Logo
শিরোনাম

একাত্তরে পাকিস্তান-বাংলাদেশ যুদ্ধ নিয়ে ইমরানকে মুখ বন্ধ রাখার পরামর্শ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি  ডিজিটাল ডেস্ক:



১৯৭১ সালের পাকিস্তান-বাংলাদেশ যুদ্ধ নিয়ে মন্তব্য করা থেকে ইমরান খানকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।


 তিনি বলেছেন, এ ইস্যুতে বেশিদূর কথাবার্তা চললে দেশের রাজনীতিতে উদ্বেগ উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে।


কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইমরান খানের পক্ষ থেকে একটি বার্তা দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, ‘প্রকৃত দেশদ্রোহী জেনারেল ইয়াহিয়া খান না কি শেখ মুজিবুর রহমান তা জানার জন্য প্রত্যেক পাকিস্তানির উচিত হামুদ উর রহমান কমিশনের প্রতিবেদনটি পড়া।’


১৯৭১ সালে যৌথ বাহিনীর হাতে পরাজিত হয়ে পূর্ব পাকিস্তান খোয়ানোর পর পাকিস্তানের সাবেক বিচারপতি হামুদ উর রহমানকে প্রধান করে একটি কমিশন গঠন করে পাকিস্তানের তৎকালীন সরকার।


 এই কমিশনের মূল দায়িত্ব ছিল, কেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে ইসলামাবাদের দূরত্ব সৃষ্টি হলো এবং এই যুদ্ধ হলো তার কারণ অনুসন্ধান করা।



হামুদ উর রহমানের নেতৃত্বাধীন কমিশন নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমাও দিয়েছিলেন। কিন্তু সেনাবাহিনীর আপত্তির কারণে আজ পর্যন্ত সেই প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি।


দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে আদিয়ালা জেলে রয়েছেন ইমরান খান। কারাগারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সুযোগ নেই।


 তাই পোস্টটি তার পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। জানা গেছে, ইমরানের এক্স একাউন্টটি বর্তমানে পরিচালনা করছেন তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের সোশ্যাল মিডিয়া টিম।



জিও টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ বলেন, ‘১৯৭১ সালের যুদ্ধ পাকিস্তানের একটি স্পর্শকাতর বিষয়। এটি একটি ট্র্যাজেডি এবং ইমরান খানও এ সম্পর্কে ভালোভাবেই ওয়াকিবহাল। 


কিন্তু তারপরও তিনি ইস্যুটি নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।’


‘ইমরান খানের প্রতি আমার পরামর্শ এবং আহ্বান থাকবে, তিনি যদি দেশের রাজনীতি অস্থিতিশীল করতে না চান, তাহলে যেন নিজের মুখ বন্ধ রাখেন।’




আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান 

 মঙ্গলবার দুপুরে তিনি টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সময় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে পরে পবিত্র ফাতেহা পাঠ করে বঙ্গবন্ধুসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্ম উৎসর্গকারী ৩০ লাখ শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন তিনি

সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল মুহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রশীদ
প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার চাচা শেখ কবির হোসেন, মিল্ক ভিটার চেয়ারম্যান শেখ নাদির হোসেন লিপু, গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গোলাম কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) খায়রুল আলম, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুল শেখ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈনুল হক, পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুলসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন 

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন


আরও খবর



শাশুড়িকেও বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি উপহার দেন এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস ডেস্ক:


১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া মুশফিকুর রহমান ইফাত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মতিউর রহমানেরই ছেলে। এতে কোন সন্দেহ নেই।



 ইফাতের দুই মামা ও একাধিক নিকটাত্মীয় বিষয়টি ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছেন। সেই ছেলে ও স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবুর অনুরোধে শ্বশুর বাড়িতে শাশুড়িকে ১০ বছর আগে একটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি বানিয়ে উপহার দেন মতিউর রহমান। 



মতিউর রহমানের শ্বশুর বাড়ি সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায়। তবে স্থানীয়রা বাড়িটিকে মিয়া বাড়ি হিসেবে চিনেন।


যদিও মতিউর রহমান গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, ইফাত তার ছেলে নয়। এ বিষয়ে পরিবারটির ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার কারণে মতিউর রহমান ছেলেকে অস্বীকার করছেন। কারণ, ১৫ লাখের ছাগলকে কেন্দ্র করে ভাইরাল হওয়ার পর ইফাতের দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপনের নানা বিবরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। 



সরকারি চাকরজীবী বাবার বেতনের টাকা দিয়ে ছেলে কীভাবে এমন ব্যয়বহুল জীবনযাপন করতে পারে, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ছেলের পরিচয় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।


মতিউরের বানিয়ে দেওয়া বিলাসবহুল বাড়িটি জসিম উদ্দিন নামে স্থানীয় একব্যক্তি দেখাশোনা করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১০-১২ বছর ধরে তিনি এই বাড়িতে থেকে বাড়ি দেখাশোনা করছেন। 



সর্বশেষ গত দুই মাস আগেও এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমান স্ত্রী, শাম্মী আখতার শিবু, ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত ও শাশুড়িকে নিয়ে বাড়িতে এসেছিলেন। দু-একদিন থাকার পর আবার ঢাকায় ফিরে যান। 


