Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় ব্যয়বহুল শহর ঢাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে ঢাকা আর প্রথম অবস্থানটি নিয়েছে ভারতের মুম্বাই সম্প্রতি প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক অর্থনৈতিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান মার্সারেরমার্সার কস্ট অব লিভিং সার্ভে-২০২৪শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে তথ্য জানা গেছে 

প্রতিবছর বিদেশিদের জন্য বিশ্বের কোন শহরগুলো কতটা ব্যয়বহুল, সেই তালিকা প্রকাশ করে মার্সার চলতি বছরের তালিকায় দেখা গেছে, বিশ্বে ব্যয়বহুল শহর হিসেবে শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে হংকং এই শহর ছাড়া বিশ্বের বাকি শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরগুলো হলোসিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ডের জুরিখ, জেনেভা, বাসেল, বার্ন, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, যুক্তরাজ্যের লন্ডন, বাহামা দ্বীপপুঞ্জের নাসাউ এবং যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস

তালিকায় ১৪০তম অবস্থানে আছে ঢাকা, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান। গত বছর এই তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ১৫৪ নম্বরে। সেই হিোবে এবার ঢাকা ১৪ ধাপ এগিয়েছে। তালিকার ১৩৬ নম্বরে জায়গা করে নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম হয়েছে মুম্বাই। বছরের তালিকায় ভারতের আরও বেশ কয়েকটি শহর স্থান পেয়েছে। দিল্লির অবস্থান ১৬৫তম, চেন্নাই ১৮৯তম, বেঙ্গালুরু ১৯৫তম, হায়দরাবাদ ২০২তম, পুনে ২০৫তম, কলকাতা ২০৭তম 

ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের শহরের মধ্যে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো ১৯০তম পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের অবস্থান ২২৪তম তবে বিশ্বের ২২৬টি শহর নিয়ে করা এই তালিকায় নেই এশিয়ার আফগানিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ নেপালের কোনো শহরের নাম তালিকায় শীর্ষে রয়েছে হংকং শহরটি গত বছর এবং তার আগের বছরেও শীর্ষে ছিল আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, বিশ্বের ২২৬টি শহরের অন্তত ২০০ বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে এই তালিকা প্রস্তুত করেছে মার্কিন ফিন্যান্সিয়াল সার্ভে কোম্পানি মার্সার। বিবেচনার বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছেপরিবহন, খাদ্য, পোশাক, গৃহস্থালি সামগ্রী বিনোদনের পেছনে ব্যয়


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ডেঙ্গু: কারণ, সতর্কতা এবং প্রতিকার

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

ডেঙ্গু জ্বর হলো ডেঙ্গু নামক এক ধরনের ভাইরাস দ্বারা মানবদেহে সৃষ্ট জ্বর রোগ। সারা পৃথিবীতে ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি প্রকরণ রয়েছে। সাধারণত প্রতি বছর জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের দেশে এই রোগ মহামারী আকার ধারণ করে। লিখেছেন ডা: মো: কফিল উদ্দিন চৌধুরী

