Logo
শিরোনাম

এক নজরে কুমিল্লা সিটি নির্বাচন

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ঃ

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর পাশাপাশি আজ থেকে এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থীদের জন্য নির্বাচন কমিশনের ৯দফা নির্দেশনা।

সকাল থেকে ৩জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। নগরের প্রধান সড়কে মাইকযোগে নির্বাচন কমিশনের ৯নির্দেশনা প্রচার করা হচ্ছে। নগরের বিলবোর্ড,ফেস্টুন সরানো হচ্ছে। 

নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বর্তমান মেয়র বিএনপির মনিরুল হক সাক্কু,স্বেচ্ছাসেবকদলের নিজাম উদ্দিন কায়সারসহ মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫জন। সাধারন কাউন্সিলর  ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে এ পযন্ত ১৮৯জন মনোয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। 

আগামী ১৭ মে পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ এবং জমা দিতে পারবেন। ১৯ মে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাই এবং ২৭ মে একই স্থানে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০জন। কুমিল্লা সিটিকপোরেশন নির্বাচনে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১০৫টি কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ই জুন ।

এদিকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সব কেন্দ্রে-কক্ষে সিসি ক্যামেরা থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। 

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার মোঃ শাহেদুন্নবী চৌধুরী। 

স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জানানো হয়। নির্দেশনাগুলো হলো:

 ১। মনোনয়পত্র সংগ্রহ ও দাখিলের সময় কোন প্রকার মিছিল বা শো-ডাউন করা যাবে না;

 ২। প্রার্থী ৫(পাঁচ) জনের অধিক সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন না;

৩। প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে কোন প্রকার নির্বাচনি প্রচার শুরু করিতে পারবেন না;

৪। প্রচারকালে পথসভা ও ঘরোয়া সভা ব্যতীত কোন জনসভা বা শোভাযাত্রা করতে পারবেন না;

 ৫। প্রচারের জন্য নির্ধারিত পোস্টার সাদা-কালো রঙের হতে হবে এবং এর আয়তন ৬০ (ষাট) সেন্টিমিটার, ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) সেন্টিমিটারের বেশি হতে পারবে না;

৬। নির্বাচনি প্রচারণায় কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পোস্টার বা লিফলেটে নিজ ছবি ও প্রতীক ব্যতীত অন্য কারো নাম, ছবি বা প্রতীক ছাপাইতে পারবেনা। তবে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী দলীয় প্রধানের ছবি পোস্টার বা লিফলেটে ছাপাইতে পারবেন;

 ৭। মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী প্রত্যেক থানাধীন এলাকায় ০১ (এক) টি করিয়া সর্বোচ্চ ০২ (দুই) টির অধিক নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করতে পারবেন না এবং কাউন্সিলর প্রার্থীগণ ০১ (এক) এর অধিক নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করতে পারবেন না;

৮। নির্বাচনি প্রচারণায় কোন প্রকার গেইট, তোরণ, আলোকসজ্জা করতে পারবেন না;

৯ ।এছাড়াও সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর অন্যান্য বিধি-বিধান অনুসরণ পূর্বক নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাতে হবে।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে চুড়ান্ত ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন । এর মধ্যে ১ লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন পুরুষ এবং ১ লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন। দুই জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সবচেয়ে বেশি ভোটার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ১৬ হাজার ৪৭৪ জন এবং সর্বনিম্ন ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৮৯৪ জন। রিটার্নিং অফিস থেকে আরো জানানো হয়, নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১০৫ াট এবং মোট কক্ষের সংখ্যা ৬৪০ টি।  

