Logo
শিরোনাম

দিল্লিতে আমাদের নামও পরিবর্তন করতে হয়েছিল' -শেখ রেহানা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সেই সময়ে আমাদের পরিবার...

সকাল বেলায় আব্বা বাইরে থেকে মর্নিং ওয়াক করে আসতেন। আমাদের ৩২ নম্বরের যে বারান্দাটা আমরা ওখানে, আব্বা ইজি চেয়ারে আর সব মোড়ায়। টোস্ট বিস্কুট চা নিয়ে আমরা সবাই খবরের কাগজ পড়ে যার যার স্কুল-কলেজে যেতাম। এই জিনিসটা আমরা ওই যে একটা পরিবেশের মধ্যে বড় হওয়া। ওখান থেকে আর বের হইনি। কামাল ভাইয়ের সবচেয়ে প্রিয় ছিলাম আমি। মায়েরও। শেকড়টা আমরা ভুলব না। আমাদের বাড়ি টুঙ্গিপাড়া। আমি যে একটা গ্রামের মেয়ে সেটি বলতে খুব গর্ববোধ করি।


গণভবন প্রসঙ্গ...

গণভবনটাও আমাদের অনেক স্মৃতির। আমরা থাকিনি এখানে। আমরা কোনো ভাইবোনই সেখানে থাকতে চাইনি। জানি না থাকলে অন্যদিক থেকে ভালো হতো কী খারাপ হতো। মা থাকতে চাননি ৩২ নম্বরের বাড়ি রেখে। কামাল ভাই থাকবে না। আপা থাকবে না। আমি না। জামাল, রাসেল না। আব্বা বলতেন যে, তোমরা থাকবে না। তাহলে আমি কেন শুধু এখানে থাকব?

দাদার নাতবউ...

আমার দাদার খুব শখ ছিল নাতির বউ দেখবে। কামাল ভাই তখন যুদ্ধ থেকে এলেন। আমরা খুকী আপার ভক্ত ছিলাম। মেঝো ভাইয়ের রুমে বিশাল একটা ছবি ছিল স্পোর্টসের। ওরা একসঙ্গে প্র্যাকটিস করত। মাকে বললাম। মা বলল, হ্যাঁ, ঘরের বউ খেলবে লোকে কী বলবে। তো মা চুপচাপ। আমরা কয়েক ভাইবোন তাকে বললাম, মা এত ভালো একটা বউ। তুমি যার কাছ থেকেই নাও, এ মেয়ে কিন্তু পাবে না। মা বলল, কামাল কী বলে। কামাল যদি বলে তাহলে আমি রাজি। বললাম, তবে মা। বিয়ের পর কিন্তু খেলতে দিতে হবে। তখন বলতে পারবে না, ঘরের বউ খেলতে পারবে না। বলছে না, বলব না।

বেলজিয়াম-জার্মানি...


মাকে বললাম- মা, আপা (জার্মানি) যাবে জয় পুতুলকে নিয়ে কষ্ট হবে। আমি গেলে একটু সাহায্য হবে। মা আব্বাকে বলল, ঠিক আছে ও যাক হাসুর সঙ্গে। ক'দিন পর চলে আসবে। এই আমাদের যাওয়া। ১৪ আগস্ট রাতে ক্যান্ডল লাইট ডিনার। ব্রাসেলসে এই বয়সে ক্যান্ডল লাইট ডিনার। মেয়েরা সব আমার বয়সী, আমরা খুব হাসাহাসি গল্প। দুলাভাই এসে আমাদের খুব বকলেন। যে কান্না আছে। এত হাসি। বললাম, আপনি ঘুমাতে পারেন না। উনি যত বকে আমরা তত হাসি। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মানুষের যে পরিবর্তন। ক্যান্ডল লাইট ডিনার থেকে আমাদের বের করে দেয় এ রকম অবস্থা।

আপা ভাবছে আমি জানি না। আমি ভাবছি আপা জানে না। জানি তো দু'জনেই। বাংলাদেশে বাঙালিরা আমার বাবাকে মারবে, এটা তো ধারণারও বাইরে ছিল। ৩২ নম্বরে হৈচৈ, একটা পলিটিক্যাল বাড়ি। টুঙ্গিপাড়ায় ওই আমাদের দাদাবাড়ি আর সেখানে ছোট্ট একটা বাসার মধ্যে দুইটি রুম। ওখানে গিয়ে তো দুই বোন একটা কিসের মধ্যে পড়লাম আমরা। কিচ্ছু বুঝি না। কিচ্ছু করি না। কী খাব। কই যাব। আল্লাহর একটা রহম আমাদের ওপর যে, আমাদের পাগল বানিয়ে রাস্তায় ফেলেনি। আপা কান্নাকাটি করে এই পাশে, আমি ওই পাশে। দুটি বাচ্চা জয়-পুতুলই ছিল আমাদের সান্ত্বনা।


দিল্লিতে...


