Logo
শিরোনাম

দুই সিনেমার আসছেন নিশো

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

জিটাল ডেস্ক :নির্মাতা রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেছেন অভিনেতা আফরান নিশোর। 

বেশকিছুদিন বিরতির পর এবার পরপর দুই সিনেমা নিয়ে পর্দায় ফিরছেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা। দুটি সিনেমাই তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায়। 

সম্প্রতি সিনেমা দুটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই খবর জানিয়েছে।

এদিকে গণমাধ্যম অনুযায়ী জানা যায়, আফরান নিশো নতুন দুটি সিনেমা পরিচালনা করছে রায়হান রাফি ও ভিকি জাহেদ। রাফি পরিচালিত নতুন এই সিনেমার নাম ‘অসিয়ত’; যেটি ২০২৫ সালের রোজার ঈদে মুক্তি পাবে। দ্রুতই সিনেমাটির শুট শুরু হতে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ভিকি জাহেদ যে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন সিনেমাটির নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে ছোট পর্দার আলোচিত এই নির্মাতার। 

নতুন দুই সিনেমা প্রসঙ্গে আফরান নিশোর ভাষ্য, ‘যে কোনো সৃষ্টিশীল কাজের সাফল্যের জন্য সময় খুবই প্রয়োজন। সিনেমার অপরিহার্য বিষয় হচ্ছে সব ক্ষেত্রের সঠিক সমন্বয়। 

সমন্বয় যত ভালো হবে, সিনেমা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা তত বেড়ে যায়। সময় দেওয়া আর নেওয়ার মাঝেই ভালো সিনেমা। হারিয়ে থাকা যেমন নিখোঁজ সংবাদের আভাস দেয়, তেমনি খুঁজে পাওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি করে। 

অনেক নিখোঁজের মাঝে আমি খোঁজ পেয়েছি এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্টের। তারা আমার সঙ্গে দুটি সিনেমার চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। তারা আমাকে ও আমি তাদেরকে খুঁজে পেয়েছি, আমি আনন্দিত।’

এ ব্যাপারে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, ‘আফরান নিশোর বড়পর্দায় ফিরে আসা নিশ্চয়ই এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের জন্য রোমাঞ্চকর একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। 

আমাদের পরবর্তী সিনেমাগুলোয় অভিনয়ে যে কারিশমা দেখাবেন তিনি, সেসব দর্শকের জন্য উন্মোচনের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।


আরও খবর

ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪




ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয়ী প্রার্থীর আনন্দ মিছিলে গুলি, ছাত্রলীগ কর্মী নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উপজেলা নির্বাচনের বিজয়ী প্রার্থীর আনন্দ মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে আয়াশ রহমান এজাজ (২৩)  নামে এক ছাত্রলীগের কর্মী নিহত হয়েছেন। নিহত এজাজ কলেজপাড়া এলাকার আমিন মিয়ার ছেলে। 


বুধবার (৫ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পৌরশহরের কলেজপাড়া এলাকার খান টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের নেতা হাসান আল ফারাবী জয়ের বিরুদ্ধে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।



জানা যায়, সন্ধ্যায় শহরের মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন বিজয়ী হওয়ার খবর পেয়ে তার সমর্থকরা বিজয় মিছিল বের করে। 


মিছিলটি কলেজপাড়া এলাকার খান টাওয়ারের সামনে আসলে ছাত্রলীগের কর্মী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আয়াশের মাথায় গুলি ছোড়ে প্রতিপক্ষ। এ সময় এজাজ গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। 


পরে মিছিলে থাকা তার সহপাঠীরা দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকায় পাঠাতে বলেন ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। 


নিহতের মামাতো ভাই জুনায়েদ চৌধুরী জানান, বিজয় মিছিল চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি জালাল উদ্দিন খোকার নেতৃত্বে মোটরসাইকেলে এসে প্রকাশ্যে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষরা।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা.আরিফুজ্জামান বলেন, এজাজের মাথার বাম পাশের কানের ওপরে একটি ক্ষত রয়েছে। 



ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি মো. আসলাম হোসাইন বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছাত্রলীগের নেতা হাসান আল ফারাবী জয় গুলি করেছে বলে শুনেছি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা:


নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে রয়েছে হাওর-বাঁওড়সহ বিভিন্ন আকৃতির জলাশয়।


 আর এগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে ধান আর বর্ষায় মাছ পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার বেশির ভাগ মানুষ কৃষক ও মৎস্যজীবী। হাওরের ধান ও মাছের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হয় তাদের।


 কিন্তু হাওরের জলমহাল ও বিলগুলো মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। 


জেলেরা বলছেন, হাওরপাড়ের প্রভাবশালীরা মৎস্যজীবী সমিতির নামে বিভিন্ন বিল লিজ নিয়ে তাদের দখলে নিচ্ছেন। ফলে বিল ও জলমহাল থেকে মাছ ধরতে পারছেন না প্রকৃত জেলেরা।



জানা যায়, বর্ষাকালেই জেলেরা হাওরে মাছ ধরে থাকেন। চৈত্র মাসের শেষের দিকে সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন বিল লিজ নেয় সমাজের বিত্তশালীরা। স্থানীয় প্রভাবশালীরা সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সমিতির নাম ব্যবহার করে বিলগুলো ইজারা নিয়ে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। 


এতে করে বিপাকে পড়েন মৎস্যজীবীরা। যার ফলে জেলেদের জীবনে নেমে আসে অভাব-অনটন।


নিকলীতে প্রায় ছোট-বড় শতাধিক বিল ও জলাশয় রয়েছে। বর্ষার সময় এ বিলগুলো থেকে মাছ শিকার করে হাওর অঞ্চলের জেলেরা জীবনযাপন করেন। কিন্তু বর্ষার মাঝামাঝি সময়ে প্রভাবশালীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে হাওরগুলো লিজ দেওয়া হয়। 


একেকটি বিল লিজ নিতে কোটি বা অর্ধকোটি অথবা লাখ লাখ টাকা ব্যয় করতে জেলেরা না পারায় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বিলগুলো। বিল ইজারা নিয়ে হাওরে মাছ শিকার নিষেধ করে দেন মৎস্যজীবীদের। ফলে তাদের অর্ধাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করতে হয়। অভাবের কারণে অনেক জেলে পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা, চিকিৎসা ও পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়।


 মৎস্যজীবী রাকেশ দাস বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবীদের নামে। কিন্তু তার আধিপত্য চলে যায় প্রভাবশালীদের কাছে। ফলে আমাদের মতো সাধারণ মৎস্যজীবীদের বেঁচে থাকা দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তাই লিজ নেওয়া বিলে দিনমজুরি করে ছেলেমেয়েদের মুখে দুই বেলা ভাত তুলে দিতে হিমশিম খেতে হয়।


 সরকার যাদেরকে বিল লিজ দেয় তাদের একটা সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া দরকার। যাতে অন্য মত্স্যজীবীরা সীমানার বাইরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।



এ ব্যাপারে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া আক্তার বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবী সমিতির নামে। কিন্তু তারা পরবর্তীকালে প্রভাবশালীদের কাছে বিক্রি করে দেন। জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী মৎস্যজীবী সমিতিকে দেওয়া হয়। 


কিন্তু ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা ও সচেতনতার অভাবে ও অর্থসংকটের কারণে প্রভাবশালীদের দ্বারস্থ হন তারা। মৎস্যজীবীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও অর্থসংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা থাকলেও তারা প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।


আরও খবর



পর্যটক ও বনজীবীদের সুন্দরবনে প্রবেশে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

  ডিজিটাল ডেস্ক:

সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় টানা তিন মাস পর্যটক ও বনজীবীদের প্রবেশ বন্ধ ঘোষণা করেছে বন বিভাগ।


 শনিবার (১ জুন) থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জারি থাকবে। এই সময়ে বনজীবী, সাধারণ জনগণ ও পর্যটকদের জেউ বনে প্রবেশ করতে পারবেন না।