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৭১৮০ জন ভোটার, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৪৮১ জন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ১৬৪৭৪ জন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৭৮৭৪ জন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৭৮২ জন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৯৬৩ জন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৫৭৮ জন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৯১২৬ জন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৯৮৭ জন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ১০৭৫০ জন, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৪২৫ জন, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ৭১৭১ জন, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ১২২৯৬ জন, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৬১৯ জন, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৭১০৬ জন, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৯১৯৮ জন, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১০৭৮৬ জন, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ১০৫০৪ জন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৬৫১১ জন, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে ৬৯৯৯ জন, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে ১২৩৪৭ জন, ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ১০২১৯ জন, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৮০৪ জন, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৯১৮৭ জন, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৮৯৪ জন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৫২৮৯ জন এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৭৩৭৭ জন।


আরও খবর



লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি লালমনিরহাট। 

বন্যা পুনর্বাসন ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক লিখিত বক্তব্য জানান, লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছাকাছি অথবা তারও উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

বর্তমানে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার 8 সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে ৫২ দশমিক ৫২ লেভেলে বইছে। 

এদিকে রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে।

অপরদিকে লালমনিরহাটের ধর্নায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় লালমনিহাট কুড়িগ্রাম বন্যার প্রকট আকার দেখা দিয়েছে।


আরও খবর



জয়ার দাম্পত্য ভাঙার গোপন কাহিনি

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

নেটমাধ্যমে তার অনুরাগীর সংখ্যা বিপুল।দুই বাংলা তার প্রেমে বানভাসি।  তিনি কী করছেন, কোন পোশাক পরছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন, এই নিয়ে চর্চার শেষ নেই। তবে তার থেকেও বেশি কৌতূহল তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। জয়া আহসানের ‘গুডবুক’-এ থাকতে চান এমন বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

৫০ ছুঁই ছুঁই নায়িকা এই মুহূর্তে কোনও সম্পর্কে আছেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও তিনি যে একসময় গভীর প্রেমে ছিলেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জয়ার প্রথম স্বামী ফয়সাল মাসুদ। ফয়সালকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন জয়া। জমিদার পরিবারের ছেলে ফয়সাল ছিলেন বিত্তবান। জয়ার সঙ্গে ফয়সালের দেখা হয়েছিল ১৯৯৮-এ। সেই প্রথম দেখার কথা ফয়সাল বলেছিলেন এক সাক্ষাৎকারে। একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে জয়ার সঙ্গে ফয়সালের প্রথম দেখা। শুরুটা হয়েছিল তিক্ততা দিয়ে। সময়ে আসতে পারেননি ফয়সাল, মেক-আপের পর এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল জয়াকে। রেগে গিয়ে কথা শোনাতে ছাড়েননি জয়া। এই রাগই আবার অনুরাগে বদলাতে বেশি সময় লাগেনি। ফোনে কথা বলতে বলতেই একে অপরের প্রতি ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন। গভীর প্রেমে পড়েই ফয়সালকে বিয়ে করেছিলেন জয়া।

তাদের ১৩ বছরের দাম্পত্য কেন টিকল না, তা আজও রহস্য। জমিদার ঘরণি হয়ে জয়ার গুছিয়ে সংসার করা, একে অপরের প্রতি কতটা অনুরক্ত ছিলেন তারা? তাদের কাছের মানুষরা জানেন সব। এত কিছুর পরেও কেন ভেঙে গিয়েছিল তাদের সাজানো সংসার? প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত পাওয়া যায় ফয়সালের কাছে। ঠিক কী কারণে ভেঙে গিয়েছিল সেই সংসার, এতদিন পর তার পর্দা ফাঁস করলেন ফয়সাল নিজেই।

বিয়ের পরেও একসঙ্গে কাজ করছিলেন জয়া-ফয়সাল। জনপ্রিয় তারকা জুটিও হয়ে উঠেছিলেন। এরপরই ছন্দপতন।

কোথাও যেন জনপ্রিয়তা বাড়ছিল জয়ার। তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে ছিলেন ফয়সাল। এই সাফল্যই হয়তো তাদের দাম্পত্যের অসাফল্যের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে বাড়তে থাকে মনোমালিন্য। দূরত্ব ক্রমশ বাড়তেই থাকে। চেষ্টা করেও যা ঠিক করতে পারেননি ফয়সাল। যার পরিণতি বিবাহ বিচ্ছেদ। ২০১১ সালে পাকাপাকিভাবে আলাদা হয়ে যান তারা। পরে দুজনের কেউই আর বিয়ে করেননি।


আরও খবর

শিশুদের সিনেমায় মিথিলা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




শ্রীপুরে ভূমি জরিপ শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

 সদরুল আইন : ১৯৬৭ সালে ভূমি জরিপ হয়েছিল গাজীপুরের শ্রীপুর অঞ্চলে।সে সময় মানুষ তেমন সচেতন ছিল না।অনেকেই বুঝতেন না ভূমি জরিপ কি।

কালের বিবর্তনে এই জনপদের মানুষের জীবনে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।শিক্ষা প্রসারের পাশাপাশি জীবন মানে এসেছে পরিবর্তন।আধুনিকতার সকল উপকরণ ও উপাদানে মানুষ আজ অধিক সচেতন।

ঢাকার সন্নিকটে বন্যা প্লাবণমুক্ত উর্বর এ জনপদে গত ৫৩ বছরে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার মিল ইন্ডাস্ট্রি।ছোট বড় কলকারখানায় ভরপুর এ জনপদে জীবন যাত্রায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।বেড়েছে জমির দাম।গাজীপুরের এক টুকরো জমি এখন সোনার হরিণের মত।

১৯৬৭ সালে ভূমি জরিপের পর দেখা গেছে ব্যাপক গরমিল।সাধারন মানুষের বহু জমির মূল দলিল,পত্তন দাখিলা পর্চা খাজনা খারিজ ঠিক থাকলেও আরএস হয়েছে বনবিভাগের নামে।

আবার কোন দাগে বনবিভাগের ২/৪ বিঘা জমি রেকর্ডে থাকলেও শত শত বিঘা জমির উপর গেজেট নামক খড়্গ ঝুলে ছিল যুগ যুগ ধরে।এর ফলে মানুষ জমি বিকিকিনি করতে পারত না।বিক্রি করলেও ন্যায্য দাম থেকে ছিল বঞ্চিত।অধিক উৎকোচ দিয়ে অন্য দাগ খতিয়ান দেখিয়ে রেজিস্ট্রি করত এবং দখলে থাকত অন্য দাগের জমি।এ নিয়ে ছিল চরম বিড়ম্বনা ও দূর্বিসহ ভোগান্তি।

সবচেয়ে বড় সমস্যাটি ছিল বন বিভাগের লাগামহীন অত্যাচার।হাজার হাজার মানুষের নামে বন বিভাগ মিথ্যা মামলা দিয়ে চরম হয়রানি করে আসছিলো যুগ যুগ ধরে।এমনকি সাধারন মানুষের সদ্য তৈরি ঘরবাড়ি তারা আদালতের নির্দেশ ছাড়াই ভেঙ্গে দিত জোর করে।

কখনো জনগনের হাতে তারা নাজেহাল ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতেন আবার জনগন হতেন তাদের ভূয়া মামলার শিকার।বিশেষ করে গেজেট থাকায় মানুষের দূর্ভোগ ছিল চরমে।

এমনি এক প্রেক্ষাপটে হাজার হাজার মানুষের দাবি ছিল ভূমি জরিপের মাধ্যমে খাস জমি চিহ্নিত করে সরকারি সম্পত্তি আলাদা করে জনগনের সম্পত্তি প্রকৃত মালিকদের হাতে ফেরত প্রদান এবং গেজেট প্রত্যাহার।এ নিয়ে এতদাঞ্চলের মানুষ বহু সামাজিক আন্দোলন করলেও ভূমি জরিপের উদ্যোগ নেননি অতীতের কোন এমপি।

