Logo
শিরোনাম

দাম বাড়ল এলপি গ্যাসের

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা করেছে সরকার। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৮১ টাকা থেকে ২৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় নতুন দর ঘোষণা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যা আজ সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হবে।

এর আগে নভেম্বর মাসে এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৩৬৩ টাকা থেকে ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৮১ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

বিইআরসির ঘোষণায় বলা হয়, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে মূসকসহ প্রতি কেজির মূল্য ১১৭ টাকা ২ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির মূসকসহ প্রতি কেজির মূল্য ১১৩ টাকা ২০ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।

এদিকে মূসকসহ অটোগ্যাসের প্রতি লিটারের মূল্য ৬৪ টাকা ৪৩ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।


আরও খবর

আবার কমেছে রিজার্ভ

বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪

বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




টানা চতুর্থবারের মতো জয় পেলেন টিউলিপ সিদ্দিক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:



যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে চলছে ভোট গণনা। বুথফেরত জরিপে বিরোধী দল লেবার পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার আভাস পাওয়া গেছে।



 এদিকে নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো জয় পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ সিদ্দিক। শুক্রবার (৫ জুলাই) সকালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।



আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ১৪ বছর ধরে যুক্তরাজ্যের ক্ষমতায় থাকা কনজারভেটিভ পার্টি এবার বিশাল ব্যবধানে হারতে পারে। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, লেবার পার্টি ৪১০টি আসনে জয় পেতে পারে। আর কনজারভেটিভ পার্টি পেতে পারে ১৩১টি আসন। 



বিবিসি জানিয়েছে, লেবার পার্টি জিতলে দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন কেইর স্টারমার। ফল আসার পরপরই বিরোধী শিবির লেবারের সমর্থকরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেন। 


এদিকে, যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো জয় পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ সিদ্দিক। লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড হাইগেট আসন থেকে লেবার পার্টির হয়ে লড়েছেন তিনি। এছাড়াও জয় পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রূপা হক। 



যুক্তরাজ্যে জাতীয় নির্বাচনে এবারই সর্বোচ্চ সংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী লড়ছেন। যাদের মধ্যে একাধিক প্রার্থীর জয়ের পর মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।


লেবার পার্টি থেকে গেল মেয়াদের চার এমপি রুশনারা আলী, টিউলিপ সিদ্দিক, ড. রূপা হক ও আফসানা বেগম এবারও লড়েছেন। একই দল থেকে এবার ভোটের লড়াইয়ে আছেন আরও চারজন। 



তারা হলেন- রুমী চৌধুরী, রুফিয়া আশরাফ, নুরুল হক আলী ও নাজমুল হোসাইন। কনজারভেটিভ দলের মনোনয়ন নিয়ে ভোটের মাঠে আছেন আতিক রহমান ও সৈয়দ সাইদুজ্জামান।


এছাড়া, ওয়ার্কার্স পার্টি অব ব্রিটেন থেকে ছয় জন এবং রিফর্ম পার্টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটস, স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি ও সোশ্যালিস্ট পার্টি থেকে আছেন একজন করে। গ্রিন পার্টি থেকে তিন জন, আর স্বতন্ত্র হিসেবে ১১ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী লড়ছেন ভোটের মাঠে। 


জানা যায়, যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে মোট আসন ৬৫০টি। এতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যেকোনো দলকে এককভাবে ৩২৬টি আসনে জয় পেতে হবে।




আরও খবর



সেঞ্চুরি ছাড়াল পেঁয়াজ, দিশেহারা ক্রেতা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বাঙালির রসনা বিলাস ও রান্নার  অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান পেঁয়াজ। এই পণ্যটি ছাড়া যেন রান্না করাই দায়।

 এ অবস্থায় কমছেই না পেয়াজের ঝাঁজ। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। তাই তো পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়া স্বত্বেও কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তবে পেঁয়াজের এমন ঝাঁঝে দিশেহারা তারা।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ভারত থেকে কম আমদানি হওয়ার কারণে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

দেশে এমন সময়ে পেঁয়াজের দাম শতক ছাড়াল, যখন বাজারে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও বাড়তি। যেমন বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি এখন আড়াই শ টাকার ওপরে। 

