Logo
শিরোনাম
মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স:

এক্সরে মেশিন ২ বছর বাক্সবন্দি:প্যাথলজিস্ট নেই ৭ বছর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ,  নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ বছর ধরে অচল এক্সরে মেশিন। ৭ বছর ধরে নেই প্যাথলজিষ্ট (মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ল্যাব)। গুরুত্বপূর্ন এ টেকনোলজিষ্ট না থাকায় সেবা বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।  

জানাগেছে, এ উপজেলায় ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৫ লক্ষ মানুষের বসবাস। সরকারিভাবে স্বাস্থ্য সেবা জনগনের দ্বারপ্রান্তে পৌছে দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বিনামূল্যে ওষুধপত্রসহ বিভিন্ন বরাদ্দ, থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবল সংকট, টেকনিক্যাল যন্ত্রাংশ অকেজোর কারনে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ। হাসপাতালের সামনে গড়ে উঠেছে একাধিক প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান ডায়াগনষ্টিক সেন্টার সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা নিরিক্ষার জন্য পাঠাচ্ছেন রোগীদের।


হাসপাতালে গিয়ে এক্সরে ও পরীক্ষা-নিরিক্ষা না পেয়ে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বেশী অর্থ খরচ করে পরীক্ষা করাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে রোগীদের। নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ ব্যায় বহুল অর্থের জোগান দিতে না পেরে অনেকেই করাতে পারছে না পরীক্ষা-নিরিক্ষা। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি বরাদ্দে ব্যায় বহুল অর্থের এক্সরে মেশিনটি রুম সংকটের কারনে দীর্ঘদিন ব্যবহার হচ্ছে না। যদিও এ পদে শফিকুল ইসলাম মিঠু নামে একজন কর্মরত থাকলেও আসছে কোন কাজে।

 ২০১৫ সালের পর থেকে অধ্যবদি পর্যন্ত প্যাথলজিষ্ট (মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ল্যাব) পদটি শূন্য থাকায় বন্ধ রয়েছে পরীক্ষা নিরিক্ষা। ২০২০ সালে এ পদে একজন যোগদান করলেও ৬ মাস যেতে না যেতেই অন্যত্র চলে যায়।

এ সর্ম্পকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শর্মী রায় বলেন, তিনি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পূর্ব থেকেই এক্সরে মেশিনটি অচল। যে রুমে মেশিনটি ছিলো সে রুমে পানি পরার কারনে সরিয়ে আনা হয়েছে। নতুন রুমের বরাদ্দের জন্য ইতোমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এসে পরিমাপ করেছেন। রুম  নির্মাণ হলেই সচল হবে এক্সরে মেশিনটি। প্যাথলজিষ্ট পদটি দীর্ঘদিন শূন্য থাকার বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। 


আরও খবর



বর্ণাঢ্যময় জীবনের অধিকারী আকবর আলি খান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশসাক বা এসডিও ছিলেন। যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তান সরকার দেশদ্রোহিতার অভিযোগে তার বিচার করে। তিনি ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আকবর আলি খান সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একজন উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সঙ্গে পদত্যাগ করেন।

আকবর আলি খান ১৯৪৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে ১৯৬৪ সালে সম্মান ও ১৯৬৫ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন দুটিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে।সরকারি চাকরিতে যোগদানের পূর্বে আকবর আলি খান কিছু সময়ের জন্য শিক্ষকতা করেন।

১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে তিনি লাহোরের সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে যোগ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৭০ সালে হবিগঞ্জ মহুকুমার এস. ডি. ও. হিসেবে পদস্থ হন। তিনি তার এলাকায় সুষ্ঠুভাবে ১৯৭০-এর নির্বাচন পরিচালনা করেন।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগের অসহযোগ আন্দোলনে আকবর আলি খান সমর্থন দেন। পাকিস্তান বাহিনীর আক্রমণ শুরু হলে হবিগঞ্জ পুলিশের অস্ত্র সাধারণ তিনি মানুষের মধ্যে বিতরণ করে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অণুপ্রাণিত করেন।

