Logo
শিরোনাম

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ঢাকার বাতাসের মান আজ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে ১৩২ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শহরটির স্থান তৃতীয়।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়, ৩০০ থেকে ৪০০ একিউআই স্কোরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ভারতের দিল্লি ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কিনশাসা যথাক্রমে ১৭৬ ও ১৭০ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।

সূত্র : ইউএনবি


আরও খবর



বিশ্বে বায়ু দূষণে অকাল মৃত্যুতে সর্বোচ্চ এশিয়া

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মানবসৃষ্ট নির্গমন ও দাবানলের মতো অন্যান্য উৎস থেকে ছড়িয়ে পড়া দূষণে বিশ্বজুড়ে ১৯৮০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটেছে। সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির (এনটিইউ) এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, এল নিনো এবং ভারত মহাসাগরের ডাইপোলের মতো আবহাওয়ার ঘটনাগুলো বাতাসে দূষণের ঘনত্বকে তীব্র করে তুলছে। এর ফলে দূষণকারী অন্যান্য উপাদানের ওপর এর ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে।

গবেষকরা বলেছেন, বস্তুকণা পিএম-২.৫ এর ক্ষুদ্র কণাগুলো শ্বাসের সাথে মানবদেহে প্রবেশ করছে। এই বস্তুকণা রক্ত ​​​​প্রবাহে প্রবেশ করার মতো যথেষ্ট ছোট হওয়ায় তা স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বস্তুকণা পিএম-২.৫ হলো বাতাসে থাকা সব ধরনের কঠিন এবং তরল কণার সমষ্টি, যার বেশিরভাগই বিপজ্জনক। মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন প্রাণঘাতী ক্যানসার ও হৃদযন্ত্রের সমস্যা তৈরি করে পিএম-২.৫। এছাড়া বায়ু দূষণকারী আরেক পদার্থ এনও২ প্রধানত পুরোনো যানবাহন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্প স্থাপনা, আবাসিক এলাকায় রান্না, তাপদাহ এবং জ্বালানি পোড়ানোর কারণে তৈরি হয়।

ডব্লিউএইচও বায়ুমান নির্দেশক গাইডলাইন বলছে, পিএম২.৫ নামে পরিচিত ছোট এবং বিপজ্জনক বায়ুকণার গড় বার্ষিক ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি হওয়া উচিত নয়। তবে এরচেয়েও কম ঘনত্ব উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বের অনেক শহরের বাতাসে এসব কণার মারাত্মক উপস্থিতি রয়েছে।

এনভায়রনমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল সাময়িকীতে প্রকাশিত সমীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়টি বলেছে, ১৯৮০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যুর সঙ্গে ওই সূক্ষ্ম কণার সম্পর্ক রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, হার্ট, ফুসফুসের সমস্যা, স্ট্রোক ও ক্যানসারসহ যেসব রোগের বা অবস্থার চিকিৎসা আছে কিংবা প্রতিরোধ করা যেতে পারে, সেসব রোগে আক্রান্তরা মানুষের গড় আয়ুর চেয়ে কম বয়সে মারা যাচ্ছেন। আবহাওয়ার এসব বৈরী ধরন ১৪ শতাংশ মৃত্যু বাড়িয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

এনটিইউ বলেছে, দূষণ সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ওই সময়ের মধ্যে বিশ্বে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু ঘটেছে এশিয়ায়। ১৯৮০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এশিয়ায় এসব ঘটনায় ৯ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি মানুষের অকাল মৃত্যুতে ভূমিকা রেখেছে পিএম-২.৫ দূষণ; যাদের বেশিরভাগই মারা গেছেন চীন এবং ভারতে। এছাড়া বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া এবং জাপানেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে। এই চার দেশে একই সময়ে অকালে প্রাণ হারিয়েছেন ২০ থেকে ৫০ লাখ মানুষ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শুধুমাত্র বায়ু দূষণের কারণে প্রত্যেক বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬৭ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়টির বায়ুর গুণমান ও জলবায়ুর ওপর চালানো এই গবেষণাকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বিস্তৃত ও বৃহৎ পরিসরের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ এই গবেষণায় এনটিইউয়ের গবেষকরা স্বাস্থ্যের ওপর বস্তুকণা-২.৫ এর বিশাল প্রভাবের চিত্র হাজির করতে প্রায় ৪০ বছরের ডেটা ব্যবহার করেছেন।

