Logo
শিরোনাম

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৯৮

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : ঈদযাত্রায় অনেক স্বপ্ন এবার বাড়ি নয়, কবরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ঈদযাত্রা নিয়ে আয়োজিত সংস্থাটির প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এবারের ঈদে ১১৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ১৩১ জন নিহত হয়েছেন। যা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ৩৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্যরা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক ও অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে দুর্ঘটনার তথ্য নিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, করোনা না থাকার কারণে এবারের ঈদে বেশি মানুষের যাতায়াত হয়। রাজধানী থেকে ১ কোটি ২০ লাখ এবং ৪ কোটি মানুষ আন্তঃজেলায় যাতায়াত করেছে। এছাড়া এবারের ঈদে সবচেয়ে বেশি ভাড়া নৈরাজ্য হয়েছে এবং ৪ ঘণ্টার যাত্রা ১৫ থেকে ২০ ঘণ্টা সময় লেগেছে। বাসের পাশাপাশি ঈদযাত্রায় ২৫ লাখ মোটরসাইকেল ও ৪০ লাখ ইজিবাইক রাস্তায় নামে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ সংস্থার উল্লেখযোগ্য তৎপরতার কারণে ঈদযাত্রা কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও সড়ক দুর্ঘটনা বরাবরের মতো বেড়েছে।

তিনি জানান, সমিতির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ঈদযাত্রা শুরুর দিন ৩ জুলাই থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ১৭ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিনে ৩১৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯৮ জন নিহত এবং ৭৭৪ জন আহত হয়েছেন। রেলপথে ২৫টি দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন। নৌ-পথে ১০টি দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং ৩ জন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার তথ্য মিলেছে। বিগত ৭ বছরের তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি দুটোই সর্বোচ্চ।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ওবায়দুল কাদেরের হুঁশিয়ারি

মণ্ডপে হামলা হলে কোন ছাড় দেয়া হবে না

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এবারের দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক আছে বলে জানালেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মণ্ডপে হামলা হলে কোন ছাড় দেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সকালে, রামকৃষ্ণ মিশনে মহাসপ্তমীর সার্বিক আয়োজন দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এবার যেন নোয়াখালীর চৌমুহনীর মতো হামলার ঘটনা না ঘটে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সবাই সতর্ক অবস্থায় আছে। এরপর, রমনা কালী মন্দির পরিদর্শনে যান ওবায়দুল কাদের। বলেন, হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সব দলের দায়িত্ব। শুধু রাজনীতি করলে চলবেনা তারা যেন শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালন করতে পারে সেজন্য সবাইকে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান। নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করার চক্রান্ত করে, সেদিকে দৃষ্টি দেয়ারও পরামর্শ দেন কাদের।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




মোরেলগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার বিকেল পৌনে ৪টায় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম মোজাম্মেল হক ভার্চুয়ালি ভবনটি উদ্বোধন করেন। 

স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান,  জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মোরেলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. শাহ্-ই-আলম বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.জাহাঙ্গীর আলম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. লিয়াকত আলী খানসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত চারতলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি রবিবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে একশ’ হেক্টর সবজি ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা

৫০০ হেক্টর রোপা আমন পানির নিচে নিমজ্জিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাগরের সৃষ্ট লঘুচাপ ও বৈরি আবহাওয়ায় টানা ৪ দিনের অতি বর্ষনে জলাবদ্ধতায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৫শ’ হেক্টর রোপা আমন ফসলী জমি পানির নিচে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। ১০০ হেক্টর সবজি ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সবজি চাষীরা এখন দিশেহারা। কৃষি দপ্তরের পাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তারা পরবর্তী করনীয় বিষয়ে দিচ্ছেন পরামর্শ।

   সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন সহ পৌরসভায় টানা বর্ষন ও বৈরি আবহাওয়ার কারনে অতিরিক্ত জোয়ারের পানি প্রবেশ করে নিম্নঅঞ্চল প্লাবিত হয়ে মোরেলগঞ্জ সদর, নিশানবাড়িয়া, বারইখালী, হোগলাবুনিয়া, বহরবুনিয়ারসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে জলাবদ্ধ সৃষ্টি হয়ে ৫শ’ হেক্টর রোপা আমন ধান এখনও পানির নিচে নিমজ্জিত হয়ে রয়েছে। জলাবদ্ধতা দূর করতে গেইট খুলে পানি অপসারনের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসন।


নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের গুলিশাখালী, পিসি বারইখালী গ্রামে ঘেরের চারপাশে উচুঁ জমিতে সবজি চাষে উল্লেখ্যযোগ্য শসা চাষে ব্যাপক ফলন হলেও জলাবদ্ধতায় পানি জমে শসা গাছের গোড়ায় পচন ধরে বিপর্যয় ঘটছে অধিকাংশ ক্ষেতে। কৃষক এখন দিশেহারা। বছরে বিঘায় ৮০ থেকে ১ লাখ টাকা বিক্রি হতো শসায়। এ বছরে জমিতে খরচকৃত টাকা উঠাতে পারবেনা বলে জানিয়েছেন একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা।  

গুলিশাখালি গ্রামের বিধান চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ৮ বছর পূর্বে লাইফ ইন্সুরেন্সের চাকুরি ছেড়ে দিয়ে  পৈত্রিক ৩৩ শতক জমিতে কৃষিকাজ শুরু করেন। প্রতি বছর এ কৃষি থেকে বিভিন্ন সবজি উৎপাদন করে লাভবান হতেন। শুধুমাত্র শসা সবজিই বিক্রি করতেন ৫০-৬০ হাজার টাকা।

এ বছরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে জমির খরজের টাকা ঘরে তুলতে পারবে না। একই গ্রামের লিটন বিশ্বাস, উত্তম বিশ্বাস, মিজানুর রহমানসহ একাধিক কৃষকরা বলেন, অতিরিক্ত জলাবদ্ধতায় এবারে শসা ফসলে লোকশান গুনতে হবে অধিকাংশ চাষিদের।

  এ বিষয়ে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে সাড়ে ৩শ’ বিঘা জমিতে শসা, মিষ্টি কুমড়া, করলা, বরবটি, সবজি চাষ করেছে ১৫শ’ কৃষক। এর মধ্যে শসা চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে দেড় হেক্টর জমিতে। তবে, গুলিশাখালী, পিসি বারইখালী গ্রামে অধিকাংশ জায়গায় জলাবদ্ধতার কারনে আংশিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। চাষিদের পরবর্তী করনীয় বিষয়েও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 এ সর্ম্পকে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আকাশ বৈরাগী জানান, বৈরি আবহাওয়ার কারনে জলাবদ্ধতায় পানির নিচে ৫ শ’ হেক্টর রোপা আমন ফসলী জমিতে ২/১ দিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে ক্ষতি পুশিয়ে উঠতে পারবে কৃষক। তবে, সবজি ফসলের চাষিদের জন্য মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খোঁজ খবর নিয়ে উচুঁ জমিতে পরবর্তীতে বেড ও নালা পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সাথে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের পানি নিষ্কাশনের জন্য ¯স্লুজগেটগুলো খুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 


আরও খবর



ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় দিনে, ২৫ জন ভর্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের বিস্তার আক্রান্ত বাড়ছেই। ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত) এ রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫০৬ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৬৭ জন ও ঢাকার বাইরে ১৩৯ জন।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৮৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৪২৭ জন ও ঢাকার বাইরে ৪৪৭ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৫২ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ১৩১ জন ও ঢাকার বাইরে ৩ হাজার ৭২১ জন। একই সময় সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৯২৩ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৬৭৭ জন ও ঢাকার বাইরে ৩ হাজার ২৪৬ জন। তবে নতুন করে ডেঙ্গু জ্বরে কারো মৃত্যু হয়নি। গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন ও ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১০৫ জন।

এ প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, আগেই সতর্ক করেছিলাম, এবার ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। কিন্তু সেটা আমলে না নিয়ে সিটি করপোরেশন গতানুগতিকভাবে কাজ করছে। এখন যে পরিস্থিতি দেখছি তাতে অবস্থার উন্নতি হতে আরো ১৫ থেকে ২০ দিন লাগবে। তিনি বলেন, ঢাকার সব জায়গায় ডেঙ্গু রোগীর হার সমান নয়। যেসব এলাকায় ডেঙ্গু রোগী বেশি, সেখানে মশক নিধনে এক দিনে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালাতে হবে। 


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




বিদেশে উচ্চশিক্ষার খরচ বাড়ল

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :  উন্নত ক্যারিয়ার ও উত্তম জীবনযাত্রার উৎকৃষ্ট নির্ণায়ক হলো বিদেশে উচ্চশিক্ষা। প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য দেশ ছাড়েন। তবে উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে দেওয়ার ক্ষেত্রে খরচের বিষয়টিও এখন বিশেষভাবে মাথায় রাখতে হচ্ছে। কারণ কার্ডের মাধ্যমে বিনিময় করা ডলারের দাম প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। ইউনিফর্ম রেট চালু হওয়ার পর মার্কিন ডলারের দর ১৩ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ১০৮ টাকায় পৌঁছেছে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে টিউশন ফি’র পাশাপাশি পরিষেবা এবং পণ্য কেনার জন্য কার্ডের মাধ্যমে কেনা প্রতি ডলারের বিনিমূল্য ছিল ৯৫ টাকা। অন্যদিকে, কার্ড ব্যবহার না করে নগদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতি ডলারের জন্য গুণতে হয়েছে ১১১ টাকা।

ব্যাংকারদের ভাষ্য, বিদেশ ভ্রমণের সময়ে অধিকাংশই নিজেদের ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড থেকে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করে থাকে। এক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার বেশিরভাগই খরচ হয় বিমান ভাড়া, হোটেল বুকিং এবং কেনাকাটার পেছনে। হঠাৎ করে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে পড়াশোনার ফি, সেমিনার ফি এবং অনলাইন কোর্স ফিসহ বিভিন্ন সেবা ও পণ্য ক্রয়ের খরচও প্রায় ১০ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ বাড়বে। যেসব অভিভাবক ইতোমধ্যেই তাদের সন্তানকে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠিয়েছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাঠানোর জন্য তারা সাধারণত কার্ড ব্যবহার করে থাকেন। এর আগে, উচ্চ হারে ডলারের দাম কমাতে নগদ বা ডলারের কাগুজে নোটের পরিবর্তে কার্ড ব্যবহার করতে গ্রাহকদের আহ্বান জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ৩০ জুন থেকে ব্যাংকগুলোর কাছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার বিক্রি করছে। পরে ব্যাংকগুলো ওই হারে কার্ডগ্রাহকদের ডলার দিচ্ছে। যখন কার্ডের মাধ্যমে কেনা প্রতি ডলারের বিনিমূল্য ৯৫ টাকা ছিল, তখন খোলাবাজার এবং নগদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে গ্রাহককে যথাক্রমে ১২১ টাকা এবং ১১১ টাকা গুণতে হয়েছিল। একপর্যায়ে ডলারের বিনিমূল্যের পার্থক্য কমে এলেও তা ১২ টাকার কম হয়নি।

বাড়ছে কার্ডভিত্তিক লেনদেন : করোনাভাইরাস মহামারির পর কার্ড থেকে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার দ্রুত কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে কার্ডভিত্তিক বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন ছিল ৩৯৭ কোটি টাকা, যা এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ।


আরও খবর

১১০০ শিক্ষকের সনদ জাল

শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২