Logo
শিরোনাম

চতুর্থ ধাপে উপজেলা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক ১২১৭ জন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:



ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ জুন। এ ধাপে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন এক হাজার ২১৭ জন পর্যবেক্ষক।



নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম বলেন, ইতোমধ্যে তাদের অনুমোদন দিয়েছেন কমিশন। এখন আবেদন করে তাদের পর্যবেক্ষক কার্ড নিতে হবে।


এদিকে আগামী ৫ জুন চতুর্থ ধাপে ৫৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ১১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার কেন্দ্রীয়ভাবে ১১২ জন ও স্থানীয়ভাবে ১ হাজার ১০৫ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের কার্ড নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে দেয়া হবে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের কার্ড ও স্টিকার রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে দেওয়া হবে।



এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে স্থানীয় পর্যবেক্ষণ নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে অনুমোদিত পর্যবেক্ষক সংস্থাকে পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার সরবরাহ করতে হবে।


নির্বাচন কমিশন থেকে অনুমোদিত পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রত্যেক পর্যবেক্ষককে জন্য EO-2 ফরম, EO-3 ফরম, এসএসসি সনদের সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট ও ১ কপি স্ট্যাম্প সাইজ রঙিন ছবিসহ একটি আবেদন রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।



রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসার এসব তথ্য পর্যবেক্ষণ নীতিমালা-২০২৩ অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে কমিশন থেকে অনুমোদিত বৈধ পর্যবেক্ষকদের তালিকা প্রস্তুত করবেন এবং তাদের নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত পরিচয়পত্র দেবেন।


কোনো পর্যবেক্ষক যদি কোনো রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কিংবা স্থানীয় কমিটির পদাধিকারী হন কিংবা স্থানীয় নির্বাচনী এজেন্ট/প্রচারণা কমিটি/পোলিং এজেন্ট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন তাহলে তাকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করে কোনো কার্ড ইস্যু করা যাবে না।


পর্যবেক্ষকরা অনধিক পাঁচজনের টিম করে ভ্রাম্যমাণ পর্যবেক্ষক হিসেবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। এজন্য তাদের নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক লেখা গাড়ির স্টিকার সরবরাহ নিতে হবে।


পর্যবেক্ষক লেখা স্টিকারযুক্ত গাড়িতে অনুমোদিত পর্যবেক্ষক ছাড়া অন্য কেউ ভ্রমণ করতে পারবেন না। নির্ধারিত পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইস্যু করে তা রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং তা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হবে।



নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার নির্বাচনী মালামাল সংগ্রহের সময় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখা রুম নম্বর ১০৫ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।



আরও খবর



মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সুলতান আহম্মেদের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শাহেদ হোসেন রানা,রামগড় :

পার্বত্য খাগড়াছড়ির জেলার রামগড়ে ১৯৭১ সালে পার্বত্য অঞ্চলে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সদস্য বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম সুলতান আহম্মেদ এর ২৭তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫শে জুন) সকাল ১০টায় রামগড় পৌরসভার মাষ্টার পাড়াস্থ কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মরহুম সুলতান আহম্মেদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কবর জিয়ারত ও দোয়া-মাহফিলের মাধ্যমে সুলতান স্মৃতি সংসদ, রামগড় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন দিবসটি পালন করে।

পার্বত্য অঞ্চলের ত্যাগী এই আওয়ামী লীগ নেতা দীর্ঘ-সময় রামগড় মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরবর্তীতে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।


এছাড়াও ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে গঠিত ১নং সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে তাঁর অনন্য ভূমিকা ছিল, পরবর্তীতে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সদস্য পদ লাভ করেন। ১৯৯৭ সালে বার্ধক্যজনিত রোগে সুলতান আহমদ মারা যান। সুলতান নানা নামে পরিচিত নির্লোভ, ত্যাগী এই আওয়ামী লীগ নেতা আগামী প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হিসেবে বেঁচে থাকবে এই প্রত্যাশা সুশীল সমাজের।


এসময় রামগড় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মরহুম সুলতান আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রামগড় পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল আলম কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ২নং পাতাছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী নুরুল আলম আলমগীর, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন বাদশা, ৪নং মাষ্টারপাড়া পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আহসান উল্লাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহ আলম, প্রদেশ ত্রিপুরা, ২নং জগন্নাথপাড়া ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর শ্যামল ত্রিপুরা, সাবেক পৌর কাউন্সিলর বিষ্ণু দত্ত,  উপজেলা যুবলীগ নেতা, রুবেল বড়ুয়া, খাজা নাজিম উদ্দীন, সুমন বড়ুয়া, সুমন ত্রিপুরা, রামগড় মাদ্রাসা ছাত্রলীগ সভাপতি মো.মুজিবুর রহমান প্রমূখ।


আরও খবর



গাজা সিটি ছাড়ার নির্দেশ ইসরাইলি বাহিনীর

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

এবার গাজা সিটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। বুধবার (১০ জুলাই) সকালে লিফলেট ফেলে ওই নির্দেশ দেয়া হয়।

টাইমস অফ ইসরাইলের খবরে বলা হয়, আইডিএফ জানিয়েছে, আজ বুধবার সকালে লিফলেট ফেলে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যেন গাজা সিটির বেসামরিক নাগরিকরা অন্যত্র চলে যায়। এক্ষেত্রে মধ্য গাজার দেইর আল বালাহ শরণার্থী শিবিরকে প্রাধান্য দেয়া যেতে পারে।

নির্দেশনাতে বলা হয়, বেসামরিক নাগরিকরা যেন উপকূলীয় কোনো সড়ক বা সালাহ উদ্দিন সড়ক ব্যবহার করে অন্যত্র যায়। এ সড়কগুলো নিরাপদ থাকবে।

লিফলেটে গাজা সিটিকে বিপজ্জনক যুদ্ধ অঞ্চল হবে বলে সতর্কও করা হয়।

সম্প্রতি আইডিএফ গাজা শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায় সরে যাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে। কারণ সৈন্যরা এর পশ্চিম এবং দক্ষিণ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোর পাশাপাশি পূর্ব শেজাইয়া পাড়ায় অভিযান চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন শহর খালি করার জন্য আইডিএফ এভাবে লিফলেট ফেলে নির্দেশ দিয়েছিল।


আরও খবর



ভেনিসে মসজিদ বন্ধ ও কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ভেনিসের ভিয়া পিয়াভেস্থ মসজিদুল ইত্তিহাদে নামাজসহ সকল প্রকারের ধর্মীয় কার্যক্রম বন্ধের প্রতিবাদে আজ শুক্রবার দ্বিতীয় বারের মতো স্থানীয় একটি পার্কের খোলা চত্ত্বরে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। এ সময়ে খুৎবায় মাওলানা আরিফ মাহমুদ বলেন, আজ মসজিদুল ইত্তিহাদে নামাজ আদায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কাল হয়তো অন্য একটি বন্ধ করা হবে। এভাবে তারা পর্যায়ক্রমে মুসলমানদের সকল ইবাদতের স্থান বন্ধ করে দেবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারি সে দিন বেশি দুরে নয়, তারা শুধু নামাজের স্থান বন্ধ করেই ক্ষ্যান্ত হবে না, মনফালকোনের মতো কোরান শরীফে আগুন দেবে। অশ্লীল, কুৎসিত কথা লিখবে পবিত্র কোরান অবমাননা করে। মুসলমানের কলিজায় আঘাত করবে।

ভেনিসের মেসত্রেস্থ পিরাগেত্তো পার্কে আয়োজিত জুমার নামাজে প্রায় এক হাজার মুসল্লি অংশ গ্রহণ করেন। এর আগে গত ৫ জুলাই প্রথম বারের মতো জুমার নামাজ একই স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। ইত্তিহাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যতো দিন মসজিদে নামাজ আদায়ের অনুমোদন দেয়া না হবে ততদিন আন্দোলনের অংশ হিসাবে পার্কে নামাজ আদায় করা হবে।