এনটিইউয়ের এশিয়ান স্কুল অব দ্য এনভায়রনমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক স্টিভ ইম এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন যে, বায়ু দূষণকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে আমাদের গবেষণার ফলাফলে সেই চিত্র উঠে এসেছে।

স্টিভ ইম বলেন, এল নিনোর মতো জলবায়ুর নির্দিষ্ট কিছু ঘটনায় দূষণের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। যার অর্থ পিএম-২.৫ দূষণের কারণে মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটতে পারে। বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় বায়ু দূষণ মোকাবিলা করার সময় জলবায়ুর এসব বৈশিষ্ট্য বোঝার ও এই বিষয়ে হিসেব-নিকেশ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে আমাদের এই গবেষণা।

সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির এই গবেষণায় হংকং, যুক্তরাজ্য ও চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরাও অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শুধুমাত্র বায়ু দূষণের কারণে প্রত্যেক বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬৭ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।


আরও খবর



ধামরাইয়ে সাপের কামড়ে নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

ঢাকার ধামরাইয়ে সাপের কামড়ে তহিরন নেসা (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান এলাকাবাসি। মৃত্যুকালে তহিরন নেসা দুই ছেলে রেখে যান।

বৃহস্পতিবার (২০জুন) ভোররাতে ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নের কাঁচারাজাপুর গ্রামে এমন ঘটনাটি ঘটেছে। তহিরুন নেসা কাঁচারাজাপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের স্ত্রী।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন।

এলাকাবাসী জানান, আজ ভোরে বাড়ির পাশে থেকে তহিরন নেসাকে সাপে কামড় দেয়। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আধা ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। তবে সাপটি রাসেল ভাইপার কিনা তা কেউ বলতে পারেননি। এই নিয়ে এলাকা জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে ধামরাইয়ের পাশে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া, হরিরামপুর ও ধামরাইয়ের গাংগুটিয়া ইউনিয়নের জালসা এলাকায় রাসেল ভাইপার সাপ মারা হয়েছে বলে জানা গেছে করা হচ্ছে।

আমতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, তহিরন নেসা ভোরে সাপের কামড়ে মারা গেছে। তবে কি সাপে কামড় দিয়েছে এ ব্যাপারে কেউ কিছুই বলতে পারেন নি। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মোতালিব আল মুমিন বলেন, রাসেল ভাইপারের চেয়ে অনেক ভয়ংকর সাপ রয়েছে বাংলাদেশে। এক নারীর মৃত্যু হয়েছে তা জানতে পেরেছি। তবে কি সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে তা কেউ বলতে পারছে না। আসামের পানির ঢলে বাংলাদেশে রাসেল ভাইপার সাপ এসেছে মনে হয়। রাসেল ভাইপার সাপ প্রায় ২শত বছর সাপটি বিলুপ্ত ছিল। রাসেল ভাইপার সাপ নড়াচড়া করে কম, সাপটি তেমন দৌড়ায় না। তবে সবাইকে সাবধান চলাচল করতে হবে।


আরও খবর



মিন্টুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে রিমান্ডের আবেদন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। 


গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। চাওয়া হয়েছে ১০ দিনের রিমান্ড।



আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন ডিবি পুলিশের সিনিয়ার সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান।



এর আগে গত মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে ধানমণ্ডি থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে।