মতিউর রহমানের শাশুড়ি বর্তমানে ঢাকায় মেয়েদের বাসায় ও বাড়িতে আসা-যাওয়ার ওপর থাকেন। তিনি এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, গত বছর কোরবানির ঈদে মতিউরের ছেলে ইফাত কোটি টাকা ব্যয় করে ১৪টি গরু-ছাগল কিনেছিলেন। এর মধ্যে আটটি গরু ও দুটি ছাগল ঢাকায় কোরবানি দিয়েছেন। বাকি চারটি গরু নানার বাড়িতে নিজে এসে জবাই করে আত্মীয়-স্বজন ও গরীবদের মধ্যে বিতরণ করেছেন।


স্থানীয়রা জানায়, মতিউর রহমান ও তার শ্যালক নবিকের নামে ফেনী ও সোনাগাজীতেও বেশ কিছু জমিজমা রয়েছে। যা মতিউরের স্ত্রী শাম্মী আখতারের জেঠাতো ভাই মো. আরিফুর রহমান তাদেরকে কিনে দিয়েছেন। তিনি এই সম্পত্তির দেখাশোনা করেন।


মতিউরের স্ত্রী শাম্মী আখতারের জেঠাতো ভাই মো. আরিফুর রহমান বলেন, এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমান তার চাচাতো বোনের স্বামী। মুশফিকুর রহমান ইফাত তাদের একমাত্র সন্তান। শাম্মী আখতারের এক বোন ও এক ভাই রয়েছে। ২৫ বছর আগে মতিউরের সঙ্গে শাম্মী আখতারের বিয়ে হয়। 



বিয়ের এক বছর পর শাম্মী আখতারের বাবা অবসর প্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মিল্লাত মিয়া মারা যান। এরপর শাম্মীর অনুরোধে মতিউর শাশুড়ি, শালিকা লাভলী আক্তার ও শ্যালক মো. নকিবকে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে লাভলীকে পড়ালেখা শেষে বিয়ে দেন। 



আর শ্যালক মো. নবিককে বাসায় রেখে লেখাপড়া করান। সম্প্রতি নবিক চীন থেকে ফ্যাশন ডিজাইনের ওপর লেখাপড়া শেষ করে দেশে ফিরে এসে ব্যবসা ও চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তারা রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় নিজস্ব বাসায় থাকেন। 



তবে স্থানীয়রা বলছে, শ্যালক নকিব ঢাকাসহ বিদেশে মতিউরের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ আনুষাঙ্গিক কাজকর্ম দেখাশোনা করেন।


তিনি বলেন, মতিউর হঠাৎ করে একটি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ায় তিনি নিজেকে নির্দোষ ও আড়াল করতে স্ত্রী-সন্তানদের অস্বীকার করছেন। তবে এটা অচিরেই সমাধান হয়ে যাবে। অন্যথায় ডিএনএ পরীক্ষা করলে ইফাতের পিতৃপরিচয় সম্পর্কে পরিস্কার হয়ে যাবে।


 এছাড়া ফেনী ও সোনাগাজীতে মতিউর ও নকিবের পৈত্রিক ছাড়া আর কোন জমিজমা নেই। তিনি তাদেরকে কোন জমিজমা কিনে দেননি বলেও জানান।


শুক্রবার (২১ জুন) সকালে উপজেলার সোনাপুর এলাকায় মিয়া বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স বাড়িটির দরজা বন্ধ। ঘরে কেউ নেই।


এমন সময় দেখা হয় মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবুর জেঠাতো ভাই ও আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজিজুল হক হিরনের। 


তিনি বলেন, এনবিআরের সদস্য মতিউর রহমান তার চাচাতো বোনের স্বামী। ইফাত তাদের সন্তান। শাম্মী আখতারের ছোট ভাই ঢাকাতে ব্যবসা করেন। বিভিন্ন সময়ে মতিউর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ফেনীর সোনাগাজীতে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসতেন বলেও জানিয়েছেন।


তবে শাশুড়িকে মতিউরের বিলাসবহুল বাড়ি উপহারের বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।


আরও খবর



বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে সিলেটের সব নদীর পানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

টানা বৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা উজানি ঢলে সিলেটের তিনটি নদীর ৬টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া আরও কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।

এদিকে টানা ভারী বৃষ্টিতে নদী ও ছড়া উপচে পানি নগরীতে প্রবেশ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে সিলেট নগরীর ভেতরে অনেক বাসাবাড়িতে পানি উঠেছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৯টা সুরমা নদীর কানাই পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই নদীর সিলেট পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

জকিগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর অমলসীদ পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার ও একই নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৭৯ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সারি নদীর পানি সারিঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ও সারি গোয়াইন নদীর পানি গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসেন জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সিলেটে ১৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ও আজ সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এদিকে, ভারতের আইএমডি'র তথ্যমতে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৯৫ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, ভারতের মেঘালয়ে বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ি ঢল নেমে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারতে বৃষ্টিপাত কমে এলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেও জানান তিনি।