আমাদের দেশে প্রধানত এডিস এজিপ্টাই ও এডিস এলবোপিক্টাস প্রজাতির মশকী-ই এই রোগের প্রধান বাহক হিসেবে কাজ করে। উপরিউক্ত প্রজাতির মশকীর দংশনেই এই ভাইরাস কোনো অসুস্থ ব্যক্তির দেহ থেকে অন্য কোনো সুস্থ ব্যক্তির রক্তে প্রবেশ করে রোগের সৃষ্টি করে। সেই সাথে মানবসমাজে এই রোগের প্রকোপ ব্যাপক আকার ধারণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক জরিপে দেখা যায় প্রতি বছর পৃথিবীতে গড়ে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। আর এই রোগে বার্ষিক মৃত্যুর পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার। নিরক্ষীয় ও উপনিরক্ষীয় অঞ্চলের প্রায় ১০০টি দেশে এই রোগ স্থানিক রোগ হিসেবে স্বীকৃত। উপরিউক্ত অঞ্চলদ্বয়ের প্রায় ১.৭ বিলিয়ন মানুষ এই রোগের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। আমাদের দেশে সর্বপ্রথম ১৯৬৪ সালে ডেঙ্গু জ্বরের কেইস রিপোর্ট হয়। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হলো ডেঙ্গু আমাদের দেশে সবচেয়ে দ্রুত বিস্তার লাভ করা সংক্রামক রোগ হলেও এখনো দেশব্যাপী এর প্রকোপ নিরূপণে বিশদ কোনো জরিপ পরিচালিত হয়নি। স্বল্প পরিসরে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহর, হাসপাতাল-ক্লিনিকে কিছু খণ্ডকালীন জরিপ পরিচালিত হয়েছে মাত্র। তেমনি ২০১৭ সালে রাজধানী শহরের হাসপাতালকেন্দ্রিক এক জরিপে দেখা যায়, ওই বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা দুই হাজার ৫৮৮ জন। আর এই রোগে মৃতের সংখ্যা পাঁচজন। কিন্তু প্রকৃত হিসাবে দেশব্যাপী এই সংখ্যা আরো কয়েক গুণ বেশি হবে।
রোগের রোগতত্ত্ব
ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু যখন মানবদেহের রক্তে প্রবেশ করে তখন এর বিরুদ্ধে মানবদেহে উৎপন্ন হয় এন্টিবডি নামক এক ধরনের প্রোটিন। অতঃপর ওই প্রোটিনের সাথে রোগের নিয়ন্ত্রণকল্পে জীবাণুর এক শক্ত বন্ধন সৃষ্টি হয়। সবশেষে এই প্রোটিন-জীবাণুর মিশ্রণ জমা হতে থাকে রক্তনালীর প্রাচীর ও রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়ক প্ল্যাটিলেট তথা অনুচক্রিকার গায়ে। সেই সাথে মানবরক্তে রোগ প্রতিরোধে সহায়ক টি-লিম্ফোসাইট নামক শ্বেত রক্তকণিকা উদ্দীপিত হয়ে মানবরক্তে নিঃসৃত করে নানা ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ। পরিশেষে বেড়ে যায় মানবরক্ত সংবহনতন্ত্রের ক্যাপিলারি তথা রক্ত জালকে অভিগম্যতা। অতিরিক্ত মাত্রায় রক্তরস তথা প্লাজমা রক্তনালী থেকে বের হয়ে মানব কোষ কলায় আশ্রয় নেয়। পানি জমতে শুরু করে রোগীর বুকে ও পেটে। বেড়ে যায় রক্তের ঘনত্ব তথা হেমাটোক্রিটের মাত্রা। কমতে শুরু করে রক্তে প্রোটিন ও সোডিয়ামের পরিমাণ। সেই সাথে কমতে শুরু করে রক্তে অনুচক্রিকার পরিমাণ ও কর্মক্ষমতা। দেখা দেয় মানবদেহের নানা জায়গা থেকে মামুলি থেকে তীব্র রক্তক্ষরণের প্রবণতা।
রোগের লক্ষণ
লক্ষণ ও রোগতত্ত্বের ভিত্তিতে মানব ডেঙ্গু জ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথাÑ
সাধারণ ডেঙ্গু জ্বর ও রক্তপাতসহ ডেঙ্গু জ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গু জ্বর
হঠাৎ তীব্র জ্বর, যা সাধারণত দ্ইু থেকে সাত দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়,
জ্বরের সময় পুরো গায়ে কিংবা গায়ের অংশ বিশেষে লাল-লাল ফুসকুড়ি,
তীব্র মাথা ব্যথা,
চোখের পেছনে ব্যথা,
মাংসপেশি, অস্থিসন্ধি কিংবা কোমরে ব্যথা,
বিরল ক্ষেত্রে জ্বরের পর্যায়ে রোগীর দেহের নানা জায়গায় রক্তক্ষরণ।
প্রভৃতি এক বা একাধিক লক্ষণ নিয়ে মানবদেহে এই রোগ দেখা দিতে পারে।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গু জ্বর
এ ক্ষেত্রে রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরের মতোই। তবে জ্বর শেষে পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রোগীর দেহের চামড়ার নিচ, নাক, চোখ, মুখ, যোনিপথ, বমি, প্রস্রাব-পায়খানা বা কাশির সাথে স্বল্প থেকে তীব্র রক্তক্ষরণ হতে পারে,
রোগীর রক্তনালী থেকে প্লাজমা লিকেজের কারণে বুকে ও পেটে পানি জমতে পারে,

