Logo
শিরোনাম

দেশে বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল:  প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমের শুরুতে ঘটে বজ্রপাতে প্রাণহানি। এ নিয়ে জনমনে দিন দিন উদ্বেগ বেড়েই চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বজ্রপাতে প্রাণহানি কমিয়ে আনার জন্য ২০২১ সালে সরকার সারা দেশে ১০ লাখ তালগাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তবে তালগাছ নয়, ২৮ লাখ তালের আঁটি রোপণ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা সম্পর্কে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুদূষণ ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাবই এর মূল কারণ। আরো দুটি কারণের কথা বলেছেন তারা। এর একটি হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়া এবং উঁচু গাছগুলো কেটে ফেলা।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, নানা প্রতিকূলতায় বাংলাদেশে বছরে গড়ে ৮০ থেকে ১২০ দিন বজ্রপাতের ঘটনা ঘটছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘রিস্কফ্যাক্টরস অ্যান্ড সোশ্যাল ভালনারেবিলিটি’ শীর্ষক গবেষণা বলছে, প্রতি বছর মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৪০টি বজ্রপাত হয়। বছরে দেড়শোর মতো লোকের মৃত্যুর খবর সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করলেও প্রকৃতপক্ষে এ সংখ্যা পাঁচশ থেকে এক হাজার। বজ্রপাত-সচেতনতায় কাজ করা সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএএফ) বলছে, এ অবস্থা থেকে দ্রুত পরিত্রাণের জন্য পাঠ্যপুস্তকে বজ্রপাত-সচেতনতা ও মাঠে বজ্ররোধক টাওয়ার নির্মাণ জরুরি।

চলতি বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল এই দুদিনে বজ্রপাতে ৩২ জন নিহত হয়েছে। আর এসএসটিএএফের তথ্য মতে, বজ্রপাতে দেশের ১১ জেলায় গত শুক্রবার (১৭ জুন) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৯ জন মারা গেছেন।

দুর্যোগ ফোরামের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২০১৭ সালে ২০৫, ২০১৬ সালে ২৪৫, ২০১৫ সালে ১৮৬, ২০১৪ সালে ২১০, ২০১৩ সালে ২৮৫, ২০১২ সালে ৩০১ এবং ২০১১ সালে ১৭৯ জন বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। আর চলতি বছরের গত ১৭ জুন পর্যন্ত পঞ্চাশ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ গেছে বজ্রপাতে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (উপপরিচালক) কাওসারা পারভীন বলেন, বজ্রপাত আগেও ছিল, এখনো আছে। বছরের পুরো সময় যে পরিমাণ বজ্রপাত হয়; তার কয়েক গুণ বেশি হয় বর্ষা মৌসুমে। একটি বজ্রমেঘ থেকে ৬০-৭০ হাজার বজ্রপাত হয়। মেঘের ঘর্ষণে কিছু ওপরের দিকে উঠে যায় এবং কিছু মাটিতে নেমে আসে। যেগুলো নিচে পড়ে সেগুলো উঁচু তালগাছ ও নারিকেল গাছ কিছুটা প্রতিরোধে সহায়ক হয়। বজ্রপাত নিরোধে তালগাছ লাগানোর প্রকল্প প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এই গবেষক বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো তালগাছ লাগানো হয়েছে কি না জানা নেই। দেশের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে (আটটি স্থান) বজ্রমেঘগুলো প্রবেশ করে। আর কিছু মেঘ ঢোকে উত্তর-পূর্বদিক থেকে। বিশেষ করে হাওর অঞ্চল এগুলো নিচু এলাকা হওয়ায় সেখানে বজ্রমেঘ বেশি হয়। বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে। কারণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগকে ঠেকানো কঠিন। এগুলো আসবে। তবে কীভাবে আমরা টিকে থাকতে পারি সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের (এসএসটিএএফ) সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা বলেন, ‘বজ্রপাতে মৃত্যু কমাতে হলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। আর এজন্য বজ্রপাত সচেতনতার বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মাঠে মাঠে বজ্ররোধক টাওয়ার নির্মাণ করতে হবে। 

তথ্য বিশ্লেষণ বলছে, দেশে বজ্রপাতে প্রাণহানি বাড়ছে। বজ্রপাতে ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এক দশকে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৮৫ জন। গত ১৭ জুন (শুক্রবার) বজ্রপাতে এক দিনে মারা গেছেন ১১ জন। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বছরের মে থেকে জুন পর্যন্ত এ সময় সবচেয়ে বেশি বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। আর জলবায়ুর বিরূপ পরিবর্তনের প্রভাবে বজ্রপাতের ঘটনা বাড়ছে। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ বেড়ে যাওয়ায় পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে। ফলে বাড়তি আর্দ্রতার প্রভাব ফেলছে বর্ষা ঋতুর বৈচিত্র্যে। আর এতে বাড়ছে বজ্রপাত, ঘটছে প্রাণহানি। দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। বেশি মারা যান মাঠে কাজ করা কৃষক। আর আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বজ্রপাতের কারণে বছরে গড়ে দেড় শতাধিক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, বজ্রপাত রোধে সারা দেশে গাছ রোপণ করতে হবে। গাছ বজ্রপাত থেকে মানুষকে নিরাপদ রাখে। আর হাওর অঞ্চলে যেহেতু বজ্রপাত বেশি হয়, সেখানে প্রচুর ছাউনি নির্মাণ করতে হবে। এ ছাড়া বজ্রপাত নিয়ে মানুষের মধ্যে আরো বেশি সচেতনতা দরকার।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রবীন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, ‘দুর্যোগ ও বজ্রপাতে প্রাণহানি এড়াতে গত মাসে আমরা একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা যাচাই-বাছাই করেছি। বাস্তবায়ন করবে সরকারের দুর্যোগ অধিদপ্তর। এর আগে এটার ওপরে একটা মাঠজরিপ করেছি। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ও আবহাওয়া বিভাগের বিশেষজ্ঞরা সম্পৃক্ত ছিলেন। এ বিষয়ে প্রকল্প অনুমোদনের জন্য শিগগির পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব পাঠানো হবে।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




প্রথম যাকে মন দিয়েছিলেন পূর্ণিমা

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

আলোচনা এই মুহূর্তে বৃত্ত তৈরি করছে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে। সম্প্রতি সামনে এসেছে তার নতুন বিয়ের খবর। তারপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু করেছেন সবাই। তবে অনেকেই জানেন না এ নায়িকার প্রথম প্রেমের কথা।

একবার এক টিভি অনুষ্ঠানে পূর্ণিমা জানিয়েছিলেন তার প্রথম প্রেম সম্পর্কে। তিনি মন দিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে। ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’ সিনেমাটি দেখে সালমানের প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। দিয়েছিলেন হৃদয়ে ঠাঁই।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সামনে আসে পূর্ণিমার বিয়ের খবর। তার স্বামীর নাম আশফাকুর রহমান রবিন। একটি বহুজাতিক কোম্পানির বিপণন বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। লেখাপড়া করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই অভিনেত্রী নিজেই জানান, চলতি বছরের ২৭ মে রবিনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।এর আগে আরও দুই বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন পূর্ণিমা। ২০০৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোস্তাক কিবরিয়ার সঙ্গে প্রথমবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। খবরটি তখন গোপন রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বিয়ে বেশিদিন টেকেনি।

২০০৭ সালের ১৫ মে বিচ্ছেদ ঘটে তাদের।পরে ওই বছরের ৪ নভেম্বর চট্টগ্রামের ছেলে আহমেদ ফাহাদ জামালের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো গাঁটছড়া বাঁধেন পূর্ণিমা। পারিবারিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেই বিয়ে। ২০১৪ সালে ফাহাদ-পূর্ণিমার ঘরে এক কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করে। একসময় পূর্ণিমার এই সংসারও ভেঙে যায়।


আরও খবর

বিয়ে করছেন রিচা-ফজল

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আলিয়া!

বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২




বাংলাদেশ - চীনের চার চুক্তি

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর ঢাকা সফরে দুই দেশের মধ্যে চারটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কচা নদীর ওপর নির্মিত সেতু হস্তান্তর, সাংস্কৃতিক বিনিময় চুক্তি নবায়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মেরিন সায়েন্সেস শিক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা। এই চারটি দলিলে দুই দেশ স্বাক্ষর করেছে বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন। ববিবার সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। পরে তাদের উপস্থিতিতে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, প্রায় দেড় ঘণ্টার আলোচনার মধ্যে এক ঘণ্টা ছিল দ্বিপক্ষীয় আলোচনা। এরপর চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলো সই হয়েছে। এর মধ্যে কোনটা চুক্তি আর কোনটা সমঝোতা স্মারক পরে জানানো হবে।

 তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে একটি প্রকল্পে সহযোগিতার বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে চীনের চুক্তি হবে। চীনের দেওয়া ঋণে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

পিরোজপুরে কচা নদীর ওপর যে অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মিত হয়েছে, তা হস্তান্তর করা হবে একটি চুক্তির আওতায়। পিরোজপুর থেকে খুলনার পথে প্রায় তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এই সেতু চীনের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




চলতি বছর রেলপথে ঝরল ১৭৮ প্রাণ

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়ায় নির্মম রেলপথ দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে চলতি বছরের সাত মাসে রেলপথে ১ হাজার ৫২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৭৮ জন এবং আহত ১১৭০ জন। যার অধিকাংশ দুর্ঘটনাই ঘটেছে গেট কিপারদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে। এ তথ্য দিয়েছেন সেভ দ্য রোডের মহাসচিব শান্তা ফারজানা।

শনিবার  সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সেভ দ্য রোড এই তথ্য জানায়।

২৪টি জাতীয় দৈনিক, ১৮টি ইলেকট্রনিক্স গণমাধ্যম, ২২টি নিউজ পোর্টাল এবং সারাদেশে সেভ দ্য রোডের বিভিন্ন শাখার স্বেচ্ছাসেবীদের কাছ থেকে এই তথ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অপরাধ-দুর্নীতির কারণে রেলের ২ হাজার ৮৫৬টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। অবৈধ ১ হাজার ৩৬১টি। অর্থাৎ, প্রায় ৪৮ শতাংশ অবৈধ। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে-৩৩টি ক্রসিং কে বা কারা ব্যবহার করছে, তা কেউ জানে না। এছাড়া বৈধ লেভেল ক্রসিংগুলোর মধ্যে ৬৩২টিতে গেটকিপার নেই। অবৈধ লেভেল ক্রসিংগুলোয় যেমন গেটকিপার নেই, নেই কোনো সুরক্ষা সরঞ্জামও।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ১ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত রেলপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ২৬টি, আহত হয়েছে ৫২ জন, নিহত হয়েছেন ১৪ জন, ১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেলপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪১টি, আহত হয়েছে ১১১ জন, নিহত হয়েছে ২৭ জন, ১ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত রেলপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ২২২টি, আহত হয়েছে ১৮৬ জন, নিহত হয়েছে ৩১ জন, ১ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত রেলপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ১১২টি, আহত হয়েছে ১৬৬ জন, নিহত হয়েছে ৪২ জন; মে মাসে আহত ২২১ জন, নিহত হয়েছে ২৩ জন; দুর্ঘটনা ঘটেছে ২১২টি; জুন মাসে দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৯৭টি; আহত হয়েছে ১৭২ জন, নিহত হয়েছে ১৭ জন এবং জুলাই মাসে দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৪২টি, ঈদুল আজহার ঈদযাত্রাসহ বিভিন্ন ঘটনায় আহত হয়েছে ২৩২ জন, নিহত হয়েছে ২৪ জন।



আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




ফুলবাড়িতে অবৈধভাবে সার মজুদ রাখার অপরাধে

ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক নগদ অর্থ জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে,কৃত্রিম সংকট তৈরির লক্ষ্যে অবৈধভাবে সার মজুদ রাখার অপরাধে এক সার ব্যবসায়ীর গুদামঘর ও বসতবাড়িতে তল্লাশি করে ২৯৯ বস্তা রাসায়নিক সার উদ্ধার করে দাম বৃদ্ধির হওয়ার আগের দামে জনগনের মাঝে বিক্রি করেছে ভ্রাম্যমান আদালত,এবংওই ব্যবসায়ীর নগদ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে

৩ (আগষ্ট)বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সুমন দাস এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানকালে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা পুলের পাড় বাজারে আকাশ ফার্টিলাইজারের  সত্বাধিকারী মিজানুর রহমান এর গুদামঘর ও বসত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গুদামঘর থেকে অবৈধ ভাবে আমদানি করা ৫০ বস্তা টিএসসি ৫২ বস্তা ডিএপি, বিএডিসির কাগজ পত্র বিহীন ৫৫ বস্তা ডিএপি ও ৫২বস্তা এমওপি সার উদ্ধার করে। পরে বসতবাড়িতে অভিমান চালিয়ে শয়নকক্ষ থেকে দাম বৃদ্ধির আগের দামে কেনা ৯০ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার করে উদ্ধারকৃত সারের আনুমানিক মূল্য ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা।ভ্রাম্যমাণ আদালত চলা কালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন,উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য গণ।

এ প্রসঙ্গে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সুমন দাস জানান উদ্ধারকৃত সার গুলো দাম বৃদ্ধির পূর্বমুল্যে জনগণের নিকট বিক্রিকরা হয়েছে।এছাড়া ওই দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ সার ও কীটনাশক ঔষধ রাখার অপরাধে ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার আইনের ৫১ধারায় ওই ব্যবসায়ীর নগদ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 


আরও খবর



সিঙ্গারা খাওয়া কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

মাদারীপুরের কালকিনিতে সিঙ্গারা খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষে ১৬ জন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ও শুক্রবার (১৫ জুলাই) সকালে আলিনগর ইউনিয়নের কোলচরী স্বস্থাল বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এতে ১৫টি বসত বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, কোলচরী স্বস্থাল এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া ওই ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষই সালিশ-মীমাংসায় সম্মত হয়। কিন্তু পরদিন শুক্রবার সকালে স্থানীয় রাজনৈতিক কোন্দলে আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের জয়ী এবং পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীদ্বয়ের সমর্থকরা।

এ সময় ১৫টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় উভয় পক্ষের ১৬ জন আহত হন। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার কালকিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেন।

খবর পেয়ে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিংকি সাহা, মাদারীপুর জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অসিম ফিরোজ ও কালকিনি থানার ওসি শামিম হোসেন গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেন।

আহত ইসহাক হাওলাদারের মেয়ে বলেন, মোল্লা বাড়ির সুলতান মোল্লার দিকনির্দশনায় দেশীয় অস্ত্র রাম দা, টেঁটা ও বোমা নিয়ে হাওলাদার বাড়ির উপর হামলা করা হয়। এ সময় আমাদের বাড়িঘর কুপিয়ে আসবাবপত্র ভেঙে দেয় তারা। আমাদের অপরাধ, আমরা ইউনিয়ন নির্বাচনে মিলন সরদারের সমর্থক ছিলাম।

এ ব্যাপারে আলিনগর ইউয়নের নৌকা প্রতীকে বিজয়ী চেয়ারম্যান সাহিদ পারভেজ বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। এটা তাদের স্থানীয় সমস্যা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি।

কালকিনি থানার ওসি শামীম হোসেন বলেন, একটি তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


আরও খবর