আমরা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতাম যে, একটা সাইকেলের ওপর চারটা গ্যাস সিলিন্ডার। একটা মোটরসাইকেলের ওপর সামনে একটা বাচ্চা, হাসবেন্ড-ওয়াইফ, আরেকটা বাচ্চা। তারপর ব্রিফকেস একটা। জানালা দিয়ে ওই বসে বসে দেখতাম। আরেকটা কথা কখনও বলিনি। ৪০ বছর হয়ে গেছে, এখন বলা যায়। দিল্লি থাকাকালীন আমাদের নামও পরিবর্তন করতে হয়েছে। মিস্টার তালুকদার, মিসেস তালুকদার, মিস তালুকদার আশপাশে যেন কেউ না জানে। আমি বলি, এটা কী ব্যাপার। দেশ ছাড়া, বাড়ি ছাড়া, বাপ-মা ছাড়া। আবার নামও বদলাব? দরকার নাই আমি থাকব না এখানে। কিন্তু তখন উপায় নাই তো। সবসময় রাগ-অভিমান আর হুট করে কোনোকিছু করা যায় না। মানে দিন কাটে না, রাত কাটে না। আমার খোকা চাচা লন্ডন থেকে চিঠি লিখতেন। চিঠি আসতে লাগত এক সপ্তাহ। আমরা দুটি বোন জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকতাম পোস্টম্যান কখন আসবে। চাচার চিঠিগুলো পড়ব।

আপা লিখতেন বসে বসে। আজকে চিনি অতটুকু, বিস্কুট অতটুকু, সুজি অতটুক। ওপর পাশেই আমার লেখা। আল্লাহ তুমি কেন আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছো জানি না। কিন্তু এই খুনিদের ধরব, বিচার করব ইনশাল্লাহ। তারিখ দিয়ে লেখা। তো আপা সেদিন আমাদের দেখালেন। এই দেখো।

মা-আপা...


বাংলাদেশের জনগণ যেখানে যে আছে। নির্যাতিত-নিপীড়িত দুঃখী মানুষ। তারা তো বঙ্গবন্ধুকে, তার অভাবটাকে দেখতে পাচ্ছে। আমরা বাবা হিসেবে পাচ্ছি। আমাদের তার থেকে বেশি ক্ষতি হয়ে গেছে মা চলে যাওয়াতে। আপা (হাসিনা) ইউনিভার্সিটিতে যাবেন, কোন শাড়ি পরবেন- সেটা মা রেডি করে দিত। এসে খাবার ফাঁকি দিয়ে ঘুম। আমি শুধু চিন্তা করি, মাকে যদি বলতে পারতাম যে, মা তোমার হাসু এখন আর আলসেখানায় থাকে না। মাকে না বলা পর্যন্ত আমাদের শান্তি নেই। এখন আমার মনে হয় দৌড় দিয়ে যদি বনানীতে গিয়ে মাকে একটা চিঠি লিখে পাঠাতে পারতাম বা আব্বাকে পাঠাতে পারতাম। এগুলো খুব অনুভব করি।


-শেখ রেহানা

বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




অস্তিত্ব সংকটে শীতলক্ষ্যা

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রবিবার বিশ্ব নদী দিবস। প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। বাংলাদেশেও নানা আয়োজন থাকে। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সব নদ-নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। তুরাগ নদ রক্ষায় মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ওই রায় দেয় হাইকোর্ট।

এর আগে ২০১৭ সালে কলম্বিয়ার সাংবিধানিক আদালত ‘রিয়ো এট্রাটো’ নামক একটি নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করে। নদীটি সোনা আর কয়লার খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াতে সেখানকার আদিবাসী সম্প্রদায় ও অন্যদের জন্য ব্যাপক সমস্যা হচ্ছিল।