এ ছাড়া গত কয়েক দিনের বৃষ্টির মধ্যে দাম বেড়েছে বেশ কিছু সবজিরও। চালের দাম স্থিতিশীল থাকলেও মাছের দাম উর্ধ্বমুখী। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা।

আষাঢ়ের কালো মেঘে ঢাকা আকাশ। সেই কালো রঙ যেন ভর করেছে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আসা ক্রেতাদের মাঝে। পায়ে পায়ে কাদা–পানির দুর্ভোগ নিয়ে একটু কম খরচে বাজার করার আসায় এখানে এলেও মেলে না ফর্দের তালিকা অনুযায়ি কেনাকাটা করা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, তালতলা ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ আগের তুলনায় দেশি পেঁয়াজের দাম অনেকটা বেড়েছে।

পেঁয়াজের খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি বছর পেঁয়াজের মৌসুম শুরুই হয়েছে উচ্চ দাম দিয়ে। ফেব্রুয়ারি মাসে মৌসুমের শুরুতে ঢাকায় নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০-১০০ টাকা দরে।

 মার্চে পেঁয়াজের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়েছিল। এরপর এপ্রিলে কিছুটা কমে আবার তা বাড়তে থাকে। কোরবানি ঈদের সময় বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৮০-৯০ টাকা; যা এখন ১০০-১১০ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ ১৫ দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। শুধু গত তিন দিনেই বেড়েছে ১০ টাকা।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে চার-পাঁচ মাস পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। ফলে এ সময় মানুষ বেশি পরিমাণে দেশি পেঁয়াজ কিনেছেন। অন্যদিকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিলেও ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। 

দেশটির অভ্যন্তরেও পেঁয়াজের দাম বাড়তি। ফলে বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম দেশি পেঁয়াজের চেয়েও বেশি পড়ছে।

এদিকে, বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যায়নি। শসা কেজিপ্রতি ১০০ টাকা, কচুর লতি কেজি প্রতি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা কেজিপ্রতি ৬০ টাকা, পেঁপে কেজিপ্রতি ৫০ টাকা, লেবুর ডজন ৯০ টাকা, কাঁচামরিচ কেজিপ্রতি ৩২০ টাকা, বেগুন (লাল, সাদা) কেজিপ্রতি ১২০ টাকা, আলু কেজিপ্রতি ৫৫ টাকা, আদা কেজিপ্রতি ২৮০ টাকা, রসুন কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।



আরও খবর



আরাফাতের অভিমুখে লাখো হজযাত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ। মূল আনুষ্ঠানিকতা আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের জন্য হজযাত্রীরা মিনার তাঁবু থেকে রওনা দিয়েছেন। শনিবার ফজরের নামাজের পর থেকেই লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে আরাফাতের অভিমুখে হজযাত্রীদের ঢল নামে।

কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ বাসে করে আবার কেউ কেউ ট্রেনে যাচ্ছেন আরাফাতের ময়দানে। একসঙ্গে লাখ লাখ মানুষের যাত্রার ফলে প্রচণ্ড ভিড় লেগেছে আরাফাতের রাস্তায়। এছাড়া আগে থেকেই তীব্র গরমের পূর্বাভাস থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হজযাত্রীদের।

মিনা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দান অবস্থিত। আজ জোহরের নামাজের আগে সেখানে মসজিদে নামিরার মিম্বরে দাঁড়িয়ে আরবি ভাষায় হজের খুতবা পাঠ করা হবে। এবার খুতবা দেবেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব ড. শেখ মাহের বিন হামাদ। হজের খুতবা বাংলাসহ প্রায় ৫০টি ভাষায় অনুবাদ করে শোনানোর প্রস্তুতি রয়েছে।


আরও খবর



পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কে চাকরি হারাচ্ছেন পুলিশ কর্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে এবার চাকরি হারাচ্ছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম সাকলায়েন শিথিল।

পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের সময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগের এডিসির দায়িত্বে ছিলেন সাকলায়েন।

পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসার পর প্রথমে তাকে পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) বদলি করা হয়। পরে তাকে ঝিনাইদহ ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়।

শৃঙ্খলা শাখার প্রতিবেদনে বলা হয়, নায়িকা পরীমনির সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের ঘটনাক্রমে দেখা হয় এবং যোগাযোগ আরম্ভ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নায়িকা পরীমনির বাসায় নিয়মিত রাতযাপন করতে শুরু করেন সাকলায়েন। বিভিন্ন সময়ে (দিনে ও রাতে) পরীমনির বাসায় সাকলায়েন অবস্থান করেছেন বলে মোবাইলের ফরেনসিক রিপোর্ট দেখে প্রমাণ পাওয়া যায়। পুলিশ অধিদপ্তরের এলআইসি শাখার দেওয়া তার ফোনের সিডিআর বিশ্লেষণ অনুযায়ী ০৪/০৭/২০২১ থেকে ০৪/০৮/২০২১ পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন সময়ে (দিনে ও রাতে) পরীমনির বাসায় অবস্থান করেছেন। পরীমনির মোবাইলের ফরেনসিক রিপোর্ট (সিআইডি কর্তৃক মামলার আলামত হিসেবে জব্দকৃত) পর্যালোচনায় দেখা যায়, তার ও পরীমনির আদান-প্রদানকৃত মেসেজসমূহ (২৯ জুলাই ২০২১ থেকে ৩ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত) সামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনির ফেসবুক আইডি ও গোলাম সাকলায়েন সিথিল নামে ফেসবুক মেসেঞ্জারে কথোপকথন এবং তাদের হোয়াটসআ্যাপ নম্বরে (১১ জুলাই, ২০২১ থেকে ৪ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত) কথোপকথন সাধারণ পরিচিতি বা পেশাগত প্রয়োজনে স্থাপিত কোনো সম্পর্কের নয়। বরং অনৈতিক প্রেমের সম্পর্ক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালের ১ আগস্ট ভোর ৬টা থেকে ২ আগস্ট রাত ৩টা পর্যন্ত রাজারবাগ মধুমতি পুলিশ অফিসার্স কোয়ার্টার্সে নায়িকা পরীমনির যাতায়াতের ধারণকৃত সিসিটিভি ফুটেজের ফরেনসিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে ও সাক্ষীদের জবানবন্দি অনুযায়ী প্রতীয়মান হয় যে, ১ আগস্ট সাকলায়েনের পূর্ব পরিকল্পনা ও সম্পূর্ণ জ্ঞাতসারে তার স্ত্রী না থাকা অবস্থায় নায়িকা পরীমনি তার রাজারবাগের সরকারি বাসায় যান এবং প্রায় ১৭ ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করে ২ আগস্ট রাত ১টা ৩০ মিনিটে বাসা ত্যাগ করেন।

তার ও নায়িকা পরীমনির সম্পর্কের বিষয়টি বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায়, টেলিভিশনে ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং যার ফলে জনমনে এ বিষয়ে নানারূপ বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার জন্ম দেয়। সাকলায়েন বাংলাদেশ পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়ে সরকারি দায়িত্বের বাইরে নায়িকা পরীমনির সাথে অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন।

সাকলায়েন বিবাহিত ও এক সন্তানের বাবা হওয়া সত্ত্বেও পরীমনির সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, পরীমনির সঙ্গে জন্মদিন উদযাপন ও নিজের সরকারি বাসভবনে নিজ স্ত্রীর অবর্তমানে সময় কাটানোর মতো ঘটনা বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। উল্লিখিত অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি পর্যালোচনাপূর্বক অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে দোষী সাব্যস্ত করে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী অসদাচরণ-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই বিধিমালার বিধি ৪-এর উপবিধি ৩(ঘ) বিধি মোতাবেক গুরুদণ্ডের আওতায় কেন তাকে চাকরি হতে বরখাস্তকরণ করা হবে না, সে মর্মে ২য় কারণ দর্শানো নোটিস প্রদান করা হয়।

সাকলায়েনের বিভাগীয় মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, সাক্ষীদের জবানবন্দি, অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনমূলক লিখিত জবাব, মৌখিক বক্তব্য ও অন্যান্য কাগজপত্রাদি পুনরায় বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। সার্বিক পর্যালোচনাস্তে ২য় কারণ দর্শানোর জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী ‌অসদাচরণ-এর অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েনকে বিধি ৪-এর উপ-বিধি ৩(খ) বিধি মোতাবেক গুরুদণ্ড হিসেবে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান-এর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


আরও খবর



যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে লড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যে ৩৪ জন প্রার্থী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই)। এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ৩৪ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। 



প্রধান কয়েকটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি কেউ আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাজ্যে এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৯৮টি ছোট-বড় রাজনৈতিক দল। 



পার্লামেন্টের মোট ৬৫০টি আসনের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন চার হাজার ৫১৫ জন প্রার্থী।



এই নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে অংশ নিচ্ছেন মোট আটজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। তারা হলেন–রুশনারা আলী, রূপা হক, টিউলিপ সিদ্দিক, আফসানা বেগম, রুমি চৌধুরী, রুফিয়া আশরাফ, নূরুল হক আলী ও নাজমুল হোসাইন। 



এদের মধ্যে রুশনারা আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে নির্বাচনি এলাকা থেকে, রূপা হক ইয়েলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকশন থেকে, টিউলিপ সিদ্দিক হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্ন থেকে এবং আফসানা বেগম পপলার অ্যান্ড লাইমহাউস এলাকা থেকে। 



এরা চারজনই বর্তমান পার্লামেন্টের সদস্য এবং পুনরায় নির্বাচনে দাঁড়াতে মনোনয়ন পেয়েছেন।


এ ছাড়া লোবার পার্টি থেকে লড়ছেন–রুমি চৌধুরী উইথাম থেকে, রুফিয়া আশরাফ সাউথ নর্থ হ্যাম্পটনশায়ার থেকে, নুরুল হক আলী গর্ডন অ্যান্ড বুচান থেকে এবং নাজমুল হোসাইন ব্রিগ অ্যান্ড ইমিংহাম নির্বাচনি এলাকা থেকে।


ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি থেকে দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন–আতিক রহমান ও সৈয়দ সাইদুজ্জামান। এদের মধ্যে আতিক রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নর্থ লন্ডনের টটেনহাম থেকে এবং সৈয়দ সাইদুজ্জামান ইলফোর্ড সাউথ থেকে।



ছয়জন বাংলাদেশি-ব্রিটিশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ওয়ার্কাস পার্টি থেকে। তারা হলেন–গোলাম টিপু (ইলফোর্ড সাউথ), প্রিন্স সাদিক চৌধুরী (বেডফোর্ড), মোহাম্মদ সাহেদ হোসেন (হাকনি সাউথ), ফয়সাল কবির (অলট্রিনচাম অ্যান্ড সেল), মোহাম্মদ বিলাল (ম্যানচেস্টার রুশোলম) ও হালিমা খান (স্টার্টফোর্ড অ্যান্ড বো)।



গ্রিন পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন–সাঈদ সিদ্দিকি (ইলফোর্ড সাউথ), সাঈদ শামসুজ্জামান শামস (ওল্ডহাম ওয়েস্ট অ্যান্ড রয়টন) ও শারমিন রহমান (লিচেস্টার সাউথ)।


যুক্তরাজ্যর পার্লামেন্ট নির্বাচনে রিফর্ম পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ ফরহাদ (ইলফোর্ড সাউথ), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে রাবিনা খান (বেথনাল গ্রিন অ্যাণ্ড বো), স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি থেকে নাজ আনিস মিয়া (ডানফার্মার লাইন অ্যাণ্ড ডলার) এবং সোশালিস্ট পার্টি থেকে মুমতাজ খানম (ফক্সটোন) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।



এ ছাড়া ১১ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন। 


তারা হলেন–ওয়াইস ইসলাম (হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস), আজমল মনসুর, সুমন আহমেদ ও সাম উদ্দিন (বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে), এহতেশামুল হক (পপলার অ্যান্ড লাইম হাউস), ওমর ফারুক ও নিজাম আলী (স্ট্রাটফোর্ড অ্যান্ড বো), নূরজাহান বেগম (ইলফোর্ড সাউথ), হাবিব রহমান (নিউক্যাসল সেন্ট্রাল ওয়েস্ট), আবুল কালাম আজাদ (বেক্সহিল অ্যান্ড ব্যাটল) ও রাজা মিয়া (ওল্ডহাম ওয়েস্ট, চেদারটন অ্যান্ড রয়টন)।


আরও খবর