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে রক্তচাপ কমে গিয়ে রোগী শকে চলে যেতে পারে।
সাধারণত জ্বর শেষ হওয়ার পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আক্রান্ত রোগীদের এসব লক্ষণ দেখা দেয় বলে ওই সময়কালকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ওই রোগে আক্রান্ত রোগীর ক্রাইসিস পিরিয়ড তথা সঙ্কটকাল বলা হয়। এ ছাড়া সাধারণ কিংবা রক্তপাতসহ ডেঙ্গু জ্বরে রোগের জটিল পর্যায়ে রোগীর দেহের এক বা একাধিক অঙ্গ যেমনÑ লিভার, কিডনি, স্নায়ুতন্ত্র, ফুসফুস প্রভৃতির অঙ্গে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। এমনকি আক্রান্ত অঙ্গের কর্মক্ষমতা হঠাৎ করে লুপ্ত হতে পারে।

কাদের ডেঙ্গু জ্বরের জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি?
নবজাতক
প্রৌঢ় ব্যক্তি
স্থূল স্বাস্থ্যের অধিকারী
গর্ভবতী নারী
ঋতুবতী নারী
পেপটিক আলসারে আক্রান্ত ব্যক্তি
থ্যালাসেমিয়াসহ অন্যান্য রক্তরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি
হৃদযন্ত্রের জন্মগত ত্রুটিতে আক্রান্ত ব্যক্তি
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগী, দীর্ঘমেয়াদে যকৃৎ ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি
এইডস আক্রান্ত ব্যক্তি
দীর্ঘমেয়াদে স্টেরয়েড ও ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহারকারী
এই রোগের নানা জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।
রোগ নির্ণয়
জ্বরের কারণ তথা ভাইরাসের উপস্থিতি নিরূপণকল্পে পরীক্ষাগুলো :
মানব রক্তে ভাইরাসের দেহস্থ ঘঝ১ এন্টিজেন নামক দেহাণুর উপস্থিতি

ওই ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানব রক্তে উৎপন্ন এন্টিবডির উপস্থিতি
আক্রান্ত মানব কোষ-কলা কিংবা রক্তে ওই জীবাণু কিংবা উহার দেহাংশ তথা এন্টিজেনের উপস্থিতি
কিংবা চঈজ পরীক্ষার মাধ্যমে ওই জীবাণুর নিউক্লিক এসিডের বিন্যাস নির্ণয়
প্রভৃতি এক বা একাধিক পরীক্ষার মাধ্যমে মানব দেহে এই রোগের জীবাণুর উপস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
এ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক রোগ নির্ণয়ে সহায়ক এবং রোগের জটিলতা নিরূপণকল্পে নানা ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, আমাদের দেশে ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, টনসিলাইটিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ল্যাপ্টোস্পাইরোসিস, মেনিনজাইটিস, চিকুনগুনিয়া জ্বর, টাইফাস বা সান্নিপাতিক জ্বর প্রভৃতি রোগ একই উপসর্গ নিয়ে মানব দেহে দেখা দিতে পারে। প্রয়োজনে একই রূপে ভিন্ন ব্যাধির সম্ভাবনা দূরীকরণকল্পে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক নানা ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।
চিকিৎসা
এই রোগের চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক। কারণ এই রোগের ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ওষুধ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বাড়িতে রেখেই এই রোগের নিম্নলিখিত চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে।
এই রোগের চিকিৎসায় পান করতে হবে পানিসহ প্রচুর তরল খাবার। তরল খাবার হিসেবে খাবার স্যালাইন, ডাবের পানি, ফলের রস, স্যুপ প্রভৃতি দেয়া যেতে পারে। অন্ততপক্ষে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার তরল খাবার খেতে হতে পারে। এই রোগের চিকিৎসায় তরল খাবার হিসেবে কোল্ড ড্রিংক পরিহার করাই উত্তম।
সেই সাথে নিশ্চিত করতে হবে উপযুক্ত শারীরিক বিশ্রাম।
জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
সেই সাথে প্রয়োজন জ্বরের সময় দ্রুত দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক আনার লক্ষ্যে রোগীর মাথায় ঠাণ্ডা জলপট্টি কিংবা সারা দেহ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুছে দেয়া যেতে পারে।
বমির জন্য প্রয়োজন হতে পারে বমিনাশক ওষুধ।
প্রয়োজনে রোগের জটিল পর্যায়ে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে। এই অবস্থায় প্রধানত রোগীকে শিরাপথে প্রয়োজনীয় স্যালাইন দেয়া যেতে পারে। সেই সাথে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের সময় প্রয়োজনে রোগীর শরীরে রক্ত দেয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে তীব্র রক্তক্ষরণের সময় রোগীর রক্তে অনুচক্রিকার মাত্রা যখন প্রতি কিউবিক মিলি. এ দশ হাজারের কম কিংবা রক্তপাত হলে অনুচক্রিকার মাত্রা কমে প্রতি কিউবিক মিলি. এ পঞ্চাশ হাজার বা তার কম হলেও রোগীর শিরাপথে অনুচক্রিকা তথা প্লাটিলেট ট্রান্সফিউশনের প্রয়োজন হতে পারে।

