Logo
শিরোনাম

ডিআইজি মিজানের জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের আবেদন

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ঘুস লেনদেনের মামলায় তিন বছর দণ্ডিত পুলিশের বরখাস্ত হওয়া উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এ আবেদন করা হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। গত ১৩ এপ্রিল ঘুস লেনদেনের মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমানকে দুই মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মিজানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।
এর আগে ৬ এপ্রিল ঘুস লেনদেনের মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ডিআইজি মিজানুর রহমানের খালাস চেয়ে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন ডিআইজি মিজানুর রহমান। আপিলে তিনি তিন বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়েছেন।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘুস নেওয়ার কারণে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় দুদকের বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে তিন বছর কারাদণ্ড দেন আদালত।

৪০ লাখ টাকার ঘুস কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেছিলেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের একই কর্মকর্তা।


আরও খবর



ডিজিটাল মুদ্রা কীভাবে কাজ করে

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বাংলাদেশে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ডিজিটাল মুদ্রা চালুর বিষয়টি পরীক্ষা করার প্রস্তাব দিয়ে বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে এই মুদ্রা চালুর জন্য এর সম্ভাব্যতা যাচাই করবে সরকার। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো ভার্চুয়াল লেনদেনের অর্থ আদান-প্রদান সহজ করা এবং স্টার্ট-আপ ও ই-কমার্স ব্যবসাকে উৎসাহ দেওয়া। এসব কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা চালু নিয়ে একটি ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হবে বলে বাজেট ভাষণে জানিয়েছেন তিনি।

ডিজিটাল মুদ্রা আসলে কী : বিশ্বে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিটকয়েন, লাইটকয়েন, এথেরিয়াম, রিপলের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন হচ্ছে। যদিও বাংলাদেশে এগুলো বৈধ নয়। ডিজিটাল এসব মুদ্রা লেনদেন হয় ভার্চুয়ালি অর্থাৎ টাকা বা কাগজের নোটের মতো এগুলো দৃশ্যমান নয়। তবে এখন যেসব ক্রিপ্টোকারেন্সি আছে সেগুলোর কার্যত কোনো কর্তৃপক্ষ নেই এবং যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো সময় এর লেনদেন করতে পারেন। অর্থাৎ পুরো বিষয়টি হয় যেকোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যদিও কোনো কোনো দেশ এখন খতিয়ে দেখছে যে, ক্রিপ্টোকারেন্সিকে কীভাবে একটি মনিটরিংয়ের আওতায় আনা যায়। ২০০৯ সালে প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে এসেছিল বিটকয়েন এবং এক পর্যায়ে এই বিটকয়েনের দাম ৬০ হাজার ডলারও ছাড়িয়েছিল। কিন্তু এর লেনদেন, বিনিময় হার এবং আইনগত ভিত্তি না থাকায় বড় বড় প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে এসব মুদ্রা নিয়ে।

এ কারণেই এখন আলোচনায় এসেছে যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করা যায় কি না।

ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিশেষজ্ঞ তহুরুল হাসান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে কাগজের নোট বা মুদ্রা সরবরাহ করে তা ভল্টে বা মার্কেটে মানুষের পকেটে থাকে এবং সেটি দেখা যায়। কিন্তু ডিজিটাল মুদ্রা এমন দৃশ্যমান হবে না। অনেকটা বিকাশ বা নগদে যেমন ডিজিটাল ওয়ালেটে টাকা থাকে ডিজিটাল মুদ্রাও তেমনি থাকবে। তবে নগদে বা বিকাশে যেমন ক্যাশ টাকাটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা এজেন্টকে দিয়ে আনাতে হয়- এখানে তা হবে না। এখানে শুরু থেকেই সব ডিজিটাল হবে।

