে তাঁর নিরন্তর পরিশ্রম যেমন সারা বিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে, তেমনি তার ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে অনেক আন্তর্জাতিক সম্মাননা ও পুরস্কার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৪০টি আন্তর্জাতিক সম্মাননা ও পুরষ্কার পেয়েছেন। বিভিন্ন সূচকে দেশের অগ্রগতির কারণে এ সম্মান অর্জন করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

প্রথমবার ক্ষমতায় এসে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ী এবং বাঙালীর দুই দশকের বেশি সময়ের যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটিয়ে ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবদান স্বরূপ ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো হোফোয়েট বোইগনি শান্তি পুরষ্কারে ভূষিত করেন তাকে।

১৯৯৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মান সূচক ডক্টর অব লজ উপাধি প্রদান করে।

১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই জাপানের বিখ্যাত ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করে।

১৯৯৭ সালের ২৫ অক্টোবর গ্রেট ব্রিটেনের ডান্ডি অ্যাবার্তে বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমার্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিবারেল আর্টস ডিগ্রি প্রদান করে।

১৯৯৭ সালে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি শান্তি, গণতন্ত্র ও উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্য স্থাপনে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে নেতাজী মেমোরিয়াল পদক ১৯৯৭ প্রদান করে।

১৯৯৭ সালে রোটারি ইন্টারন্যাশনালের রোটারি ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে পল হ্যারিস ফেলো নির্বাচিত করে এবং ১৯৯৬-৯৭ সালের সম্মাননা মেডেল প্রদান করে।

একই বছর লায়ন্স ক্লাবসমূহের আন্তর্জাতিক অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক ১৯৯৭ সালে রাষ্ট্রপ্রধান পদক-এ ভূষিত হন শেখ হাসিনা।

পাবর্ত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে ১৯৯৮ সালের ফেলিক্স হুফে বইনি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করেন।

১৯৯৮ সালের ১২ এপ্রিল শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে মাদার তেরেসা পদক প্রদান করে নিখিল ভারত শান্তি পরিষদ।

নরওয়ের রাজধানী অসলোয় অবস্থিত মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে ১৯৯৮ সালের এম কে গান্ধী পদক প্রদান করে। ১৯৯৯ সালে ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ঋঅঙ) কর্তৃক সেরেস পদক লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৯৯৯ সালের ২০ অক্টোবর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অসাধারণ অবদানের জন্য ক্যানবেরায় অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃক শেখ হাসিনাকে ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

১৯৯৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ উপাধি প্রদান করা হয়। ২০০০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ব্রাসেলসের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনাকে (Doctor Honor is Cauca) প্রদান করে।

২০০০ সালে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য ম্যাকন ওমেনস কলেজ যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পার্ল এস বাক পদক লাভ করেন তিনি।

২০০০ সালে আফ্রো-এসিয়ান ল ইয়ার্স ফেডারেশন প্রদত্ত পারসন অফ দ্যা ইয়ার নির্বাচিত হন তিনি।

২০০১ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডক্টর অব সায়েন্স ডিগ্রি প্রদান করে।

২০০৫ সালের জুন মাসে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির স্বপক্ষে অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে পিপলস ফ্রেন্ডসশিপ ইউনির্ভাসিটি অব রাশিয়া।

২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি বিশ্বখ্যাত ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক ২০০৯-এ ভূষিত হন শেখ হাসিনা।

২০১০ সালের ২৩ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অসমান্য অবদানের জন্য St. Peters burg বিশ্ববিদ্যালয় Honorary Doctorate প্রদান করে।

শিশুমৃত্যু হ্রাস সংক্রান্ত এমডিজি-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ কর্তৃক এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০ পুরস্কার লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১১ সালে প্যারিসের ডাউফিন ইউনিভার্সিটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মর্যাদাপূর্ণ স্বর্ণপদক ও ডিপ্লোমা পুরস্কার প্রদান করে।

আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন, সাউথ-সাউথ নিউজ ও জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন কর্তৃক যৌথভাবে প্রদত্ত South-South Awards 2011 : Digital Development for Digital Health শীর্ষক পদক লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের হাউস অব কমনসের স্পিকার John Be cow, MP

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশাসন, মানবাধিকার রক্ষা, আঞ্চলিক শান্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার অনবদ্য অবদানের জন্য Global Diversity Award প্রদান করেন।

২০১১ সালের ৩০ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে।

২০১২ সালের ১২ জানুয়ানি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করে ত্রিপুরা সেন্ট্রাল ইউনির্ভাসিটি। শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনা, নেতৃত্বের দূরদৃষ্টি এবং শান্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ এই ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

