Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নির্বাচন নিয়ে কী বলবে ও করবে এটা নিয়ে আমরা বিচলিত না। আমরা বিশেষ করে দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির বন্ধু তো দেশে আছে, বিদেশেও আছে। এখন নির্বাচনে অংশ নেয়নি, আন্দোলনে ব্যর্থ। তাদের তো বিদেশি বন্ধুদের কাছে মুখ রক্ষার বিষয় আছে।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ দপ্তর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য তারানা হালিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

সোমবারের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সামান্য কমেছে সবজির দাম, বেড়েছে মাংসের!

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

কিছুদিন আগে সবজির ভরা মৌসুমেও দাম ছিল চড়া। সপ্তাহের ব্যবধানে এখন কিছুটা কমেছে সবজির দাম। তবে বেড়ে চলেছে গরুর মাংসের দাম। এছাড়া বাজারে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দেখা গেছে চিত্র।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতের শিম, মুলা, শালগম প্রতি কেজি ও এবং ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার মধ্যে। যা গত সপ্তাহ থেকে প্রকারভেদে ১০-২০ টাকা কম। এর মধ্যে প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। লাউয়ের দামও প্রায় ১২০ টাকা থেকে কমে নেমেছে ১০০ টাকার নিচে নেমেছে।

যাত্রাবাড়ি বাজারের সবজি বিক্রেতা কামরুল হাসান বলেন, এখন বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো। এ কারণে সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। দীর্ঘদিন পরে সবজির দাম নিম্নমুখী।

যাত্রাবাড়ির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আলুর কেজি ৪০ টাকা, টমেটো গাজার ও শসার কেজি ৪০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, বরবটি ও করলা ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো কমেনি। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়। একই সঙ্গে চড়া দামে আদা ও রসুন দুই পদই বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা দরে।

এদিকে বাজারে কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। ভোটের আগে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬০০ টাকা পর্যন্ত নামলেও ভোটের পর তা ৭০০ টাকায় গিয়ে ঠেকে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে আরও দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা।

গরুর মাংসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, রোজা ও কোরবানি সামনে রেখে খামারিরা গরু বিক্রি কমিয়েছেন। সেজন্য বাজারে সরবরাহ কম, দাম বাড়ছে।

রূপস নামের এক ক্রেতা বলেন, অনেকে দামের কারণে গরুর মাংস কেনা ছেড়ে দিয়েছিলেন। মাঝখানে দাম কমানোয় ক্রেতা বেড়েছিল। এখন আবার দাম বাড়া শুরু করেছে। রমজান মাসে গরুর মাংসের দাম বেড়েছে। রমজান শুরু হলে এর দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে কে জানে।

এদিকে বাজারে চড়া দামে আটকে আছে ব্রয়লার মুরগি ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। প্রতি হালি বাদামি ডিম ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বড় বাজারে। আর পাড়া-মহল্লার দোকানে প্রতি হালি ডিমের দাম ৫০ টাকা, ডজন ১৫০ টাকা। এছাড়া ব্রয়লার মুরগির কেজি ২২০ থেকে ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাইডেনের চিঠির জবাব দিলেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো-বাইডেনকে চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ প্রেসিডেন্টের বিশেষ সহকারী ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের (এনএসসি) দক্ষিণ এশিয়ার জ্যেষ্ঠ পরিচালক পরিচালক আইলিন লাউবাচার কাছে চিঠির একটি অনুলিপি হস্তান্তর করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিঠির জবাব এটি।

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান চিঠির মূল কপি হোয়াইট হাউসের কাছে হস্তান্তর করবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তারা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চান।

আমরা তাদের সাথে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে দেশগুলো উপকৃত হবে।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সাথে বৈঠকে আন্তঃসংস্থা মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পরিচালক আইলিন লাউবাচার।

ইউএসএআইডির এশিয়া বিষয়ক সহকারী প্রশাসক মাইকেল শিফার, পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি আফরিন আখতার এবং ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সিডিএ হেলেন লাফাভে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের মহাপরিচালক খন্দকার মাসুদুল আলমসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো গভীর করার জন্য নতুন পথ অন্বেষণকে কেন্দ্র করে আলোচনা হয়। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা, জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি খাতের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তির পক্ষে এবং যেকোনো ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে তার সুবিধা ব্যবহার করার আহ্বান জানান। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড. হাছান।

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রত্যর্পণের বিষয়েও আলোচনা হয়।একই সাথে র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো-বাইডেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দেন। তিনি একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের সাথে অংশীদার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের পরবর্তী অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাওয়া বিষয়ে চিঠিতে বাইডেন বলেছেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য একসাথে কাজ অব্যাহত রাখতে তার প্রশাসনের আন্তরিক আকাঙ্ক্ষার কথা তিনি জানাতে চান।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, সমস্যা সমাধানে আমাদের একসাথে কাজ করার দীর্ঘ ও সফল ইতিহাস রয়েছে এবং আমাদের শক্তিশালী মানুষে-মানুষে বন্ধনই এই সম্পর্কের ভিত্তি।


