Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

‘এমপি আনার হত্যার তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে কোনো তদবির বা চাপ নেই। সঠিক পথেই তদন্ত এগোচ্ছে।


বুধবার (১২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।


বান্দরবানে কেএনএফ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আনারের মেয়ে তার বাবা হত্যার বিচার চাইবে এটাই স্বাভাবিক। তদন্তে কেউ যাতে পার পেয়ে না যায় তিনি সেই অনুরোধ করেছেন।


 এই হত্যার তদন্তে কোনো তদবির বা চাপ নেই। কে চাপ দেবে? তদন্তে যা বেরিয়ে আসবে সেভাবেই বিচার প্রক্রিয়া আগাবে।


সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, বেনজীর আহমেদ ভুল করলে তা তদন্তে চলে আসবে। তিনি আইজিপি থাকার সময় মন্ত্রণালয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। সুতরাং দায় নেয়ার প্রশ্নই আসে না।



‘সেন্টমার্টিন যাবার পথে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় বাংলাদেশ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। সে দেশের পুলিশ অস্বীকার করেছে। মিয়ানমারে যুদ্ধ চলায়, কার গুলি এসেছে বোঝা কঠিন। 


তবে সেন্টমার্টিনের সাথে যোগাযোগ ও পণ্য পাঠানোর সবকিছুই ঠিক আছে।’ বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


ঈদুল আজহায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে। কোন সমস্যা হবে না।


এর আগে দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। এ সময় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অনেক বড় জায়গা থেকে তদবির হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।


ডরিন বলেন, অনেক বড় জায়গা থেকে তদবির হচ্ছে। তদবিরের চাপে যাতে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত না হয়। মূল পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। যারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সঠিক বিচার চাই। সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন- আইন, বিচার সব নিজস্ব গতিতেই চলবে। অপরাধীরা পার পাবে না।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




‘অন্যায়কারী অন্যায় একা করে না, দিয়ে-থুয়েই করে’

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

দেশে ছাগলকাণ্ডের পর থেকে শুরু হয়েছে একের পর এক দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উন্মোচন। সমসাময়িক আলোচিত ইস্যুগুলো প্রসঙ্গে মন্তব্য করা থেকে পিছিয়ে নেই তারকারাও। তারই ধারাবাহিকতায় এবার গুণী অভিনেতা আফজাল হোসেন আফজাল হোসেন নিজের অবস্থান জানালেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে ফেসবুকে একটি লেখা পোস্ট করে তিনি বলেছেন, দেশের চোর-ডাকাতগুলোর কলিজা বড়। তারা দেশের আইন বা আল্লাহকিছুরই ভয় করে না। ভাবে, আমি আমরা সবাইকে তুষ্ট করেই যা করার করছি। অন্যায়কারী অন্যায় একা করে না, অনেককে দিয়ে-থুয়েই করেসেটাই তাদের সাহস ও শক্তি জোগায়।

ফেসবুক পোস্টে আফজাল হোসেন লিখেছেন, একটু ভালো জীবনের আশায় শত চেষ্টা করেও কোটি কোটি মানুষের ভাগ্য বা কপাল বদলায়নি, বদলেছে কপালের খানিকটা ওপরের দিক। হয় কপালে পড়েছে ভাঁজ অথবা মাথার চুল হতাশার ঠ্যালা-গুঁতোয় হয়েছে উধাও।

আফজাল হোসেন তার লেখায় মানুষের কষ্ট এবং তাদের আনন্দ খোঁজার বিষয়টি উল্লেখ করে লিখেছেন, কষ্টের জীবন নিয়ে মানুষের অত ক্ষোভ-অশান্তি ছিল না। ক্ষোভ আর অশান্তি মন্দ মানুষদের নিয়েযাদের চাওয়া অশেষ, পাওয়ারও শেষ নেই। ঘোরতর অন্যায় তারা হাসতে হাসতে করতে পারে। অথচ যারা সাধারণঅন্যায়ের দিকে এক পা বাড়াতে কেঁপে মরে। ভাবে, অন্যায় যদি করিদেশের আইন গলা চেপে ধরবে, আবার ওপরওয়ালা শেষবিচারের দিন একচুলও ছাড় দেবেন না।

আফজাল হোসেনের পোস্টের শেষ অংশ ভালো মানুষের দীর্ঘশ্বাস আর চোর-ডাকাতদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যও উঠে এসেছে। তিনি লিখেছেন, ভালো মানুষেরা দীর্ঘশ্বাস ফেলেআমাদের ভয়ডর এত কেন! চোর, ডাকাত, লুটেরারা সংখ্যায় বাড়তে বাড়তে নিকট পর্যন্ত এসে গেছেসেই তাপে কারও কারও মনে হয়, সবাই করছে যখন, এক-আধটু নিজে করলে অসুবিধা কী! ওই ভাবা পর্যন্তই। ঠকতে ঠকতে জীবন তলানিতে পৌঁছেছে, তবু একদল মানুষ ভালো হয়ে থাকবার বাসনাটা টিকিয়ে রাখে। সে চেষ্টা কি সমাদর পায়? পায় না।


আরও খবর



গাজায় রেড ক্রিসেন্টের অফিসে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২২

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:


অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে হামলার তীব্রতা আরও বাড়িয়েছে ইসরায়েল। এরই অংশ হিসেবে গাজা উপত্যকায় গতকাল শুক্রবার (২১ জুন) রেড ক্রিসেন্টের অফিস ধ্বংস করে দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। 


আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, ওই হামলায় ২২ জন প্রাণ হারিয়েছে। খবর এএফপির।



এদিকে, লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনী ও ইরান সমর্থিত শক্তিশালী সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর মধ্যে গোলা বিনিময় সাম্প্রতিক সপ্তাহে আরও বেড়েছে। আর এতে আরও বড় আকারে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।



অন্যদিকে, দুদেশের সীমান্তে সংঘাতপূর্ণ অবস্থার যে বিস্তৃতি ঘটছে, তা মহাদুর্বিপাকের সব চিন্তাকে ছাড়িয়ে যাবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, লেবাননকে অবশ্যই আরেকটি গাজায় পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।


গাজা উপত্যকার একটি হাসপাতালে ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংস হামলায় ৩০ জনের মৃত্যুর পরপরই গুতেরেস এমন হুঁশিয়ারি দিলেন।



আইসিআরসি জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে তাদের অফিসে ইসরায়েলি বাহিনীর ভারী গোলাবর্ষণে ২২ জনের মৃতদেহ এবং আহত আরও ৪৫ জনকে সংস্থাটির ফিল্ড অফিসে নেওয়া হয়েছে। আইসিআরসির গাজা অফিসের আশপাশে বেশকিছু বাস্তুহারা ফিলিস্তিনি তাঁবু খাটিয়ে বসবাস করে আসছিল।



এ প্রসঙ্গে আইসিআরসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানায়, মানবিক অবকাঠামোর এত কাছে গোলাবর্ষণে বেসামরিক লোকসহ সাহয্যপ্রদানকারী কর্মীদের জীবন প্রচণ্ড ঝুঁকির মুখে পড়েছে।


ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাফার অদূরে আইসিআরসির অফিসের কাছে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে ২৫ জন নিহত হয়েছে আর আহত হয়েছে আরও ৫০ জন।


হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিভাগ কোনো স্বীকারোক্তি না দিয়ে বলেছে, বিষয়টি তাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।



আরও খবর



বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে নতুন এক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে অপ্রচলিত বাজার। নতুন নতুন বাজারে ক্রমশ চাহিদা বাড়তে থাকায় রপ্তানি আয়ে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে চলেছে এদেশের তৈরি পোশাক খাত। 



চলতি অর্থবছরে সামগ্রিকভাবেই রপ্তানি আয় বেড়েছে এ খাতে; তবে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে অপ্রচলিত বাজারের আয়ে।


রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত অপ্রচলিত বাজার থেকে পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১৮ কোটি ডলার, যা একই সময়ে আগের বছরে ছিল ৭৬৮ কোটি ৯ লাখ ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী মোট রপ্তানি আয়ের ১৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ এসেছে নতুন বাজার থেকে।



অন্যদিকে, তৈরি পোশাক খাতে সামগ্রিক রপ্তানি আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এ খাতে আয় হয়েছে মোট ৪ হাজার ৩৮৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪ হাজার ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।


অপ্রচলিত বাজারের মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে জাপান থেকে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে জাপানে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে ১৪৮ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি। আগের বছর রপ্তানি হয়েছিল ১৪৫ কোটি ৭৯ লাখ ডলার।



হত্যা আতঙ্কে ব্যারিস্টার সুমন, থানায় জিডি

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় হয়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। সেখান থেকে তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮ কোটি ৫৪ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ১০৬ কোটি ডলার।


এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকলেও বড় ধরনের রপ্তানি আয় এসেছে রাশিয়া থেকেও। দেশের তৈরি পোশাক নতুন এ বাজারে রপ্তানি করে আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। চলত অর্থবছর আয় হয়েছে ৪৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ৪০ কোটি ডলার।


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীনেও চাহিদা বাড়ছে এখানকার তৈরি পোশাক পণ্যের। চলতি অর্থবছরে দেশটিতে আমাদের রপ্তানি বেড়েছে ২৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। আয় হয়েছে ৩১ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ২৫ কোটি ২ লাখ ডলার।


পাশাপাশি কোরিয়ায় আমাদের তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ১১ মাসে দেশটি থেকে আমাদের আয় হয়েছে ৫৭ কোটি ২৮ লাখ ডলার। গত বছর এ আয় ছিল ৫০ কোটি ডলার।


উল্লেখযোগ্য হারে রপ্তানি বেড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে; ৫৮ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ সময়ে দেশটি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২৭ কোটি ৩ লাখ ডলার, যা গত বছর ছিল ১৭ কোটি ২ লাখ ডলার।


বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের ৪৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ আসে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে। অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি আয় ইতিবাচক থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশে আমাদের রপ্তানি কমেছে ২ শতাংশ।



 চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এই জোন থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২ হাজার ১৬৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার। অবশ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করা যুক্তরাজ্যে আমাদের তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ।



 চলতি অর্থবছরে দেশটি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ৫১৬ কোটি ডলার, যা গত বছর ছিল ৪৫৯ কোটি ডলার।


পোশাক পণ্যের রপ্তানি কমেছে আমাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাণিজ্যিক অংশীদার ভারতেও। প্রতিবেশী দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক পণ্যের রপ্তানি কমেছে ২৩ দশমিক ১১ শতাংশ। ১১ মাসে দেশটি থেকে আয় হয়েছে ৭৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরে ছিল ৯৫ কোটি ডলার।


এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রেও ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে গেছে আমাদের তৈরি পোশাকের রপ্তানি। প্রথম ১১ মাসে দেশটি থেকে আয় হয়েছে ৭৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। গত বছর একই সময় এ আয় ছিল ৭৭৩ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।


বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমরা সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছি না। সম্ভাবনা অনুযায়ী আমরা রপ্তানি আয় বাড়াতে পারছি না।



 এক্ষেত্রে সরকারকে অশুল্ক বাধা দূর করা এবং রপ্তানি সহজীকরণের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। ভারত একটি বড় বাজার। কারণ দেশটির জনসংখ্যা অনেক বড়। সেখানে যদি আমরা খুব সামান্য পরিমাণও মার্কেট ধরতে পারি সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন হবে। 


সুতরাং ভারতসহ সম্ভাবনাময় সব অপ্রচলিত বাজারগুলোর প্রতি সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে এবং বাণিজ্যিক রিংগুলো কাজে লাগাতে হবে।’


এক্ষেত্রে তার পরামর্শ, বাজেটে যে নতুন ধরনের কর আরোপ করা হয়েছে সেগুলো প্রত্যাহার করে বাজেট রপ্তানিবান্ধব করতে হবে।


প্রচলিত বাজারে রপ্তানি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, ‘নতুন বাজারের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি আশাব্যঞ্জক। তবে তা সম্ভাবনার চেয়ে কম। 


আমাদের নতুন বাজার আরো বেশি করে অনুসন্ধান করা উচিত। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে প্রচলিত বাজারে মার্কেটের হিস্যা রপ্তানিতে কমেছে।’


সরকার ও রপ্তানিকারকদের নতুন বাজারে রপ্তানির জন্য নতুন কৌশল অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন এ অর্থনীতিবিদ।


আরও খবর



নওগাঁয় বিষাক্ত সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় বিষাক্ত সাপের কামড়ে মাহতাফ আলী (৫৯) নামের এক বৃদ্ধ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ২২ জুন সকালে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামে সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রুহুল আমিন। নিহত মাহতাব আলী ঐ গ্রামের মৃত মোবারক আলী মন্ডলের ছেলে। 

জানা যায়, শনিবার সকাল ৯ টারদিকে মরিচের ক্ষেতে জমে থাকা বৃষ্টির পানি বের করে দিতে যায় কৃষক মাহতাব আলী। সেখানে একটি বিষধর সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১১ টারদিকে তার মৃত্যু হয়।

সাপে কেটে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করে মৃতদেহ পরিবার (স্বজনদের) নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



নোয়াখালীতে নকল ক্যাবল বিক্রির দায়ে জরিমানা

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নকল বিআরবি ক্যাবল বিক্রির অপরাধে এক দোকানিকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার চৌমুহনী বাজারের করিমপুর রোডের মেসার্স নিজাম ইলেকট্রিকে এ অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো.কাউছার মিয়া।  

জানা যায়, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) নোয়াখালী কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার চৌমুহনী বাজারের করিমপুর সড়কে নোয়াখালী জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো.কাউছার মিয়া অভিযান চালায়। অভিযানে বিআরবি নকল ক্যাবল বিক্রি ও মূল্য তালিকা মার্কার দিয়ে মুছে গোপন করার সত্যতা পাওয়ায় মেসার্স নিজাম ইলেকটট্রিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫০ ধারায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও ভবিষ্যতে এধরনের নকল পণ্য ও মূল্য তালিকা গোপন না করার জন্য সতর্ক করা হয়।


আরও খবর