একাদশ সংসদ নির্বাচন পূর্ববর্তি, মনোনয়ন প্রাপ্তির পর ৬৬৭ টি উঠান বৈঠকের প্রতিটি বৈঠকেই গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ'র কাছে  জনগনের দাবি ছিল ভূমি জরিপের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি চিহ্নিত করে বাকি সম্পত্তি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করে গেজেট প্রত্যাহার করা।

দীর্ঘ কয়েক যুগের অপেক্ষার পর সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ'র ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকারি জরিপ টিম শ্রীপুরে কাজ শুরু করেছেন।

আজ দুপুরে এই জরিপ টিমের দায়িত্বে নিয়োজিত ঈশা খানের সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের।তিনি জানান,৬ টি টিম ইতিমধ্যেই পৌর এলাকার শ্রীপুর মৌজায় ডিজিটাল ভূমি জরিপের কাজ শুরু করেছেন।

পৌর এলাকার জরিপ সম্প্ন হলে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নগুলোতে জরিপ চালাবেন উক্ত টিম।

তিনি বলেন,রাজনৈতিক তদবির ও প্রভাবমুক্ত হয়ে তারা এখন পর্যন্ত ডিজিটাল ভূমি জরিপের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।জনগনের ব্যাপক সাড়া ও সহযোগিতা পাচ্ছেন তারা।

সমগ্র উপজেলায় জরিপ সম্প্ন হতে ৬ থেকে ১০ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



আগামীকাল সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আগামী মঙ্গলবার সিলেট অঞ্চল পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন সকালে হেলিকপ্টারযোগে তিনি সিলেট যাবেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশ্বস্ত সূত্র।

সূত্রটি জানায়, মঙ্গলবার সকালে সিলেট যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহমর্মিতা জানাবেন। একইসঙ্গে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

এদিকে সচিবালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান সিলেট গিয়েছেন সেখানে তিনি সেখানে মঙ্গলবার অবস্থান করবেন।


আরও খবর



কমনওয়েলথ উইমেন্স ফোরামের সভায় প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা

পরিবারই প্রথম প্রতিষ্ঠান, যা নারী নেতৃত্ব সৃষ্টি ও ক্ষমতায়ন করতে পারে”

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

‘নারী নেতৃত্ব সৃষ্টি করা অত্যন্ত কঠিন। পরিবার থেকেই নারীর নেতৃত্ব তৈরি ও নারীর ক্ষমতায়ন করতে হবে। কারণ পরিবারই প্রথম প্রতিষ্ঠান, যা তাদের কন্যা ও বোনদের মাঝে নেতৃত্ব সৃষ্টি ও ক্ষমতায়ন করতে পারে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী নারী, স্পিকার নারী, বিরোধী দলীয় নেতা নারী ও সংসদীয় উপনেতা নারী। যা বিশ্বে বিরল উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশে নারী সচিব, বিচারক, মেজর জেনারেল, বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভিসি ও জাতিসংঘের অধীনে বাংলাদেশের নারীরা শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশে মোট চুয়াত্তর জন সংসদ সদস্য আছে যার মধ্যে পঞ্চাশটি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। এছাড়া স্থানীয় সরকার পর্যায়ে বিশ হাজার নির্বাচিত নারী জনপ্রতিনিধি রয়েছে। 

আজ (২০ জুন সোমবার) রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে অনুষ্ঠিত ৩য় কমনওয়েলথ উইমেন্স ফোরামের প্রথম দিনে ‘উইমেন ইন লিডারশিপ: বিয়ন্ড নাম্বারস’ সেশনে আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এসব কথা বলেন। রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন রুয়ান্ডার ফার্স্ট লেডি জেনেট কাগামে (Jeannette Kagame)। স্বাগত বক্তব্য দেন কমনওয়েলথের সেক্রেটারি জেনারেল প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসি (Patricia Scotland QC)।   