নিউজিল্যান্ডের একটি নদীকেও জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করা হয়, ওই নদীকে সেখানকার মানুষ খুবই পবিত্র মনে করে একে ঘিরে নানা উপাসনাও করত। ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজ্য আদালত থেকে নর্মদা নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা দেওয়া হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ২০২১ সালের এক জরিপে জানা গেছে, সারা দেশে ৬৫ হাজার ১২৭ জন নদী দখলদার রয়েছে। তবে এরমধ্যে ১৯ হাজার ৮৭৪ জন অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসক জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি একই সঙ্গে তিনি জেলা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক। জেলা প্রশাসক পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য অফিস, কৃষি অফিস, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআরডিবি, পরিবেশবাদী, জনপ্রতিনিধি, সিভিল সোসাইটি, মিডিয়ার প্রতিনিধির সমন্বয়ে নদী রক্ষার কাজকে এগিয়ে নিতে হবে। তাছাড়া জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০, পানি আইন ২০১৩, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন ২০১৭, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ কঠোর প্রয়োগে সুফল আসতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।

 শীতলক্ষ্যার পানি হাতে বা শরীরে লাগলে চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি নদী ভরাট, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও স্থাপনা নির্মাণ করছেন।

তারা আরো জানান, উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতলক্ষ্যা নদী পাড়ের কৃষিজমিগুলো ছিল ফসলে ভরা। নদীতে ছিল নানা প্রজাতির মাছ। এখন শীতলক্ষ্যায় বিপন্ন জীববৈচিত্র্য, আর বেকার জেলে পরিবার।

তারা আরো জানান, কারখানা গড়ার আগে স্থানীয় কিছু মানুষকে সেখানে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়। আর চাকরির কারণে স্থানীয়রাও তেমন কিছু বলেন না। মাঝে মাঝে সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো নদী রক্ষায় আন্দোলন করে। আর নীতিনির্ধারকরা বরাবরই উদাসীন থাকেন।

ঘোড়াশাল পৌর এলাবার জামালপুর গুদারাঘাটের নৌকার মাঝি হাসমত আলী বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত এই ঘাটে নৌকা চলাই। নদীর পানি আগে এতটাই দূষিত যে নৌকা চালাতে ভয় হয়। ‘বাঁচাও শীতলক্ষ্যা’ আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহবুব সৈয়দ বলেন, একটা সময় আসবে যখন দেশজুড়ে নগর-জনপদের বিপুল পানির চাহিদা পূরণ করতে হবে নদী থেকে। কারণ ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বিপজ্জনক মাত্রায় নিচে নেমে গেছে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

অস্ত্র মামলায় বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীম ও তার সাতজন দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ২০১৯ সালে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় গ্রেপ্তারের পর এই প্রথম তার কোন মামলার রায় হলো। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় দেন।

এর আগে সকালে, রায় ঘোষণার জন্য জি কে শামীমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলায় সাজা পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন ও মুরাদ হোসেন। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কুটিক্তির প্রতিবাদে নোয়াখালীতে প্রতিবাদ সভা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন কুটিক্তির প্রতিবাদে নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর উদ্যোগে শনিবার বিকেলে এক বিশাল প্রতিবাদ সভা, বিশাল জনসমাবেশে পরিণত হয়েছে। জেলা শহর মাইজদী পুরাতন বাস স্ট্যান্ড থেকে সিনেমাহল পর্যন্ত লাখে মানুষের ঢল নেমেছে প্রধান সড়কে। মিছিলে মিছিলে ভরে গেছে রাস্তাঘাট, পরিণত হয়েছে জন সমুদ্রে। তাদের প্রিয় নেতা সদর সূবর্ণচরের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা একরামুল করিম চৌধুরীর আহ্বানে দলে দলে ছুটে এসে যোগ দিয়েছে জনসভায়। বিকেল ৩টা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত শত শত মিছিলে ভরে গেলে মহাসড়ক। জনসমুদ্রের কারণে এ সময় সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। 

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম শামসুদ্দিন জেহানের সভাপতিত্ত্বে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যলয়ের সামনে বিশাল জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-৪ (সদর-সূবর্ণচর) আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। এসময় আরোও বক্তব্য রাখেন সাবেক স্পীকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মরহুম আব্দুল মালেক উকিলের সুযোগ্য সন্তান বাহা উদ্দিন খেলন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান নাছের চেয়ারম্যান, জেলা জর্জ কোর্টের পি পি গুলজার আহমেদ জুয়েল, সাবেক পি পি কাজী শাহিন, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক বাবু ইমন ভট্ট, কমিশনার ফখরুদ্দিন, এডভোকেট এমদাদ হোসেন কৈশর, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যানগণসহ বিভিন্ন স্থরের নেতাকমীরা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া আওয়ামীলীগ নেতা মাওলা লিটন, চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, এডভোকেট আলতাফ হোসেন, এমপি পুত্র সাবাব চৌধুরী ও আওয়ামীলীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগ স্বেচ্ছাসেবকলীগ সহ সর্বস্থরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের মিছিল দেখে এমপি একরাম চৌধুরী এসময় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে স্লোগানে স্লোগানে নেতাকর্মীদের উজ্জিবিত করেন। নিজে স্লোগান দিতে থাকেন।  

