Logo
শিরোনাম

দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:

কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এখন চলছে গণনা। মঙ্গলবার (২১ মে) বিকেল ৪টার দিকে ভোটগ্রহণ শেষ হয়।

সকাল ৮টা থেকে দেশের ১৫৬ উপজেলার ১৩ হাজার ১৬টি ভোটকেন্দ্রে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এর মধ্যে ২৪টিতে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) এবং বাকিগুলোতে ব্যালট পেপারে ভোট হয়।

তবে তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন কারণে পাঁচটি উপজেলার ভোট স্থগিত রয়েছে।
সকাল থেকে কেন্দ্রে আসতে থাকেন ভোটাররা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতিও বাড়ে। পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তারা।

সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এরমধ্যে ২৪ উপজেলায় ইভিএমে ভোট হয়। বাকি ১৩২ উপজেলায় ভোট নেয়া হয় ব্যালট পেপারে।

দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে তিনপদে এক হাজার ৮২৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্য চেয়ারম্যান পদে ৬০৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯৩ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৯৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সেই সঙ্গে তিন পদে ২২ প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

দুই উপজেলায় তিনপদে সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় লাভ করেছেন।

এবার দেশের ৪৯৬ উপজেলার মধ্যে ৪৭৬টি উপজেলা নির্বাচনে চার ধাপে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। প্রথম ধাপে ১৫২ উপজেলায় তফসিল দিলেও নানা জটিলতায় গত ৮ মে ভোট হয় ১৩৯টিতে।

প্রথম ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন ২৮ জন প্রার্থী (চেয়ারম্যান আট জন, সাধারণ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ১০ জন করে)। আগামী ২৯ মে তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় এবং ৫ জুন চতুর্থ ধাপে ৫৫ উপজেলায় ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।


আরও খবর



সেন্টমার্টিন আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেব না

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টার শেল ও ভারী গোলার বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে সেন্টমার্টিন। এমনকি টেকনাফ সীমান্তের খুব কাছে চোখে পড়ছে মিয়ানমারের টহল জাহাজও। এ অবস্থায় কোনোভাবে আক্রান্ত হলে মিয়ানমার সরকার বা আরাকান আর্মিকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে আমরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি, এটা দুঃখজনক। আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেব না। আমরা এখনই আক্রমণ করব না, কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি আছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘ এখন নখদন্তহীন। ইসরায়েল তাদের কথা শোনে না। বড় বড় দেশগুলোও শোনে না।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



১৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমুহ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image


সদরুল আইন:


আসন্ন ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষ্যে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে।



আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) থেকে এ ছুটি শুরু হয়ে শেষ হবে ২৯ জুন। রাজধানী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যে এ ছুটির নোটিশ টানানো হয়েছে।



ব্যস্ততা বেড়েছে তাড়াশের কামারপাড়ায়

এতে বলা হয়, গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আগামী ১৩ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত ১৭ দিন ক্লাস ছুটি থাকবে। 


৩০ জুন থেকে যথারীতি অর্ধদিবস ক্লাস চলবে। তবে ১ জুলাই থেকে পূর্ণ দিবস ক্লাস চলবে।


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা জানান, গ্রীষ্মকালীন ছুটি সাধারণ জুন মাসে হয়ে থাকে। যেহেতু ঈদুল আজহার ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে দেওয়া হয়েছে। 



এই ছুটি সাধারণ এক মাস হওয়া কথা থাকলেও চলতি বছর শীত ও তীব্র গরমের কারণে বেশ কিছুদিন স্কুল বন্ধ ছিল। তাই গ্রীষ্মকালীন ছুটি কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ চাইলে ঈদের ছুটি এবং গ্রীষ্মকালীন ছুটি আলাদা করেও দিতে পারেন।



এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর সৈয়দ জাফর আলী বলেন, গ্রীষ্মকালীন ছুটি নিয়ে আমাদের ভিন্ন ভাবনা রয়েছে। তবে যেহেতু ঈদের ছুটি আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) থেকে শুরু হয়ে যাবে তাই আপাতত ঈদের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে কোনো প্রতিষ্ঠান গ্রীষ্মকালীন ছুটি দিতে পারে।


 গ্রীষ্মকালীন ছুটি নিয়ে কোনো পরিবর্তন হলে তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর



বিনিয়োগ ছাড়াই গাজীপুরে ভাওয়াল রিসোর্টের মালিক বেনজীর

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি ডেস্ক রিপোর্ট:


গাজীপুর সদর উপজেলার মেম্বারবাড়ি বাসস্ট্যান্ড থেকে ইজ্জতপুর সড়ক ধরে চার কিলোমিটার ভেতরে ‘ভাওয়াল রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা’। 


সেখানকার নলজানী গ্রামে তিন দিকে বনভূমিবেষ্টিত এই রিসোর্ট এলাকার মানুষের কাছে ‘বেনজীরের রিসোর্ট’ নামে পরিচিত। যদিও কোনো প্রকার বিনিয়োগ ছাড়াই ভাওয়াল রিসোর্টের ২৫ শতাংশের মালিক হয়েছেন বেনজীর আহমেদ।


অভিযোগ রয়েছে, ৫০ একর জমির ওপর গড়ে তোলা ভাওয়াল রিসোর্টের ৩.৬৮ একর জমি বন বিভাগের। আর নিরীহ কৃষকদের অন্তত ৪০ বিঘা জমি জোরপূর্বক দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন রিসোর্টটি।


সম্প্রতি দুর্নীতির অভিযোগে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদ জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, পুলিশের শীর্ষ পদে থাকার সময় কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। কীভাবে প্রভাববলয় ব্যবহার করে এত সম্পদ অর্জন করেছেন, তা আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি উদ্ধার করতে গিয়ে নিজেই গাজীপুরের রিসোর্টটির মালিক বনে গেছেন বেনজীর। শুরুতে ১৯ একর জমি নিয়ে রিসোর্টটির কাজ শুরু হলেও সাবেক আইজিপি (তৎকালীন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের-ডিএমপি কমিশনার) বেনজীরের ক্ষমতার জোরে প্রায় ৫০ একর জায়গা দখল করে নেন রিসোর্ট মালিকরা।


জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রভাবশালীদের কাছ থেকে রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট, ম্যাক্স ভ্যালিসহ সাতটি রিসোর্টের অবৈধ দখল করা জমি উদ্ধার করলেও ভাওয়াল রিসোর্টের জমি উদ্ধারে এতদিন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছিল না বন বিভাগ।


এ বিষয়ে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ভাওয়াল রিসোর্টের করা এক মামলায় এ জমির বিষয়ে একটি স্টে অর্ডার ছিল।


 এ কারণে বন বিভাগ চাইলেও জেলা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। তবে ২০১৭ সালেই জেলা জজ আদালতের স্টে অর্ডারের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে আপিল করে। 


গত বৃহস্পতিবার এর রায় হয়েছে। আদালত আপিলটি গ্রহণ করে স্টে অর্ডারটি প্রত্যাহার ও ভাওয়াল রিসোর্টের মামলা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এখন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনায় কোনো বাধা নেই। তবে প্রক্রিয়া শুরু করতে কয়েক দিন লাগতে পারে।


শুধু বন বিভাগ নয়, বীর মুক্তিযোদ্ধার জমিও দখল করে করা হয়েছে ভাওয়াল রিসোর্ট। এর মূল প্রবেশপথের এক একরের বেশি জমি কাপাসিয়া-শ্রীপুরের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ডা. সিরাজুল হক এবং তার মায়ের। 


প্রবীণ এ মুক্তিযোদ্ধা নিজের জমি উদ্ধারে নানাজনের কাছে দিয়েছেন ধরনা। তবে প্রভাবশালী বেনজীরের কারণে তারা ২০১৩ সালের পর থেকে ওই জমির ধারেকাছেও ভিড়তে পারেননি। বেনজীরের অনিয়ম-দুর্নীতির খবর চাউর হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছেন ডা. সিরাজুল। 


জমি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে গাজীপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন তিনি।


এলাকাবাসী জানান, ভাওয়াল রিসোর্টের মূল উদ্যোক্তা দেশের অন্যতম প্রধান শিল্প গ্রুপ পারটেক্স। ব্যবসায়িক গ্রুপটির উদ্যোক্তা প্রয়াত এম এ হাশেমের ছেলে শওকত আজীজ রাসেল বর্তমানে এটির মালিকানায় রয়েছেন।


 ২০১৩ সালে গাজীপুর সদরের বারইপাড়া মৌজার নীলজানি গ্রামের কয়েকজনের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি কিনে এর সঙ্গে আরও কিছু সরকারি খাসজমি দখল করে নেন তারা।


এদিকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ২৮ মে বেনজীর আহমেদকে চিঠি দেয় দুদক। ৬ জুন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং তার স্ত্রী-সন্তানদের ৯ জুন জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করা হয়েছে। 


তবে দুদকের ওই চিঠি গুলশান-১ এর ১২৬ নম্বর সড়কে বেনজীরের বাসার অভ্যর্থনা কক্ষে পড়ে আছে। দুদকের চিঠি ওই বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই ৪ মে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে দেশ ছাড়েন সাবেক আইজিপি।


আরও খবর



২৯০ আসনে এগিয়ে মোদির এনডিএ, রাহুলের ইন্ডিয়া ২৩৭

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


ভারতের লোকসভার নির্বাচন শেষে মঙ্গলবার (৪ জুন) ভোট গণনা চলছে। প্রাথমিক গণনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) জোট ২৯০ আসনে এগিয়ে আছে। অপরদিকে রাহুলের ইন্ডিয়া ২৩৭ আসনে এগিয়ে।



মঙ্গলবার (৪ জুন) কংগ্রেসের মুখপাত্র পাওয়ান খেরা গণমাধ্যমকে বলেছেন, এটা একেবারে শুরুর দিকের ফল। দিনের পরের অংশে আমরা আরও ভালো ফল দেখতে পাব।


দেখা গেছে, কংগ্রেস এককভাবে ৯৭ আসনে এগিয়ে আছে। ইন্ডিয়া জোট বুথফেরত জরিপের আভাস পার করতে সক্ষম হয়েছে।


বারাণসী লোকসভা কেন্দ্রে প্রাথমিক তথ্যে এগিয়ে আছেন নরেন্দ্র মোদি। অমেঠী কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানি। অন্যদিকে গান্ধীনগরে এগিয়ে আছেন অমিত শাহ।


হামিরপুরে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী অনুরাগ ঠাকুর, কনৌজ কেন্দ্রে এগিয়ে আছেন অখিলেশ যাদব। তবে রায়বরেলী এবং ওয়েনাড় দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।


শনিবার (১ জুন) বুথফেরত জরিপের বলা হয়, মাত্র ১৪১-১৬২টি আসন পেতে পারে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। যা ইতোমধ্যে ছাড়িয়ে গেছে। এ ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দল ২১ আসনে এগিয়ে থেকে বিজয়ের আশা করছে।


এদিকে ভারতের নির্বাচন কমিশনের দাবি, প্রায় ১০০ কোটি নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক ৬৪ লোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন।


দেশটিতে সরকার গঠনে লোকসভায় ৫৪৩ আসনের মধ্য ২৭২ আসনে বিজয়ী হতে হবে। দেশটিতে সাত দফার ভোটে প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা করেন কর্মকর্তারা। বর্তমানে একে একে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ভোট গণনা করা হচ্ছে।


এদিকে বিজয় উদ্‌যাপনের প্রস্তুতিও শুরু করেছে বিজেপি। বিভিন্ন রাজ্যে জমকালো আয়োজনের অপেক্ষায় দলের নেতাকর্মীরা।


গত আড়াই মাস ধরে মোট সাত দফায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দেশটির প্রধান উৎসব সাধারণ নির্বাচনে ভোট হয়েছে। 


এবারের নির্বাচনে নথিভুক্ত ভোটার ছিলেন প্রায় ৯৭ কোটি। এদের মধ্যে ৬৪ কোটি ২০ লাখের বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




নওগাঁর ৩টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর ৩টি উপজেলা পরিষদ ২য় ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট গণনা শেষে মঙ্গলবার ২১ মে দিনগত রাত ১১টারদিকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে বে-সরকারিভাবে নওগাঁর সাপাহার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ শাহাজান হোসেন মন্ডল। তিনি আনারস প্রতীকে ৩৯ হাজার ৯শ' ৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুল আলম শাহ্ চৌধুরী মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৫শ' ২৭ ভোট।

বে-সরকারিভাবে পোরশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শাহ্ মনজুর মোরশেদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কাপ-পিরিচ প্রতীকে ২৬ হাজার ২শ' ১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন মোল্লা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২২হাজার ৪শ' ৭৯ ভোট। এবং নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফরিদ আহমেদ বে-সরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৪ হাজার ৭শ' ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ কাপ পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ৩শ' ৩৯ ভোট।

বে-সরকারিভাবে তাদের বিজয়ী ফলাফল ঘোষণা করেন স্ব স্ব উপজেলা সহকারী রিটার্নিং ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ।

সাপাহার উপজেলায় ভোট পড়েছে ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ, পোরশা উপজেলায় ৬৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৪৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। বিষয়টি মঙ্গলবার দিনগত রাতে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেলে এক বার্তার মাধ্যমে নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক গোলাম মওলা।


আরও খবর