Logo
শিরোনাম

ধীরে ধীরে ঘ্রাণশক্তি হারাবে মানবজাতি !

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ৪২৮জন দেখেছেন

Image

করোনার অন্যতম উপসর্গ ছিল স্বাদ এবং গন্ধের বোধ চলে যাওয়া। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে এই উপসর্গ না থাকলেও ডেল্টার ক্ষেত্রে ছিল।

সম্প্রতি এক নতুন বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, মানবজাতি হয়তো ধীরে ধীরে গন্ধ বিচার করা ভুলেই যাবে। গবেষণায় জানা গেছে, মানুষ দুই রকম সেন্ট রিসেপ্টর অর্থাৎ গন্ধের স্নায়ুবিক সিগন্যাল বোঝার যন্ত্র বহন করছে। বায়ুবাহিত কেমিক্যাল যা আমাদের নাকে

ঢোকে তা বোঝে অলফ্যাক্টরি রিসেপ্টরগুলো। কিন্তু এই রিসেপ্টরগুলো একেক মানুষের ক্ষেত্রে একেক রকম।

যেকোনো দুজন মানুষের মধ্যে গন্ধ বিচারের জিনের তফাৎ অন্তত ৩০ শতাংশ। ২০১৩ সালের এক গবেষণাতেই এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছিল। এই কারণেই একজনের কাছে যেটা বদগন্ধ সেটা অন্যের কাছে সুগন্ধ।

সম্প্রতি নতুন গবেষণায় ১০০০ হান সম্প্রদায়ের চীনা মানুষ এবং নিউইয়র্কের ৩৬৪ জন জাতিগতভাবে আলাদা মানুষের ওপর সমীক্ষা চালালেন সাংহাই ইন্সটিটিউট অব নিউট্রিশন অ্যান্ড হেলথের বিজ্ঞানী বিঞ্জি লি এবং তার সহকর্মীরা।

দুই ধরনের লোকদের ১০ রকম গন্ধ শুকতে দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্তত দুইটি গন্ধ ছিল যা বেশিরভাগ মানুষ সহজে বুঝতে পারে না। যেমন- গ্যালাক্সোলাইড নামে একটি সিন্থেটিক মাস্ক যার অণুর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে মানুষের বগলের গন্ধের। এ সমীক্ষা থেকে লব্ধ তত্ত্ব বলছে, যুগের সঙ্গে মানুষের গন্ধ বিচারের ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। কারণ গন্ধ বোঝার রিসেপ্টরের জিনে হয়েছে পরিবর্তন। অবশ্য এ তত্ত্বকে যে সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছেন তা নয়।


আরও খবর

খালি পেটে গ্রিন টি নয়

রবিবার ২১ মে ২০২৩




ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

প্রত্যেক মানুষেরই ত্বকের ধরন আলাদা আলাদা হয়। কারও তৈলাক্ত, কারও শুষ্ক, কারও আবার সংবেদনশীল। এ কারণে ত্বকের যত্ন নেওয়ার ধরণও হয় আলাদা । শুষ্ক ত্বক সুস্থ রাখার প্রধান উপায় হলো ত্বককে যেভাবেই হোক আর্দ্র, ময়েশ্চারাইজ রাখা। আবহাওয়া, দূষণ, জীবনধারা, শারীরিক সমস্যা এবং আরও নানা কারণে অনেকেই সারা বছর শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। এর ফলে ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করতে বাড়িতেই বিভিন্ন ফেস প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের যত্নে কোন কোন ফেস প্যাক ব্যবহার করবেন


শসার ফেস প্যাক: শশা ত্বককে হাইড্রেট ও নরম করে তোলে। শুষ্ক ত্বকে প্রায়ই চুলকানি দেখা যায়। ত্বকের জ্বালা, চুলকানি উপশম করতে শসার জুড়ি নেই। অর্ধেক শসার খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারে পেস্ট করে নিন। এই পেস্টে এক টেবিল চামচ চিনি মিশিয়ে ফ্রিজে রাখুন কিছুক্ষণ। ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন এই ফেস প্যাক। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু'বার এই ফেস প্যাক লাগালেই ফল পাবেন।

মুলতানি মাটির ফেস প্যাক: মুলতানি মাটি সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকের ফেস প্যাকগুলিতেই ব্যবহৃত হয়। তবে শুষ্ক ত্বকের যত্নেও মুলতানি মাটি ব্যবহার করতে পারেন। মুলতানি মাটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এই ফেস মাস্ক শুষ্ক ত্বকে পুষ্টি ও হাইড্রেশন দেয়। ১-২ চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু এবং সামান্য পানি মিশিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার এই ফেস প্যাক ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা ফেস প্যাক: অ্যালোভেরা ত্বককে হাইড্রেট করে। এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং ময়েশ্চারাইজিং গুণাগুণ। এই ফেস প্যাক ব্যবহার ত্বক কেবল ময়েশ্চারাইজ হয় না, পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ে। ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু এবং ১ টেবিল চামচ চন্দন পাউডার ভালো করে মিশিয়ে নিন। ফেস প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু'বার এই ফেস প্যাক লাগাতে পারেন।

চালের গুঁড়ার ফেস প্যাক: চালের গুঁড়া ত্বকের মৃত কোষ অপসারণ করে। ১ টেবিল চামচ চালের গুঁড়ার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ওটমিল এবং ২ চা চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট রাখার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার বা দুইবার এই ফেস প্যাকটি লাগান।

দইয়ের ফেস প্যাক: দই শুষ্ক ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ২ টেবিল চামচ টক দইয়ের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু এবং এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে পুরো মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু'বার এই ফেস প্যাক লাগাতে পারেন।

হলুদের ফেস প্যাক: হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করে। ত্বককে কোমল এবং উজ্জ্বল করে তোলে। ২ চা চামচ কাঁচা দুধের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট ফেস প্যাকটি মুখে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২-৩ দিন পর দিনে একবার এই ফেস প্যাক লাগান।


আরও খবর

খালি পেটে গ্রিন টি নয়

রবিবার ২১ মে ২০২৩




ইসলামপুরে গৃহবধু ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে ইউপি সদস্যের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ৮২জন দেখেছেন

Image

লিয়াকত হোসাইন লায়ন :

ইসলামপুরে চর পুটিমারী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার আশরাফ আলী আশার কর্তৃক গৃহবধু ধর্ষণেরর চেষ্টার অভিযোগে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি এবং গেজেট বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ভূক্তভোগি পরিবার ও এলাকাবাসী।

শুক্রবার দুপুরে ডিগ্রীর চর সকাল বাজারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযায়, গত সোমবার ২৪ এপ্রিল চর পুটিমারী ইউনিয়নের আগ্রাখালী গ্রামের রেহান আলীর কন্যা  আঃ রসিদের স্ত্রী লাকী আক্তার বাবার বাড়ি থেকে শশুর বাড়ী যাচ্ছিল। পথিমধ্য ইউপি সদস্য আশা গৃহবধুকে একা পেয়ে পথরোধ করে ধর্ষণের চেস্টা করে। গৃহবধুর চিৎকারে আশপাশের লোকজন চলে এলে ওই ইউপি সদস্য দ্রুত সটকে পড়ে। 

মানববন্ধনে রেহান আলী,রিমন মিয়া,আঃ রশিদ সহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা ও ভূক্তভোগি পরিবার নারী লোভী ইউপি সদস্যের আশরাফ আলী আশার বিচার ও গেজেট বাতিলের দাবী জানান।

এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী পরিবার কোন বিচার না পেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।


আরও খবর



চুপ থাকা অন্যায়-অবিচারকে প্রশ্রয় দেওয়া !

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ১২১জন দেখেছেন

Image

অধ্যাপক ডমোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ :

চুপ করে থাকা মানুষদের আমরা ভালো মানুষ হিসেবে বিবেচনা করছি | সমাজ তাদের নাম দিয়েছে অতিশয় ভদ্র মানুষ, যারা কারো সাথেও নেই, পাছেও নেই | সমাজের অন্য মানুষেরা কোথায় আছে না আছে এটা তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ না হলেও তারা নিজেরা সেভ জোনে আছে ভেবে এই মানুষগুলো সব সময় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে |

কেউ কেউ চুপ থাকা এই সংস্কৃতিকে বাহবা দিয়ে এসব মানুষকে সারাজীবন বোবা মানুষ বানিয়ে রাখার মোটিভেশন দিচ্ছে | এই কৌশল অবলম্বন করে বিরাট একটা শ্রেণীকে যদি সমাজের মূল স্রোত থেকে বাইরে রাখা যায়, তবে মন্দ কি?

 

চুপ থেকে যদি ভালো মানুষের স্বীকৃতি খুব সহজে পাওয়া যায়, এই ভেবে সমাজের প্রায় বেশিরভাগ মানুষ মুখে তালা দিয়ে রেখেছে | অথচ এদের সমাজের সবচেয়ে দুর্বল শ্রেণী বলে কেউ কেউ ভাবলেও এরাই সমাজ ধ্বংসের মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছে | এদের চুপ থাকা অন্যায়-অবিচারকে প্রশ্রয় দেওয়াতে ভূমিকা রাখছে, সমাজের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করছে | এদের এমন মনোভাবের কারণে মানুষের পক্ষে, সমাজের পক্ষে, দেশের পক্ষে একদিন কথা বলার কোনও মানুষ পাওয়া যাবেনা |

চুপ থাকা মানুষরা নিজেদের স্বার্থকেই বেশি প্রাধান্য দেয় | চুপ থেকে ভালো মানুষের সংজ্ঞায় নিজেদের ফেলে তারা এই সুবিধা নিতে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়না |

 

এই শ্রেণীর বাইরে আরও দুটো শ্রেণী আছে, খুব সহজ করে বললে ১. উচিত কথা বলার মানুষ এবং ২. সুবিধাবাদী মানুষ | এর বাইরেও আগাছা, পরগাছা, পরজীবী মানুষ তো আছেই |

উচিত কথা বলার মানুষদের সংখ্যা আমাদের সমাজে ক্রমশ কমতে কমতে ক্ষয়িষ্ণু হয়ে এসেছে |

চুপ থাকা মানুষদের নীরবতা সুবিধাবাদী মানুষদের অন্যায়কে আরও সহজ করে দিচ্ছে | এদের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ভূমিকায় সুবিধাবাদী মানুষদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে |


চুপ থেকে দুপক্ষকেই খুশি রাখা মানুষদের ভালো মানুষ বলাটা কতটা যৌক্তিক, সেটাও ভাববার বিষয় | মনে রাখতে হবে, নিউট্রাল গেয়ারে কখনো গাড়ি চলেনা | চুপ থেকে নিরপেক্ষতার অভিনয় সুবিধাবাদিতার চেয়েও ভয়ংকর |

আর অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে দুজনই সমান অপরাধী |


নীরব থাকা অনেকটা নীরব ঘাতকের মতো | সুবিধাবাদী ও চুপথাকা মানুষের সংখ্যা একত্রে অনেক বেশি হওয়ায় উচিত কথা বলার মানুষেরা কোনঠাসা হয়ে আছে, সব জায়গায় তারা হারছে, মার্ খাচ্ছে | ঘুরে দাঁড়াতে চুপ থাকা মানুষদের তথাকথিত ভালো মানুষের মুখোশটা খুলে মুখটাকে বের করে আনা খুব বেশি প্রয়োজন | মনে রাখতে হবে, ভালো মানুষ সেজে ভালো থাকা আর প্রকৃত ভালো মানুষ হওয়া এক কথা নয় | নিজে ভালো থাকা মানে ভালো থাকা নয়, সবাইকে নিয়ে ভালো থাকাই ভালো থাকা |

 

আমাদের সমাজে মানুষদের মূল সমস্যা হচ্ছে তারা বাস্তবের নায়ক-ভিলেনদের চিনতে পারছেনা | ভিলেনকে ভাবছে নায়ক, নায়ককে ভাবছে ভিলেন | এটা বাড়তে থাকলে ভবিষ্যত প্রজন্মকে এর বোঝা টানতে হবে | সমাজের সবাই সুবিধাবাদী হয়ে গেলে সমাজটাকেই একদিন নিলামে তুলে বিক্রি করার মতো অবস্থা তৈরী হতে পারে | সমাজ বিক্রি হলে মানুষ দাস হয়ে যায় আর দাসত্বের চেয়ে বড় কলংক আর কিছু নেই |


আরও খবর

রবীন্দ্র তীর্থস্থানে এক বিকেল

বুধবার ১৯ এপ্রিল ২০২৩




জেলেনস্কির ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্স সফরে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ৮০জন দেখেছেন

Image

ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্স সফরে গিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আরো সহায়তা ও সমর্থন পেলেন। ইউরোপীয় ঐক্যে বিশেষ অবদানের জন্য শার্লেমান পুরস্কারও গ্রহণ করলেন জেলেনস্কি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পর পর তিনটি ইউরোপীয় দেশ সফর করে ইউক্রেনের জন্য আরো সমর্থন ও সামরিক সহায়তা নিশ্চিত করলেন। সেই সঙ্গে ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্স ইউক্রেনের প্রতি অবিচ্ছিন্ন সহায়তার অঙ্গীকার করছে। রোমে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট ইউক্রেনে শান্তি ফেরাতে নিজস্ব উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

যুদ্ধের শুরুর দিকে ইউক্রেনের জন্য জার্মানির সমর্থন ও সহায়তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব, ধীরগতি নিয়ে কিয়েভে যথেষ্ট ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল। তারপর ধীরে ধীরে সেই কালো মেঘ কেটে গেছে। বার্লিন সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি একাধিক ক্ষেত্রে সত্যিকারের বন্ধু ও সহযোগীদেশ হিসেবে জার্মানির ঢালাও সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পরই জার্মানির অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। 

 এ ছাড়াও জেলেনস্কি দাবি করেছেন, ইউক্রেন শুধু আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিজস্ব ভূখণ্ড রাশিয়ার দখলমুক্ত করতে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে, রাশিয়ার ভূখণ্ড দখলের কোনো চেষ্টা করবে না। অতীতের উত্তেজনা কাটিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন জেলেনস্কি। সেই সঙ্গে জার্মানির জনগণ ও করদাতাদের প্রতি ইউক্রেনের মানুষের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য, জেলেনস্কির সফরের ঠিক আগে জার্মানি আরো এক দফা সামরিক সহায়তার ঘোষণ করেছে। ২৭০ কোটি ইউরো মূল্যের সেই প্যাকেজের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট শলৎসের কাছে উন্নত বোমারু বিমান সরবরাহের অনুরোধ করেন। তিনি সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশকে নিয়ে এক ফাইটার জেট কোয়ালিশনগঠনের উদ্যোগের কথাও বলেন। শলৎস অবশ্য সেই অনুরোধ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি।

রবিবার জেলেনস্কি জার্মানির পশ্চিমে আখেন শহরে শার্লেমান পুরস্কার গ্রহণ করেন। ইউরোপীয় ঐক্যের জন্য জেলেনস্কি ও ইউক্রেনের মানুষকে যৌথভাবে এ বছরের পুরস্কার দেওয়া হলো। পুরস্কার গ্রহণ করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি ইউক্রেনের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যা প্রতিদিন নিজেদের স্বাধীনতা এবং ইউরোপীয় মূল্যবোধ রক্ষার জন্য লড়াই করছেন। তাদের প্রত্যেকে আজ এখানে উপস্থিত থাকলে ভালো হতো।

জেলেনস্কির মতে, ইউক্রেন শান্তি ছাড়া কিছুই চায় না। একমাত্র বর্তমান সংকটে জয়ের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব। ইউক্রেন যুদ্ধ ইউরোপের ভবিষ্যৎও নির্ধারণ করতে পারে বলে জেলেনস্কি মনে করেন। কারণ রাশিয়া যেকোনো ধরনের নিষ্ঠুরতা ও পাপের মাধ্যমে ইউরোপীয় একত্রীকরণের ইতিহাসের চাকা পেছন দিকে ঠেলতে বদ্ধপরিকর।

জার্মানির পর ফ্রান্স সফরে গিয়েও জেলেনস্কি আরো সমর্থন পেয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ প্যারিসে জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাতের পর আরো লাইট ট্যাংক ও আর্মার্ড যান সরবরাহের ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের প্রশিক্ষণ দেবে ফ্রান্স। রবিবার জেলেনস্কির সফরের শুরুতেই ম্যাখোঁ এক টুইট বার্তায় লেখেন, ইউরোপের সঙ্গে ইউক্রেনের বন্ধন আরো বাড়ছে। সেই সঙ্গে রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ছে।

সূত্র : ডয়চে ভেলে


আরও খবর



রাজা তৃতীয় চার্লসের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ১০৯জন দেখেছেন

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার (৬ মে) লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবিতে রাজা তৃতীয় চার্লসের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। ক্যান্টারবিউরির আর্চবিশপ পরিচালিত এই অনুষ্ঠানে মহামান্য রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানী কনসোর্ট ক্যামিলা পার্কারকে মুকুট পরানো হয়।

শেখ হাসিনা এর আগে ৫ মে রাজা ও রানী কনসোর্টের অভিষেকের প্রক্কালে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং বিদেশি প্রতিনিধিদের জন্য রাজা তৃতীয় চার্লসের দেওয়া এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ৫০ বছরের অংশীদারিত্ব উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগদান এবং জাপানে সরকারি সফরের পর তৃতীয় ধাপে ৪ মে লন্ডনে পৌঁছেন।

সংবর্ধনার আগে প্রধানমন্ত্রী গতকাল বিকেলে কমনওয়েলথ দেশগুলোর নেতাদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের যোগদানের পাশাপাশি কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকেও যোগ দেন।

লন্ডনের কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটের মার্লবোরো হাউসে এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

এ সময় কমনওয়েলথ প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। কমনওয়েলথ চেয়ার ইন অফিস রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামের সভাপতিত্বে কমনওয়েলথ নেতাদের একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক প্রধান সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ পরিবারের একটি যৌথ ছবি তোলা হয়। ৭৪ বছরের রাজা তৃতীয় চার্লস তার মা রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২-এ গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজা হন। রাজকীয় ঐতিহ্য অনুসারে জাতীয় শোক এবং বিশাল প্রস্তুতির কয়েক মাস পরে একজন ব্রিটিশ রাজার রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।

রাজা তৃতীয় চার্লেস এই অভিষেক অনুষ্ঠানে আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম, জাপান, হাঙ্গেরি ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : বাসস।

 


আরও খবর