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা আরো বলেন, নারী নেতৃত্ব সৃষ্টিতে বড় বাধা হলো সামাজিক বাধা ও সচেতনতার অভাব। নারী ক্ষমতায়ন হলে সমাজের সকলে উপকৃত হবে। কারণ নারীরা কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও সৎ। বিশ্বে যেসকল দেশে নারী সরকার প্রধান আছে, সেখানে নারীর ক্ষমতায়ন দ্রুত হচ্ছে। বাংলাদেশ রাজনৈতিক দলে এক তৃতীয়াংশ নারী সদস্য রাখার নির্দেশনা রয়েছে। বাংলাদেশে অর্থনৈতিক কাজে নারীরা অনেক এগিয়েছে এবং চল্লিশ লক্ষ নারী গার্মেন্টস সেক্টরে কাজ করছে। যা রপ্তানী আয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

প্রথম দিনে ‘উইমেন ইন লিডারশিপ: বিয়ন্ড নাম্বারস’ সেশনে যুক্তরাজ্যের চেরী ব্লেয়ার ফাউন্ডশনের প্রতিষ্ঠাতা চেরী ব্লেয়ার ( Cherie Blair), দক্ষিণ আফ্রিকার সমবায় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী থেম্বেসাইল নকান্ডিমেং ( Thembisile Nkandimeng), যুক্ত্রাজ্যের এমপি হ্যারিয়েট ব্যাল্ডউইন ( Harriet Baldwin), নাইজেরিয়ার অ্যামেরিকান ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. মার্গি এনসাইন ( Margee ensign) ও কমনওয়েলথ লোকাল গভার্নমেন্টের সেক্রেটারি জেনারেল লুসি স্লাক (Lucy Slack) । 

কমনওয়েলথ উইমেন্স ফোরামে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের নারী ও জেন্ডার বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিনিধিসহ পাঁচশত বেশী ডেলিগেট অংশগ্রহণ করছে।কিগালিতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী কমনওয়েলথ উইমেন্স ফোরামের প্রতিপাদ্য ডেলিভারিং কমন ফিউচার: ট্রান্সফর্মিং জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি। এবারের সভায় ‘উইমেন ইন লিডারশিপ: বিয়ন্ড নাম্বারস, উইমেন’স ইকোনমিক এমপাওয়ারমেন্ট: ব্রেকিং ব্রেরিয়ার্স’, ‘এনগেজিং মেন এন্ড বয়েজ: এন্ডিং ভায়োলেন্স এগেইনিস্ট উইমেন এন্ড গার্লস’, ‘জেন্ডার এন্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ: ইন্টার‍্যাকশন এন্ড অপারচুনিটিজ ফর প্রগ্রেস’ এবং হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট: বিল্ডিং গার্লস লিডারস ফর টুমোরো’ সেশন অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য যে, ২০১৩ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ১০ম কমনওয়েলথ উইমেন এ্যাফেয়ার্স মিনিস্ট্রিয়াল মিটিং ও কমনওয়েলথ জেন্ডার এ্যাকশন প্লান মিটিং এ কমনওয়েলথ উইমেন্স ফোরামের প্রস্তাব করা হয় যা পরবর্তীতে কমনওয়েলথ উইমেন্স ফোরাম হিসবে গৃহীত হয়।

প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা সেশন পরবর্তিতে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রদানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী ও চেরী ব্লেয়ার ফাউন্ডশনের প্রতিষ্ঠাতা চেরী ব্লেয়ারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এ সময় চেরি ব্লেয়ার বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি যুক্তরাজ্য লেবার পার্টির এমপি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ভাগ্নী ও শেখ রেহানার কন্যা টিউলিপ সিদ্দিক’র নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আগ্রহ প্রকাশ করেন ও বাংলাদেশকে যুক্ত্রাজ্যের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাষ্ট্র হিসবে উল্লেখ করেন।


আরও খবর