সার্বিক বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান জানান, বন্যাসহ যেকোন দূর্যোগ পরিস্থিতিতে সরকারের নির্দেশনায় সিলেট জেলা ও উপজেলার কর্মকর্তাগণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আতঙ্কিত ও বিভ্রান্ত না হয়ে সকল প্রকার পরিস্থিতি মোকাবেলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার অনুরোধ করা হলো।


আরও খবর



দেশে টানা ৮ দিন অতিভারি বর্ষণের শঙ্কা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র প্রবল অবস্থায় থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা আট দিন অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাস ও সামুদ্রিক সতর্কবার্তা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সংস্থাটি জানায়, শনিবার (২৯ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

রবিবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

সোমবার (১ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামুদ্রিক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সৃষ্টি লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত রয়েছে। বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ক্রীড়া ডেস্ক: আর মাত্র একটি ম্যাচ। এরপরই পর্দা নামবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের। 

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ থেকে কেবল এক পা দুরত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো কোনো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে প্রোটিয়াদের এটি প্রথম ফাইনাল। প্রতিপক্ষ ভারত অবশ্য সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপেই খেলেছে ফাইনাল। ফেভারিটের মতো খেলে এবারও ফাইনালে তারা। বার্বাডোজের কেনসিংটন ওভালে আজ শনিবার (২৯ জুন) মাঠে গড়াবে মেগা ফাইনাল। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি।


এমন এক ম্যাচ যেখানে পরিসংখ্যান, অতীত ইতিহাস, শক্তি-সামর্থ্য—কাজে দেবে না কিছুই। যারা নিজেদের সবটা নিংড়ে দিতে পারবে, শিরোপা তাদের। তাছাড়া, ভারত কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা কেউই পিছিয়ে নেই কারও চেয়ে। 



যে কারণে অপেক্ষা জমজমাট এক লড়াইয়ের। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দুদল উঠেছে ফাইনালে।



ফাইনালের আগে ছন্দে আছেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। টানা দুই ম্যাচে অর্ধশতকের দেখা পেলেন তিনি। তার নেতৃত্বে পুরো দলই আছে ছন্দে। গ্রুপপর্ব থেকে সুপার এইট, সেখান থেকে সেমি, কোথাও প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হয়নি ভারতকে।



 দক্ষিণ আফ্রিকার যাত্রা অতটা মসৃণ না হলেও ইতিহাস গড়ার পথে দলটি খেলেছে উজাড় করে। এইডেন মার্করামের নেতৃত্বে দলটি যা করেছে, প্রোটিয়াদের ইতিহাসেই তো এমনটি হয়নি আগে।


বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা, হঠাৎ করে একথা শুনলে অবাক বনে যাবে অনেকেই। এর আগে যে কখনোই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। দলটির ক্রিকেট ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। তবু, অতৃপ্তি ছিল। 



বিশ্বকাপে সবসময়ই ফেভারিটের তালিকায় থাকে তারা। সেমি ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে সাতবার (পাঁচবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ, দুবার টি-টোয়েন্টি। এবারসহ আটবার)। সেখান থেকে ফাইনালে আর যাওয়া হতো না। 


বড় ম্যাচে চাপ সামলাতে না পারায় প্রোটিয়াদের নামই তাই হয়ে যায় চোকার্স। সেখান থেকে বেরিয়ে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অবশেষে ফাইনালের মুখ দেখতে পেল তারা।


ভারতের অপেক্ষাটাও কম দীর্ঘ নয়। কেবল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হিসাব ধরলেও সেটি দীর্ঘদিনের। প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।



 এরপর দ্বিতীয়বার দলটি ফাইনাল খেলে ২০১৪ সালে। সাত বছর অপেক্ষার পর ফাইনাল খেললেও শিরোপার দেখা পায়নি তারা। এরপর কেটেছে আরও ১০ বছর। এক দশক পর ফের বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। ক্রিকেটের এই সংস্করণের বিশ্বকাপে এক ফাইনাল থেকে আরেকটি ফাইনাল খেলতে এত লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হয়নি কোনো দলকে।



 আর শিরোপার অপেক্ষা ধরলে সেটি আরও দীর্ঘ। ১৭ বছর! আগামীকালের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে না পারলে যা দীর্ঘায়িত হবে।


ভারতের অপেক্ষাটাও কম দীর্ঘ নয়। কেবল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হিসাব ধরলেও সেটি দীর্ঘদিনের। প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। এরপর দ্বিতীয়বার দলটি ফাইনাল খেলে ২০১৪ সালে। 



সাত বছর অপেক্ষার পর ফাইনাল খেললেও শিরোপার দেখা পায়নি তারা। এরপর কেটেছে আরও ১০ বছর। এক দশক পর ফের বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। ক্রিকেটের এই সংস্করণের বিশ্বকাপে এক ফাইনাল থেকে আরেকটি ফাইনাল খেলতে এত লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হয়নি কোনো দলকে। 



আর শিরোপার অপেক্ষা ধরলে সেটি আরও দীর্ঘ। ১৭ বছর! আগামীকালের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে না পারলে যা দীর্ঘায়িত হবে।


আরও খবর