অর্থাৎ হয়তো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১০০ টাকা ইস্যু করবে। এর মধ্যে ৭০ টাকা কাগজের নোট আর বাকি ৩০ টাকা ডিজিটাল। এখন কেউ যেমন কাগজের নোট সংগ্রহ করে পকেটে রাখতে পারবে তেমনি ওই ৩০ টাকা থেকে ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে তার অ্যাকাউন্ট বা ডিজিটাল ওয়ালেটে রাখতে পারবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের শিক্ষক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া বলেন, ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার আপ-ডাউন করে কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করলে সেটি টাকার মতোই ব্যবহার হবে। তিনি বলেন, কাগজের নোটের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রার একটি অ্যাসেট ব্যাকআপ থাকবে। অর্থাৎ বাজারে আসা টাকার বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যেমন রিজার্ভ বা সোনা থাকে তেমনটি হবে ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রেও।

লেনদেন কীভাবে করা যাবে : ডিজিটাল মুদ্রা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইস্যু করলেও এর জন্য একটি ইকো সিস্টেম দরকার হবে বলে মনে করেন তহুরুল হাসান। অর্থাৎ টাকার মতোই সব কাজে সব জায়গায় এই ডিজিটাল মুদ্রা দিয়ে পণ্য বা সেবা ক্রয় বিক্রয়ের সুযোগ থাকতে হবে। প্রত্যন্ত এলাকার একজন মুদি দোকানিকেও সেটি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। অর্থাৎ এটা হবে কাগজের নোটের মতো সার্বজনীন। শুধু ব্যবহারটা হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। সুবর্ণ বড়ুয়া অবশ্য বলেন, বাংলাদেশে বিকাশকে গ্রহণ করাতেই ১০ বছর লেগেছে। তাই ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রে দরকার হলে আরো সময় নিতে হবে।

কাগজের নোট কি থাকবে না : এখন মুদ্রা আছে তিন ফরম্যাটে- কাগজের মুদ্রা, ই-মানি (মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস), ক্রিপ্টোকারেন্সি (বিটকয়েনের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রা)। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নিজেদের মুদ্রা ডিজিটাল ফরম্যাটে আনলে সেটি হবে বৈধ ডিজিটাল মুদ্রা।

যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল মুদ্রা কখনো চালু হলে তার আগে অনেক প্রশ্নের জবাব খুঁজতে হবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু সেই ডিজিটাল মুদ্রা এলে কাগজের মুদ্রা থাকবে না- এমনটি কেউই মনে করছেন না। সুবর্ণা বড়ুয়া বলেন, দেশের সব মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই এবং যাদের নেই তারা কীভাবে ডিজিটাল মুদ্রা পাবেন? কাগজের মুদ্রা বিদায় হবে বলে মনে হয় না। বরং দুটিই সমান্তরালভাবে চলতে হতে পারে। যাতে করে মানুষ ডিজিটাল মুদ্রা নগদে রূপান্তর করতে পারে সেই সুযোগও থাকতে হবে। তহুরুল হাসানও জানান, কাগজের মুদ্রা সহজে বিদায় হবে না। বরং ডিজিটাল মুদ্রা করার আগে বাজার ও মানুষকে ব্যাপকভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যা খুবই সময়সাপেক্ষ হতে পারে।

ঝুঁকি কোথায় : সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো ডিজিটাল মুদ্রা হ্যাক হলে মানুষ কী সেই অর্থ আর ফেরত পাবে কিংবা ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে টাকা চুরি হলে তার নিয়ন্ত্রণ কীভাবে হবে? বাংলাদেশে করোনাকালে সরকার উপবৃত্তির যে টাকা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে দিয়েছে সেই টাকা অনেক শিক্ষার্থীর অগোচরে অন্যরা তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে। সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তানভীর হাসান জোহা বলেন, ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রেও বড় চ্যালেঞ্জ হবে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি।

ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহারের জন্য মানুষ ইন্টারনেটে যুক্ত হবে ও পাবলিক নেটওয়ার্কে থাকবে। কিন্তু সেখানে সাইবার নিরাপত্তা কতভাবে লঙ্ঘিত হতে পারে সেটি আগে যাচাই করে দেখতে হবে। অন্যদিকে ড. সুবর্ণ বড়ুয়া বলেন, ডিজিটাল ওয়ালেট বা লেনদেনের বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে দেখভাল করাটাও চ্যালেঞ্জের বিষয় হবে এবং সবাইকে নিজের ওয়ালেট ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে। এগুলো নিয়ে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন থাকতে হবে। প্রসঙ্গত, বিকাশ বা নগদের পাসওয়ার্ড বা পিন গোপন না রাখার কারণেও অনেকে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে টাকা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