রোগের জটিল পর্যায়ে রোগীর এক বা একাধিক অঙ্গ যখন অকার্যকর হয়ে পড়ে তখন এসব রোগীকে আইসিসিইউতে রেখে নিবিড় চিকিৎসা দেয়া হয়।
কখন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে
বাড়িতে যথাযথ চিকিৎসা সত্ত্বেও রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি,
রোগী মুখে খাদ্য ও পানীয় খেতে না পারলে,
তীব্র পেট ব্যথা, তীব্র বমি,
হাত-পা ক্রমাগতভাবে ঠাণ্ডা ও নিস্তেজ হয়ে আসা,
তীব্র অবসাদ কিংবা রোগীর আচরণের অস্বাভাবিক পরিবর্তন,
রোগীর শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ,
ঋতুবতী মহিলার মাসিকের সময় অস্বাভাবিকভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,
বিগত ৬ ঘণ্টা ধরে আক্রান্ত রোগীর প্রস্রাব না হওয়া,
রোগীর হাত-পা নীল হয়ে আসা,
রোগীর রক্তচাপ অস্বাভাবিক কমে গিয়ে শকে চলে যাওয়া,
শরীরের গতি অতি দ্রুত ও ক্ষীণ হয়ে আসা,
ক্যাপিলারি রিফিল টাইম ৩ সেকেণ্ডের বেশি হওয়া,
রোগীর রক্তে অনুচক্রিকার মাত্রা প্রতি কিউবিক মিলি-এ এক লাখের কম হওয়া,
রোগীর রক্তের ঘনত্ব তথা হেমাটোক্রিটের মাত্রা চল্লিশের বেশি হওয়া,
রোগীর বুক ও পেটে পানি জমা,
রোগীর যকৃতের আকার ২ সেমি.-এর বেশি বৃদ্ধি পাওয়া।
ডেঙ্গুর চিকিৎসায় যা করবেন না
কখনো ডেঙ্গু জ্বরে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত এসপিরিন বা ব্যথানাশক ওষুধ সেবন,
রক্তক্ষরণের প্রবণতা দেখা না যাওয়া পর্যন্ত শিরাপথে স্যালাইন দেয়া,

রক্তক্ষরণ তীব্র না হলে কিংবা রক্তের হেমাটোক্রিট অতিরিক্ত মাত্রায় কমে না গেলে রোগীকে রক্ত দেয়া,
রোগের চিকিৎসায় অযাচিতভাবে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধের ব্যবহার,
রোগের চিকিৎসার প্রয়োজন না হলে এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার,
শরীরের শিরাপথে স্যালাইন প্রবাহের গতি অপ্রয়োজনে অতি দ্রুত বাড়ানো বা কমানো,
রোগীর দেহে অদৃশ্যমান রক্তপাত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য রোগীর পাকস্থলীতে নল ঢুকানো।
নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে করণীয়
প্রতিরোধই প্রতিকারের চেয়ে উত্তম পন্থা। তাই এই রোগের প্রতিরোধে নিম্নলিখিত পন্থাগুলো অনুসরণ করা যেতে পারে।
ক) ব্যক্তিগত পর্যায়ে
ঘুমানোর সময় বিশেষত বিকেল ও রাতে মশারি খাটিয়ে ঘুমানো,
মশকীর দংশন প্রতিরোধকল্পে গায়ে ও পরার কাপড়ে মশক নিবারক ক্রিমের ব্যবহার কিংবা প্রয়োজনে লম্বা হাতওয়ালা শার্ট ও ফুলপ্যান্টসহ মোজা পরিধান,
প্রয়োজনে বাড়িতে মশার প্রবেশ নিয়ন্ত্রণকল্পে বাড়ির সব জানালা, ভেন্টিলেটর মশা অনভিগম্য জালক বা স্ক্রিনের ব্যবহার।
খ) কমিউনিটি পর্যায়ে করণীয়
স্থির পানিই যেহেতু এডিস মশার বংশবিস্তারের প্রধান মাধ্যম। তাই গৃহস্থালির আশপাশে পড়ে থাকা পানি জমার বিভিন্ন আধার যেমন টিনের ক্যান, পরিত্যক্ত টায়ার, অব্যবহৃত পানির পাত্র, সেপটিক ট্যাংক, এয়ারকুলার প্রভৃতিতে যাতে পানি জমতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখা। প্রয়োজনে উপরোক্ত আবর্জনাগুলো অপসারণের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রয়োজনে পানির ট্যাংক, হাউজ কিংবা ম্যানহোলের গর্তগুলো উপযুক্ত মশক অনভিগম্য ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। যাতে পানির আধারের পানিগুলো এডিস মশার বংশবিস্তারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতে না পারে।


ফুলের টব বা ফুলদানিতে জমে থাকা পানি প্রতি তিন দিন অন্তর ফেলে দিতে হবে।
বাড়ির আশপাশের ঝোপজঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
) রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে করণীয়
মশার নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মশার দমনে নিয়মিতভাবে ব্যাপক হারে মশকনাশক বিভিন্ন কীটনাশক যেমনÑ ডিডিটি, পারমেথ্রিন প্রভৃতি দেয়া যেতে পারে।
মশার লাভা দমনে বাড়ির আশপাশের মজা পুকুর ডোবায় বিভিন্ন কীটনাশক যেমন কেরোসিন, পেরিসগ্রিন প্রভৃতি দেখা যেতে পারে। উপরোক্ত পুকুরে মশার লাভা সেবনকারী বিভিন্ন মাছ যেমন তেলাপিয়া, নাইলোটিকা কিংবা গাপ্পি মাছের চাষ পরিবেশবান্ধব বিকল্প পন্থা হতে পারে।
সেই সাথে রাষ্ট্রীয় সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে ডেঙ্গু এর নিয়ন্ত্রণে যথাযথ স্বাস্থ্য শিক্ষার দেয়ার মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগের প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে। ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক প্রিন্ট মিডিয়াগুলোতে এই জনসচেতনতা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
আছে কি কোন টীকা?
সম্প্রতি বাংলাদেশে সানোফি-এভেন্টিস নামক ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি কর্তৃক উদ্ভাবিত ডেঙ্গুর প্রতিরোধে ডেঙ্গাভেক্সিয়া নামক টীকা বাংলাদেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনগুলোতে এর কার্যকারিতা নিরীক্ষার জন্য স্বল্পপরিসরে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে দেয়া হচ্ছে। তথাপি সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য এর সবুজ টিকিট পেতে হলে আমাদের আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে

লেখক : ডা: মো: কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মেডিসিন ও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা।


আরও খবর



শ্রীপুরে ১৪ বছরের কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসক গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:



গাজীপুরের শ্রীপুরে কিশোরী গৃহকর্মীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের পর সেই ভিডিও দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনায় ফরহাদ উজ্জামান নামে এক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। 



এরই মধ্যে আপত্তিকর ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত চিকিৎসক।


রোববার (৩০ জুন) সকালের দিকে অভিযুক্ত চিকিৎসককে আদালতে পাঠানো হয়। এরআগে,ভুক্তভোগীর মায়ের দায়ের করা মামলায় শনিবার রাতে শ্রীপুর পৌরসভার শ্রীপুর বাজারের নিজস্ব চেম্বার থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে শ্রীপুর থানা-পুলিশ।



গ্রেপ্তার ডা: ফরহাদ উজ্জান (৩৭) শ্রীপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের আবুল হাসেমের ছেলে। তিনি একজন ফিজিওথেরাপিদ চিকিৎসক। তার বাবা একজন আইনজীবী।


ভুক্তভোগী গৃহকর্মীর (১৪) বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায়। দীর্ঘদিন ধরে তার বাবা-মা শ্রীপুরে ভাড়ায় থেকে মা মানুষের বাড়িতে কাজ করে এবং বাবা রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।


ভুক্তভোগী কিশোরী মা বলেন,' আনুমানিক দুই মাস আগে ওই চিকিৎসকের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। এরপর সে আমার ১৪ বছর বয়সী মেয়েকে তাদের বাসার কাজ করার জন্য প্রস্তাব দেয়।



 তখন আমি বেতন ঠিক করে মেয়েকে তাঁর বাড়িতে কাজ করতে পাঠাই। এর কিছুদিন যাওয়ার পর অভিযুক্ত সুকৌশলে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে তার মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিযুক্ত তার বাসায় ও চেম্বারে নিয়ে আমার মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করে।



 বিষয়টি মেয়ে আমাকে জানালে আমি ও আমার স্বামী গিয়ে চিকিৎসকের বাড়ি থেকে মেয়েকে নিয়ে আসি। নিয়ে আসার পরপরই আমার মোবাইল নম্বরে অপরিচিত একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে মেয়েকে আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। 



এর একদিন পর আজ সকালে আমার এক আত্মীয় ফোন করে জানায় মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। এরপর আমি থানায় এসে পুলিশকে লিখিত আকারে জানালে পুলিশ তাকে আটক করে।



শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান  বলেন,' ভুক্তভোগীর মায়ের লিখিত অভিযোগটি আমলে নিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়। সেই মামলায় ফরহাদ উজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। '



আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে নানিয়ারচর জোন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

উচিংছা রাখাইন, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটিতে ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বসত ঘর নির্মাণের জন্য টিন এবং গৃহপালিত পশু (ছাগল) বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নানিয়ারচর জোন।

নানিয়ারচর সেনাজোন (১০ বীর) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ''সম্প্রীতি ও উন্নয়ন" প্রকল্পের আওতায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বসত ঘর নির্মাণের জন্য টিন,নির্মানে সাহায্য এবং গরীব ও অসহায় দুইটি পরিবারের মাঝে গৃহপালিত পশু (ছাগল) বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

দেখাগেছে  ইসলামপুর  এলাকার অসহায় রাজিয়া বেগমের রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত বসত ঘর পুণঃনির্মাণ করে দেওয়া হয় এবং সেই সাথে কুতুকছড়ি এলাকার রফিক উদ্দিন ও সুজন চাকমাকে পারিবারিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সহায়তা স্বরুপ ছাগল প্রদান করা হয়েছে।


জোন অধিনায়ক  বিএ-৭৫৯৭ লেঃ কর্ণেল  তামজিদুর রহমান চৌধুরী(পিএসসি) তিনি নিজেই পরিবারের মাঝে স্বাবলম্বী করতে গৃহ নির্মানে সহযোগিতা এবং টিন,গৃহপালিত পশু বিতরণ করেন। 

তিনি এসময়  বলেন,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা নানিয়ারচর জোন, তার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে চলেছে। নানিয়ারচরে সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত এমন কর্মসূচিতে, স্থানীয় সকল স্তরের জনগণ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে আসছে। 


আরও খবর



বিশ্বকাপ ব্যর্থতা নিয়ে জানালেন তাসকিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত ফল মেলেনি। সেমিফাইনালে খেলার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও তা হাতছাড়া করেছে টিম টাইগার্স। তবে টাইগার বোলিং ইউনিট ভালো করেছে। বিশ্বকাপের আগাগোড়াই তাদের পারফর্ম্যান্স ছিলো নজরকাড়া। তবে টাইগার টপ অর্ডার ব্যাটাররা সুবিধা করতে পারেননি।

হতাশার বিশ্বকাপ মিশন শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় তারা।

দেশে ফিরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন টাইগার পেসার তাসকিন আহমেদ।

ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে তাসকিন বলেছেন, ব্যাটিং বিপর্যয় যেটা, আসলে সত্যি বলতে বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রে যখন খেলা হয়েছে, তখন কিন্তু ব্যাটারদের ফেভার খুব কম ছিল। আপনারা যদি স্ট্যাট চেক করেন, অন্যান্য দেশের ব্যাটার, বড় বড় দলগুলোও স্ট্রাগল করেছে। ওখানে বোলারদের একটু অ্যাডভান্টেজ ছিল।

তাসকিনের মতে, ওয়েস্ট ইন্ডিজে যাওয়ার পর একটু ভালো উইকেটে খেলছি আমরা। কিন্তু তাও আসলে, এত লম্বা...কখনোই আমি ক্রিকেট খেলার পর, বাংলাদেশ দলের হয়ে শেষ ১০ বছর ধরে খেলছি, কখনো এরকম লম্বা ব্যাটিংয়ে খারাপ সময় দেখি নাই। আশা করি এটা দ্রুতই কাটিয়ে উঠবে।

সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অফফর্ম নিয়েও কথা বলেছেন তাসকিন। তিনি বলেন, দুইজন সিনিয়র ক্রিকেটার অফফর্মে থাকার প্রভাব দলের উপর অবশ্যই পড়েছে। তবে মাঠের বাইরে কোনো ধরনের প্রভাব পড়েনি। কারণ, মাঠের বাইরে তারা সবসময় ভালো টিমম্যান। আল্লাহর রহমতে এই যে ৪৭ দিনের মতো একসাথে ছিলাম, সবার আচরণ ভালো ছিল। সবাই একসাথে ছিলাম। মাঠের বাইরে সবই ঠিক ছিল। দলের প্রধান ক্রিকেটাররা অফফর্মে থাকলে সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক।

পেসারদের পারফর্ম্যান্স নিয়ে তাসকিন বলেছেন, অবশ্যই। মাশাআল্লাহ তানজিম সাকিব, রিশাদ এরা সেরা পাঁচ উইকেটশিকারীর মধ্যে ছিল। রিশাদ এখনও আছে। ওভারঅল ভালো করছে মাশাআল্লাহ। এটা খুব পজেটিভ সাইন বাংলাদেশ থেকে ফিউচার স্টাররা উঠে আসবে। অলরেডি বিশ্বকে বোঝানো হয়েছে যে আমাদের সবার মধ্যে ডিফারেন্ট অ্যাবেলেটি আছে।


আরও খবর



তিনটি বন্দুক সহ সম্রাট বাহিনীর সদস্য ইমন গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

রাজবাড়ী প্রতিনিধি :

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউপির পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে  সন্ত্রাসী সম্রাট বাহিনীর সদস্য ইমন মন্ডল (১৯) কে ৩ টি বন্দুক সহ গ্রেফতার করেছে পাংশা মডেল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে  নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ ।

ইমন ওই এলাকার মনিরুল ইসলাম ওরফে জিন্নার ছেলে।


পাংশা মডেল থানা ওসি স্বপন কুমার মজুমদার বুধবার এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানান, আমদের সাব-ইনেস্পেক্টর তারিকুল ইসলামের কাছে আসা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা রাতে পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের কলিমহর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করি। এবং ভারতে পালিয়ে থাকা শির্ষ সন্ত্রাসী সম্রাট বাহিনীর সদস্য ইমন মন্ডলকে আটক করি। 


ওইখানেই তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাস্বাবাদ করলে সে তার বাড়ীর উত্তর পার্শ্বে পশ্চিম কোনায় তার চাচা নাসির উদ্দিন মন্ডলের পুকুর চালায় নিয়ে যায়। এরপর সে পুকুর চালায় ঘাসের মধ্য থেকে প্লাষ্টিকের ব্যাগের মধ্যে থাকা সম্রাট বাহিনীর তিনটি সচল একনালা বন্দুক বের করে দেয়। অস্ত্রগুলো সম্রাট বাহিনীই তার কাছে দিয়েছে বলে সে জানায়। তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ স্যারের দিক নির্দেশনায় আমরা পাংশা থানা পুলিশ মাদক কারবারি ও অবৈধ অস্ত্রধারী সহ সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়োমিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। এ অভিযান চলমান থাকবে।

ইমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর