Logo
শিরোনাম

চুল পড়া বন্ধে কাজে লাগাতে পারেন তুলসী পাতা

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মাথায় চিরুনি দিলেই পড়ছে চুল? চুল পড়া বন্ধে কাজে লাগাতে পারেন তুলসী পাতা। এই ভেষজ যেমন চুলের গোড়া মজবুত করবে, তেমনি খুশকি দূর করে চুল করবে ঝলমলে ও মসৃণ। বিভিন্নভাবে চুলের যতœ নেওয়ার পরেও যদি চুল পড়া না কমে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

তুলসী পাতা সামান্য পানি দিয়ে বেটে চুলে লাগান। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলে ফল পাবেন দ্রুত।

নারিকেল তেলের সঙ্গে তুলসী পাতা মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে এই তেল ম্যাসাজ করুন চুলে। সারারাত রেখে পরদিন সকালে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। এটি চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি অকালে চুল পাকা রোধ করবে।

আমলকী গুঁড়ার সঙ্গে তুলসী পাতার গুঁড়া মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ৮ ঘণ্টা। এরপর চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। টক দইয়ের সঙ্গে মেশান তুলসী পাতার রস। মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় লাগাতে দূর হবে খুশকি। মেহেদি গুঁড়ার সঙ্গে তুলসী পাতার গুঁড়া মিশিয়ে নিন। চায়ের লিকার দিয়ে মিশ্রণটি ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরদিন চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। চুল কালো ও ঝলমলে হবে।


আরও খবর

যোগাসনে ব্যায়াম হবে পুরো শরীরের

সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

খালি পেটে কাঁচা রসুন কেন খাবেন

শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




আল-জাজিরার প্রতিবেদন

আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল আর্মেনিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে আবারও যুদ্ধে জড়িয়েছে প্রতিবেশী দুই দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। ইতোমধ্যে এই লড়াই উভয় পক্ষের ১৫৫ জন সেনা নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে উভয় দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছে আর্মেনিয়া। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি আজারবাইজান।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্মেনিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আরমেন গ্রিগরিয়ান টেলিভিশনে যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়া আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়েছে। গ্রিগরিয়ানের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল গোলাগুলি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে, তখন যুদ্ধবিরতির চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়নি। চুক্তির বিষয়ে আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে ৬ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়ায় প্রতিবেশী দুই দেশ। এতে আর্মেনিয়ার বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ‘সিক্স ডে ওয়ার’ নামে পরিচিত ওই ঘটনায় ৬ হাজার ৭০০ মানুষ নিহত হন।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




প্রতারণা, মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’ নামে ব্র্যান্ডিং করে ‘বড় প্রতারণা’র ছকে শহুরে মানুষের পকেট কাটা বন্ধ হচ্ছেই না। বারবার বিষয়টি নিয়ে কথা উঠলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় শিগগিরই মিনিকেট চালের বাজারজাত বন্ধে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, এই চালের যেহেতু কোনো ভ্যারাইটি নেই, তাই আমরা সুপারশপ এবং রাইস মিলগুলোতে চিঠি দেব, যাতে এর বাজারজাত বন্ধ করা হয়। এটা বন্ধের জন্য সময় দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আমরা অভিযান শুরু করব।

এক সময় উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে বীজ সংগ্রহ করা হতো। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এখন সরকারের সায় নিয়ে এই চাল বাজার থেকে তুলে নিতে মিলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।

সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিত্যপণ্যের উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সুপার শপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্যাকেটজাত নিত্যপণ্যের মূল্য বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় সব কিছু ছাপিয়ে মিনিকেট প্রসঙ্গটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