কোনো দেশে কি ডিজিটাল মুদ্রা চালু হয়েছে : ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ে সম্প্রতি এক ওয়েবিনার উপস্থাপনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক শাহ মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানিয়েছেন যে ক্যারিবিয়ান দ্বীপ বাহামা ও নাইজেরিয়া ডিজিটাল মুদ্রা চালু করেছে। অন্যদিকে চীন পাইলট প্রজেক্ট শেষ করে সব প্রস্তুত করলেও এখনো ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করেনি। আবার যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মতো কিছু দেশ ক্রিপ্টোকারেন্সিকে মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও অ্যাসেট হিসেবে মর্যাদা দিয়েছে। তবে বাংলাদেশে কারেন্সি ও অ্যাসেট- কোনোভাবেই এটি বৈধ নয়।

তবে ঘানা ও জ্যামাইকা শিগগিরই ডিজিটাল মুদ্রা চালু করতে যাচ্ছে। সুইডেন পাইলট সম্পন্ন করেছে কিন্তু চালু করেনি। ক্যানাডা পাইলট করে এখনই চালু না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা নতুন করে এ নিয়ে গবেষণা করবে বলে জানিয়েছে।

ডিজিটাল মুদ্রায় কী লাভ হবে : শাহ মোহাম্মদ জিয়াউল হকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে টাকা ছাপানো ও নিয়মানুযায়ী নষ্ট বা ব্যবহার অযোগ্য টাকা ধ্বংস করতে গত বছরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে। টাকা ছাপানোর পর বিতরণেও হয়ে থাকে বিপুল খরচ। ডিজিটাল মুদ্রা চালু হলে এসব খরচ বেঁচে যাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর। এ ছাড়া সব ধরনের পেমেন্ট এবং যেকোনো লেনদেন ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যাবে বলে সাধারণ মানুষেরও লেনদেনজনিত ব্যয় কমবে।



আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের বিষয়, বিভাগ, শিফট, ভার্সন, ছবি পরিবর্তন এবং ভর্তি বাতিল কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বুধবার (৮ জুন) থেকে। এই কার্যক্রম চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত। সম্পূর্ণরূপে অনলাইনে এটি সম্পন্ন করতে হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুন) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক আবু তালেব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ কলেজে তার চাহিদা মোতাবেক আবেদন করলে কলেজ কর্তৃপক্ষ বোর্ডের ওয়েবসাইটে লগ ইন করে অনলাইনে শিক্ষার্থীর চাহিদা মোতাবেক সংশোধনী সম্পন্ন করবে। এক্ষেত্রে কলেজ কর্তৃপক্ষ বোর্ডের প্রয়োজনীয় ফি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়ে সোনালী সেবার মাধ্যমে জমা দেবে।

এরপর বোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে সংশোধনী কার্যকর হবে এবং সংশোধিত তথ্যাবলী কলেজ কর্তৃপক্ষ অনলাইনে দেখতে পাবেন। উক্ত কার্যক্রমের জন্য শিক্ষার্থীদের বোর্ডে যোগাযোগের কোনো প্রয়োজন নেই।

বোর্ডের নির্ধারিত ফিগুলো হচ্ছে- প্রতি বিষয় পরিবর্তন ২০০ টাকা, বিভাগ পরিবর্তন ৮০০ টাকা, ভর্তি বাতিল ৬০০ টাকা। তবে শিফট, ভার্সন ও ছবি পরিবর্তন এবং চতুর্থ বিষয় বাতিলের জন্য কোনো ফি লাগবে না।


আরও খবর



শ্রীপুরে ভূমি জরিপ শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

 সদরুল আইন : ১৯৬৭ সালে ভূমি জরিপ হয়েছিল গাজীপুরের শ্রীপুর অঞ্চলে।সে সময় মানুষ তেমন সচেতন ছিল না।অনেকেই বুঝতেন না ভূমি জরিপ কি।

কালের বিবর্তনে এই জনপদের মানুষের জীবনে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।শিক্ষা প্রসারের পাশাপাশি জীবন মানে এসেছে পরিবর্তন।আধুনিকতার সকল উপকরণ ও উপাদানে মানুষ আজ অধিক সচেতন।

ঢাকার সন্নিকটে বন্যা প্লাবণমুক্ত উর্বর এ জনপদে গত ৫৩ বছরে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার মিল ইন্ডাস্ট্রি।ছোট বড় কলকারখানায় ভরপুর এ জনপদে জীবন যাত্রায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।বেড়েছে জমির দাম।গাজীপুরের এক টুকরো জমি এখন সোনার হরিণের মত।

১৯৬৭ সালে ভূমি জরিপের পর দেখা গেছে ব্যাপক গরমিল।সাধারন মানুষের বহু জমির মূল দলিল,পত্তন দাখিলা পর্চা খাজনা খারিজ ঠিক থাকলেও আরএস হয়েছে বনবিভাগের নামে।

আবার কোন দাগে বনবিভাগের ২/৪ বিঘা জমি রেকর্ডে থাকলেও শত শত বিঘা জমির উপর গেজেট নামক খড়্গ ঝুলে ছিল যুগ যুগ ধরে।এর ফলে মানুষ জমি বিকিকিনি করতে পারত না।বিক্রি করলেও ন্যায্য দাম থেকে ছিল বঞ্চিত।অধিক উৎকোচ দিয়ে অন্য দাগ খতিয়ান দেখিয়ে রেজিস্ট্রি করত এবং দখলে থাকত অন্য দাগের জমি।এ নিয়ে ছিল চরম বিড়ম্বনা ও দূর্বিসহ ভোগান্তি।

সবচেয়ে বড় সমস্যাটি ছিল বন বিভাগের লাগামহীন অত্যাচার।হাজার হাজার মানুষের নামে বন বিভাগ মিথ্যা মামলা দিয়ে চরম হয়রানি করে আসছিলো যুগ যুগ ধরে।এমনকি সাধারন মানুষের সদ্য তৈরি ঘরবাড়ি তারা আদালতের নির্দেশ ছাড়াই ভেঙ্গে দিত জোর করে।

কখনো জনগনের হাতে তারা নাজেহাল ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতেন আবার জনগন হতেন তাদের ভূয়া মামলার শিকার।বিশেষ করে গেজেট থাকায় মানুষের দূর্ভোগ ছিল চরমে।

এমনি এক প্রেক্ষাপটে হাজার হাজার মানুষের দাবি ছিল ভূমি জরিপের মাধ্যমে খাস জমি চিহ্নিত করে সরকারি সম্পত্তি আলাদা করে জনগনের সম্পত্তি প্রকৃত মালিকদের হাতে ফেরত প্রদান এবং গেজেট প্রত্যাহার।এ নিয়ে এতদাঞ্চলের মানুষ বহু সামাজিক আন্দোলন করলেও ভূমি জরিপের উদ্যোগ নেননি অতীতের কোন এমপি।

একাদশ সংসদ নির্বাচন পূর্ববর্তি, মনোনয়ন প্রাপ্তির পর ৬৬৭ টি উঠান বৈঠকের প্রতিটি বৈঠকেই গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ'র কাছে  জনগনের দাবি ছিল ভূমি জরিপের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি চিহ্নিত করে বাকি সম্পত্তি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করে গেজেট প্রত্যাহার করা।

দীর্ঘ কয়েক যুগের অপেক্ষার পর সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ'র ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকারি জরিপ টিম শ্রীপুরে কাজ শুরু করেছেন।

আজ দুপুরে এই জরিপ টিমের দায়িত্বে নিয়োজিত ঈশা খানের সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের।তিনি জানান,৬ টি টিম ইতিমধ্যেই পৌর এলাকার শ্রীপুর মৌজায় ডিজিটাল ভূমি জরিপের কাজ শুরু করেছেন।

পৌর এলাকার জরিপ সম্প্ন হলে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নগুলোতে জরিপ চালাবেন উক্ত টিম।

তিনি বলেন,রাজনৈতিক তদবির ও প্রভাবমুক্ত হয়ে তারা এখন পর্যন্ত ডিজিটাল ভূমি জরিপের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।জনগনের ব্যাপক সাড়া ও সহযোগিতা পাচ্ছেন তারা।

সমগ্র উপজেলায় জরিপ সম্প্ন হতে ৬ থেকে ১০ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



কটিয়াদীতে কাকরোল চাষ করে লাভবান কৃষক মাসুক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মিয়া মোহাম্মদ ছিদ্দিকঃ কৃষিতে অসচ্ছল অনেক কৃষকের পরিবারে কাকরোল এনে দিয়েছে সচ্ছলতা। আর গ্রীষ্মকালীন সবজি কাকরোল, চিচিঙ্গা,শসা,করলা,চালকুমড়া চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কিশোরগঞ্জ কটিয়াদী উপজেলার কৃষকরা।

প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে এবারও অন্যান্য শাকসবজির আবাদ কম হলেও কাকরোলের ফলন ভালো হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন সবজি চিচিঙ্গা বাজারে দামও মিলছে আশানুরূ। ধানসহ অনান্য ফসলে যখন লাভের পরিবর্তে লোকসানের মুখ দেখছেন তখনই হাইব্রিড জাতের কাকরোল চাষে কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে কিশোরগঞ্জের উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ফেকামারা গ্রামের কৃষক মাসুক মিয়া। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে ও সহায়তায় উপজেলার কৃষকরা গ্রীষ্মকালীন সবজি কাকরোল চাষ করে ভালো দাম পাচ্ছেন।

কৃষক মাসুক মিয়া জানান,অন্যান্য ফসল চাষ করে আমি খুব একটা লাভবান হতে পারিনি। ধান চাষ করে লোকসান গুনতে হয়েছে আমার। তাই আমি হাইব্রিড জাতের কাকরোল চাষ করছি। এখন একটু দাম কম হলেও এর আগে আরও ভাল দামে বিক্রি করতে পেরিছি। তাই আমি প্রতিবছরই এখন গ্রীষ্মকালীন সবজি কাকরোল পাশপাশি  অল্প পরিমান করে শসা,করলা, চালকুমড়া চাষ করছি।

তিনি আরো জানান, এবছর আমি আমার ৪৪ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে হাইব্রিড জাতের কাকরোল চাষ করেছি। এতে প্রায় ২৫ হাজারের মতো খরচ হয়েছে এ পর্যন্ত ৬০ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। বাজারে এখন যে দাম রয়েছে তাতে আমি দেড় লক্ষ টাকা বিক্রি হবে। বিশেষ করে চিচিঙ্গা চাষে প্রথমদিকে পাতা পচা রোগ ও পোকার আক্রমণ দেখা দেয়। কিন্তু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং ফেকামারা বøকের উপ-সহকারি কর্মকর্তা সঠিক পরামর্শে ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক প্রয়োগ করে সফলতা পেয়েছি। চিচিঙ্গার পাশাপাশি করলা,চালকুমড়াও চাষ করেছি। এতেও যে টাকা বিক্রি হবে লাভবান হব।

আরেক চাষী জসিম উদ্দিন জানান,আমরাও মাসুকের এর চাষ দেখে এবং অন্য ফসলের তুলনায় গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষ অধিক লাভজনক বিধায় আমি ১ বিঘা জমিতে চাষ করেছি। জমি থেকেই পাইকারী ক্রেতারা চিচিঙ্গা কিনে নিয়ে যাচ্ছে ২৮-৩০ টাকা ধরে। প্রায় এক বিঘা জমিতে ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। আমরা যদি সরকারিভাবে বা কৃষি অফিস থেকে যেকোর ধরনের সাহায্য সহযোগিতা পেতাম তবে আর সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হতাম।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মুকশেদুল হক বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে সর্বক্ষন জৈব প্রযুক্তিসহ সার,কীটনাশক প্রয়োগ করে কৃষকরা যাতে উপকৃত হতে পারে সে লক্ষে পরামর্শ দিয়ে যাচ্চি। মাঠ পর্যায় ছাড়াও মোবাইল, এ্যাপসের মাধ্যমে চব্বিশ ঘন্টা সেবা দিচ্চি। চলতি বছর উপজেলায় গ্রীস্মকালীন শাক-সবজি চাষ হয়েছে কম খরচে লাভ বেশী হওয়াই এই এলাকায় বাণিজ্যিক ভাবে গ্রীস্মকালীন সবজি চাষ বাড়ছে।


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




আলোচিত সেই ম্যাচে সেপ্টেম্বরে মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা?

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

তথ্য গোপনের অভিযোগে করোনা মহামারী সময় মাঠে খেলা শুরু হওয়ার পরও তা বন্ধ বন্ধ করে দেয় ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষ। ম্যাচটি পরবর্তী খেলার  ঘোষণা দিয়ে তা বাতিল করে ফিফা কর্তৃপক্ষ। পরে সেই ম্যাচটি দুই পক্ষকে খেলানোর অনেক চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আর্জেন্টিনা তাতে রাজি হচ্ছিল না। ফিফার নির্দেশ, নির্ধারিত সময়ই খেলতে হবে ‘পরিত্যাক্ত’ হওয়া সেই ম্যাচ। সেজন্য আগামী বুধবারের মধ্যে ব্রাজিলকে ম্যাচের ভেন্যুর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সাও পাওলোতে গত বছর সেপ্টেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের অগ্নিগর্ভ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা।  ম্যাচের ৭ মিনিটের মাথায় কোভিড বিধিনিষেধ ভাঙার অভিযোগে আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড়কে ধরতে মাঠে ঢুকে পড়েন ব্রাজিলের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। এতে বেধে যায় লংকাকাণ্ড। স্থগিত হয়ে যায় ম্যাচ। 

আর্জেন্টিনা আশায় ছিল, পণ্ড ম্যাচের পুরো তিন পয়েন্ট তাদের ঝুলিতে যাবে। কিন্তু পাঁচ মাসের বেশি সময় পর  গত ফেব্রুয়ারি ফিফা সেই ম্যাচ ফের আয়োজনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি মিথ্যা তথ্য দিয়ে ব্রাজিলে প্রবেশের অভিযোগে আর্জেন্টিনার চার ফুটবলার রোমেরো, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া ও জিওভান্নি লো সেলসোকে দুই ম্যাচ করে নিষিদ্ধ করে ফিফা।

কিন্তু এরইমধ্যে ম্যাচটি দুই দলের কাছেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে। কারণ ইতোমধ্যে কাতার বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলে লাতিন আমেরিকার দুই পরাশক্তি। যে কারণে যেকোনও উপায়ে ম্যাচটি এড়িয়ে যেতে চাচ্ছিল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা।

কিন্তু তা আর হচ্ছে না। তাদের বাতিল হওয়া সেই ম্যাচটি আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ম্যাচ আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে ফিফা। আর বুধবারের মধ্যে সেই ম্যাচের ভেন্যু ঠিক করে ফিফাকে জানাতে হবে ব্রাজিলকে। 

এদিকে ম্যাচ আয়োজনের জন্য তিনটি ভেন্যুর বিষয় পর্যালোচনা করছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন - ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ব্রাজিলে।

ইউরোপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচটি খেলার পর একটি আফ্রিকান দলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রাজিলের। 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার দ্বৈরথ আয়োজনে আগ্রহী অনেকদিন ধরেই। তাদের কথাও মাথায় রেখেছে ব্রাজিল। এই দুটির কোনোটি না হলে ব্রাজিল ঘরের মাঠেই আর্জেন্টিনাকে আতিথেয়তা দিতে চায়।

 সূত্র: এমএসসি ফুটবল, ওলেডটকম, আর্জেন্টিনা


আরও খবর