সূত্র : ইউএনবি


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মানিকগঞ্জে কৃষিক্ষেত্রে মালচিং পদ্ধতির প্রতি জনপ্রিয়তা বাড়ছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন,স্টাফ রিপোর্টার :

প্রযুক্তির কল্যানে বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। কথাটি এখন শুধু মানুষের মুখে মুখে নয়। কৃষিক্ষেত্রে  মালচিং পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন করে  বাস্তবে পরিনত করেছে মানিকগঞ্জের কৃষকেরা। তারা ভারতের পঞ্চিম বঙ্গের ও বাংলাদেশের বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল দেখে লাভজনক এ মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু করেছে। এই পদ্ধতি ইতি মধ্যে মানিকগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

জানাযায়,কম খরচে অধীক লাভ হওয়ায় কৃষকরা এই পদ্ধতির প্রতি বেশি ঝুকে পড়ছে। বর্তমানে মানিকগঞ্জের  শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর,শিমুলিয়া,উলাইল,উথুলিসহ অন্যান্য ইউনিয়ন এবং হরিরামপুর, সাটুরিয়া উপজেলা সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায়মরিচ,শশা,টমোটো,করলা,বেগুন সহ বিভিন্ন ফসল  মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে দেখাযাচ্ছে।

স্বরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, প্রথমে আবাদি জমি প্রস্তত করে তারপর বীজতলা বা বেড তৈরি করা হয়।তার পর একটি ড্রেন আবার বেড, আবার ড্রেন, এভাবেই এ পদ্ধতিতে জমি তৈরি করা হয়। এর পর মালচিং পেপার (একধরনে ধরনের পলিথিন) দিয়ে বেডগুলোকে ঢেকে দেয়া হয়। । এরপর নিদ্দির্ষ্ট দূরত্বে মালচিং পেপার ছিদ্র করে বা গোল করে কেটে চারা রোপন করা হয়। এ পদ্ধতিকে মালচিং বা পলি মালচিং পদ্ধতিও বলা হয়। ভারতের পঞ্চিম বঙ্গে এটাকে পলি মালচিং পদ্ধতি বলে।

মানিকগঞ্জের  শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের ইউটিউব দেখে  প্রশিক্ষন নেওয়া কৃষক মোঃ জুয়েল হোসেন (এরশাদ) বলেন, আমাদের এলাকায় গেল বছর দু-একজন মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে বেশ সুফল পেয়েছিল । তাই আমি এবার  বাংলাদেশ ও ভারতের বেশ কিছু ইউটিউব চ্যানেল দেখেএ পদ্ধতিতে আবাদ করতে উৎসাহিত হই ।এ পদ্ধতিটা আমি ইউটিউব দেখেই শিখেছি ।এবছর তিনি ৮ বিঘা (কারেন্ট মরিচ) হাইব্রিড মরিচ এই পলি মালচিং পদ্ধতিতে আবাদ করেছেনন। 

তিনি আরো বলেন,এ পদ্ধতিতে গাছের গোড়ায় পানি শুকিয়ে যায় না এবং গাছের প্রয়োজনীয় পানি সব সময় থাকে ।ড্রেনের মধ্য দিয়ে পানি দেয়ার ফলে পাশের বেডের মাটি পানি ধরে রাখে যা অতি রোদ্রেও শুকিয়ে যায় না।যেখানে ৬ বার সেচ দিতে হতো সেখানে এখন দুইবার সেচ দিলেই পুরো সিজন হয়ে যায়। আগে এই পদ্যতি নাথাকায় অতি বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে গাছ মরে যেত।কিন্তু ড্রেন পদ্ধতি থাকায় এখন আর পানি জমতে পারে না। অধিক বৃষ্টিতেও গাছ বেডের উপর থাকাতে গাছের কোন ক্ষতি হয় না। এ পদ্ধতিতে জমিতে আগাছাও জন্মাতে পারে না। এতে করে  আমাদের খরচ ও অনেক কম হয়।

কৃষক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে বেশি খরচ লাগেনা। তবে প্রথমেই খরচটা করতে হয় বিধায় আমাদের কৃষকদের বেশ বেগ পেতে হয়। তিনি বলেন,৪ফুট প্রশস্ত এবং ৪০০ ফুট লম্বা একটা মালচিং পেপার রোলের দাম ৫ হাজার টাকা। এ রকম একটা রোল ১৮ শতাংশ জমিতে দেয়া য়ায়।সত্যিকারে যারা মালচিং পদ্ধতিতে আবাদ করেসরকারি ভাবে যদি  তাদের ভর্তুকি বা কমসূদে লোন দেয়া হয় তাহলে এই পদ্ধতির প্রতি অনেকেই উৎসাহিত হতো।এতেকরে  দেশের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেত।

মোঃ আওলাদ হোসেন খান বলেন,এই পদ্ধতির বিষয়ে আমাদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষন দেয়া প্রয়োজন। তিনি দ্রুত এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষনের ব্যাবস্থার জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতি আহবান জানান। মানিকগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ্ বলেন,এ পদ্ধতিটাঅবশ্যই ভালো। আমরা কৃষকদের এ পদ্ধতির প্রতি( উদ্ভুদ্ধ করছি।সিংগাইর এলাকায় আমরা কৃষকদের উন্নত চাষাবাদের প্রশিক্ষন দিচ্ছি এবং সব জায়গাতেই এটা করা হবে।

কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক(শস্য) ড.মমতাজ সুলতানা বলেন,পলি পেপারের জন্যে এখনও কৃষক পর্যায়ে ভর্তুকির কোন নির্দেশনা আমাদের নেই। তবে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা কৃষকদের সকল প্রকার কারিগরি সহযোগীতা দিয়ে থাকি।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিদায়ী জানুয়ারি মাসে ৫২১ সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ জন নিহত, আহত ১০৫৪

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার :

বিদায়ী জানুয়ারি মাসে দেশের গণমাধ্যমে ৫২১ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ জন নিহত, ১০৫৪ জন আহতের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময়ে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল (পঙ্গু হাসপাতালে) ১১৫৩ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৭২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৭১ জন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৫৮ জন, নারায়ণগঞ্জে খানপুর হাসপাতালে ৪২০ জনসহ মোট ৩৩৭৪ জন যাত্রী ও পথচারী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে জরুরী বিভাগে ভর্তি হয়েছে। সেই হিসেবে হাসপাতালের তথ্যসহ আহত রোগীর সংখ্যা ৪৪২৮ জন। এই মাসে রেলপথে ৪৪ টি দুর্ঘটনায় ৪২ জন নিহত, ২১ জন আহত হয়েছে। নৌ-পথে ০৭ টি দুর্ঘটনায় ০৬ জন নিহত, ১৩ জন আহত এবং ০৩ জন নিখোঁজ রয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৫৭২ টি দুর্ঘটনায় ৫৩৪ জন নিহত এবং ৪৪৬২ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ১৬৪ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭০ জন নিহত, ১৭৩ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩১.৪৭ শতাংশ, নিহতের ৩৪.৯০ শতাংশ ও আহতের ১৬.৪১ শতাংশ। এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১২৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৭ জন নিহত ও ২৭০ জন আহত হয়েছে, সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে ৩৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত ও ১২৫ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবেদন তুলে ধরে সংগঠনটি। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। 

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ১৪ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৩৩ জন চালক, ৭৪ জন পথচারী, ২৪ জন পরিবহন শ্রমিক, ৬৯ জন শিক্ষার্থী, ০৬ জন শিক্ষক, ৭৫ জন নারী, ৫১ জন শিশু, ০৩ জন সাংবাদিক, ০১ জন চিকিৎসক , ০১ জন আইনজীবী, ০১ জন প্রকোশলী, ০৩ জন মুক্তিযোদ্ধা,  এবং ১৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে।   এদের মধ্যে নিহত হয়েছে- ০৩ জন পুলিশ সদস্য, সেনা বাহিনী ০১, বিমান বাহিনী ০১,  ০১ জন চিকিৎসক , ০১ জন আইনজীবী, ০৩ জন মুক্তিযোদ্ধা, ০১ জন প্রকোশলী, ৯৬ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৬৯ জন পথচারী, ৪৭ জন নারী, ৩৮ জন শিশু, ২৯ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৬ জন শিক্ষক, ও ০৯ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৭২৭ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৫.১৭ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৫.৯৯ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১১.৫৫ শতাংশ বাস, ১৫.৮১ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৪.৮১ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ১০.৫৯ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.০৫ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। 

সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৫১.৬৩ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২২.৪৫  শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৪.৫৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ১০.৩৬ শতাংশ বিবিধ কারনে, চাকায় ওড়না পেছিয়ে ০.৫৭ শতাংশ, এবং ০.৩৪ ট্রোন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৯৭ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ১৭.০৮ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ৪১.৪৮ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫.৭৫ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৯৫  শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৩৪ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে। 

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে, জানুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণসমূহ :

১. ট্রাফিক আইনের অপপ্রয়োগ, দুর্বল প্রয়োগ, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনিয়ম দুর্নীতি ব্যাপক বৃদ্ধি।

২. মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও  তিন চাকার যানের ব্যাপক বৃদ্ধি ও এসব যানবাহন সড়ক মহাসড়কে অবাধে চলাচল। 

৩. সড়ক-মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কে বাতি না থাকা । রাতের বেলায় ফক লাইটের অবাধ ব্যবহার। 

৪. সড়ক-মহাসড়কে নিমাণ ক্রটি, ফিটনেস যানবাহন ও অদক্ষ চালকের হার ব্যাপক বৃদ্ধি। 

৫. ফুটপাত বেদখল, যানবাহনের ত্রুটি,  ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।

৬. উল্টোপথে যানবাহন চালানো, সড়কে চাদাঁবাজি।

৭. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, বেপরোয়াভাবে যানবাহন চালানো।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ :

১. রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে প্রাথমিক উৎস থেকে সড়ক দুর্ঘটনার পুর্নাঙ্গ ডাটা ব্যাংক চালু করা। 

২. স্মার্ট গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের মতো ছোট ছোট যানবাহন আমদানী ও নিবন্ধন বন্ধ করা।

৩. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে যানবাহনের ফিটনেস প্রদান।

৪. রাতের বেলায় বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেল চালকদের রিফ্লেক্টিং ভেস্ট পোশাক পরিধান বাধ্যতামূলক করা। 

৫. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।

৬. রাতের বেলায় চলাচলের জন্য জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে পর্যাপ্ত আলোক সজ্জার ব্যবস্থা করা। 

৭. ব্লাক স্পট নিরসন করা, সড়ক নিরাপত্তা অডিট করা, স্টার মানের সড়ক করিডোর গড়ে তোলা।  

৮. দেশে সড়কে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঠেকাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ’র চলমান গতানুগতিক কার্যক্রম অডিট করে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা চিহ্নিত করা, প্রাতিষ্ঠানিক অকার্যকারিতা সংস্কার করা।  


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দুদকের গণশুনানি

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

'রুখবো দুর্নীতি, গড়বো দেশ হবে সোনার বাংলাদেশ'' এই প্রতিপাদ্য বিষয় কে সামনে রেখে নওগাঁয় প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দুদক এর গণ-শুনানি। এবারের গণ-শুনানির শ্লোগান ছিলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবার আওয়াজ তুলুন। রবিবার দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় নওগাঁর আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (তদন্ত) মোঃ জহুরুল হক। নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোঃ গোলাম মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দূর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক (তদন্ত) আকতার হোসেন, রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক কামরুল আহসান, নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক, দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় নওগাঁর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ডা. হাবিবুর রহমান সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

গণশুনানিতে ১টি ইনস্যুরেন্স কোম্পানীর ও জেলার ১৫টি সরকারি দপ্তর এর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও হয়রানির বিষয়ে সেবা প্রার্থীরা সরাসরি উপস্থাপন করলে ৩৯টি অভিযোগে মুখোমুখি হয়ে সেগুলো সমাধাণ করে দেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা। নওগাঁ জেলা সদরে অবস্থিত যে কোন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সেবা পেতে ঘুষ, দুর্নীতি বা হয়রানীর শিকার হয়েছে এমন অভিযোগের অনেক গুলো শুনানি শেষে তাৎক্ষণিক সমাধান করা হয়। এছাড়া অন্যান্য অভিযোগ স্বল্প সময়ের মধ্যে সমাধান করে তার প্রতিবেদন কমিশন বরাবর পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধান অতিথি। 

এসময় প্রধান অতিথি বলেন, এই দেশের মালিক জনগণ যা সংবিধানের মাধ্যমে এই মালিকানা প্রদান করা হয়েছে। আর সেই মালিকরা সরকারী অফিসে গিয়ে সেবা পাবেন না তা হতে পারে না। মালিক তার দপ্তরে সেবা নিতে গেলে হয়রানীর শিকার হবেন এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হলো জনগণের সেবক। তাই জেগে ঘুমালে সেই ঘুম ভাঙ্গানো কঠিন। আমরা চাকরীজীবীরা যদি যে যার স্থান থেকে দুর্নীতিকে না বলি প্রতিরোধ না করি তাহলে এই ধরণের শত শত দুদকের পক্ষে দেশ থেকে দুর্নীতি নামক ভাইরাসকে দূর করা সম্ভব নয়। তাই মৃত্যুর কথা ভেবে, একজন অসহায় মানুষের জন্য ভালো কিছু করে পরের স্থায়ী জীবনের জন্য নেকী অর্জনের কথা ভেবে, সর্বোপরি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ্য ও সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আজ থেকেই দুর্নীতি বিরুদ্ধে সবাইকে যুদ্ধ ঘোষণা করার প্রতি আহব্বান জানান প্রধান অতিথি।   


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