Logo
শিরোনাম

চস্পানন চাকমা খাগড়াছড়ি জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

রুপায়ন তালুকদার খাগড়াছড়ি ঃ

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২২ এ খাগড়াছড়ি জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায়  মাধ্যমিক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণিশিক্ষক নির্বাচনে খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক চম্পানন চাকমা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণিশিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ইতিপূর্বে উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগীতায় খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হন।তিনি বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির (বাসমাশিস) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির যুগ্ম সম্পাদক।

তিনি ১৯৮৯ সালে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে বিজ্ঞান শাখায় ১ম বিভাগে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ন হন। পরে ১৯৯১ সালে ঢাকা সরকারি তিতুমীর কলেজ হতে বিজ্ঞান শাখায় ১ম বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর ১৯৯২ সনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরবর্তীতে ভারতের কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে তিনি সেখানে স্নাতক (সম্মান) কোর্সে ভর্তি হন। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রী অর্জনের পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ে স্নাতকত্তোর শ্রেণিতে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকত্তোর ডিগ্রী অর্জনের পর তিনি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সরকারি চাকরী গ্রহনের পূর্বে তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসিডিডিআরবি (ICDDRB) তে চাকরী করেন।পরে ২০০২ সালে সরকারি চাকরী গ্রহন করে শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত হন।সরকারি চাকরীতে তিনি প্রথম বান্দরবান পার্বত্য জেলায় আলীকদম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।সেখানে প্রায় তিন বছর শিক্ষকতা করার পর ২০০৪ সালে খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বদলি হন।

চাকরিকালীন সময়ে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে ব্যাচেলর অব ইডুকেশন কোর্সে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ন হন। গত ২০২১ সালে সিনিয়র শিক্ষক (১ম শ্রেণি গেজেটেড পদমর্যাদা) পদে পদোন্নতি লাভ করার পর খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। 

তিনি খাগড়াছড়ি জেলায় সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়ন, মডারেশন, নতুন কারিকুলাম,ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও আইসিটি বিষয়ে মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দীর্ঘ সময় কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া সরকারি বিভিন্ন ট্রেনিং কোর্সে তিনি সফলতার সহিত বিভিন্ন ট্রেনিং সম্পন্ন করেন।


আরও খবর



৬০ বছর পর ইংল্যান্ডকে হারালো হাঙ্গেরি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

শক্তি-সামর্থ্য কিংবা পরিসংখ্যান— সব দিক থেকেই হাঙ্গেরির চেয়ে এগিয়ে ইংল্যান্ড ফুটবল দল। কিন্তু শনিবার (৪ জুন) রাতে এই হাঙ্গেরির মাঠেই বড় অঘটন হলো ইংলিশদের। দীর্ঘ ৬০ বছর পর হাঙ্গেরির কাছে হেরে গিয়েছে ইংল্যান্ড।

নেশন্স লিগে শনিবার রাতে ‘এ’ লিগের তিন নম্বর গ্রুপের ম্যাচে বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিক হাঙ্গেরি। ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়া গোলটি করেন হাঙ্গেরির ফুটবলার দমিনিক সোবোসলাই।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সবশেষ ১৯৬২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে জিতেছিল হাঙ্গেরি। ওই ম্যাচে ২-১ গোলে জিতেছিল হাঙ্গেরি। প্রায় ৬০ বছর পর এবার নিজেদের মাঠে ইংলিশদের বিপক্ষে জয় পেল হাঙ্গেরি।  

এদিন দিনের আরেক ম্যাচে জার্মানির বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে ইতালি। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ইতালিকে লিড এনে দেন লরেন্সো পেল্লেগ্রিনি। এরপর সমতা টানেন জার্মানির জসুয়া কিমিখ।

জার্মানির মুখোমুখি হওয়ার আগে ফাইনালিসিমাতে আর্জেন্টিনার কাছে পাত্তাই পায়নি ইতালি। হেরে যায় বড় ব্যবধানে। আর্জেন্টিনার পর জার্মানির বিপক্ষেও জিততে পারল না ইউরো চ্যাম্পিয়নরা। নিজেদের মাঠে জার্মানির সঙ্গে কোনো রকমে ড্র করে আর্জেন্টাইনদের দেওয়া দুঃখ ভুলল মানচিনির শিষ্যরা।


আরও খবর



সৌদি আরবে ৯ জুলাই ঈদুল আজহা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সৌদি আরবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ৯ জুলাই দেশটিতে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। বুধবার (২৯ জুন) আরব নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও ব্রুনাইয়ে এদিন চাঁদ দেখা যায়নি। এসব দেশে ১০ জুলাই ঈদ উদযাপন করা হবে। দেশগুলোর স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

চলতি বছর হাজিরা আরাফার ময়দানে অবস্থান করবেন ৮ জুলাই। ওই দিন জিলহজের মাসের ৯ তারিখ হবে।


আরও খবর



সড়কে গড় গতি, বাংলাদেশের অবস্থান নিচের দিকে

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

সড়কে গড় গতির হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান নিচের দিকে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিশ্বের ১৬২টি দেশের মধ্যে মাত্র তিনটি দেশের ওপরে বাংলাদেশ।

গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোর মধ্যে সড়কপথে যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় গড় সময় নির্ণয় করেন আইএমএফের কর্মীরা। এক্ষেত্রে যেসব শহরের দূরত্ব ন্যূনতম ৮০ কিলোমিটার কেবল সেগুলোই হিসেবে নেওয়া হয়, তালিকায় বাদ দেওয়া হয় নগররাষ্ট্রগুলোকে।

গত ২০ মে প্রকাশিত আইএমএফের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিশ্বের দ্রুততম সড়কগুলো রয়েছে ধনী অর্থনীতির দেশগুলোতে। আর ধীরগতির সড়ক দেখা গেছে দরিদ্র দেশগুলোতে। এটি তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে অন্যতম বাধা বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে বিশ্বের সবচেয়ে ধীরগতির সড়ক রয়েছে পাহাড়ি দেশ ভুটানে। তাদের গড় গতি ঘণ্টায় ৩৮ কিলোমিটার।

এরপর নেপাল ও পূর্ব তিমুরের সড়কে গাড়ির গড় গতি ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ ও হাইতির সড়কে গড় গতি একই-মাত্র ৪১ কিলোমিটার। দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কার সড়কে গড় গতি ৫০ কিলোমিটার, আফগানিস্তানে ৫৭ কিলোমিটার, ভারতে ৫৮ কিলোমিটার ও পাকিস্তানে ৮৬ কিলোমিটার। মালদ্বীপের প্রধান শহরগুলো সড়কপথে সংযুক্ত না হওয়ায় তাদের গড় গতি হিসাব করা হয়নি।

এদিকে, সড়কে গড় গতির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে পর্তুগাল, সৌদি আরব, কানাডা, স্পেন, ফ্রান্সের মতো উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো। আর ধীরগতির সড়ক দেখা গেছে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। সড়কের এই ধীর গতিই তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে অন্যতম বাধা বলে মনে করা হয়।

আইএমএফের গবেষণা বলছে, ভ্রমণকালের সঙ্গে সড়কের গুণগত মানের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তবে মাত্র একটি পরিসংখ্যানে রাস্তার গুণমান তুলে ধরা কঠিন। উদাহরণস্বরূপ-গতির হিসাবে রাস্তার নিরাপত্তা, ট্রেনের মতো বিকল্প পরিবহনের প্রাপ্যতা এবং পিক আওয়ার বা চূড়ান্ত মৌসুমে যানজটের (যখন কৃষকেরা তাদের পণ্য বাজারে পৌঁছাতে একযোগে রাস্তায় নামেন) মতো বিষয়গুলো যোগ করা যায় না। তারওপর, বৈচিত্র্যময় ও বিরূপ ভূখণ্ডে মানসম্পন্ন রাস্তা নির্মাণের ইঞ্জিনিয়ারিং চ্যালেঞ্জগুলোও সম্পূর্ণরূপে তুলে ধরা সম্ভব হয় না।

তবু এই সাধারণ পরিসখ্যানটি নীতিনির্ধারক ও পরিকল্পনাকারীদের সমকক্ষ দেশগুলোর তুলনায় তাদের সড়কের মান মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণ খরচ নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে। এটি দেশগুলোকে সড়কের প্রতিবন্ধকতাগুলো কাটিয়ে উঠতে এবং মানুষ ও পণ্য পরিবহন আরও দ্রুততর করার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় উন্নতি করতেও সাহায্য করবে।


আরও খবর



গবাদি পশু পালন করে বেকারত্ব জয়

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :   গবাদি পশু মোটাতাজাকরণের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জের অনেক নারী-পুরুষ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সারা বছরই এই প্রকল্প চালু থাকলেও কোরবানিকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের গবাদি খামারিরা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন গরু মোটাতাজাকরণে। কোরবানি ঈদে বেশি লাভের আশায় গ্রামের অনেকেই গবাদি পশু পালন করে বাড়তি টাকা আয় করে থাকেন।

জেলার ৯টি উপজেলাতেই কমবেশি গবাদি পশু মোটাতাজা করণের খামার রয়েছে। স্থায়ী খামারি ছাড়াও মৌসুমি খামারিরাও লাভের আশায় এ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। পুরুষের পাশাপাশি অনেক নারীও বাড়তি আয়ের জন্য পশু লালন পালন করছেন।