৬ ডিসেম্বর, ২০১২ সালে, তাঞ্জানিয়ায় অনুষ্ঠিত GAVI alliance Partners Forum এ বাংলাদেশকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। টীকাদান কর্মসূচীতে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য অন্য ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

৮ই জুন, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে রোটারী ইন্টারন্যাশনাল এর তরফ থেকে রোটারী শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

১৩ই জুন, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই পুরস্কার গ্রহনের জন্য আমন্ত্রণ জানান জাতিসংঘ খাদ্য এবং কৃষি সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল হোসে গ্রাজিয়ানো দা সিলভা।

২০১৩ সালের ১৬ জুন জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা দারিদ্র্যতা, অপুষ্টি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় বাংলাদেশকে ডিপ্লোমা অ্যাওয়ার্ড পদকে ভূষিত করে।

২০১৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দেশে খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ সাউথ কো-অপারেশনের সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড-২০১৩ পুরস্কার লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী।

২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার স্বপ্ন-প্রসূত একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত তথ্যপ্রযুক্তি মেলায় সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক ম্যানহাটন অ্যাওয়ার্ড ২০১৩ পদকে ভূষিত হয়।

নারী শিক্ষায় অনবদ্য অবদানের জন্য ২০১৪ সালে ইউনেস্কো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে শান্তি বৃক্ষ স্মারক তুলে দেয়। ৮ই সেপ্টেম্বর ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা তাঁর হাতে এই পুরষ্কার তুলে দেন।

২০১৪ সালের ২১শে নভেম্বর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘের সাউথ-সাউথ ভিশনারি পুরষ্কারে ভুষিত করা হয়।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৫ তারিখে জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মান চ্যাম্পিয়নস অফ দ্যা আর্থ পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্ল্যানেট ৫০-৫০ পুরস্কারে ভূষিত করেছে জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন ইউএন ওম্যান

গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এজেন্ট অফ চেঞ্জ পুরস্কারে ভূষিত করে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম। নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য ও সাহসী ভূমিকা পালনের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশে রেকর্ড পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে। খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, মূল্যবোধ, কৃষি, অর্থনীতি, রেমিট্যান্স, বিদ্যুৎ, বৈদেশিক সম্পর্কের উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেশবাসীকে যুগান্তকারী সাফল্য এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। শুধু আর্থিক বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল হয়েছে, বাল্যবিবাহসহ বিভিন্ন রকমের সামাজিক সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তাঁর কাজের স্বীকৃতি মিলেছে। বাংলাদেশের সফলতা ও নেতৃত্বগুণের জন্য তিনি বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন ও নানাবিধ সম্মানে ভূষিত হয়ে বাংলাদেশের নাম বিশ্বব্যাপী উজ্জ্বল করেছেন। বিশ্বের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ এখন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। বিশ্ব গণমাধ্যমে শেখ হাসিনা এখন বহুল আলোচিত ও প্রশংসিত নেতা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পর শেখ হাসিনা ছাড়া এমন গুণাবলিসম্পন্ন আর কোনো নেতা বাংলাদেশের মানুষ পায়নি। এ কারণে তাঁর সাথে অন্য কোনো নেতার তুলনা চলে না, শেখ হাসিনা নিজেই নিজের তুলনা।

 


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ড. কামালের নেতৃত্বে গণফোরামের নতুন কমিটি

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি ও ডা. মো. মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে গণফোরামের ১০১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কমিটিতে সভাপতি পরিষদ সদস্য হয়েছেন এ এইচ এম খালেদুজ্জামান, ড. কামাল হোসেন, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, এস এম আলতাফ হোসেন, মোকাব্বির খান, আবদুল আজিজ, শান্তিপদ ঘোষ, আ ও ম শফিকউল্লাহ, মেজবাহ উদ্দীন আহমেদ, মোমেন চৌধুরী, মোশতাক আহমেদ, ডা. আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ, সেলিম আকবর, সুরাইয়া বেগম, আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর, হারুনুর রশীদ তালুকদার, ইসমাইল হোসেন ও ফরিদা ইয়াছমিন।

কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন শাহ মো. নূরুজ্জামান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুজন হলেন মো. মাহফুজুর রহমান ও শফিউর রহমান খান বাচ্চু। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন অধ্যক্ষ মো. ইয়াছিন। দপ্তর সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন এম এ ওয়াহাব।

তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক নাজমুল ইসলাম সাগর, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক অধ্যাপক বকুল ইমাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোমেনা আহমেদ মুমু, সংস্কৃতি সম্পাদক ড. নীলিমা পারভীন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম সজল, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম পলাশ, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. নবাব আলী, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক (নওগাঁ), শ্রমবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রতন (গাজীপুর), নারীবিষয়ক সম্পাদক সাহিদা ইসলাম শিল্পী (ঢাকা), সমাজসেবা সম্পাদক করা হয়েছে মো. আলী লালকে।

সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল বলেন, দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা আজ ধ্বংসপ্রাপ্ত ও প্রশ্নবিদ্ধ। অধিকাংশ দলের আপত্তি সত্ত্বেও ইসি ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা এক ভয়ঙ্কর অশনিসংকেত।

তিনি বলেন, দেশ বর্তমানে গভীর রাজনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত। গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত, স্বৈরাচারী সরকারের গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে দেশে চরম অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দেশের অর্থনৈতির আজ চরম দুরবস্থা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

দেশের টাকা দুর্নীতি হয়ে পাচার হচ্ছে উল্লেখ করে ড. কামাল আরও বলেন, রাষ্ট্রে যারা দায়িত্বে আছেন, তারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছেন। সবাই মিলে এ রাষ্ট্রকে বাঁচাতে হবে। দেশকে বাঁচানোর সবচেয়ে বড় সুযোগ হচ্ছে একটি সত্যিকারের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সেপ্টেম্বরে নিহত ১৬৯

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

লতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে ৪০৭টি। এর মধ্যে ১৮২টিই মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনা। আবার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৬৯ জন, যা মোট নিহতের ৩৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয় প্রতিবেদনটি।

এতে বলা হয়, সেপ্টেম্বরে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪০৭টি। এতে নিহত হয়েছেন ৪৭৬ জন, আর ৭৯৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতের মধ্যে নারী ৬২ ও শিশু ৭৭ জন। এছাড়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৪ দশমিক ৭১ শতাংশ। সড়ক দুর্ঘটনায় ১০৩ পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৩ জন, অর্থাৎ ১৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। এছাড়া ঢাকায় ২৯টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত ও ৩৭ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬২ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। শিক্ষক নিহত হয়েছেন ১৪ জন। এছাড়া দুর্ঘটনায় ১৯ থেকে ৬৫ বছর বয়সি কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন ৩৮৪ জন, অর্থাৎ ৮০ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

একই সময়ে ৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৭৮ জন নিহত এবং তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন। ২১টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




কমিটি গঠন সভাপতি পারভেজ, সম্পাদক ইমরান"

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) যাত্রাবাড়ি থানা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে । ১২ ই সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেল ৪.০০ ঘটিকায় ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টারের মাঠে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় ১১ সদস্য বিশিষ্ট এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান গ্রুপের কর্নধার আলহাজ্ব হারুন অর রশীদ সিআইপি।

সভায় উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর সে সময় তিনি সরকারকে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রনয়ণসহ ১৪ দফা বাস্তবায়ন করতে জোড়ালো আহবান জানান এবং দেশে অহরহ সাংবাদিক নির্যাতন যেনো থামছেই না সাংবাদিক সুরক্ষা আইন না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃস্টি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম সাদ্দাম যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, কেন্দ্রীয় কমিটি। সদস্য সচিব সেলিম নিজামির সভাপতিত্বে,

সভায় উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের সর্বসম্মতিক্রমে দৈনিক দিন প্রতিদিন এর সহকারী সম্পাদক  মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম পারভেজ সভাপতি,দৈনিক বর্তমান দেশ বাংলার সম্পাদক মোহাম্মদ হেলাল সহ-সভাপতি,  চ্যানেল ২৩ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুন্সি মো: আল ইমরান সাধারণ সম্পাদক, সাপ্তাহিক তথ্য বানী এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শরিফুল হক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক আলোর দিগন্ত এর স্টাফ রিপোর্টার মোঃআকাশ সিকদার অর্থ সম্পাদক ,বিডি লাইভ ২৪ এর চেয়ারম্যান মোঘল হোসেন সম্রাট সাংগঠনিক সম্পাদক,দৈনিক দিন প্রতিদিন এর রিপোর্টার মুন্নি আক্তার তিশা দপ্তর সম্পাদক,  এশিয়ান টিভি এর স্টাফ রিপোর্টার অমর রঞ্জন মজুমদার প্রচার সম্পাদক ,রুপান্তর টিভি এর চীফ ক্রাইম রিপোর্টার খাদিজা আক্তার আনিকা নারী বিষয়ক সম্পাদিকা ,চ্যানেল ২৩ এর প্রতিনিধি তানিয়া সুলতানা রিভা সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক,বর্তমান দেশ বাংলা এর মোঃ শিপন নির্বাহী সদস্য।


আরও খবর