ডিবি সূত্র জানিয়েছে, আনার হত্যাকাণ্ডের পরপরই ঝিনাইদহের একাধিক নেতার মোবাইলে ‘মিশন সফল’ জানিয়ে আকতারুজ্জামান শাহীন খুদে বার্তা পাঠান। আনার হত্যাকাণ্ডের পর সঞ্জীবা গার্ডেন থেকে শিমুল ভূঁইয়া শাহীনের মোবাইলে ছবি পাঠান।


 যেসব ছবি শাহীন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিন্টুর মোবাইলফোনে পাঠিয়ে বলেন, ‘আনার শেষ, মনোনয়ন কনফার্ম’।


এদিকে, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর সঙ্গে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের রাজনৈতিক বিরোধ ছিল বলে জানিয়েছেন আনারকন্যা মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। তার সন্দেহ, বাবার হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় থেকে জেলা পর্যায়ের অনেক নেতা জড়িত।


ডরিন বলেছেন, আকতারুজ্জামান শাহীনের সঙ্গে আমার বাবার কোনো ব্যবসা ছিল না। সে আমার বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু না। আমার বাবা হত্যার সঙ্গে যত বড় নেতাই জড়িত থাকুক না কেন, আমি তাদের বিচার চাই।


ডরিন বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে আমার বাবার বিরুদ্ধে মনোনয়ন চেয়েছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু চাচা। তার সঙ্গে আমার বাবার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধিতা রয়েছে। 


এমনকি সেই নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে আমার বাবার বিরুদ্ধে একজন প্রার্থীকে দাঁড় করিয়েছিলেন।


গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে ভারতে যান এমপি আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে।



 পরদিন চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এর পর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন তিনি।


বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচ দিন পর ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনোয়ারুল আজীম নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলে না তিনবারের এই সংসদ সদস্যের।


 ২২ মে হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউ টাউন এলাকায় সঞ্জীবা গার্ডেনস নামের একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া যায় রক্তের ছাপ।



আরও খবর



অটিজম শিশুদের ভিশন রেহেবিলটেশন অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশে সমাজের সর্বোচ্চ শিক্ষিত মানুষদের মধ্যেও বড় অংশটিরই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু (যাদেরকে অটিজম রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে অটিস্টিক বা প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়) এর সম্বন্ধে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অটিস্টিক শিশুরা যে রোগে আক্রান্ত হয় তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় Autism spectrum disorder (ASD) বলে। যে কারণে এই শিশুদের অটিস্টিক বা প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়। এই রোগটিতে আক্রান্ত মানুষদের ব্রেইনের বিভিন্ন অংশ অন্যান্য স্বাভাবিক মানুষের ব্রেইন এর বিভিন্ন অংশের মতো কাজ করে না। মানুষের ব্রেইন এর বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করে মানুষের দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজ করার জন্য। যেমন আপনার বাড়িতে আগুন লাগলে আপনার ব্রেইন এর একটি অংশ নির্দেশ প্রদান করে যে বিপদ আসন্ন; সুতরাং, এখনই এই বাড়ি ত্যাগ করতে হবে। কোন কোন অটিস্টিক রোগে আক্রান্ত মানুষের ক্ষেত্রে ব্রেইনের অংশটি আসন্ন বিপদের কথা যাচাই করতে পারে না। কিংবা ঘরে পরে থাকা হাতুড়ি দিয়ে নিজের মাথায় আঘাত করলে ব্যথা পাবে বা নিজের ক্ষতি হবে তা বুঝতে অক্ষম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অংক করতে ভালো বাসে পরীক্ষায় ১০০ এর মধ্যে সবসময়ই ১০০ পায় অথচ খুবই সাধারণ বিষয় ফেল করে। কোন-কোন শিশু শুকনো খাবার পছন্দ করে কিন্তু ভেজা খাবার কখনও হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখে না।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে বিশ্বে জন্মানো প্রতি ১৬০ জন শিশুর মধ্যে জন শিশুর মধ্যে অটিজম রোগের উপসর্গ পাওয়া যায়। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে যেখানে এই রোগ নির্ণয় অনেক সহজ লভ্য সেখানে প্রতি ৬০ জন শিশুর জনের মধ্যে এই রোগের উপসর্গ পাওয়া যায়। উন্নত দেশগুলোতে অটিজম রোগ সম্বন্ধে জানার জন্য ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়েছে। দুর্ভাগ্যক্রমে এই রোগ সম্বন্ধে বৈজ্ঞানিকদের জানার পরিধি এখন খুবই সীমাবদ্ধ যে কারণে এখন পর্যন্ত এই রোগ নিরাময়ের জন্য পূর্ণ কোন চিকিৎসা আবিষ্কার হয় নি। তবে বৈজ্ঞানিকরা এই রোগের কিছু উপসর্গ সম্বন্ধে জানতে পেরেছেন। শিশুর জন্মের পরে যত দ্রুত এই উপসর্গ গুলো নিরাময় করার চেষ্টা করা যাবে তত দ্রুত এই সমস্যাগুলো কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। শিশুর বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যাগুলো স্থায়ী রূপ নিবে যখন সেই সমস্যাগুলো আর নিরাময় করা সম্ভাবনা অনেক কমে আসবে।