বিশাল জনসমাবেশে প্রধান অতিথি নোয়াখালী-৪ (সদর-সূবর্ণচর) আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী বিকেল পোনে পাঁচটায় বক্তব্যে বলেন, যেহেতু আমার প্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিএনপির লোকজন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শোকের মাসে অশ্লীল কুটুক্তি করেছে আমি আর ঘরে বসে থাকতে পারি না। আমি সিঙ্গাপুর থেকে ছুটে এসে এই প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছি। সদর সূবর্ণচর নেতাকর্মীদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক ও প্রস্তুতি সভা করে এই সভার ডাক দিয়েছি। আজ প্রতিবাদ সভা বিশাল জনসভায় পরিণত হয়েছে। এক লক্ষাধিকের উপরে লোক আমার ডাকে সাড়া দিয়েছে। আমি আপনাদের নিকট কৃতজ্ঞ এবং চিরঋণী হয়ে গেলাম। আপনারা আমার নেত্রীর জন্য এবং আমার জন্য দোয়া করবেন। এই বলে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। এসময় নেতাকর্মীরা দাড়িয়ে স্লোগান দেন “নোয়াখালীর মাটি, একরাম চৌধুরীর ঘাঁটি”। এসময় জানতে চাইলে নেতাকর্মীরা জানান, প্রায় এক লক্ষ লোকের সমাগম হয়েছে, একরাম চৌধুরীর ডাকে মানুষ সবসময় সাড়া দিয়ে থাকে। তিনি মাটি ও মানুষের নেতা। নোয়াখালীতে তার বিকল্প নেই। এই জন্য তাকে মানুষ নগদ চৌধুরী হিসাবে চিনে।

সাবেক স্পীকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আব্দুল মালেক উকিলের সুযোগ্য সন্তান বাহা উদ্দিন খেলন বক্তব্যে বলেন, প্রধান মন্ত্রীকে নিয়ে বিএনপি লোকজন কুটুক্তি করেছে কিন্তু জেলা আওয়ামীলীগের লোকজন কোন প্রতিবাদ সভা করতে পারেননি। আপনাদের জনপ্রিয় নেতা একরাম চৌধুরীর ডাকে বিশাল সমাবেশ করে আজ দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। এখানে একরাম চৌধুরীর বিকল্প নেই।

এদিকে নোয়াাখালী পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিবাদ সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি ডিবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে রয়েছেন বলে তিনি জানান। এদিকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক জোরদার ছিল। কোথাও কোন ধরণের সহিংসতার খবর পাওয়া যাইনি।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

 সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে এক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ওভারব্রিজের কাছে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছে ধাক্কা খেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জেলা ট্রাফিক পরিদর্শক সালেকুজ্জামান খান জানান, নাটোরের বনপাড়া থেকে একটি মাইক্রোবাসে ১৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় আসছিল।ঝাঐল ওভার ব্রিজের কাছে পৌঁছুলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন ও হাসপাতালে নেয়ার পথে আরও একজন মারা যান। হতাহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব হাসপাতালে পাঠানো হয়।  


আরও খবর



অক্টোবরের ৪ থেকে টিকার প্রথম ডোজ বন্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে আসাসহ নানা কারণে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ আর দেওয়া হবে না। তবে দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম চলমান থাকবে।

রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী করোনা টিকার প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের বিশেষ ক্যাম্পেইন চলবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাদ পড়া সবাইকে প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন নিতে হবে। অন্যথায় ৪ অক্টোবর থেকে আর প্রথম ডোজ পাওয়া যাবে না।

১৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রেডিসন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ এখনও করোনা টিকার প্রথম ডোজ এবং প্রায় ৯৪ লাখ মানুষ দ্বিতীয় ডোজ নেননি। তাই আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া সবাইকে টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২