একই দিন সচিবালয়ে আলাদা অনুষ্ঠানে ‘মিনিকেট’ নামে বাজারে প্রচলিত চালের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, বাজার থেকে মিনিকেট চাল সরাতে সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ তারা পেয়ে গেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে যারা ধান গবেষণায় যুক্ত, তারা জানিয়েছেন, মিনিকেট নামে চালের কোনো ভ্যারাইটি নেই। এটি একটি প্রতারণার ছক। এর ব্র্যান্ডিং করে মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে মিনিকেট চালের বাজারজাতকরণ বন্ধের জন্য ভোক্তা অধিকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সচিবালয়ে “মিনিকেটের উৎপত্তি সম্পর্কে মানুষ যদি জানত, তাহলে মিনিকেট চাল খুঁজতে যেতে না। এক সময় আমরা উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে কিছু বীজ সংগ্রহ করি। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এই হলো মিনিকেটের ইতিহাস। এটা অনেকবার বলা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার মিনেকেট নামটা উচ্ছেদ করার জন্য মোবাইল কোর্ট চালাতে পারে। আমরা একটা আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য দিয়েছি। খসড়া অনুমোদন পেয়েছে। এখন সেটা ভেটিংয়ের অপেক্ষায় আছে। ব্র্যান্ড যেটাই হোক, বস্তার গায়ে অবশ্যই ধানের জাতের কথা উল্লেখ করতে হবে। 

এদিকে, সুপার শপে খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন পণ্য মোড়কীকরণ করে বিক্রি করতে গিয়ে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও ভোক্তা অধিকারের ভাষ্য। তবে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া সুপার শপ প্রতিনিধিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

 ভোক্তার মহাপরিচালক বলেন, খোলা বাজারে যে চাল ১২০ টাকা বিক্রি হয়, সেটা কিন্তু তিন হাতের লভ্যাংশ দেওয়ার পরই বিক্রি হয়। আপনারা এর সঙ্গে হয়তো একটা প্যাকেট যোগ করেছেন। সেজন্য খরচ হয়তো ৫ টাকা বাড়তে পারে। কিন্তু সেজন্য আপনি ৩০ টাকা লাভ করে বসতে পারেন না। তাছাড়া আজকের বাজারের সঙ্গে মেলালে আপনার হবে না। কারণ আপনি ধানটা কবে কিনে রেখেছিলেন, সেটা স্মরণ করেন। দিনাজপুরে ধানের মজুদের একটা ঘটনা ঘটেছে। সেটা নিয়ে আমি বলতে চাই না। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এভাবে মজুদ করে, আর বাজারের সঙ্গে তুলনা দেয়, তাহলে তো হবে না।


আরও খবর

লিটারে ১৪ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




শ্রীনগরের ভাগ্যকুল সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শ্রীনগর প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জ  শ্রীনগরে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টার দিকে ভাগ্যকুল  কামারগাও আইডিয়াল উচ্চবিদ্যালয় সভাকক্ষে  এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মনোয়ার হোসেন শাহাদাত  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথী হিসাবে বক্তব্য রাখেন শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন ।


এই ছাড়া আরও  বক্তব্য রাখেন ভাগ্যকুল হরেন্দ্রলাল উচ্চবিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মুজিবুর, কামারগাও আইডিয়াল উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান  শিক্ষক মোঃ আজিজ খান, আলহাজ্ব কাজী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম হোসেন, আল আমিন ইসলামি মাদ্রাসার সহকারী অধ্যক্ষ আবুল খায়ের,পূজা উদযাপন কমিটি সেক্রেটারী রতন চন্দ্র, উপজেলা ছাত্রলীগের  সভাপতি শাওন খন, সহ-সভাপতি আবির হোসেন,মেম্বার রতন শাহ  ভাগ্যকুল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ হামিদুল হক। উক্ত সভা উপস্থাপনা  করেন আলতাফ হোসেন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্যরা  বলেন শ্রীনগর উপজেলায় সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে। কেউ যাতে এই সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।  


আরও খবর



পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ভারতে

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : বাংলাদেশি পণ্যের গুণগত মান ভালো হওয়ায় চাহিদা বাড়ছে ভারতে। পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ভারতের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে। তাছাড়া দুই দেশই কাছাকাছি উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের দিকে মনোযোগ বাড়িয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যোগাযোগের উন্নতি এ ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে। অর্থাৎ, ভৌগোলিক কারণেই ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। ফলে এখন ভারতের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

 চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে ভারতে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১০ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার ডলারের। গত বছরের একই সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৫ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার ডলারের। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০০ দশমিক ৮৫ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৮ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরে একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৪ কোটি ১৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৯৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই মাসে ভারতে ৭ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। পরের মাস আগস্টে বাংলাদেশ থেকে ১১ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার ডলারের পোশাক কিনেছেন ভারত। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ভারতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি বেড়েছে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

ভারতের বাজারে অন্য পণ্যের রপ্তানিও বেড়েছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত অর্থবছরে (২০২১-২২) ভারতে বাংলাদেশের রফতানি ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলারের ঘরে পৌঁছে, যা ছিল আগের অর্থবছরের (২০২০-২১) চেয়ে ৫৫ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, এখন ভারতের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তারা বলছেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই কাছাকাছি উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের দিকে মনোযোগ বাড়িয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগের উন্নতি এ ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে। অর্থাৎ, ভৌগোলিক কারণেই ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে।

গার্মেন্ট খাতের উদ্যোক্তারা জানান, ভারতের অনেক ব্যবসায়ী এখন বাংলাদেশের কারখানায় পোশাক তৈরি করে নিজেদের দেশে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করছেন। এতে তাদের একদিকে যেমন লিড টাইম কম লাগছে, অপরদিকে খরচও কম হচ্ছে। এছাড়া ভারতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশটিতে বাড়ছে ব্র্যান্ড-সচেতনতা। এ কারণে সেখানে স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোও শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোও যখন দেশটিতে নতুন নতুন বিক্রয়কেন্দ্র খুলতে শুরু করেছে- ঠিক এমন সময় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট বাড়ছে। অর্থাৎ এই সংকট থেকে উত্তরণে প্রায় দেড়শ’ কোটি লোকের চাহিদা মেটাতে হলে ভারতকে বাংলাদেশ থেকেই পোশাক কিনতে হবে। কারণ,ভারতে পোশাক তৈরিতে যে খরচ হয়, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করলে তার থেকে অনেক কম পড়ে। সে কারণে সব হিসাব-নিকাশ করেই তারা এখন বাংলাদেশ থেকে বেশি বেশি পোশাক কিনছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি কারখানার কাছ থেকে পোশাক নিয়ে টাকা দেয়নি ভারতীয় কোম্পানি লিলিপুট। সে জন্য ওই সময় থেকে বেশ কয়েক বছর ভারতে পোশাক রফতানিতে ভাটা পড়ে। কিন্তু গত কয়েক বছরে ভারতের বিভিন্ন শহরে পোশাকের নামিদামি বিদেশি অনেক ব্র্যান্ড বিক্রয়কেন্দ্র খোলায় পোশাক রফতানি বৃদ্ধি পায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড কোম্পানির এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ভারতের কাপড়ের বাজার হবে ৫ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে ভারতে ১২৭ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে রপ্তানি হয় ১০৯ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভারতে ১২৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




বিশ্বম্ভরপুরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রবাসীর পক্ষ থেকে ব্যাগ বিতরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শফিউল আলম,স্টাফ রিপোর্টার :

 সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর   ইউনিয়নের অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রবাসী জিয়াউল হক এর পক্ষ থেকে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে।২২ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে শ্রেণিকক্ষে ব্যাগ বিতরন করা হয়।


এদিকে স্কুল সভাপতি মাইন উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক  আলমগীরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউল হক বলেন, এক সময় আমি এ  বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছি।এ গ্রামের সন্তান আমি, সুখে-দুঃখে সবসময় গ্রামবাসীর পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ। লেখাপড়া করে তোমরা মানুষের মত মানুষ হও এই প্রত্যাশা সব সময়। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ-সময় উপস্থিত বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা ও ম্যানেজিং কমিটির  সহ-সভাপতি নুর আলম সুমন,সদস্য শাহিনুল ইসলাম, তৌহিদা বেগম, সহকারি শিক্ষক পিংকি তালুকদার,চঞ্চলী রানী দে,সাবেক সভাপতি বেলায়েত হোসেন তালুকদার, জাহাঙ্গীর আলম,সাংবাদিক শফিউল আলম, শাহ আলম, শাহিন মিয়া প্রমুখ।


আরও খবর