আটিজম আসলে কী?

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) অনুসারে, অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (এএসডি) হলো, মস্তিষ্কের পার্থক্যের কারণে সৃষ্ট এক ধরনের অক্ষমতা। এটি মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ততাকে বোঝায়। অটিজমে আক্রান্ত শিশুরা সামাজিক আচরণে ক্ষেত্রে দুর্বল পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সাধারণত কম সক্ষম হয়ে থাকে। মানসিক সীমাবদ্ধতা একই কাজ বারবার করার প্রবণতা থেকে এদেরকে শনাক্ত করা যায়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু টিবিএসকে বলেন, "অটিজম হলো একটি জেনেটিক সমস্যা। জন্মের ১৮-৩৬ মাসের মধ্যে একটা বাচ্চা যখন অন্য বাচ্চার সাথে মিশে না, অন্য বাচ্চারা যে ধরনের আচরণ করছে তেমন করে না, কথা বলে না- একই কাজ বারবার করে, কোনো কিছুর ওপর আসক্তি থাকলে সেটা নিয়ে থাকে সবসময়এসব লক্ষণ দেখলে ডাক্তার দেখাতে হবে। দ্রুত শনাক্ত (আর্লি ডিটেকশন) করা গেলে অটিজম আক্রান্তদের কাজে লাগানো যায়।"

"আগে মনে করা হতো, অটিজম আক্রান্তদের বুদ্ধি নেই। কিন্তু সেটি ঠিক নয়। অটিজম আক্রান্তদের বুদ্ধিমত্তা ভালো থাকে, কিন্তু আচরণগত সমস্যা থাকে। সে কারণে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও অটিজমে আর্লি ডিটেকশনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যেসব কাজে বুদ্ধির দরকার হয়, সেসব বাদে অন্যান্য যেকোনো কাজ তারা করতে পারে। সেজন্য আর্লি ডিটেকশনে আরও গুরুত্ব দিতে হবে," যোগ করেন তিনি।

অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডি) একটি মানসিক এবং বিকাশগত অক্ষমতা যা প্রায়শই শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ এবং আচরণে প্রভাব ফেলে। তবে, অনেকেই জানেন না যে অটিজম শিশুদের মধ্যে চোখের সমস্যাও হতে পারে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে আরও বাধা সৃষ্টি করে। যদিও অটিজম শিশুদের সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি থেরাপি রয়েছে, ভিশন রেহেবিলিটেশন এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে । অটিজম শিশুদের দৃষ্টি সমস্যা সাধারণত অবহেলিত হয়। অনেক সময় এই শিশুদের চোখের সমস্যা তাদের আচরণগত শিক্ষাগত উন্নতিতে বাধা সৃষ্টি করে।

অটিজম শিশুদের মধ্যে ভিশন সমস্যার প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি। সাধারণ সমস্যা গুলোর মধ্যে রয়েছে:

·         স্ট্রাবিসমাস: চোখের বল একত্রে কাজ করতে না পারা।

·         অ্যাম্বলিওপিয়া: চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া।

·         কনভারজেন্স ইনসাফিসিয়েন্সি: চোখের বল একত্রে কাজ করতে অক্ষমতা।

এই সমস্যাগুলো অটিজম শিশুদের জন্য আরও জটিল হয়ে ওঠে কারণ তারা প্রায়ই তাদের সমস্যাগুলো প্রকাশ করতে সক্ষম হয় না। অটিজম শিশুদের দৃষ্টি সমস্যা সাধারণত অবহেলিত হয়। অনেক সময় এই শিশুদের চোখের সমস্যা তাদের আচরণগত শিক্ষাগত উন্নতিতে বাধা সৃষ্টি করে। অপ্টোমেট্রিস্টরা ধরনের সমস্যা চিহ্নিত করে তাদের জন্য সঠিক চিকিৎসা থেরাপি প্রদান করতে পারেন।

অপ্টোমেট্রিস্টরা বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত চিকিৎসক যারা চোখের স্বাস্থ্য এবং দৃষ্টি সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে দক্ষ। অটিজম শিশুদের ক্ষেত্রে, অপ্টোমেট্রিস্টরা বিশেষ দৃষ্টি থেরাপি এবং রেহেবিলটেশন প্রোগ্রাম প্রয়োগ করতে পারেন, যা শিশুদের চোখের সমস্যা মোকাবেলা করতে সহায়ক।

অনেক এএসডি শিশুদের ভিশন থেরাপির প্রয়োজন হয়। অপ্টোমেট্রিস্টরা এই থেরাপি প্রদান করে থাকেন, অটিজম শিশুদের জন্য দৃষ্টি থেরাপির প্রভাব শুধুমাত্র তাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সহায়ক নয়, বরং তাদের সামগ্রিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সঠিক দৃষ্টিশক্তি শিশুদের শিখতে, খেলতে এবং সামাজিকভাবে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে, যা তাদের মানসিক এবং সামাজিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার এএসডি শিশুদের ভিশন সমস্যা

অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডিশিশুদের মাঝে বিভিন্ন ধরণের ভিশন সমস্যা দেখা যায়। তারা অনেক সময় চোখের মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণে সমস্যায় পড়ে, চোখের সংযোগ স্থাপনে অক্ষমতা এবং ফোকাস করার সমস্যার সম্মুখীন হয়। এসব সমস্যা তাদের দৈনন্দিন কাজ, শিক্ষা এবং সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।

অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা:

. ভিশন এসেসমেন্ট:
অপ্টোমেট্রিস্টদের প্রথম কাজ হলো এএসডি শিশুদের ভিশন এসেসমেন্ট করা। এই এসেসমেন্টের মাধ্যমে শিশুর চোখের কার্যকারিতা, ফোকাসিং ক্ষমতা, চোখের গতিবিধি এবং চোখের মাংসপেশির কাজকর্ম যাচাই করা হয়। এর মাধ্যমে দৃষ্টির কোন সমস্যা রয়েছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়।

. ভিশন থেরাপি:
অনেক এএসডি শিশুদের ভিশন থেরাপির প্রয়োজন হয়। অপ্টোমেট্রিস্টরা এই থেরাপি প্রদান করে থাকেন, যা শিশুদের চোখের মাংসপেশি এবং চোখের সমন্বয় ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ভিশন থেরাপি মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি উন্নত করা সম্ভব হয়, যা শিশুর দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে তোলে।

. চশমার প্রয়োগ:
প্রয়োজনে এএসডি শিশুদের চশমা ব্যবহার করতে হতে পারে। অপ্টোমেট্রিস্টরা শিশুদের দৃষ্টিশক্তি অনুযায়ী সঠিক পাওয়ারের চশমা নির্ধারণ করেন, যা তাদের দৃষ্টির সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।

