Logo
শিরোনাম

চলতি বছরে বেড়েছে মাথাপিছু আয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

চলতি অর্থবছর শেষ হতে আর অল্প কিছুদিন বাকি আছে। এর আগেই চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশের মানুষের মাথাপিছু মাসিক আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৮৪ মার্কিন ডলারে। চলতি অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি আগের অর্থবছরের তুলনায় কিছুটা বেড়ে হবে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ।

সোমবার (২০ মে) জিডিপির সাময়িক হিসাব প্রকাশ করে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

বিবিএস বলছে, চলতি অর্থবছর শেষ হতে আর অল্প কিছুদিন বাকি আছে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি আগের অর্থবছরের তুলনায় কিছুটা বেড়ে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশে দাঁড়াবে, যা আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

এছাড়া চলতি অর্থবছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ৭৮৪ ডলার হয়েছে, যা গত অর্থবছরে ছিল ২ হাজার ৭৪৯ ডলার। ফলে বছরের ব্যবধানে ৩৫ ডলার বেড়েছে। বর্তমানে টাকার হিসেবে মাথাপিছু আয় ৩ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা, যা গত অর্থবছরে ছিল ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬০ টাকা।

বিবিএস জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৫৯১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৯৩ ডলার।


আরও খবর



সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবলার কৃষ্ণা রাণী সরকার বিপাকে

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড় কৃষ্ণা রাণী সরকার অনেক দিন ধরে ইনজুরিতে পড়ে ছিলেন। 


জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামতে না পারলেও ক্লাব লিগে খেলেছেন নাসরিন স্পোর্টস একাডেমির হয়ে। তার পায়ের পাতায় সমস্যা। ঢাকায় ডাক্তার দেখানোর পরও পুরোপুরি পূর্ণসুস্থ হচ্ছিলেন না তিনি। 


পায়ের আঙ্গুল শুকিয়ে আসছিল। এর মধ্যে লিগেও খেলেছেন, চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। গোল করেছিলেন তিনি। 


কিন্তু সম্প্রতি কৃষ্ণা তার ফেসবুকে একটি পোষ্ট দিয়ে, অভিযোগ তুলেছিলেন যে, বাফুফের কাছ থেকে বিদেশে চিকিৎসায় সহায়তা পাচ্ছিলেন না। তার এই হতাশার কথা প্রকাশ করে বিপদে রয়েছেন কৃষ্ণা। 


তার যে সমস্যা সেটি নিরাময়ের জন্য উন্নত দেশে চিকিৎসা দরকার, একথা নাকি বিসিবির ডাক্তার দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছিলেন। 


পায়ের চিকিৎসক দেখানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। অন্তত পক্ষে ভারতে গিয়েও ডাক্তার দেখানো হলেও ভালো হতো। কিন্তু সেটিও নাকি পাননি কৃষ্ণা। তাকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যেতে হলে অর্থের প্রয়োজন।


 সেটি কে দেবে। বাফুফের নারী ফুটবল কমিটির দায়িত্ব এটি। কিন্তু সেটি করা হয়নি। কৃষ্ণা রাণী যখন তার সমস্যার কথা ফেসবুকে লিখেছেন তা দেখে চটে গেছে বাফুফে। 


দ্রুতই কৃষ্ণার জন্য ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার সংবাদ মধ্যমকে জানিয়েছেন এবং কৃষ্ণা কেন অভিযোগ করেছেন তার জবাব চাইবে বাফুফে। বিপাকেই পড়েছেন কৃষ্ণা। 


আরও খবর



সবজির বাজারে উত্তাপ, কমেছে মুরগীর দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ক্রেতা সাধারণের চোখ এখন পশুর হাটের দিকে।



 সেই সুবাদে দীর্ঘদিন পর কমেছে মুরগীর দাম। দুইশ টাকার নিচে নেমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তাল মিলিয়ে দাম কমেছে অন্যান্য জাতের মুরগিরও। 


তবে সবজিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অস্বস্তি রয়েছে আলু পেঁয়াজের দামে। শুক্রবার (১৪ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।


বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা। যা গত সপ্তাহেও ২০০ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও সোনালী পাকিস্তান জাতের মুরগি ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।



 লেয়ার মুরগি লাল ৩০০-৩২০ টাকা, সাদা ২৬০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকার উপরে।


এদিকে আবারও উত্তাপ ডিমের বাজারে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকায়। হালি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫৫-৬০ টাকা।


এদিকে সবজির বাজারে লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০-৫০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৬০-৮০ টাকা, ছোট সাইজের মিষ্টি কুমড়া ১০০-১২০ টাকা, জালি ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, কাঁচা কলা ডজন ৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে।


ঈদকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা দেখা গেছে শশা টমেটোর বাজারে। প্রায় ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে এক কেজি শশা। টমেটোর কেজি ১৬০-১৮০। ২০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।


মাছের বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ২০০ টাকার নিচে তেমন কোনো মাছ নেই। সাইজ ভেদে তেলাপিয়া ২০০-২৩০ ও পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে। 


অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে শুরু করে সাইজ ভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা।


 ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ। চাষের কই বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকায়।



আরও খবর



ধামরাইয়ে সাপের কামড়ে নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

ঢাকার ধামরাইয়ে সাপের কামড়ে তহিরন নেসা (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান এলাকাবাসি। মৃত্যুকালে তহিরন নেসা দুই ছেলে রেখে যান।

বৃহস্পতিবার (২০জুন) ভোররাতে ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নের কাঁচারাজাপুর গ্রামে এমন ঘটনাটি ঘটেছে। তহিরুন নেসা কাঁচারাজাপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের স্ত্রী।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন।

এলাকাবাসী জানান, আজ ভোরে বাড়ির পাশে থেকে তহিরন নেসাকে সাপে কামড় দেয়। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আধা ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। তবে সাপটি রাসেল ভাইপার কিনা তা কেউ বলতে পারেননি। এই নিয়ে এলাকা জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে ধামরাইয়ের পাশে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া, হরিরামপুর ও ধামরাইয়ের গাংগুটিয়া ইউনিয়নের জালসা এলাকায় রাসেল ভাইপার সাপ মারা হয়েছে বলে জানা গেছে করা হচ্ছে।

আমতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, তহিরন নেসা ভোরে সাপের কামড়ে মারা গেছে। তবে কি সাপে কামড় দিয়েছে এ ব্যাপারে কেউ কিছুই বলতে পারেন নি। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মোতালিব আল মুমিন বলেন, রাসেল ভাইপারের চেয়ে অনেক ভয়ংকর সাপ রয়েছে বাংলাদেশে। এক নারীর মৃত্যু হয়েছে তা জানতে পেরেছি। তবে কি সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে তা কেউ বলতে পারছে না। আসামের পানির ঢলে বাংলাদেশে রাসেল ভাইপার সাপ এসেছে মনে হয়। রাসেল ভাইপার সাপ প্রায় ২শত বছর সাপটি বিলুপ্ত ছিল। রাসেল ভাইপার সাপ নড়াচড়া করে কম, সাপটি তেমন দৌড়ায় না। তবে সবাইকে সাবধান চলাচল করতে হবে।


আরও খবর



বিমান বাহিনী প্রধান হলেন হাসান মাহমুদ খাঁন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। 


তিনি আগামী ১১ জুন থেকে নতুন দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। 


রোববার (২৬ মে) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বিমান বাহিনী প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মঞ্জুরুল করিম।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, হাসান মাহমুদ খাঁনকে প্রতিরক্ষা-বাহিনীগুলোর প্রধানদের (নিয়োগ, বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা) আইন-২০১৮ অনুসারে ১১ জুন, ২০২৪ তারিখ (অপরাহ্ণ) এয়ার মার্শাল পদবিতে পদোন্নতি দিয়ে তিন বছরের জন্য বিমান বাহিনী প্রধান হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হলো।


পৃথক এক প্রজ্ঞাপনে বর্তমান বিমান বাহিনী প্রধান শেখ আব্দুল হান্নানকে ১১ জুন থেকে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



গ্যাস সংকট চরমে, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

দেশজুড়ে চলছে তীব্র গ্যাস সংকট। বাসাবাড়ি, সিএনজি স্টেশন, পেট্রলপাম্প, শিল্পকারখানা সর্বত্র একই অবস্থা। 

এদিকে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ খুবই কম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকছে গাড়ির দীর্ঘ সারি। এতে সড়কে যানজটও বাড়ছে।নষ্ট হচ্ছে সময়।

ঢাকাসহ সারাদেশেই একই চিত্র।কোনো কোনো স্টেশনে দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থেকে গ্যাস না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে।

সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান তিতাস বলছে, শীতের প্রকোপে গ্যাস লাইনে কনডেনসেট জমে। পাশাপাশি সরবরাহ কমায় সংকট তীব্র হয়েছে।

রাজধানীবাসী বলছে, সকাল ৮টার দিকেই গ্যাস চলে যায়। আসার ঠিক নেই। এখন পানি ফুটিয়ে খাওয়ার মতোও পরিস্থিতি নেই। গ্যাসের চাপ কম থাকায় শুধু ডাল বা ভর্তা খেয়েই দিন পার করছেন অনেকে। মাছ বা মাংস রান্না করার মতো অবস্থা নেই।

শুধু বাসাবাড়িতেই নয়, রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ নেই। তাই গাড়ির জ্বালানি সংগ্রহে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। তার পরও চাহিদামতো সিএনজি কিনতে পারছেন না অনেকেই।

চালকরা বলছেন, গ্যাস সংগ্রহের জন্য তিন থেকে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে। তার পরও ঠিকমতো গ্যাস পাওয়া যায় না।

স্টেশন কর্তৃপক্ষের মতে, গ্যাসলাইনে পাউন্ড-বল প্রতি বর্গ ইঞ্চি (পিএসআই) অন্তত ১৫ থাকার কথা, এর থেকে অনেক কম থাকার কারণে মেশিন প্রায় অচল থাকছে।

রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, ময়মনসিংহসহ ১২ জেলায় তিতাসের গ্রাহকরা দৈনিক প্রায় ১৮০ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস পেত। এখন মিলছে দেড়শ কোটি ঘনফুটের নিচে। একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল মেরামতের কাজ চলায়, আমদানির গ্যাস কমেছে বলে জানান তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
  


আরও খবর