আকবর আলি খান স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য তহবিল তৈরি করতে ব্যাংকের ভল্ট থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা উঠিয়ে ট্রাকে করে আগরতলায় পৌছে দেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য যোগান দেওয়ার জন্য গুদামঘর খুলে দেন এবং পরবর্তী সময়ে আগরতলায় চলে যান। ১৯৭১-এর ডিসেম্বরে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং সচিবালয়ে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন।

১৯৭৩ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে শিক্ষকতায় যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। আকবর আলি খান তার পদত্যাগপত্র জমা দিলেও শেখ মুজিবর রহমান তা গ্রহণে অস্বীকৃত জানান। তাকে অবসর না দিয়ে শিক্ষকতা করার জন্য ছুটি দেওয়া হয়।

কমনওয়েলথ বৃত্তির জন্য মনোনীত হওয়ার আগে তিনি অল্প সময়ের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। বৃত্তির জন্য তিনি কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়এ যোগ দেন এবং সেখানে অর্থনীতি বিভাগে মাস্টার্স এবং পি. এইচ. ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৯ সালে দেশে ফেরত আসার পরে অল্প সময়ের মধ্যেই আকবর আলি খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাকে আবারও প্রশাসনের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

১৯৮৪ সালে তিনি সাভারের বিপিএটিসি-তে মেম্বার ডাইরেক্টিং স্টাফ হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৭ সালের আগ পর্যন্ত তিনি পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং কর্মকমিশন সচিবালয়ে কাজ করেন।

ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসে অর্থমন্ত্রী পদে যোগ দেন আকবর আলি খান। ঢাকায় ফিরে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগে অতিরিক্ত সচিব পদে যোগ দেন।  ১৯৯৩ এ সরকারের সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আকবর আলি খান। ১৯৯৬ সালে তিনি অর্থ সচিব হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বদলি হন।

২০০১ সালে তিনি বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে বিকল্প এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর পদে যোগদান করেন। বিশ্ব ব্যাংকে তিনি ২০০২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত কাজ করেন। বিশ্ব ব্যাংক থেকে অবসর গ্রহণের তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর গভর্নমেন্ট স্টাডিজ প্রতিষ্ঠিত করেন।

আকবর আলি খান দেশের ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও অগ্রগতি নিয়ে গবেষণা করছেন। একই সঙ্গে তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতা নিয়ে গবেষণা করছেন। আলি আকবর খানের গ্রন্থ হিস্টোরি অব বাংলাদেশবা বাংলাদেশের ইতিহাসএশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।

পরার্থপরতার অর্থনীতিআকবর আলি খানের গবেষণাধর্মী একটি আলোচিত বই।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




বিসিক কেমিক্যাল পল্লী কাজে ধীর গতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এক যুগ পেরিয়ে গেছে নিমতলী ট্র্যাজেডির। তবু ঢাকার মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গড়ে ওঠা কেমিক্যাল গোডাউন সরেনি। ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নবাব কাটরার নিমতলীতে কেমিক্যাল গোডাউনে সংঘটিত দুর্ঘটনায় বহু হতাহতসহ সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধসহ আবাসিক এলাকা থেকে কেমিক্যাল কারখানা-গোডাউন সরাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জে ‘বিসিক কেমিক্যালপল্লী’ গড়ার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। পরে বৃহৎ পরিসরে ও অধিক উপযোগী স্থান হিসেবে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা নির্ধারণ করে ১ম সংশোধন আনা হয়।

জুলাই ২০১৮ থেকে শুরু হয়ে জুন ২০২২ পর্যন্ত ৫ বছরে প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি মাত্র ৪৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। এখন আবার ভূমি অধিগ্রহণে ১১০ কোটি ১৩ লাখ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে জমির কাজ সম্পন্ন করতে প্রকল্প মেয়াদ এক বছর অর্থাৎ জুন ২০২৩ পর্যন্ত বৃদ্ধি বাস্তবসম্মত কি না—এ বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, অনুমোদিত ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) অনুসারে ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু বন্যার সর্বোচ্চ লেভেল পর্যন্ত মাটি ভরাট করে সব পূর্ত কাজ সম্পন্ন করতে আরো দেড় বছর লাগবে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ জুন ২০২৪ পর্যন্ত হলে ভালো হয়।