জুন থেকে থেকে আগস্ট, এই তিন মাস সুন্দরবনের নদী-খালের মাছের প্রজনন মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। এই সময়ে সুন্দরবনের নদী ও খালে থাকা বেশির ভাগ মাছ ডিম ছাড়ে। এছাড়া এই সময়ে বন্য প্রাণীদেরও প্রজনন মৌসুম।



সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দুই মাস সুন্দরবনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকতো। 


পরে ২০২২ সালে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এ নিষেধাজ্ঞা এক মাস বাড়িয়ে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে।


খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো জানান, এই সময়ে জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালদের পাসও বন্ধ থাকবে। কোনোভাবে অবাঞ্ছিত কেউ বনে প্রবেশ করতে পারবে না। 


নিষেধাজ্ঞার সময়ে বনে যেন কোনো প্রকার অন্যায়-অপরাধ হতে না পারে সে জন্য বন বিভাগ সতর্ক থাকবে।


আরও খবর



ঈদে টানা ৫ দিনের ছুটির ফাঁদে পড়ছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি  ডিজিটাল ডেস্ক: ঈদুল আজহায় টানা পাঁচদিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। আগামী ১৪ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত ছুটি কাটাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে শনিবার (৮ জুন) থেকে শুরু হয়েছে জিলহজ মাস। আরবি এ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা। সেই হিসাবে ১৭ জুন (সোমবার) দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

এ উপলক্ষে ১৬, ১৭ ও ১৮ জুন (রোব, সোম ও মঙ্গলবার) সরকারি ছুটি থাকবে। তবে ঈদের ছুটির আগে ১৪ ও ১৫ জুন (শুক্র ও শনিবার) দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি। সেজন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি শুরু হবে ১৪ জুন থেকে। তারা ছুটি কাটাবেন ১৮ জুন পর্যন্ত।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি থাকে। আর ঈদের আগের ও পরের দিন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ভোগ করে থাকেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।


আরও খবর



বাংলাদেশ জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার: জাতিসংঘ মহাসচিব

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  ডিজিটাল ডেস্ক:



বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। 


এছাড়া রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসাও করেন তিনি। 


নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতিসংঘ সদর দফতরে সরকারি দায়িত্বে যুক্তরাষ্ট্র সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে একথা বলেন গুতেরেস। আজ শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।



আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ জাতিসংঘের অনেক কর্মযজ্ঞে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে। সেই কারণেই আমরা বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে বিবেচনা করি।


রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানান জাতিসংঘ মহাসচিব। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, বিশেষ করে সে দেশের সেনাবাহিনীতে তরুণ রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক নিয়োগ দেয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।



দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিযোজন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতার প্রশংসা করেন জাতিসংঘ মহাসচিব।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ নিম্ন আয়ের দেশের কাতার থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করলে গুতেরেস এ বিষয়ে বিশ্বসংস্থার পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, এ জন্য বাংলাদেশকে পুরস্কৃত করা উচিত, শাস্তিদান নয়।


ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাতসহ চলমান বিশ্বের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় মহাসচিবের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, রাফায় সংঘাত এড়াতে সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব যেভাবে নিজে উপস্থিত হয়েছিলেন, শান্তিপ্রিয় বিশ্ববাসী তার প্রশংসা করেছে।


এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের ওপর বিশ্বের আলোকপাত বজায় রাখা, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার মর্যাদার সঙ্গে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন এবং মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতময় পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে জাতিসংঘের জোরদার ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


গত দশকে বাংলাদেশের অসামান্য অগ্রগতির প্রশংসা করলে গুতেরেসকে হাছান মাহমুদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ অনেক আগেই সামাজিক, অর্থনৈতিক, মানবিক সূচকসহ সব সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে এবং গত কয়েক বছরে অনেক সূচকে ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে।


আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালে মাথাপিছু আয়েও ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে, উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ও মিশনের কর্মকর্তারা বৈঠকে ছিলেন।




আরও খবর