Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

এনডিএ জোটকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


ভারতের নির্বাচনে এনডিএ জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।


 বুধবার (৫ জুন) দুপুরে ঢাকায় সফররত ইন্টারন্যাশনাল রেডক্রস ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক ব্রিফিংয়ে ‍ তিনি এ অভিনন্দন জানান।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইন্ডিয়া জোটকেও অভিনন্দন জানাই। তারাও ভালো ফলাফল করেছে। নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অনেক উন্নয়ন হয়েছে। সামনের দিনে আমরা সম্পর্ক আরও উন্নত করব।



ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে আমার ভারত সফরে কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, কিছু বিষয়ে আলোচনার জন্য ভারতের নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করা প্রয়োজন ছিল। আসন্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরে সেসব বিষয়ে আলোচনা হবে।


এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। এর সঙ্গে অন্য কোনো দেশের সম্পর্কের তুলনা হয় না।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




যমুনার পানি বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে, ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:



সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে। 



এরইমধ্যে বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়নের সাড়ে পাঁচ হাজার পরিবারের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। 



বন্যা কবলিত এলাকার বসতবাড়ি, রাস্তা-ঘাট, হাটবাজারের পাশাপাশি অসংখ্য তাঁত কারখানায় পানি প্রবেশ করায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমিকেরা।



রোববার (৭ জুলাই) সকালে শহর রক্ষা বাধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সিরাজগঞ্জের গেজ রিডার হাসান মামুন জানান, পানি বৃদ্ধির হার অনেকটাই কমে এসেছে।


এদিকে সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের হার্ড পয়েন্ট ও মালশাপাড়ায় পাউবোর চায়না বাঁধ এলাকা থেকে ভ্রমণকারীদের যমুনায় নৌকা চলাচল শনিবার দিনভর নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন। ‌



পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়াতে প্রশাসন থেকে শহর রক্ষা বাঁধের আশেপাশে ও যমুনায় নৌ চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে।


পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজা্দপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানি উঠে পড়ায় এসব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখা হচ্ছে।


সিরাজগঞ্জে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‌আজ থেকে পানি বৃদ্ধির হার আরও কমার সম্ভাবনা আছে।


আরও খবর



শুধু চিকিৎসার জন্য জনপ্রতি ব্যয় আয়ের ৭৩ শতাংশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতিবছর ৬১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যায়, যা মোট জনসংখ্যার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। কেননা কম সরকারি বরাদ্দ এবং যা বরাদ্দ হয় সেটিরও কার্যকর ব্যয় না হওয়ায় মানুষের পকেট থেকে চলে যাচ্ছে বছরে মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ অর্থ। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হচ্ছে ওষুধ কিনতে গিয়ে ৫৪ দশমিক ৪০ শতাংশ, দ্বিতীয় অবস্থানে ডায়াগনস্টিকের জন্য ২৭ দশমিক ৫২ শতাংশ, কন্সালটেশনের জন্য ১০ দশমিক ৩১ এবং পরিবহণের জন্য খরচ হয় ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ অর্থ। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আমি স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন করব, কেননা এটা আমরা জন্য চ্যালেঞ্জ। এই আইনের মাধ্যমে রোগী ও চিকিৎসক সব পক্ষকে সুরক্ষা দেওয়াটা আমার দায়িত্ব। সেই সঙ্গে হেলথ ইন্স্যুরেন্সের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।

প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও মিয়ানমারের তুলনায় বাংলাদেশে রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ভার বেশি। মালদ্বীপে স্বাস্থ্যসেবার মাত্র ১৪ শতাংশ রোগীকে বহন করতে হয়। অথচ বাংলাদেশে একজন রোগীকে মোট ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ বহন করতে হয়। এই ব্যয়ভার মেটাতে গিয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা হিমশিম খাচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকে মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দিচ্ছে। যদিও জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) ২০৩২ সালের মধ্যে ব্যয়ের এই হার ৩২ শতাংশে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করা হয়েছে। চিকিৎসায় রোগীর ব্যয় বৃদ্ধির জন্য সরকারের অদূরদর্শিতা ও অবহেলাকে দায়ী করেছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা। তাদের মতে, স্বাস্থ্য খাতকে এখনো অবহেলার চোখে দেখা হয়। বাজেট বরাদ্দে স্বাস্থ্য খাত সবসময় পিছিয়ে থাকে। সামান্য যা বরাদ্দ হয় সেই অর্থও যথাযথভাবে ব্যয় করা হয় না। ফলে রোগীকে রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। রোগীর খরচের এই লাগাম টানতে না পারলে এসডিজি অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়বে। এ জন্য বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো, চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী বা লোকবল বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সুবিধা এবং

প্রয়োজনীয় ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

২০০০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্য খাতে সরকারের এবং রোগীর ব্যয়ের একটি পরিসংখ্যান গত ১৫ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে কম বাজেট বরাদ্দ হয় বাংলাদেশে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে ৪১ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের ১৭ কোটি ১২ লাখ মানুষের বিপরীতে টাকার অঙ্কে সরকার ব্যয় করবে গড়ে ৩ হাজার ৪২ টাকা (২৬ ডলার)। ২০০০ সালে বাংলাদেশে রোগীর চিকিৎসার জন্য সরকার ব্যয় করত গড়ে ৮ ডলার। ২০২১ সালে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৫ দশমিক ৯ ডলার।

রোগীর ঘাড়ে বোঝার ভার: দুই দশক আগেও সরকার চিকিৎসা ব্যয়ের ৩৮ শতাংশ বহন করত। এখন রোগীর ব্যয়ভার ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে। ডব্লিউএইচওর তথ্যমতে, দেশে এখন আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার ৭৩ শতাংশের বেশি। কারণ, ২০২১ সালে আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার ছিল ৭৩ শতাংশ। কভিড-পরবর্তী সময়ে রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধসহ অন্যান্য ব্যয় কয়েক ধাপে বেড়েছে। কিন্তু এরপর আর কোনো জরিপ হয়নি। ২০২০ সালে এই হার ছিল ৭৪ শতাংশ। ২০১৯ সালে ৭২ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৭১ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৭০ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৭১ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৭৩ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৭১ শতাংশ, ২০১৩ সালে ৭০ শতাংশ, ২০১২ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০১১ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০১০ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০০৯ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০০৮ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০৭ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০৬ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০৫ সালে ৬৫ শতাংশ, ২০০৪ সালে ৬৩ শতাংশ, ২০০৩ সালে ৬৩ শতাংশ, ২০০২ সালে ৬৩ শতাংশ, ২০০১ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০০ সালে ৬২ শতাংশ।

রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ভারের শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। ৭৯ শতাংশ ব্যয়ের ভার নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছে আর্মেনিয়া ও তুর্কিস্তান। এই সূচকে ৭৭ শতাংশ রোগীকে ব্যয় করতে হয় যৌথভাবে ইকুয়েটোরিয়াল গিনি এবং আফগানিস্তানে। নাইজেরিয়ার নাগরিকদের চিকিৎসা ব্যয়ের ৭৬ শতাংশ নিজেকেই বহন করতে হয়। এর পরই বাংলাদেশের অবস্থান। দেশে নাগরিকদের ব্যয় করতে হয় ৭৩ শতাংশ। প্রতিবেশী মিয়ানমারে রোগীর ঘাড়ে ৭০ শতাংশ ব্যয়ের বোঝা। টোগোতে ৬৯ শতাংশ, ক্যামেরুনে ৬৭ শতাংশ। এ তালিকায় সবচেয়ে কম ৬৬ শতাংশ বহন করতে হয় আজারবাইজানের নাগরিকদের।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপের নাগরিকদের চেয়ে বাংলাদেশে একজন রোগীকে বেশি ব্যয় করতে হয়। মালদ্বীপের নাগরিকরা চিকিৎসা ব্যয়ের মাত্র ১৪ শতাংশ নিজেরা বহন করে। ভুটানের এই ব্যয়ের হার ১৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৪৪ শতাংশ, ভারতে ৫০ শতাংশ, নেপালে ৫১ শতাংশ, পাকিস্তানে ৫৭ শতাংশ ব্যয় রোগীরা বহন করে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় রোগীর ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বাজেট বরাদ্দের স্বল্পতাকে দায়ী করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, ১৭ কোটি মানুষকে ভালো রাখতে বাজেটের অন্তত ১২ থেকে ১৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রয়োজন। সেখানে বরাদ্দ ৫ শতাংশে আটকে আছে। এ বছর প্রস্তাব করা হয়েছে মাত্র ৫ দশমিক ২ শতাংশ। মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য এই অর্থ অপর্যাপ্ত। এর পরও সমস্যা হলো, স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের অর্থ চিকিৎসাসেবায় ব্যয় করা সম্ভব হয় না। সীমিত অর্থের বিরাট অংশ কাজে লাগাতে পারে না মন্ত্রণালয়। সেগুলো ফেরত যায়। এতে সরকারি সেবার পরিধি ছোট হচ্ছে। রোগীকে অর্থ খরচ করে বেসরকারিতে সেবা নিতে হচ্ছে। এজন্য দেশের জিডিপির বড় অংশ স্বাস্থ্যে বরাদ্দ দিতে হবে। সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ বিনামূল্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যেও এই বিশেষজ্ঞের বক্তব্যের প্রমাণ মিলেছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়। সবশেষ বাজেটে বাংলাদেশে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে মাত্র ২৬ ডলার। প্রতিবেশী মিয়ানমারে এই ব্যয়ের পরিমাণ ৪৮ ডলার। পাকিস্তানে ৪৯ ডলার, নেপালে ৭৬ ডলার, ভারতে ৮১ ডলার। শ্রীলঙ্কায় সরকারের ব্যয়ের পরিমাণ বেশ ভালো। সেখানে ব্যয় করা হয় গড়ে ২৮৩ ডলার। মালদ্বীপ তার নাগরিকদের জন্য বছরে ব্যয় করে প্রায় ১ হাজার ৪৭৯ ডলার। বৈশ্বিক সূচকেও স্বাস্থ্য ব্যয়ের হিসেবে তলানিতে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যভুক্ত ১১২টি দেশের স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে কম সরকারি ব্যয়ের ২০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৯তম। এই তালিকায় আফগানিস্তান ছাড়া বাকি ১৮টি দেশ আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দরিদ্রতম দেশ।

কম ব্যয়ের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ সুদান। সেখানে সরকার গড়ে ব্যয় করে ৫ দশমিক ৪ ডলার। এরপর কঙ্গোতে ৭ দশমিক ৬ ডলার। মাদাগাস্কারে সরকার ব্যয় করে ১১ দশমিক ৯ ডলার, সেন্ট্রাল আফ্রিকায় ১১ দশমিক ৯ ডলার, বেনিনে ১২ ডলার, আফগানিস্তানে ১২ ডলার, টগোতে ১২ দশমিক ৯ ডলার, হাইতিতে ১৩ দশমিক ৪ ডলার, শাদে ১৪ দশমিক ১ ডলার, ইরত্রিয়ায় ১৬ দশমিক ৯ ডলার, লাইবেরিয়ায় ব্যয় ১৭ ডলার, বুরুন্ডিতে ১৭ দশমিক ৩ ডলার, ক্যামেরুনে ১৯ দশমিক ৭ ডলার, গিনিতে ২০ ডলার, জিম্বাবুয়েতে ২০ দশমিক ৭ ডলার, মালাউইয়ে ২১ দশমিক ৯ ডলার, গিনি বিসাউয়ে ২৪ দশমিক ১ ডলার, ইথিওপিয়ায় ২৪ দশমিক ৯ ডলার, বাংলাদেশে ২৫ দশমিক ৯ ডলার এবং সবশেষ তানজানিয়ায় জনপ্রতি সরকার ব্যয় করে ২৬ দশমিক ১ ডলার।

জিডিপির হিসাবেও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কমেছে: দেশের উন্নয়নের প্রধান সূচক হলো জিডিপি। মোট দেশজ উন্নয়নের মাত্র দশমিক ৪০ শতাংশ অর্থ সরকার স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করে। ২০০০ সালে এই ব্যয়ের পরিমাণ ছিল দশমিক ৫১ শতাংশ। ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, নেপালের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির হিসাবে বরাদ্দের পরিমাণ নিম্নগামী। বাংলাদেশের তুলনায় ভুটান প্রায় পাঁচগুণ বেশি অর্থ ব্যয় করে। শ্রীলঙ্কায়ও প্রায় চারগুণের বেশি অর্থ ব্যয় করে। মিয়ানমার, নেপাল স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের হিসেবে প্রতিনিয়ত উন্নতি করছে। পাকিস্তান ছাড়া এ তালিকায় সবাই উন্নতি করেছে।

জিডিপির হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে কম স্বাস্থ্য ব্যয়ের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। এই সূচকে শীর্ষে রয়েছে বেনিন। সেখানে দশমিক ৩২ শতাংশ ব্যয় করা হয়। এর পরই বাংলাদেশের অবস্থান। দেশে এখন দশমিক ৪০ শতাংশ ব্যয় করা হয়। সূচকে দশমিক ৪৩ শতাংশ ব্যয়ের হিসাবে বাংলাদেশের পর হাইতির অবস্থান। ক্যামেরুন ব্যয় করে দশমিক ৪৮ শতাংশ। এ ছাড়া নাইজেরিয়া দশমিক ৫৪ শতাংশ, টেগো দশমিক ৫৫ শতাংশ, কঙ্গোতে দশমিক ৬৩ শতাংশ, ইকুয়েডর দশমিক ৬৮ শতাংশ, গিনি দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং লাওসে দশমিক ৭২ শতাংশ ব্যয় করা হয়।

জিডিপির হিসাবে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে কিউবা। সেখানে ১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ব্যয় করা হয় স্বাস্থ্য খাতে। এরপর নাউরু ১১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, কিরিবাতি ১১ দশমিক ১২ শতাংশ, ব্রিটেন ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, জার্মানি ১০ দশমিক ২২ শতাংশ, টুভালু ১০ দশমিক ১৪ শতাংশ, সুইডেন ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্র ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়া ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং ফ্রান্স ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন ফোরামের কনভেনার ডা. সৈয়দ রুবায়েত বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে কম ব্যয় করে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ একজন মানুষের পেছনে গড়ে ২৬ ডলার ব্যয় করেছে। এ সময়ে প্রতিবেশী মিয়ানমার ৪৮ ডলার ব্যয় করেছে। পাকিস্তান নানা সংকটের মধ্যেও ৪৯ ডলার ব্যয় করেছে। নেপালে ৭৬ ডলার, ভারতে ৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কায় ২৮৩ ডলার জনপ্রতি ব্যয় করেছে। সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে মালদ্বীপ। তারা ওই বছর জনপ্রতি গড়ে ১ হাজার ৪৭৯ ডলার ব্যয় করেছে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের তথ্যমতে, বাংলাদেশে এখন চিকিৎসা ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ রোগীকে বহন করতে হয়। ২০০০ সালে মোট ব্যয়ের ৬২ শতাংশ রোগীকে বহন করতে হতো। এরপর প্রতিনিয়ত শুধু বাড়ছেই সূচক। রোগীর চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ৮ দশমিক ৬১ মিলিয়ন বা ৮৬ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে। ২০৩২ সালের মধ্যে রোগীর ব্যয় কমিয়ে ৩২ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। কিন্তু বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। ফলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে যাবে। তাই স্বাস্থ্যে বাজেটের পরিমাণ বাড়াতে হবে। রোগীদের ঘাড় থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমাতে হবে


আরও খবর



বৃষ্টিতে উপেক্ষা করেও মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলন

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মো: হ্নদয় হোসাইন,মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

কোটা বাতিলের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এর সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সরকারি চাকরিতে কোটা-পদ্ধতি বাতিল ও ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে মাভাবিপ্রবি থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের থেকে জানা যায়, আজ শনিবার সকাল ৮ ঘটিকা থেকেই  বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে এই  মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ দ্বিতীয় দিনের মতো শুরু হয়। এরপর সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে দলে দলে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করে। পরবর্তীতে তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক অবরোধের সিদ্ধান্ত নেয়। টাঙ্গাইল শহর থেকে পায়ে হেঁটে এসে তারা মহাসড়কে অবস্থান নেয়। সকাল ১০.৩০ ঘটিকা থেকে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত মহাসড়কে অবস্থান নেন।  

সরেজমিনে টাঙ্গাইলের নগর জলফৈ (বাইপাস) এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক অবরোধ করে কোটা বাতিলের আন্দোলন শুরু করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে শুরু করেন। 'সারা বাংলায় খবর দে-কোটা প্রথার কবর দে, বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই, শেখ হাসিনার বাংলার- বৈষম্যের ঠাঁই নাই, কোটা না মেধা মেধা-মেধা, মেধা যার- চাকরি তার সহ বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে আন্দোলনকে মুখরিত করে তোলে। এ সময় মহাসড়কে প্রায় ২০ কিলোমিটার যানবাহন চলাচল থেমে যায়।  অ্যাম্বুলেন্সসহ সকল জরুরি যানবাহনের জন্য আলাদা লেন করে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বিএমবি বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা শিক্ষার্থীরা কখনও সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলন করতে চাই না, আমরা পড়াশোনা করতে চাই। কিন্তু আমাদের কিছু করার নাই। কারণ যে পরিমাণ কোটা, তাতে দেশের মেধাবীরা চাকুরি না পেয়ে দেশের বাইরে চলে যাবে, দেশে সরকারি চাকুরিতে করার আগ্রহও হারাবে।

সমাবেশে  অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তৌকির আহমেদ বলেন, বৈষম্যমূলক কোটার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। আমরা ইতোপূর্বেও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। এ বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। 

টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং  বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রাকিব বলেন,  এই আন্দোলন কোনো সরকার বিরোধী আন্দোলন না, এই আন্দোলন আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আন্দোলন। যৌক্তিক দাবি আদায়ের আন্দোলন। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চাই।


আরও খবর



দেশে ফিরলেন ৪৩ হাজার ৮৩ হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫৮

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



ববিডি টুডেস ডেস্ক:


পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৪৩ হাজার ৮৩ হাজি।



 এ বছর হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ জনে।



বুধবার (৩ জুলাই) ভোরে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের আইটি হেল্প ডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।



বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৮৩ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সৌদি থেকে ১০৯টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৪১টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪২টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।


হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ জন হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।



এদিকে চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৪৫ জন এবং নারী ১৩ জন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৪৬ জন, মদিনায় চারজন, মিনায় ছয়জন ও জেদ্দায় দুইজন মারা গেছেন।


প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।


এদিকে, চলতি বছর প্রখর তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমের জেরে হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবে রেকর্ড মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৮ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।‌ 



এর মধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ১৭ জন, বাকি ৪১ জন হজের আনুষ্ঠানিকতার শুরুর পর মারা গেছেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সবার পরিচয় প্রকাশ করেছে হজ পোর্টাল।


সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না। মক্কায় হজ যাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে নামাজে জানাজা হয়।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৬.৮১ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

প্রথমবারের মতো নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভের (এনআইআর) হিসাব প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদের তথ্য মতে, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। চলতি বছরের ৩০ জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬.৮১ বিলিয়ন ডলারে।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত জুন শেষে আইএমএফ স্বীকৃত বিপিএম৬ অনুযায়ী নিট রিজার্ভ ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তবে প্রকৃত পরিমাণ কতো তা স্পষ্ট করেননি।

চলতি বছরের ২৭ জুন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২৭.১৫ বিলিয়ন ডলার। তবে ৩০ জুন শেষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬.৮১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র ৩ দিনে দেশের রিজার্ভ কমেছে ০.৩৪ বিলিয়ন ডলার।

তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী এ রিজার্ভের পরিমাণ আরও কম।

আইএমএফ বলছে, ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের রিজার্ভ ২১.৮৩ বিলিয়ন ডলার। সাধারণত সংস্থাটি রিজার্ভ থেকে কোনো ঋণের দায় বা অন্য সংস্থাকে ঋণ দেওয়া অর্থকে রিজার্ভ হিসাবে বিবেচনা করে না।

এর আগে, গত ২৭ জুন রিজার্ভে আইএমএফ থেকে ১.১৫ বিলিয়ন বা ১১৫ কোটি ডলার ছাড়াও কোরিয়া, আইবিআরডি ও আইডিবি থেকে আরও ৯০০ মিলিয়ন বা ৯০ কোটি ডলার যোগ হয়েছিল। যার জন্য সবমিলিয়ে দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ২৭.১৫ বিলিয়ন ডলারে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকায় গত বছরের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ। এর তিনদিন পর প্রথম কিস্তিতে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। এরপর গত ১৬ ডিসেম্বর আসে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার।

২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট সাতটি কিস্তিতে ঋণের পুরো অর্থ ছাড় করার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তির পরবর্তীগুলোতে সমান অর্থ থাকার কথা থাকলেও রিজার্ভ আরও কমে যাওয়ায় তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তিতে বেশি অর্থ চায় বাংলাদেশ। বেশ কিছু কঠিন শর্তের বাস্তবায়ন ও আগামীতে আরও বড় সংস্কার কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় সংস্থাটি তৃতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ডলারের পরিবর্তে ১১৫ কোটি ডলার অনুমোদন করেছে।

আইএমএফের দেওয়া ঋণের একটি অংশ জলবায়ু তহবিলের, যা বাংলাদেশকেই প্রথম দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকুক, তা চায় সংস্থাটি। এজন্য চতুর্থ কিস্তির জন্য জুন শেষে নিট রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ৫.৩৪ বিলিয়ন ডলার কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার।


আরও খবর