প্রকল্প এলাকায় বন্যার পানির সর্বোচ্চ লেভেল পর্যন্ত মাটি ভরাট, লেক খনন ইত্যাদি কাজের জন্য প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধন প্রস্তাব করা হয়েছে। জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়ে ব্যয় ৬৫৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা, যা মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৪০ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং এর বাস্তব অগ্রগতি ৪৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। তবে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেছেন, মুন্সীগঞ্জ জেলায় বিসিক কেমিক্যাল শিল্পপার্ক, বিসিক মুদ্রণ শিল্পপার্ক, বিসিক হালকা প্রকৌকল ও বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন শিল্পপার্ক, বিসিক প্লাস্টিক শিল্পপার্ক বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিসিক এপিআই শিল্পপার্ক বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে মুন্সীগঞ্জ জেলা মাল্টিসেক্টরাল শিল্প হাব হিসেবে গড়ে উঠবে।

পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ১ম সংশোধিত প্রকল্পটি জুন ২০২২ সালে শেষ হওয়া জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দেড় মাস পর প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধন প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে এসেছে। প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়াকরণ-সংক্রান্ত পরিপত্র অনুসারে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে তিন মাস আগে সংশোধন প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যা প্রতিপালন করা হয়নি।

ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, প্রকল্পের মূল অনুমোদিত ভূমি উন্নয়নব্যয় ১৩০ কোটি ১৭ লাখ টাকা টাকা থেকে ১১০ কোটি ১৩ লাখ টাকা বৃদ্ধি করে ২৪০ কোটি ৩০ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা অত্যাধুনিক বলে মনে হয়েছে।

সময়-ব্যয় বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রকল্পের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়ছে। সময় বৃদ্ধির অন্যতম কারণ প্রকল্পের স্থান পরিবর্তন। ঢাকা বিভাগের কেরানীগঞ্জের পরিবর্তে এখন মুন্সীগঞ্জে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

ভূমি উন্নয়ন খাতে বিপুল পরিমাণ ব্যয়বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক জানান, মূল অনুমোদিত ডিপিপিতে ১০ ফুট পর্যন্ত মাটি ভরাটের সংস্থান ছিল। কিন্তু পরে জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে যে ভূমি বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা নিচু জমি। ভূমি উন্নয়নের জন্য বন্যার পানির সর্বোচ্চ লেভেল পর্যন্ত গড়ে ১৭ ফুট পর্যন্ত মাটি ভরাটের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। যে কারণে জমি অধিগ্রহণ ব্যয় বাড়ছে। ফ্ল্যাড লেভেল হাই করা হচ্ছে। যাতে প্রকল্প এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ না করে।

পরিকল্পনা কমিশন জানায়, প্রকল্প এলাকাটি দুটি নদী ধলেশ্বরী ও ইছামতীর মিলনস্থলে অবস্থিত। এমন একটি স্থানে কেমিক্যালপল্লী স্থাপনে অবশ্যই পরিবেশগত ছাড়পত্র নিতে হবে। এ ছাড়া নদীতীর থেকে অন্তত ১০০ ফুট জায়গা ছেড়ে দিয়ে কেমিক্যালপল্লীর বাউন্ডারি নির্মাণ এবং সে আলোকে লে-আউটপ্ল্যান সংশোধন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রকল্প এলাকায় কেমিক্যাল শিল্প ও গোডাউন উভয় ধরনের স্থাপনাই থাকবে।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্প এলাকায় যে সাততলা অফিস ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানেই মেডিকেল সেন্টার ও নামাজ পড়ার স্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে আলাদা করে মেডিকেল সেন্টার ও মসজিদ নির্মাণ প্রয়োজন হবে না এবং সরকারি অর্থের সাশ্রয় হবে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




প্রবীণ জনগোষ্ঠির সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর তাগিদ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

‘পরিবর্তিত বিশ্বে প্রবীণ ব্যক্তির সহনশীলতা’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে পহেলা অক্টোবর আর্ন্তজাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জে আলোচনা সভা ও র‌্যালি হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয় ও বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপত্বি করেন জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান সরদার।

সহকারী পরিচালক মো. সোলায়মানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রবীন মিয়া, কেএম ইশমাম,  অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: মোজাম্মেল হক তালুকদার, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের চিকিৎসক আতিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেম প্রমুখ।

 আলোচনা সভায় বক্তারা, প্রবীণরা অবহেলিত। তাই প্রবীণদের কল্যাণে সরকারী সুযোগ সুবিধা ও হাসপাতালে সেবা বাড়ানোর তাগিদ দেন তারা।

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ বলেন, প্রবীণরা আমাদের সমাজ ও দেশের সম্পদ। তাই তাদের প্রতি অবহেলা নয়, যথাযথ সম্মান দিতে হবে। দেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠি অবহেলিত। এ কারণে সরকার পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন করেছেন। ছেলে-মেয়ের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে, যাতে কোন পিতা-মাতাকে প্রবীন নিবাসে যেতে না হয়। তিনি বলেন, আজকে যারা নবীন, আগামীতে তারাই প্রবীণ। প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ কাজে লাগাতে হবে। প্রবীণদের পরামর্শ সমাজ ও দেশ এগিয়ে যাবে। তাহলে আমরা উন্নত জাতিতে পরিণত হতে পারবো। তিনি প্রবীণদের কল্যানে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আলোচনা সভার শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়।


আরও খবর



সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শফিউল আলম, স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞাত ব্যক্তির(৫০) মৃত্যু হয়েছে।১৯ সেপ্টেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ইন্তেকাল হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১থেকে দেড় বছর যাবত এই অজ্ঞাত(৫০)ব্যক্তি শক্তিয়ারখলা বাজারে থাকতো।বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মোহাম্মদ ছবাব মিয়া জানান,১৭ সেপ্টেম্বর রাতে পরিষদের সামন থেকে অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় গ্রামপুলিশের মাধ্যমে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে ভর্তি করেন।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তানভীর আহমদ জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর(সোমবার)সকালে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরমৃত্যু হয়। সেইসাথে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অজ্ঞাত  ব্যক্তির লাশ হস্তান্তর বিষয়ে সত্যতা জানিয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানার এস আই আলিম উদ্দীন  জানান,অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



এসএসসির প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হলো

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনালের প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হয়েছে। বেলা ১১টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হয় এই পরীক্ষা। 

এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। তাদের মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৯৩ হাজার ৯২৩ জন। বাকিরা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী। প্রথম দিন আজ বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা হচ্ছে।

ঢাকায় যানজটের কারণে এসএসসি পরীক্ষার্থী, গাজীপুর ও বিমানবন্দর গমনকারী যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় হাতে নিয়ে যাত্রা করার অনুরোধ জানিয়েছিল ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানান।

সাধারণত সকাল ১০টায় পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু এবার বেলা ১১টায় দুই ঘণ্টার এই পরীক্ষা শুরু হবে। যানজট এড়াতে সময় পেছানো হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে আসনে বসতে হবে। তবে কেউ দেরি করলে প্রবেশপথে সংরক্ষিত রেজিস্টারে কারণ লিখে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারবে। এএসএসসি পরীক্ষা ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তখন সিলেট, সুনামগঞ্জসহ দেশের কয়েকটি এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এর দুদিন আগে পরীক্ষা স্থগিত করার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

পরীক্ষা সামনে রেখে ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পরীক্ষাসংক্রান্ত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও প্রশ্নফাঁস এড়াতে ১২ সেপ্টেম্বর (সোমবার) থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২