করণীয়:

. নিয়মিত চেক-আপ:
এএসডি শিশুদের নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা উচিত। এর মাধ্যমে চোখের কোন সমস্যা থাকলে তা প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে এবং তা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।

. ভিশন রেহেবিলিটেশন প্রোগ্রাম:
বিভিন্ন ভিশন রেহেবিলিটেশন প্রোগ্রামের সাথে শিশুদের যুক্ত করা উচিত। এই প্রোগ্রামগুলো তাদের চোখের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

. পারিবারিক সহযোগিতা:
এএসডি শিশুদের ভিশন রেহেবিলিটেশনে পরিবারের সদস্যদেরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বাড়িতে চশমা পরিধান করানো, ভিশন থেরাপির অনুশীলন করানো ইত্যাদি ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

. শিক্ষক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা:
এএসডি শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষকদেরও দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত। শিক্ষক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহায়তায় শিশুদের সঠিক ভিশন রেহেবিলিটেশন সম্ভব।

বাংলাদেশে এএসডি শিশুদের জন্য কার্যকর ভিশন রেহেবিলিটেশন নিশ্চিত করতে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা উচিত:

·         সচেতনতা বৃদ্ধি: এএসডি এবং এর সাথে সম্পর্কিত ভিশন সমস্যার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

·         প্রশিক্ষিত অপ্টোমেট্রিস্ট: ভিশন রেহেবিলিটেশনের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ অপ্টোমেট্রিস্টদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা জরুরি।

·         প্রতিষ্ঠানিক সহায়তা: সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতায় ভিশন রেহেবিলিটেশন সেন্টার স্থাপন করা যেতে পারে।

·         গবেষণা উন্নয়ন: এএসডি এবং ভিশন সমস্যার উপর গবেষণা বৃদ্ধি করা এবং নতুন নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করা উচিত।

বাংলাদেশে অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডি) শিশুদের ভিশন রেহেবিলিটেশন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অপ্টোমেট্রিস্টদের মাধ্যমে সঠিক ভিশন রেহেবিলিটেশন কার্যক্রম পরিচালিত হলে এই শিশুদের জীবনে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাই, ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডি) শিশুদের ভিশন রেহেবিলিটেশন একটি জটিল কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অপ্টোমেট্রিস্টদের সহযোগিতায় এবং সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এএসডি শিশুদের জীবনে দৃষ্টিশক্তির সমস্যাগুলো দূর করা সম্ভব এবং তাদের জীবনকে সহজ করা যায়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এএসডি শিশুদের জন্য একটি সুন্দর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।


লেখক: ডক্টর মো: মিজানুর রহমান , পিএইচডি , দৃষ্টি বিজ্ঞান

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরম্যানেজমেন্ট এন্ড সাইন্স ইউনিভার্সিটি , মালয়শিয়া


আরও খবর



কোরবানির পশুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট

ঢাকায় সর্বোচ্চ ৬০ টাকা, বাইরে ৫৫ টাকা নির্ধারণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে  ডেস্ক:

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার ঢাকার মধ‍্যে কোরবানি গরুর চামড়ার দাম ধরা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫৫-৬০ টাকা।


 আর ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০-৫৫ টাকা।


সোমবার সচিবালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।


বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর উপস্থিতিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন মজুমদার।


গতবারের চেয়ে এবার প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ৫ টাকা বাড়ানো হলো। সেই সঙ্গে প্রতি পিস চামড়ার সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঢাকায় প্রতি পিস গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার টাকা।


বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জানান, এবারের ঈদে খাসির চামড়ার ক্রয়মূল্য প্রতি বর্গফুট ২০-২৫ টাকা এবং বকরির চামড়ার ক্রয়মূল্য ১৮-২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


গত বছর ঢাকার মধ‍্যে কোরবানি গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ৫০-৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৪৫-৪৮ টাকা।


আর খাসির চামড়ার ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১৮-২০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১২-১৪ টাকা।


আরও খবর