Logo
শিরোনাম

ঢাকার কেরাণীগঞ্জ হতে ২০ কেজি গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

১৯ এপ্রিল ২০২২  র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ থানাধীন স্বর্ণকুঞ্জ আবাসিক এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ৬,০০,০০০ টাকা মূল্যের ২০ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম ১। কামাল হোসাইন (৩৮) ও ২। মোঃ টিপু (২৭) বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ০১টি প্রাইভেট কার, ০৫টি মোবাইল ফোন ও নগদ- ১,০৫০  টাকা জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ কেরাণীগঞ্জসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে জানা যায়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।


আরও খবর



কনটেইনারে বিস্ফোরণ : নিহত বেড়ে ৪৩

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনারে ভয়াবহ আগুনে ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মীসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জন হয়েছে। রবিবার (৫ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেন। বিস্ফোরণে ২৫০ ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ২৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কেমিক্যাল কন্টেইনার থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা।


আরও খবর



ধর্ষণ মামলা থেকে মুক্তি পেলেন রোনালদো

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে পর্তুগীজ তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলা খারিজ করে দিয়েছেন বিচারক জেনিফার ডোরসি। যার কারণে এই মামলা থেকে পুরোপুরি অব্যাহতি পেলেন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চাইলেও পুনরায় মামলা করতে পারবেন না ক্যাথরিন মায়োরগা নামের সেই নারী। ঘটনা মূলত প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০০৯ সালের। লাস ভেগাসে ঘুরতে গিয়ে একটি হোটেলে ক্যাথরিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয় রোনালদোর। যা একপর্যায়ে শারীরিক সম্পর্কে রূপ নেয়। কিন্তু পরের বছরই এই ঘটনাকে ধর্ষণ বলে অভিযোগ করতে থাকেন ক্যাথরিন। এমনকি মামলার হুমকিও দেন।

তখন ক্যাথরিনকে চুপ রাখার জন্য প্রায় পৌনে ৪ লাখ ডলার দিয়েছেন রোনালদো। সে দফায় কোর্টের বাইরেই নিষ্পত্তি ঘটে দুই পক্ষের বিরোধের। কিন্তু পরে আবারও এ বিষয়ে অভিযোগ তোলেন ক্যাথরিন। তার অনুরোধের ভিত্তিতে ২০১৮ সালের আগস্টে আবারও এ বিষয়ে আইনী তদন্ত শুরু হয়।

ক্যাথরিনের অভিযোগের বিপরীতে রোনালদোর লিগ্যাল টিম শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল, দুজনের মধ্যে যা হয়েছিল সবই পারস্পরিক সম্মতিতে হয়েছে। তাই এ মামলার কোনো ভিত্তি নেই। রোনালদোকে কারণ ছাড়াই হয়রানি করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এটিই সত্য প্রমাণিত হলো।

বিচারক জেনিফার ডোরসি তার ৪২ পৃষ্ঠার রায়ে জানিয়েছেন, পুনরায় আর এই মামলা করা যাবে না। পাশাপাশি রোনালদোর সঙ্গে করা খারাপ আচরণের কারণে শাস্তির মুখে পড়তে হবে ক্যাথরিনের আইনজীবী লেজল মার্ক স্টোভালকে। এছাড়া কোর্টে উপস্থাপিত কাগজপত্র বেশিরভাগই সাজানো ছিল বলে উল্লেখ করেছেন বিচারক।



আরও খবর



ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কিভাবে রাসায়নিক ডিপো : এমপি দিদারুল

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সীতাকুণ্ড আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) দিদারুল আলম বলেছেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কিভাবে রাসায়নিক ডিপো করা হয়েছে, তা তদন্ত করা উচিত।

রবিবার (৫ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কনটেইনার ডিপোটির আশপাশে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। শনিবার (৪ জুন) রাতের বিস্ফোরণে আশপাশের অনেক বাসিন্দার ঘরের দরজা–জানালা ভেঙে গেছে। ঘরের সামনে ভাঙা কাচের স্তূপ দেখা গেছে। উড়ে গেছে অনেকের ঘরের টিনের চাল।

ডিপোর আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি ও বিস্ফোরণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সংসদ সদস্য দিদার বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কিভাবে রাসায়নিক ডিপো করা হয়েছে, তা তদন্ত করা উচিত। আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান স্থানীয় সংসদ সদস্য।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে কমিটি করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস ও ডিপোর কর্মীরা বলছেন, ডিপোতে ‘হাইড্রোজেন পারক্সাইড’ নামের বিপুল রাসায়নিক রয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতে সংখ্যা বেড়ে ৩৮–এ পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক। তাদের বেশির ভাগই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


আরও খবর



সর্বজনীন পেনশন এ বছরই

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পছন্দের ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন-২০২২’ প্রণয়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আইনের খসড়াও ইতিমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে এ বছরের মধ্যেই আইনটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে নির্ভরশীল মানুষের বর্তমান হার ৭ দশমিক ৭ শতাংশ, যা ২০৫০ সালে যথাক্রমে ২৪ শতাংশ এবং ২০৭৫ সালে ৫৮ শতাংশে বৃদ্ধি পাবে। ১৮ কোটি জনসংখ্যার দেশে সরকারি চাকরি করছেন মাত্র ১৪ লাখ মানুষ। এসব সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তাদের পেনশন সুবিধা রয়েছে। বাকি ১৮ থেকে ৫০ বছরের বেশির ভাগ মানুষ কৃষি, বেসরকারি খাত, ব্যবসায়ী কিংবা অন্যান্য পেশায় জড়িত রয়েছেন। এদের কোনও পেনশন সুবিধা নাই।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। পর্যায়ক্রমে গড় আয়ু বেড়ে ৮৫ বছর হবে। এতে ভবিষ্যতে নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা বহুগুণে বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সরকার ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন ২০২২’প্রণয়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবার জন্য পেনশন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের মধ্যেই। দেশের ১৮-৫০ বছর বয়সী সব নাগরিক সর্বজনীন ব্যবস্থার আওতায় আসবেন।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় বৃদ্ধকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয়ভাবে একটি সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতি প্রবর্তনের অঙ্গীকার করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে সরকার কর্তৃক প্রণীত জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলপত্রে একটি ব্যাপকভিত্তিক সমন্বিত অংশগ্রহণমূলক পেনশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছিল। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে আমি পেনশন পদ্ধতি চালুর ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমি অতি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা দিচ্ছি যে, সরকার আগামী অর্থবছরে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হলে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতের বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠী প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে। ফলে ভবিষ্যতে বর্তমানে চলমান সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম ধীরে ধীরে সংকুচিত করে আনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বর্তমান বয়স্ক জনগোষ্ঠীর তুলনায় কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অনেক বেশি, বিধায় একটি সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতি চালু করাটা সময়ের দাবি। সরকার বয়স্ক ও দুস্থ জনগোষ্ঠী বিভিন্ন কার্যক্রমের আওতায় সামাজিক সুরক্ষাকল্পে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ সুবিধাভোগীকে সহায়তা প্রদান করছে। সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বিবেচনায় বয়স্ক ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি টেকসই সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী নিশ্চিত করার জন্য সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকার ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন-২০২২’ প্রণয়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার জানিয়েছেন, সবার জন্য পেনশন অর্থাৎ সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে এই স্কিমের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। খুব শিগগিরই তা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।


আরও খবর



বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট

দেশে লাগামহীনভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহ গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি লালমনিরহাট জেলা শাখার আয়োজনে শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় স্থানীয় মিশন মোড় চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও আলোচনা সভা করেন দলটির নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি লালমনিরহাট জেলা কমিটির উদ্যোগে ১০/৬/২২খ্রিঃবিকাল ০৫ ঘটিকায়  তেল,গ্যাস,বিদ্যুৎ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিশন মোড় চত্তরে বিক্ষোভ সমাবেশ। বক্তব্য রাখেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড এ্যাডঃআনোয়ার সোসেন রেজা,কৃষক  সমিতির সাঃসম্পাদক এ্যাডঃমধুসূদন রায়,ছাত্র নেতা নিমাই রায়, সাইফুল আলম সিহাব,সভাপতিত্ব করেন ঃ জেলা  সিপিবির সভাপতিঃ এ্যাডঃময়জুল ইসলাম। পরিচালনা করেন সিপিবির জেলা কমিটির সাঃসম্পাদক কমরেড রনজিৎ কুমার রায় প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, লাগামহীনভাবে প্রতিনিয়ত দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এখনই নিয়ন্ত্রণ না হলে আগামীতে হয়তো মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্ত মানুষজন মারাত্মক ভাবে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শঙ্কা রয়েছে।


আরও খবর