Logo
শিরোনাম

ধীরে ধীরে ঘ্রাণশক্তি হারাবে মানবজাতি !

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১১৬জন দেখেছেন
Image

করোনার অন্যতম উপসর্গ ছিল স্বাদ এবং গন্ধের বোধ চলে যাওয়া। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে এই উপসর্গ না থাকলেও ডেল্টার ক্ষেত্রে ছিল।

সম্প্রতি এক নতুন বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, মানবজাতি হয়তো ধীরে ধীরে গন্ধ বিচার করা ভুলেই যাবে। গবেষণায় জানা গেছে, মানুষ দুই রকম সেন্ট রিসেপ্টর অর্থাৎ গন্ধের স্নায়ুবিক সিগন্যাল বোঝার যন্ত্র বহন করছে। বায়ুবাহিত কেমিক্যাল যা আমাদের নাকে

ঢোকে তা বোঝে অলফ্যাক্টরি রিসেপ্টরগুলো। কিন্তু এই রিসেপ্টরগুলো একেক মানুষের ক্ষেত্রে একেক রকম।

যেকোনো দুজন মানুষের মধ্যে গন্ধ বিচারের জিনের তফাৎ অন্তত ৩০ শতাংশ। ২০১৩ সালের এক গবেষণাতেই এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছিল। এই কারণেই একজনের কাছে যেটা বদগন্ধ সেটা অন্যের কাছে সুগন্ধ।

সম্প্রতি নতুন গবেষণায় ১০০০ হান সম্প্রদায়ের চীনা মানুষ এবং নিউইয়র্কের ৩৬৪ জন জাতিগতভাবে আলাদা মানুষের ওপর সমীক্ষা চালালেন সাংহাই ইন্সটিটিউট অব নিউট্রিশন অ্যান্ড হেলথের বিজ্ঞানী বিঞ্জি লি এবং তার সহকর্মীরা।

দুই ধরনের লোকদের ১০ রকম গন্ধ শুকতে দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্তত দুইটি গন্ধ ছিল যা বেশিরভাগ মানুষ সহজে বুঝতে পারে না। যেমন- গ্যালাক্সোলাইড নামে একটি সিন্থেটিক মাস্ক যার অণুর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে মানুষের বগলের গন্ধের। এ সমীক্ষা থেকে লব্ধ তত্ত্ব বলছে, যুগের সঙ্গে মানুষের গন্ধ বিচারের ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। কারণ গন্ধ বোঝার রিসেপ্টরের জিনে হয়েছে পরিবর্তন। অবশ্য এ তত্ত্বকে যে সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছেন তা নয়।


আরও খবর



তিল ধারণের ঠাঁই নেই ট্রেনের প্লাটফর্মে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

ঈদযাত্রার প্রথম দুই দিন অনেকটা স্বাভাবিক থাকলেও তৃতীয় দিন শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) কমলাপুার রেলস্টেশনে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। প্রচণ্ড গরম ও ভিড়ের কারণে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের, তবে বাড়ি ফেরার উচ্ছ্বাসের কাছে ম্লান সে ভোগান্তি।

প্রথম দিন থেকেই বিলম্বিত হচ্ছে কিছু ট্রেন। পরিস্থিতি মাথায় রেখে বেশ আগে থেকেই স্টেশনে এসে অপেক্ষা করছেন অনেকে।

আগের দিন বৃহস্পতিবার শেষ কর্মদিবস ছিল। আজ থেকে ছুটি শুরু হওয়ায় বাড়ির পথে পাড়ি দিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে তিল ধারণের জায়গা থাকছে না।

যানজট ও ট্রেন ধরতে না পারার আশঙ্কা থেকেই অনেক আগে থেকেই স্টেশনের উদ্দেশে রওনা হন। যাদের বাসা দূরে, তারা সেহেরির আগেই রওনা দিয়েছেন। আর যাদের কাছাকাছি এলাকায়, তারা সেহেরি খেয়ে রওনা দিয়েছেন স্টেশনে।

কথা হয় কিশোরগঞ্জগামী এগারসিন্দুর প্রভাতীর যাত্রী আসাদ মিয়ার সঙ্গে। তিনি রাজধানীতে ব্যবসা করেন। ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি ভৈরবে যাচ্ছেন। তার সঙ্গে স্ত্রী ও ভাই।

তিনি জানান, যানজটের কারণে ট্রেন যেন মিস না হয়, তাই অনেক আগেই চলে এসেছেন স্টেশনে। ট্রেন সকাল সোয়া সাতটায় ছাড়ার কথা থাকলেও তিনি এসেছেন আরও ঘণ্টা দুয়েক আগে।

আসাদ বলেন, গতকাল সবাই অফিস শেষ করেছেন। আজকে ভিড় হবে, এটা আগে থেকেই অনুমান করেছিলাম। তাই সেহরি খেয়েই রওনা দিয়েছিলাম।

একটু আগেই চলে এসেছি। বসে সময় কাটাতে হয়েছে, তবে তাতে আপত্তি নেই, ট্রেনটা তো আর মিস হচ্ছে না। বাড়ি যেতে পারছি, এটাই মনে ভালো লাগার অনুভূতি এনে দিচ্ছে।

চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতীর যাত্রী বেসরকারি চাকুরে আরিফ বলেন, ‘রাস্তাতে আসার পথে ব্যাপক যানজট ছিল। স্টেশনে আসতে গাড়িও পাওয়া যাচ্ছিল না। সিএনজিগুলো অনেক বেশি ভাড়া চাচ্ছে। অবশেষে বেশি ভাড়া দিয়েই একটা সিএনজিতে এসেছি।

তিনি বলেন, গতকাল সবাই অফিস করেছেন। আজকে ছুটি শুরু হওয়ায় স্টেশনে ভিড় বেড়েছে। মানুষের ভিড়ে প্রচণ্ড গরম লাগছে, তবে বাড়ি যাওয়াটাই এখন মুখ্য বিষয়, আনন্দের বিষয়। এ জন্য এসব কিছুই মনে হচ্ছে না।

তিস্তা এক্সপ্রেসের যাত্রী হাসানের সঙ্গে কথা হয়। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এ ব্যক্তি বলেন, ‘আজকে তো ছুটি শুরু, মানুষের ভিড় বেশি হবে। এটা আগেই অনুমান করেছিলাম, তবে ভিড়টা অনেক বেশিই মনে হচ্ছে, যার কারণে গরমও পড়েছে।

এসব কষ্টের বাইরেও ভালো লাগার বিষয় এটি যে, ঈদ করতে পারব মা-বাবার সঙ্গে

তিনি জানান, ট্রেন ধরতে সেহেরি খেয়েই বাসা থেকে রওনা দিয়েছিলেন।

এবারের ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ৫৩ হাজার যাত্রী ট্রেনে রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। এর মধ্যে শুধু আন্তনগর ট্রেনে আসন আছে ২৭ হাজারের বেশি।

ঈদযাত্রা শেষে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১ মে থেকে। এবারের ঈদযাত্রার সুবিধার্থে ছয় জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর



গজারিয়ায় আন্ত জেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেফতার ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় পাঁচ সদস্যকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ ।

গ্রেপ্তারকৃত ডাকাত সদস্যরা হলো মোঃ হিমেল, মেহেদি হাসান, পিতা হযরত আলী, মোঃ জাবেদ, মেহেদী হাসান, পিতা শামীম । গ্রেপ্তারকৃত ডাকাত সদস্যরা হলো গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন , নতুন চাষি ও কদমতলী গ্রামের। শুক্রবার জুম্মার নামাজ পর গজারিয়া থানা প্রাঙ্গণে অফিসার ইনচার্জ মোঃ রইছ উদ্দিন প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান শুক্রবার ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, থানা পুলিশের একটি অভিযান পরিচালনায় বাউশিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত চরবাউশিয়া ফরাজীকান্দি পাখির মোড় এলাকায় কবরস্থানের পাশে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ডাকাত সদস্যরা ডাকাতি পেশায় নিয়োজিত থাকার স্বীকারোক্তি করেছেন। গজারিয়া থানা এসআই মোঃ ওহিদুল মিয়া বাদী হয়ে

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে প্যানেল কোড, ধারা৩৯৯/৪০২ অনুযায়ী মামলা করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে মুন্সিগঞ্জ কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়।


আরও খবর



পটুয়াখালীর উৎপাদিত ডাল দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশের মোট মুগডাল উৎপাদনের শতকরা ৫৫ ভাগ হচ্ছে পটুয়াখালীতেই। এখানের উৎপাদিত ডাল দেশের গন্ডি পেরিয়ে জাপানে রপ্তানী হচ্ছে। এটির উৎপাদন আরো ব্যাপক হারে ছডিয়ে দেয়া গেলে অর্থনিতিতে বিরাট পরিবর্তন আসবে। এছাড়া চা‌হিদার মাত্র দশভাগ দে‌শে উৎপাদন হয়, বা‌কিটা বৈ‌দে‌শিক মুদ্রা খরচ ক‌রে বাই‌রে থে‌কে আমদানী কর‌তে হয়। তাই দে‌শের উৎপাদ‌নের মাত্রা পটুয়াখালীর মত সারা‌দে‌শে বাড়া‌তে হ‌বে।   সোমবার দুপুরে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুরে মুগডালের মাঠ পরিদর্শন ও কৃষকের সাথে মতবিনিময় কালে কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, "পটুয়াখালীতে আগে কৃষকেরা শুধুমাত্র ধান চাষ করত। শুকনা মৌসুমে লবনাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানে অন্য কোন ফসলের চাষ করা যেতনা। কৃষি মন্ত্রনালয় এ অঞ্চলে ডাল চাষের উদ্যেগ নেয়। কৃষি গবেষনা ইনিস্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি মুগ ৬ চাষ করে এখানকার কৃষকেরা লাভবান হচ্ছে। এতে আমরা এলাকাভিত্তিক ফসল বিন্যাসের চেষ্টা করছি।

“পটুয়াখালীর অনেক সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু পানি সংকট। খালগুলো ভরে গেছে, সেচের ব্যাবস্থা নাই, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেটগুলো কাজ করেনা। তাই দক্ষিণাঞ্চলের কৃষির উন্নয়নে তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এই এলাকার কৃষিতে একটি বিপ্লব নিয়ে আসবে যাতে  দক্ষিণাঞ্চল বাংলাদেশের অর্থনিতিতে একটি বড় ভুমিকা রাখতে পারে। দেশকে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ন করতে কোন জমি যাতে আর অনাবাদি না থাকে সেজন্য কৃষি গবেষনা ইনিস্টটিউট গবেষনার  মাধমে আবহাওয়া সহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন করছে। এসব ফসল উৎপাদনে কৃষি মন্ত্রনালয় থেকে কৃষকদেরকে সার, উন্নতমানের বীজ ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন প্রনোদনা দিয়ে সহযোগীতা করা হচ্ছে। সমতল ভুমিতে কোন কোন অঞ্চলে চাষীরা সারা বছরে তিন থেকে চারটি ফসল উৎপাদন করে।

তিনি আরো বলেন, পটুয়াখালীতে কৃষি যন্ত্রের ব্যাবহার নেই কৃষকেরা যাতে এসব যন্ত্রপাতি কিনে ব্যাবহার করতে পারে সেজন্য ভর্তুকীর ব্যাপারে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে ব্যাবস্থা নেবো। এছাড়া মুগডাল মাড়াইয়ের জন্য একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট এটি ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।” জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সাংসদ কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচাক ড. মোঃ শাহজাহান কবীর, কৃষি গবেষনা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচাক ড. দেবাশিষ সরকার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নানসহ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কৃষকগন উপস্থিত ছিলেন। পরে কালিকাপুর ইউনিয়নের শারিকখালীতে বোরো প্রদর্শনীর নমুনা ফসল কর্তন ও মাঠ দিবসে অংশগ্রহন করেন মন্ত্রী।                    পটুয়াখালী‌তে এ বছর ৮৬ হাজার ৪শ ৩১ হেক্টর জ‌মি‌তে মু‌গের অাবাদ করা হ‌য়ে‌ছে। লক্ষমাত্র ধরা হ‌য়ে‌ছে ১লাখ ৩১ হাজার ২শ ৫০ মে‌ট্রিক টন। ই‌তোম‌ধ্যে ৬৫ ভাগ মুড ডাল ফসল ঘ‌রে তোলা হ‌লেও ঘূ‌র্ণিঝড় অশনীর প্রভা‌বে ভারী বর্ষনে লক্ষমাত্রা অর্জন ব‌্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দি‌য়ে‌ছে।



আরও খবর



সৌদিতে কুমিল্লার তরুণের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার,পরিবার বলছে হত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ,কু‌মিল্লা

সৌদি আরবের মক্কায় রাস্তার পাশ থেকে এক বাংলাদেশি তরুণের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সেখানকার একটি হাসপাতালের মর্গে মরদেহ শনাক্ত করেন তার খালুশ্বশুর। নিহত বাংলাদেশির নাম হাসিবুল হাসান মুন্সী। তিনি ওই হাসপাতালে কাজ করতেন।

হাসিবুলের বাড়ি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের নাগাইশ গ্রামে। তিনি আবদুল হান্নান মুন্সীর জ্যেষ্ঠ ছেলে। দেশে হাসিবুলের স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। 

সোমবার (৯মে) হাসিবুলের মা নাসিমা বেগম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে ছেলের সঙ্গে তিনি মোবাইল ফোনে কথা বলেন। পরদিন শুক্রবার ভোরে হাসিবুল তার স্ত্রীর সাঙ্গে কথা বলেছেন। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তিন দিন পর তার খালুশ্বশুর হাসপাতালের মর্গে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন। 

হাসিবুলের পরিবার মনে করছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহ রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গাড়িচাপায় মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করছে ওই হাসপাতালের মালিকপক্ষ। হাসিবুলের মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আহাজারি করছেন বাবা-মা। 

পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর আগে এক আত্মীয়র মাধ্যমে চাকরির জন্য হাসিবুল সৌদি যান। তিন মাস আগে তিনি ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। কিছুদিন আগে আবারও উপার্জনের তাগিদে তিনি সৌদিতে কর্মস্থলে ফিরে যান। অনলাই‌নের জন‌্য


আরও খবর



কেমিস্টস্ অ্যান্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নির্বাচন

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১০০জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ কেমিস্টস্ অ্যান্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির (বিসিডিএস) দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শাহ্ জালাল বাচ্চু নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ওষুধ ব্যবসায়ী সম্মিলিত পরিষদ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে। গত শনিবার ঢাকাসহ আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়োজিত প্রশাসক নির্বাচন বোর্ড। 

জানা গেছে, বাংলাদেশ ওষুধ ব্যবসায়ী সম্মিলিত পরিষদের ৪৩ জন প্রার্থী নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে। পরবর্তীতে সমিতির অভ্যন্তরীণ সভায় সভাপতি সহ-সভাপতিবৃন্দ মনোনীত করা হবে। বাংলাদেশ কেমিস্টস্ অ্যান্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি ২০২১-২০২৩ ইং মেয়াদের নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি সাদেকুর রহমান সমর্থিত মোজাম্মেল-কামাল পরিষদের ভরাডুবি হয়। নির্বাচনে সম্মিলিত পরিষদের প্রধান শাহ্ জালাল বাচ্চু ভোট পেয়েছেন হাজার ৩৭৬ ভোট, তার বিপরীতে বর্তমান সভাপতি সাদেকুর রহমান পেয়েছেন ১৯১ ভোট এবং তাঁর সমর্থিত কাজী মফিজুল ইসলাম কামাল পেয়েছেন ৪৮১ ভোট মোজাম্মেল হক পেয়েছেন ২৩৯ ভোট। পরিচালক পদে জাকির হোসেন রনি পেয়েছেন হাজার ৩১৯ ভোট। 

ভোটাররা জানান, ৩৫ বছর ধরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ কেমিস্টস্ অ্যান্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নির্বাচন শুধু দুইবার অনুষ্ঠিত হওয়ায় সাধারণ সদস্যরা ক্ষোভে ফুসে উঠেছে। সমিতির সভাপতি সাদেকুর রহমানের অসাংবিধানিক প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড সাধারণ সদস্যদের ক্ষোভের অন্যতম কারণ ছিল বলে জানান সাধারণ সদস্যরা। ভোটের মাধ্যমে সদস্যরা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। 

ভোটাররা আরও জানান, সাদেকুর রহমান সমর্থিত একাধিক ব্যক্তি ওই নির্বাচনটি বানচাল করার জন্য ১৮টি মামলা দায়ের করেছে। পরবর্তীতে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ নির্বাচনের আদেশ দিলে গত শনিবার ওই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়। 

সম্মিলিত ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যসচিব জাকির হোসেন রনি বলেন, ‘সাদেকুর রহমান গত ৩৫ বছর যাবৎ মামলা মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন বাহানায় সমিতির ক্ষমতা আঁকড়ে ছিলেন। সময়ে তারা অর্থনৈতিক অনিয়মসহ সমিতির কার্যক্রম মন্থর করে দিয়েছে। তাছাড়া, বারবার আদালতে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছে। সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে


আরও খবর