Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

এমপি আনার হত্যার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন শিলাস্তিও, আসামিদের লোমহর্ষক বর্ণনা

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের জট এখনও খোলাসা না হলেও দেশে গ্রেপ্তার তিন আসামি— শিমুল ভূঁইয়া ওরফে আমানুল্লাহ, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি ডিবির। 


এরই মধ্যে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এমপি আনারকে রিসিভ করার পর হত্যাকাণ্ডের সময় কলকাতার নিউটাউনের ওই ফ্ল্যাটেই ছিলেন শিলাস্তি রহমান। এমনকি ঝিনাইদহ-৪ আসনের এ সংসদ সদস্যকে হত্যার পর নিজেদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে সব কাজ করেছেন হত্যাকারীরা।


শুক্রবার (৩১ মে) শিমুল ভূঁইয়া ওরফে আমানুল্লাহ, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান। কিন্তু আদালত এ তিন আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


এই তিন আসামির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিবি জানায়, এমপি আনারকে হত্যা করার আগে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ওঠেন শিলাস্তি রহমান। হত্যা করার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন তিনি। তার দায়িত্ব ছিল এমপি আনার যখন ফ্ল্যাটটিতে যাবেন তাকে রিসিভ করা। 


সেই অনুযায়ী শিলাস্তি রহমান ওই ফ্ল্যাটটিতে এমপি আনারকে রিসিভ করেন। এরপর থেকে আর এমপি আনারকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।


রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার শিমুল ভূঁইয়া (৫৬) জিজ্ঞাসাবাদে ডিবিকে জানায়, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) শীর্ষস্থানীয় নেতা। খুলনা, জিনাইদহ, যশোরসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তথা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে তাদের নিষিদ্ধ দলের কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি।


 শিমুল ভূঁইয়ার সঙ্গে এমপি আনারের আদর্শের বিরোধ ছিল। এছাড়া ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান ওরফে শাহিনের সঙ্গেও সংসদ সদস্যের বিরোধ ছিল। এই দুই বিরোধকে কেন্দ্র করে শাহিন ও শিমুল ভূঁইয়া আনারকে হত্যা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পরিকল্পনা করছিলেন।


এমপি আনার হত্যাকাণ্ড / এবার নেপাল যাচ্ছে ডিবি

গত জানুয়ারি ও মার্চ মাসে দুবার তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হন তারা। পরবর্তীতে শাহিন ভারতের কলকাতার নিউটাউন অভিজাত এলাকায় চলতি মাসের এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। 


পরিকল্পনায় শামিল করা হয় শিলাস্তি রহমানকে। পরে তাদের সঙ্গে হত্যা পরিকল্পনার মিটিং করে শাহিন গত ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে চলে আসেন।


ডিবির রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, পরবর্তীতে শিমুল ভূঁইয়া ও শাহিনের নির্দেশে অন্যান্য আসামিরা ভুক্তভোগীকে কৌশলে ব্যবসার কথা বলে কলকাতার ওই ফ্লাটে নিয়ে যান। পরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী শিমুল ভুঁইয়া অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় আনারকে হত্যা করেন। 


হত্যার পর তার মরদেহের হাড়-মাংস আলাদা করে মাংসের ছোট ছোট টুকরো করা হয়। পরে সেগুলো ফ্ল্যাটের টয়লেটের কমোডে ফেলে ফ্লাশ করা হয়। এছাড়া হাড়সহ শরীরের অন্যান্য অংশ ট্রলিব্যাগে করে কলকাতার নিউটাউন থেকে দূরে একটি খালে ফেলে দেয় হত্যাকারীরা।


রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, শাহিন ভুঁইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য কলকাতার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি পুলিশকে জানানো হয়। পরবর্তীতে কলকাতার সিআইডি পুলিশ ওই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংকে তালাশ করে মানুষের মাংস সদৃশ কিছু উদ্ধার করে। যা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে আনোয়ারুল আজীম আনারের কি না নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে কলকাতার সিআইডি পুলিশের মাধ্যমে মৌখিকভাবে জানানো হয়। 


এই আলামত উদ্ধারের সময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।


ডিবিকে গ্রেপ্তার শিমুল ভুঁইয়া আরও জানান, আনারকে হত্যা করা ও লাশ থেকে হাড় মাংস আলাদা করার কাজে আসামি ফয়সাল, মোস্তাফিজ ও জিহাদ সরাসরি জড়িত ছিলেন। হাড় ও শরীরের অন্যান্য অংশ দূরে ফেলে দেওয়ার কাজে সিয়ামসহ অজ্ঞাতনামা দু-একজন সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।


আসামি জিহাদকে কলকাতা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আসামি তানভীর ভূঁইয়া (৩০) ঘটনার সময় শাহিন ভুঁইয়ার সঙ্গে কলকাতা ছিলেন। এছাড়া তিনি হত্যাকাণ্ডে শাহিন ভুঁইয়াকে সহযোগিতা করেন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। 


পরে তানভীর ভূঁইয়ার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বাড়ি থেকে তিনটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। আনারকে হত্যার সময় শিলাস্তি রহমান কলকাতায় ওই ফ্ল্যাটেই ছিলেন। হত্যা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শিলাস্তির দায়িত্ব ছিল এমপি আনারকে রিসিভ করা।


 ঘটনায় জড়িত পলাতক মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহিন, সিয়াম ও মোস্তাফিজসহ অজ্ঞাতনামা অন্যান্য আসামিদের সঠিক নাম-ঠিকানা সংগ্রহ ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। 


বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার রহস্য জানতে ডিবির হাতে গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসমিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়।


এর আগে গত ১২ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যান এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার। সেদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলকাতায় তার পারিবারিক বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। পরদিন, ১৩ মে চিকিৎসক দেখাতে হবে জানিয়ে দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে গোপালের বাড়ি থেকে বের হন আনার। 


সন্ধ্যায় ফিরবেন বলেও জানান তিনি। পরে বিধান পার্কের কাছে কলকাতা পাবলিক স্কুলের সামনে থেকে ট্যাক্সিতে উঠেছিলেন তিনি। চলে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় আনারের মোবাইল নম্বর থেকে তার বন্ধু গোপালের কাছে ম্যাসেজ আসে যে, তিনি দিল্লি যাচ্ছেন এবং সেখানে পৌঁছে তাকে ফোন করবেন।


পরে ১৫ মে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তায় এমপি আনার বন্ধু গোপালকে জানান, তিনি দিল্লি পৌঁছেছেন এবং ভিআইপিদের সঙ্গে আছেন। তাকে ফোন করার দরকার নেই। একই বার্তা পাঠান বাংলাদেশে তার ব্যক্তিগত সহকারী রউফের কাছেও।


১৭ মে আনারের পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে গোপালকে ফোন করেন। ওই সময় তারা গোপালকে জানান, তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। পরিবারের পক্ষ থেকে ওই দিন ঢাকায় থানায় অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকে আর এমপি আনারের খোঁজ পাওয়া যায়নি।


২০ মে এমপি আনারের খোঁজ করতে গিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে। তারা জানতে পারেন, কলকাতায় বন্ধুর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার মোবাইলের লোকেশন একবার পাওয়া গিয়েছিল সেখানকার নিউমার্কেট এলাকায়।


 এরপর ১৭ মে তার ফোন কিছুক্ষণের জন্য সচল ছিল বিহারে। পরে বুধবার (২২ মে) ভারতের এনডিটিভির খবরে বলা হয়, কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জিভা গার্ডেনসের একটি ফ্লাটে এমপি আনারকে খুন করা হয়েছে।



আরও খবর



গাজা সিটি ছাড়ার নির্দেশ ইসরাইলি বাহিনীর

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image

এবার গাজা সিটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। বুধবার (১০ জুলাই) সকালে লিফলেট ফেলে ওই নির্দেশ দেয়া হয়।

টাইমস অফ ইসরাইলের খবরে বলা হয়, আইডিএফ জানিয়েছে, আজ বুধবার সকালে লিফলেট ফেলে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যেন গাজা সিটির বেসামরিক নাগরিকরা অন্যত্র চলে যায়। এক্ষেত্রে মধ্য গাজার দেইর আল বালাহ শরণার্থী শিবিরকে প্রাধান্য দেয়া যেতে পারে।

নির্দেশনাতে বলা হয়, বেসামরিক নাগরিকরা যেন উপকূলীয় কোনো সড়ক বা সালাহ উদ্দিন সড়ক ব্যবহার করে অন্যত্র যায়। এ সড়কগুলো নিরাপদ থাকবে।

লিফলেটে গাজা সিটিকে বিপজ্জনক যুদ্ধ অঞ্চল হবে বলে সতর্কও করা হয়।

সম্প্রতি আইডিএফ গাজা শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায় সরে যাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে। কারণ সৈন্যরা এর পশ্চিম এবং দক্ষিণ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোর পাশাপাশি পূর্ব শেজাইয়া পাড়ায় অভিযান চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন শহর খালি করার জন্য আইডিএফ এভাবে লিফলেট ফেলে নির্দেশ দিয়েছিল।


আরও খবর



যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে টানা পঞ্চমবার জিতলেন রুশনারা আলী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে টানা পঞ্চমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী। 



টাওয়ার হ্যামলেটসের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসন থেকে জিতেছেন তিনি। এ নির্বাচনে লেবার পার্টির বিপুল বিজয় হয়েছে। রুশনারা আলী ১৫ হাজার ৮৯৬ ভোট পেয়ে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। 


তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আজমল মাশরুর পেয়েছেন ১৪ হাজার ২০৭ ভোট। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী রাবিনা খান ৪ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।



বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৫ জুলাই) বেলা ১২টা পর্যন্ত ৪০২টি আসনে জয় পেয়েছে লেবার পার্টি। দলটি বড় ব্যবধান গড়ে তুলেছে কনজারভেটিভ পার্টির সঙ্গে। এই পার্টি পেয়েছে ১০৮টি আসন। লিবারেল ডেমোক্র্যাটস পার্টি জয় পেয়েছে ৬৭টি আসনে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ৩২৬ আসনে জয় প্রয়োজন।


প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি রুশনারা আলী। তার জন্ম সিলেটে। রুশনারা আলীর বয়স যখন সাত বছর, তখন যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমায় তার পরিবার।



 রুশনারা আলী অক্সফোর্ডের সেন্ট জনস কলেজ থেকে দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনে ২০১০ সাল থেকে এর আগে টানা চারবার এমপি নির্বাচিত হন তিনি।



 ২০১০ থেকে আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক ছায়ামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন রুশনারা আলী। এরপর ২০১৩ সালের অক্টোবরে ছায়া  শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন তিনি।

 


আরও খবর



সরকার দাবি মেনে নিলে শ্রেণী কক্ষে ফিরে যাবো অন্যথায় নয়- সম্পাদক বশির

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মোঃ ছিপু মোল্যা - বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি::

সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে শিক্ষকরা শ্রেণীকক্ষে ফিরবেন নাকি ফিরবেন না। সরকার যদি এই সপ্তাহে আমাদের দাবিগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখেন তাহলে হয়তো আমরা আগামী সপ্তাহ থেকে শ্রেণীকক্ষে ফিরে যাব। আর যদি সরকার গুরুত্ব না দেন তাহলে আমাদের চলমান কর্মবিরতি অব্যহত থাকবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে  এমনটাই বলেছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. বশির উদ্দীন। 

রবিবার(১৪জুলাই) সর্বাত্মক কর্মবিরতির দশম দিন পালন করেন বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও বিভাগীয় সভাপতিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কর্মবিরতি শেষে দৈনিক BD Today's এর সাথে কথা বলেন শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. বশির উদ্দীন। 

শিক্ষকদের কর্মবিরতি আর কতদিন নাগাদ চলতে পারে? এমন প্রশ্নের উত্তরে BD Today's  কে তিনি বলেন, সরকার পক্ষের সাথে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন আলোচনা করেছে। তাদের কাছে তিন দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। কিন্তু দাবির বিষয়ে আশানুরূপ কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি। সেজন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলমান রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। 

তিনি বলেন, সরকার যদি আমাদের তিন দফা দাবি মেনে নেয় তবে আমরা শ্রেণী কক্ষে ফিরে যাব।অন্যথায় শ্রেণী কক্ষে ফিরে যাওয়া সম্ভব না। হয়তো এই সপ্তাহে দাবি মেনে নিলে পরের সপ্তাহে আমরা শ্রেণীকক্ষে ফিরে যেতে পারি। অথবা দাবি মেনে না নিলে অনির্দিষ্টকালের জন্য পূর্বের সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলমান থাকবে।

ইউজিসি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ইউজিসি সচিব ফেরদৌস জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ তাদের শিক্ষার্থীদেরকে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নিয়ে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করবেন এই মর্মে আদালত আশা করে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে বশির বলেন, ওনারা বললেইতো আর হবেনা। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটি অনুযায়ী আসলে শ্রেণী কক্ষে ফিরে যাওয়ার মত পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১জুলাই থেকে তিন দফা দাবি নিয়ে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে নেমেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। তিন দফা দাবি পূরন না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা শ্রেণী কক্ষে ফিরবেনা। এমনটাই দাবি করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। এই দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করে সর্বাত্মা কর্মবিরতিতে নেমেছে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি ও।


আরও খবর



দিবাকরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়ম

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image
মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি:


জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দিবাকরপুর উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় নেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 রবিবার সকাল ১০’টা থেকে ১১’টা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের সামনে ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেন অভিভাবক ও এলাকার সাধারন মানুষ।

 মানববন্ধন থেকে স্থানীয় ইউপি সদস্য একরামুল হক সহ একাধিক অভিভাবক প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আইনুল হক ইফসির বিরুদ্ধে নতুন কমিটি গঠন ও বিদ্যালয়ের নানান অনিয়মের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। এসময় তারা আরো অভিযোগ করে বলেন, তিনি প্রধান শিক্ষক হিসাবে প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর থেকে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের না জানিয়ে এককভাবে সবকিছু করছেন। প্রতিবাদকারিরা বিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি গঠনের লক্ষে প্রধান শিক্ষক সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষর প্রতি অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মোঃ আইনুল হক ইফসি বলেন, সরকারি বিধি অনুসরন করেই আগামীতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য এডহক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে মাত্র।

আরও খবর



ফয়সালের শ্বশুর-শাশুড়ির নামে ১৮টি ব্যাংক হিসাব

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রথম সচিব কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের শ্বশুর ও শাশুড়ির নামে ১৮টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এসব ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১৯ কোটি টাকা জমা হওয়া এবং পরে তার বড় অংশ উত্তোলনের তথ্য পেয়েছে। 


আদালতে জমা দেওয়া দুদকের নথি থেকে জানা যায়, ফয়সালের শ্বশুরের নাম আহম্মেদ আলী। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। তার শাশুড়ি মমতাজ বেগম পেশায় গৃহিণী।


দুদক বলছে, শ্বশুর ও শাশুড়ির নামের ব্যাংক হিসাবে যে অর্থ লেনদেন হয়েছে, তা ফয়সালেরই অপরাধলব্ধ আয়। ফয়সাল ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নিজের ও স্ত্রীর নামে রাখার পাশাপাশি স্বজনদের নামেও রেখেছেন।


দুদক আরও বলছে, ফয়সাল ও তার ১১ স্বজনের নামে ১৯টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৮৭টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করা হয়েছে। তার শ্বশুর-শাশুড়ির ব্যাংক হিসাবে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে।


দুদক আদালতে জানিয়েছে, ফয়সাল তার অপরাধলব্ধ আয় লুকানোর জন্য স্বজনদের নামে ৭০০টির মতো ব্যাংক হিসাব খুলেছিলেন। এর মধ্যে ৮৭টি ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে দুদক।


জানা গেছে, ফয়সাল ২০০৫ সালে বিসিএস (কর) ক্যাডারে সহকারী কর কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে এনবিআরের আয়কর বিভাগের প্রথম সচিব (ট্যাক্সেস লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।


ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ফয়সালের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে গত বৃহস্পতিবার ফয়সাল ও তার আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদের বিবরণী আদালতের কাছে তুলে ধরে সংস্থাটি।


দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফয়সাল ও তার স্ত্রীর নামে থাকা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে ৫ কাঠার দুটি প্লট, শ্বশুরের নামে থাকা ঢাকার রমনা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট, খিলগাঁওয়ে শাশুড়ির নামে ১০ কাঠার প্লট জব্দ এবং ৮৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন।


দুদকের নথিতে ফয়সাল, তার স্ত্রী আফসানা জেসমিন, ফয়সালের ভাই কাজী খালিদ হাসান, শ্বশুর আহম্মেদ আলী, শাশুড়ি মমতাজ বেগম, শ্যালক আফতাব আলী, খালাশাশুড়ি মাহমুদা হাসান, মামাশ্বশুর শেখ নাসির উদ্দিন, আত্মীয় খন্দকার হাফিজুর রহমান, ফারহানা আফরোজ ও রওশন আরা খাতুনের ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।


আদালতে জমা দেওয়া দুদকের তথ্য বলছে, ফয়সালের নামে ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ৫ কোটি ২১ লাখ টাকা জমা হয়। ফয়সালের স্ত্রী আফসানা জেসমিনের পাঁচটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা।



 ফয়সালের শ্বশুর আহম্মেদ আলীর আটটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ১১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তার নামের আটটি ব্যাংক হিসাবের দুটি ২০০৭ ও ২০১০ সালে খোলা। বাকিগুলো খোলা হয় ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। 



ফয়সালের শাশুড়ি মমতাজ বেগমের নামে ১০টি ব্যাংক হিসাবে ৭ কোটি টাকা জমা হয়। তার নামের ব্যাংক হিসাবগুলোর মধ্যে একটি ২০০৯ সালে খোলা হয়। বাকিগুলো খোলা হয়েছে ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। 


ফয়সালের শ্যালক আফতাব আলীর ৬টি ব্যাংক হিসাবে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা জমার তথ্য পেয়েছে দুদক।


বিভিন্ন সময়ে এসব টাকা জমা হয়েছে। পরে তার বড় অংশ তুলে নেওয়া হয়েছে। জমা ও উত্তোলনের পর ফয়সাল, তার স্ত্রী, শ্বশুর ও তার স্বজনদের ১৯টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে রয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকা। তাদের নামে রয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র।



আরও খবর