সরকারি হিসাবে এবছর জেলায় প্রায় ১ লাখ গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ হচ্ছে বলে স্থানীয় প্রাণী সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা আরো বেশি বলে জানা গেছে। দেশি জাতের পাশাপাশি ভারতীয় ও নেপালি জাতের গরু পালন করছেন খামারিরা। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া গ্রামের খামারি রফিক জানান, তিনি এ বছরই প্রথম খামার করেছেন। তিনি ২০টি ষাঁড় দিয়ে খামার শুরু করেন। ইতিমধ্যেই ১০টি ষাঁড় বিক্রি করেছেন ১৩ লাখ টাকায়। বাকি ১০টি ষাঁড় ১৮ হতে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি। তিনি জানান, খামারের গরুগুলোকে ভুসি, ধানের কুড়া, ঘাস ও খড় খাওয়ানো হয়। দেশি জাতের গরু পালন করলে আরো বেশি লাভ হতো বলে আশা করেন তিনি।

এছাড়া চর মিরপুর এলাকার নজরুল  পাইকপাড়া গ্রামের  ছালাম গরু মোটাতাজা করছেন বলে জানান। নজরুল জানান, তিনি প্রতি বছরই দুটি করে গরু মোটাতাজা করে ভাল আয় করেন। স্থানীয় আব্দুস ছালাম এবার তিনটি গরু মোটাতাজা করছেন। এতে তার এ পর্যন্ত ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। তিনি আশা করছেন, যদি ভারতীয় গরু না আসে তিনটি গরু ৩ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন।

মাত্র কয়েক মাস এ ব্যবসায় ভালো লাভ হওয়ায় এলাকার অনেকেই এখন এই ব্যবসার দিকে আসছেন। এতে তাদের বেকার সমস্যারও সমাধান হচ্ছে বলেও জানান।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার জানান, জেলায় এবছর প্রায় ১ লাখ গবাদি পশু মোটাতাজা করা হচ্ছে তিনি জানান, এই জেলায় গবাদি পশু মোটাতাজাকরণের ক্ষেত্রে কোনো ক্ষতিকারক ওষুধ বা ইনজেকশন দেয়া হয় না। তারপরও জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে নিয়মিত তদারকি করা হয়।


আরও খবর



৬ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২১-২২ অর্থবছরের ৬ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে দুপুর ১২টার পর জাতীয় সংসদ ভবনে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে অর্থমন্ত্রী মোস্তফা কামালসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ৭৪ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বেশি। আর সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৮৪ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা বেশি। আগামী অর্থবছরের বাজেটে বড় ব্যয়ের বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের আয়ের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হতে যাচ্ছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। যেখানে বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতির আকার ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। আর অনুদানসহ ঘাটতি থাকবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন অর্থবছরের (২০২২-২৩) আয়ের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। যা চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের তুলনায় ৪৪ হাজার ৭৯ কোটি টাকা বেশি। প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের আয়ের খাতগুলো থেকে কর বাবদ ৩ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা আয় করার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরে এনবিআরকে ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দিচ্ছে সরকার। এর মধ্যে এনবিআর বহির্ভূত কর থেকে আয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া কর ছাড়া আয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি। আর বৈদেশিক অনুদান থেকে আয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা।

নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার আগামী অর্থবছরের প্রায় পৌনে ৭ লাখ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পেশ করা হবে। প্রত্যেকবারের মতো এবার সাধারণ জনগণকে প্রাধান্য দিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ জনগণের সরকার, তাই বাজেটেও সাধারণ জনগণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের সরকার দেশের তথা জনগণের সার্বিক উন্নয়নে নানাভাবে চেষ্টা করছে। কোভিড পরিস্থিতিতেও আমাদের অর্জন প্রশংসনীয়। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্ব কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। যার প্রভাব বাংলাদেশেও চলমান। এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও আমাদের সরকার প্রধানের বিচক্ষণতায় অন্যান্য দেশের থেকে এখনও আমরা ভালো অবস্থানে আছি। বৈশ্বিক এই চ্যালেঞ্জ নিয়েও এবারের বাজেটে দেশের তথা জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রূপরেখা থাকবে।

তিনি বলেন, বাজেটের একটি বিরাট অংশ দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) ব্যয় করা হবে। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ এবার উন্নয়ন বাজেটের জন্য বরাদ্দ থাকছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। বৈদেশিক অর্থায়ন ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়েই ২০২২-২৩ অর্থবছরের এডিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। এবারের উন্নয়ন বাজেটে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার, কোভিড-১৯ মোকাবিলা, অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন তথা দেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর