Logo
শিরোনাম

দল গোছানোর কাজে গতি আনছে আ.লীগ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

আগামী ডিসেম্বরে হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। এ সম্মেলনের আগে ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে মেয়াদোর্ত্তীণ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি করার নির্দেশ দিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর থেকেই সারাদেশে সাংগঠনিক সফরে ব্যস্ত সময় পার করছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। এ দিকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলন ও নতুন কমিটি গঠনের কাজ চলছে।

ভারপ্রাপ্ত আর নিষ্ক্রীয় নেতাদের দিয়ে চলছে সংগঠনগুলো। মহানগরের ছাত্রলীগের মেয়াদ উত্তীর্ণ, যুবলীগের মেয়াদ শেষ হয়েছে ৮ বছর আগে, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্যক্রম স্থাগিত, যুবমহিলা লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই, সংগঠনের নেতারা শুধু মাত্র দিবসকেন্দ্রিক কিছু অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ। তাই এখন কাজ চলছে সংগঠন গোছানো কাজে নতুন গতি আনার চেষ্টা।

সর্বশেষ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে মহানগরের নেতাদের বর্ধিত সভা হয়। সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা মহানগরের সম্মেলনের ইঙ্গিত দেওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেন মহানগরের দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এখন প্রতিদিনই মহানগর উত্তর-দক্ষিণের কোনো না কোনো ওয়ার্ড ও থানায় সম্মেলন করছেন। নভেম্বরের মধ্যে সব থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট কমিটি দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে কেন্দ্র থেকে। কিন্তু দলটির সহযোগী সংগঠনের বিষয়ে কারও কোনো উদ্যোগ নেই। সময়মতো কমিটি না হওয়ায় এসব সংগঠনে পদপ্রত্যাশীরা অনেক নেতাই দলীয় পরিচয় দিতে পারছে না। দলে থেকেও পদের পরিচয় না থাকায় হতাশ সংগঠনগুলোর নেতারা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে মহানগর ছাত্রলীগের উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসেবে দুই বছর মেয়াদী সংগঠনের মেয়াদ শেষ হয় গত বছরই। কিন্তু এখনো সম্মেলনের কোনো প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে না। উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা দীর্ঘদিন পদে থাকায় নানান বির্তকিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন। মাঝে ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতির মো. ইব্রাহিম হোসেনকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদককে পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছেন। যদিও তারা এখনো স্ব-পদে রয়েছেন।

এদিকে মহানগরের যুবলীগের অবস্থা এখন বেশ নাজুক। কেন্দ্রীয় নেতারাও ‘বিতর্কে জর্জরিত’ ঢাকা মহানগরে নজর দিচ্ছেন না। পুরনো কমিটি দিয়ে মহানগর চালাচ্ছে যুবলীগ। শুধু তাই নয়, বর্তমান কমিটির দুটি শীর্ষ চার পদের তিনটি চলছে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে। ২০১৩ সালে মিল্কী হত্যার পর পলাতক থাকেন ওয়াহিদুল ইসলাম আরিফ। পরে দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান এইচএম রেজাউল করিম রেজা। ক্যাসিনোকাণ্ডে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট গ্রেফতার হলে মাইনউদ্দিন রানাকে দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্যদিকে উত্তরের সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল কেন্দ্রীয় যুবলীগে পদ পাওয়ার পরে জাকির হোসেন বাবুল ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান। এদিকে সম্মেলন না হওয়ায় মহানগরের যুবলীগের পদপ্রত্যাশীরা প্রায় আশা ছেড়ে বসে আছেন। অনেকে আওয়ামী লীগের অন্য কোনো সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির কথাও ভাবছেন।।

জানা গেছে, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের পরপরই ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়। এই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা আর মহানগরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে পারেননি। পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে না পারায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ কমিটি স্থগিত করা হয়। গত জুলাই মাসের ২৮ তারিখে সকল কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরের ওয়ার্ড, থানা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। মহানগরের ওয়ার্ড, থানা কমিটি বিলুপ্ত করায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে নেতাকর্মীদের মনে তেমন তোড়জোড় নেই। যতিও গত শুক্রবার রাতে নগরের পূর্ণাঙ্গ কমিটির একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় দপ্তরে। তবে এখনো মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের দায়িত্ববিষয়ক কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই নেতৃত্বে শূন্যই বলা চলে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

এদিকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ মৎস্যজীবী লীগের সম্মেলনের আড়াই মাস পার হয়ে যাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি ঘোষণা করে সংগঠনটি। সম্মেলনে ঢাকা মহানগর উত্তরে সভাপতি পদে ‘বিতর্কিত’ তাজরীন ফ্যাশন গার্মেন্টসের কর্ণধার দোলোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ‘বহুল বিতর্কিত’ আবদুল জলিলের নাম ঘোষণা করায় সংগঠনে ও সংগঠনের বাইরে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে গত ২২ মে মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কমিটির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলেও বলেছিলেন।

মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের দিনই ২০১৭ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের কমিটি গঠন হয়। কেন্দ্রের ওই কমিটির মতোই এখানেও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি চলছে। দিবসভিত্তিক কার্যক্রম ছাড়া এই সংগঠনের মহানগর শাখার তেমন কোনো কার্যক্রম নেই। মহিলা আওয়ামী লীগের মতোই ২০১৭ সালে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাকা মহানগরের কমিটি হয়। এরপর আর মহানগরে সম্মেলনের কথা ভাবেনি সংগঠনটি। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অর্থাৎ ২০০২ সালের পর শীর্ষ দুই পদে নাজমা আক্তার এবং অপু উকিল ছাড়া আর কেউ আসেননি। ২০২০ সালে পাপিয়াকাণ্ডে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে সংগঠনটি। এমন অবস্থায় সংগঠনটি কেন্দ্রীয় সম্মেলনের কথা ভাবলেও মহানগরের বিষয়ে তাদের তেমন কোনো ভাবনা নেই।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, ‘ঢাকা শহরে এখন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত ও শক্তিশালী। নগরের উত্তরে ইউনিট কমিটি শেষ করে থানা ও ওয়ার্ড কমিটিগুলো করা হচ্ছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ওয়ার্ড এবং থানা কমিটি শেষ হবে। সহযোগী সংগঠনগুলোকে আমরা নির্দেশ দিয়েছি। আওয়ামী লীগের মতো করে অনতিবিলম্বে সব সহযোগী সংগঠনের ইউনিট, ওয়ার্ড এবং থানা কমিটিগুলো করে ফেলার জন্য জোরেশোরে কাজ চলছে। আশা করি তারা সময় মতো কমিটিগুলো করতে পারবে।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




মোরেলগঞ্জে কৃষকলীগের আহবায়ক কমিটি গঠন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নেতৃবৃন্দরা হলেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষকলীগের  আহবায়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, সদস্য সচিব সরদার হাফিজুর রহমান লাভলু।

অন্যান্যেরা হলেন সদস্য খান মো. গোলাম মোস্তফা, সদস্য মো. রেজাউল ইসলাম রাজু। বাগেরহাট জেলা কৃষক লীগের সভাপতি শেখ আবুল হাশেম শিপন ও সাধারণ সম্পাদক মো. মনি মল্লিকের স্বাক্ষরিত ৯ সেপ্টম্বর শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর নিশ্চিত করেছেন। 


আরও খবর



রাজবাড়ী জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্ধ

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি ঃ

আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন আগামী ১৭ অক্টোবর ২০২২ এ উপলক্ষে প্রার্থীদের মধ্যে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আজ সকালে প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতিক বরাদ্ধ করেছেন জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান । 

চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী একেএম শফিকুল মোরর্শেদ আরুজ (তালগাছ), দিপক কুন্ডু ( মটর সাইকেল), ও ইমামুজ্জামান চৌধুরী ( আনারস ) প্রতিক পেয়েছেন। 

উল্লেখ্য ২ নং ওর্য়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য সফুরা বেগম বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ৫টি উপজেলা, ৩টি পৌরসভা ও ৪২ টি ইউনিয়নের ৫৯৮ জন জনপ্রতিনিধি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। 

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন , সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য পদে ৮ জন ও সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ১৮ জন মোট ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করছেন।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




প্রতি মাসে বাল্যবিয়ের শিকার ২৮৮ মেয়ে

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এ বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত দেশের ২৮টি জেলায় ২ হাজার ৩০১ জন কন্যাশিশু বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছে। সে হিসেবে প্রতি মাসে ২৮৮ কন্যাশিশুর বাল্যবিবাহ হয়েছে। এ সময় ৫৮৯টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে ‘কন্যাশিশু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন-২০২২’ উপস্থাপন করেছে।

এ ফোরাম ২০২২ সালের প্রথম ৮ মাসে দেশের ২৪টি জাতীয়, স্থানীয় ও অনলাইন সংবাদমাধ্যম থেকে বাল্যবিবাহের তথ্য সংগ্রহ করেছে। এছাড়া বাল্যবিবাহ-সংক্রান্ত তথ্য তারা মাঠপর্যায় থেকে নিয়েছে।

ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাছিমা আক্তার অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন। সেখানে বলা হয়, প্রথম ৮ মাসে ৭৬ কন্যাশিশু যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়। এর বেশির ভাগই রাস্তায়, নিজ বাসায় ও স্বজনদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার। এ সময় পর্নোগ্রাফির শিকার ১৫ জন, অ্যাসিড সন্ত্রাসের শিকার ৩ জন, অপহরণ ও পাচারের শিকার ১৩৬ জন, হত্যার শিকার ১৮৬ জন, যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার ১৩ জন এবং হত্যা করা হয়েছে ৫ জনকে, আত্মহত্যা করেছে ১৮১ জন ও ৮ কন্যাশিশুকে বিভিন্ন স্থানে ফেলে যাওয়া হয়। জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৫৭৪ কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়। এর মধ্যে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ৮৪ ও ৪৩ প্রতিবন্ধী কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার। জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম বলেছে, ধর্ষণের ঘটনার পর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলেও অনেকেই জামিনে মুক্ত হয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখায়। চূড়ান্ত শাস্তির কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।

জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের কিছু উল্লেখযোগ্য সুপারিশ হলো শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার মতো ঘটনাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত বিচার করা, অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই অভিযোগ প্রমাণের দায়, কন্যাশিশু নির্যাতনকারীদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রশ্রয় বন্ধ করা, শিশুদের জন্য আলাদা অধিদপ্তর, বাল্যবিবাহ বন্ধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নজরদারি বৃদ্ধি, সাইবার সচেতনতা বাড়ানো, আইনের সঠিক ও কঠোর প্রয়োগ।

ফোরামের সভাপতি বদিউল আলম মজুমদার বলেন, কন্যাশিশু নির্যাতন ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এর প্রতিরোধ প্রয়োজন। তিনি বলেন, নারীর প্রতি সুরক্ষা জন্মকাল থেকেই নিশ্চিত করতে হবে। কন্যাশিশুদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ সৃষ্টি করতে পারলে সবার জন্যই সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরি হবে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ঋতুপর্ণা-প্রসেনজিতের বিয়ে

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

গত ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে বিয়ের ঘোষণা দেন টালিউড অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী। অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে বিয়ে তার! বিয়েতে সবাইকে ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে নিমন্ত্রণও জানান এই অভিনেতা। আর এবার বিয়ের তারিখ জানালেন প্রসেনজিৎ।

তবে এই বিয়ে বাস্তব জীবনে নয়। শুধুই সিনেমায়। সিনেমার নাম ‘প্রসেনজিৎ ওয়েডস ঋতুপর্ণা’। প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণাকে টালিউডের সবচেয়ে সফল জুটি বলা হয়ে থাকে। এই সফল জুটির সিনেমা নিয়েই অভিনব প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা।

২৬ সেপ্টেম্বর সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে টালিউড সুপারস্টার জানান, বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৫ নভেম্বর ২০২২ ইং তারিখে বিয়ের বড় উদযাপনে যোগ দিন।

এছাড়া অভিনেতা একটি অ্যানিমেটিক টিজার শেয়ার করেছেন। সেখানে এক পুরুষ কণ্ঠ বলছে, বাবা আসছে নতুন সিনেমা, আসছে প্রসেনজিৎ ওয়েডস ঋতুপর্ণা।

এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন প্রসেনজিৎ। সেখানে দেখা যায়, প্রসেনজিৎ হঠাৎ করেই বন্ধ ঘরে ‘ঋতু ঋতু’ করে চিৎকার করেন। তার ডাকাডাকিতে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা বলেন, এত চেঁচামিচি করছো কেন? জবাবে অভিনেতা বলেন, এবার বিয়ের ডেট (তারিখ) ঠিক করা উচিত নয়? প্রসেনজিতের প্রশ্নে লজ্জায় ঋতুপর্ণা বলেন, কী আজেবাজে বকছো! আমাদের বিয়ের ডেট, ছেলে-মেয়ে বড় হয়েছে। আমাদের বিয়ের ডেট! এরপর তারকা বুম্বাদা বলেন, আরে আমাদের বিয়ের ডেটের কথা থোড়ি বলছি! আরে ভেতরে!

এভাবেই প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণাকে কথা বলতে দেখা যায়। তবে তারপরে তারা কী বলেন-না বলেন তা আর শোনা যায়নি। ‘আরে ভেতরে’ বলার পরই ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে পড়েন অভিনেতা। লজ্জায় অভিনেত্রীও ঘর ছাড়েন।

প্রায় দেড় দশক পর শিবপ্রসাদ-নন্দিতা ‘প্রাক্তন’ সিনেমার মধ্য দিয়ে পর্দায় ফিরেছিলেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা। এরপর কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দৃষ্টিকোণ’ সিনেমায় (২০১৮) কাজ করেন তারা।


সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে মহাষ্টমীতে মন্ডপে মন্ডপে উপচেপড়া ভীড়

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট:

শারদীয় দুর্গোৎসবের তৃতীয় দিনে আজ সোমবার মহাষ্টমী। সকাল থেকেই মন্দিরে মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয় কুমারী পূঁজা। দেবীকে মহালক্ষী হিসেবে সম্পদ, স্থিতিশীলতা, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে পূজা করছেন ভক্তরা। 

পুষ্পাঞ্জলির মধ্যে দিয়ে মহা মায়া দেবির  প্রতি আরাধনায় জাতির কল্যাণ কামনা ও করোনা মুক্তি কামনা করা হয়। বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মহাষ্টমীতে ৭৫টি দূর্গা মন্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে নারী পুরুষ পূজারী ভক্তবৃন্দরা অঞ্জলী প্রদানের মাধ্যমে কুমারি পূঁজা সম্পন্ন করেছেন। সকাল থেকেই পৌর শহরে সার্বজনীন কেন্দ্রীয় হরিসভা মন্দির, সেরেস্তাদারবাড়ি নবারন সংঘ দূর্গা মন্দির, সাধক রামপ্রসাদ মন্দিরসহ প্রতিটি মন্দিরেই ভক্তদের উপচেপড়া ভীড়। অঞ্জলী প্রদানের অপেক্ষায়। 

এ উপলক্ষে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় বাগেরহাট-৪, আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-ই আলম বাচ্চু, পৌরসভার মেয়র এ্যাড. মনিরুল হক তালুকদার, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ, জাতীয় পার্টির নেতা সাজন কুমার মিস্ত্রী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুল মালেক, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাবির সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃর্বৃন্দ প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ পৃথক পৃথক মন্দিরগুলো পরিদর্শন করেছেন। 

এদিকে শারদীয় দূর্গোৎসবকে ঘিরে পূর্জার প্রথম দিন থেকেই আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে কঠোর নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি মন্ডপে পুলিশ, আনসার ভিডিপি, স্বেচ্ছাসেবক টিম সার্বক্ষনিক অবস্থান করছেন। মোবাইলটিম  ও সিসি ক্যামেরায় আওতায় রয়েছে প্রতিটি মন্ডপ। সন্ধ্যায় প্রতিটি মন্দিরেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এবারে দূর্গোৎসবে প্রানবন্ত হয়ে উঠেছে সাম্প্রদায়িক বন্ধনে মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে এখন গোটা উপজেলায়।  


আরও খবর