Logo
শিরোনাম

এসএসসি পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ। আজ দুপুরে সারা দেশে একযোগে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

রবিবার সকাল সোয়া ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ও বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা। এরপর মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে যশোর বোর্ডে পাসের হার ৯২ দশমিক ৩২ শতাংশ। আর সর্বনিম্ন সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এ ছাড়া ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩২ শতাংশ, রাজশাহীতে ৮৯ দশমিক ২৫ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, বরিশালে ৮৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ ও ময়মনসিংহে ৮৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ।


আরও খবর



ঈদে রাজধানীতে চুরি ঠেকাতে ডিএমপির ৮ পরামর্শ

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



বিডি রিপোর্ট:


আসন্ন ঈদুল আজহায় রাজধানীতে বাসা-বাড়ি, মার্কেট, বিপনি-বিতানে চুরি ঠেকাতে আট পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।


এ সময় কোনো ধরনের অপরাধ যাতে সংঘটিত না হয় সেজন্য নগরবাসীকে সচেতন করতে বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে সচেতনতামূলক বক্তব্য দিচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার জুমার নামাজের সময় পুলিশের পক্ষ থেকে এই পরামর্শ দেওয়া হয়। 


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর ৫০টি থানা এলাকাতেই এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ডিএমপি সদর দপ্তর সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। 


ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে রাজধানীর বাসিন্দাদের অনেকেই গ্রামের বাড়িতে যাবেন। এ সময় অনেক বাসায় চুরি বা ডাকাতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এবার ঈদুল আজহার বন্ধের সময় রাজধানীর বাসিন্দারা যেন সচেতন থাকেন সেজন্য মসজিদে জুমার নামাজের সময় সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 


নগরবাসীর সচেতনতায় ডিএমপির আট পরামর্শ:


১. গ্যাস সিলিন্ডার অথবা গ্যাসের লাইন, পানির লাইন, সব ধরনের লাইট, ফ্যানের সুইচ, বৈদ্যুতিক প্লাগ বন্ধ করে বাসা থেকে বের হওয়া।


২. ছুটি শেষে বাড়ি থেকে ফিরে এসে দরজা-জানালা খুলে ঘরে জমে থাকা গ্যাস বের না হওয়া পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই গ্যাসের চুলা জ্বালানো কিংবা বৈদ্যুতিক সুইচ অন না করা।




৩. বাসাবাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন। আগে স্থাপিত সিসি ক্যামেরা সচল আছে কি না তা চেক করা। চোর রাতের বেলায় বাসার পেছনের অংশ দিয়ে জানালা ভেঙে চুরি করে। এজন্য বাসার পেছনেও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।


৪. বাসার চারপাশে বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে।


৫. নগদ টাকা কিংবা স্বর্ণালংকার ব্যাংক কিংবা কাছের আত্মীয়দের কাছে নিরাপদে রাখতে হবে।



৬. রাতে বা দিনে মাস্ক কিংবা ক্যাপ অথবা একসঙ্গে মুখে মাস্ক ও মাথায় ক্যাপ পরা অপরিচিত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নজরদারি করতে হবে। প্রয়োজনে ৯৯৯-এ ফোন দিতে হবে।


৭. মোটরসাইকেল বা যানবাহন চুরি রোধে অ্যালার্ম লাগাতে হবে। লকে স্টিলের তৈরি মেরিন অ্যাংকর চেইন ব্যবহার। প্রয়োজনে জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো।



৮. বিভিন্ন জায়গায় শয়তানের নিশ্বাস বা ডেভিল ব্রেথ নামে এক ধরনের ড্রাগ দিয়ে মানুষকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে অপরাধীরা। 


এজন্য অপরিচিত কেউ কোনো কার্ড কিংবা কাগজ দেখিয়ে কোনো ঠিকানা বা তথ্য জানতে চাইলে কিংবা রুমাল বা অন্য কোনো কিছু মুখের কাছে আনার চেষ্টা করলে সঙ্গে সঙ্গে মুখ সরিয়ে নিতে হবে। 


প্রয়োজনে আশপাশের লোকজনের সহায়তা নিতে হবে।


আরও খবর



১৪ দলে ভাঙনের সুর

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:

১৪ দলকে পুনর্গঠন এবং সক্রিয় করার জন্য সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। 

ওই বৈঠকে ১৪ দলের নেতাদের মান অভিমান ভাঙানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নেন। গণভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১৪ দলের বিভিন্ন নেতারা আবেগঘন কথাবার্তা বলেন, হতাশার কথা বলেন। 

তাদেরকে কীভাবে অবজ্ঞা, অবহেলা করা হচ্ছে তার ফিরিস্তিও তুলে ধরেন। বিশেষ করে নির্বাচনে ১৪ দলকে উপেক্ষার বিষয়টি সামনে চলে আসে। 

প্রধানমন্ত্রী অবশ্য ধৈর্য্যের সঙ্গে সবার বক্তব্য শুনেছিলেন। এরপর তিনি ১৪ দলকে সক্রিয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর পরপরই ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর নেতৃত্বে ১৪ দলের নেতৃবৃন্দের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং তারা বিভিন্ন বিষয়ে ধীরে ধীরে কর্মসূচি পালনের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেন। 

কিন্তু এরমধ্যেই গতকাল বাজেটের পর ১৪ দলের মধ্যে ভাঙনের সুর লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

১৪ দলের অন্যতম শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি এই বাজেটের তীব্র সমালোচনা করেছেন। রাশেদ খান মেনন এই বাজেটকে জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এর ফলে দুর্নীতিবাজ, কালো টাকার মালিকরা সুবিধা পাবে, সাধারণ মানুষ কষ্ট পাবে। 

একই রকম অবস্থান গ্রহণ করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তিনিও এই বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনা করেছেন। 

অতীতে কোন সময় আওয়ামী লীগের শরিকরা বাজেট নিয়ে সরাসরি ভিন্নমত পোষণ করেনি। বাজেট নিয়ে তাদের ভিন্ন মত তারা জোটের ফোরামে আলোচনা করেছেন এবং সেই অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে পরামর্শ দিয়েছেন। 

কিন্তু এবার সম্পূর্ণ চিত্রটা ভিন্ন। বাজেটের পরপরই রাশেদ খান মেনন এবং হাসানুল হক ইনু মুখ খুলেছেন। তারা সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। এই প্রেক্ষিতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে যে, তাহলে কী ১৪ দল ভেঙে যাচ্ছে? 

একটি জোটের মধ্যে শরিকরা সরাসরি কী সরকারের অবস্থান বা প্রধান দলের অবস্থানের সমালোচনা করতে পারে? 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজেট নিয়ে সমালোচনার সঙ্গে ১৪ দলের ভাঙনের কোন সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ঘটনা। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব অর্থনৈতিক কৌশল এবং নীতি রয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টির একটি অর্থনৈতিক অবস্থান আছে। তারা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মনে করছে, বাজেট সঠিক হয়নি। 

অন্যদিকে জাসদও বাজেটকে ইতিবাচকভাবে দেখছে না। সেটা প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কিন্তু ১৪ দলীয় জোট একটি আদর্শিক জোট। এই জোটের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সম্পৃক্ত রয়েছে। কাজেই আদর্শিক জোট সামান্য ভুল বোঝাবুঝি থেকে ভেঙে যাবে এমনটি মনে করেন না কোন রাজনৈতিক বিশ্লেষকই। 

তবে এখন যেহেতু জাসদ, সাম্যবাদী দল বা ওয়ার্কার্স পার্টি সরকারে নেই, কাজেই তাদের স্বাধীন অবস্থান রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ১৪ দলের শরিক সবাই নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যারা যে দলের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবেন সেই দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারবেন না, অবস্থান গ্রহণ করতে পারবেন না। 

সেটা করলে তাহলে তা ‘ফ্লোর ক্রসিং’ হিসেবে বিবেচিত হবে। কাজেই ১৪ দলের শরিকরা যদি শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে বাজেটের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করে সেখানে একটি অন্যরকম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। 

তবে আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল স্বাধীন সত্তা। যে কোন বিষয়ে তাদের মতামত দেওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে তারা বাজেটের পক্ষেই অবস্থান নিবে বলে আওয়ামী লীগের নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন।

আরও খবর



সুপার ওভার ম্যাচে শেষ হাসি নামিবিয়ার

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

টি-টৈয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনেই দুর্দান্ত এক লড়াই দেখলো ক্রিকেট বিশ্ব। সমশক্তির ওমান-নামিবিয়া ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। যেখানে শেষ হাসি হেসেছে নামিবিয়া। সুপার ওভারে ওমানকে ১১ রানে হারিয়েছে তারা। 

সোমবার (৩ জুন) বার্বাডোজে টস জিতে ওমানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নামিবিয়া। প্রথম ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি ওমান। নামিবিয়ার বোলিং তোপে ১৯ ওভার ৪ বলে ১০৯ রানে অলআউট হয় ওমান।



দলের পক্ষে খালিদ কাইল ৩৯ বলে ৩৪ ও জিসান মাকসুদ করেন ২০ বলে ২২ রান। নামিবিয়ার পক্ষে রুবেন ট্রাম্পলম্যান ৪টি ও ডেভিড উইজা নেন ৩টি উইকেট।


১১০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো না হলেও নিকোলাস ডেভিন ও ইয়ান ফ্রাইলিঙ্কের ব্যাটে জয়ের পথেই ছিল নামিবিয়া। নিকোলাস ৩১ বলে ২৪ ও ফ্রাইলিঙ্ক ৪৮ বলে ৪৫ রান করেন।


এই দুই ব্যাটারের বিদায়ের পর ওমানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান সংগ্রহ করে করতে সক্ষম হয় নামিবিয়া। ওমানের পক্ষে মেহরান খান নেন ৩টি উইকেট। সমতা থাকায় খেলা গড়ায় সুপার ওভারে।


সুপার ওভারে ডেভিড উইজা ও এরাসমুসের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২১ রান সংগ্রহ করে নামিবিয়া। উইজা ৪ বলে ১৩ ও এরাসমুস করেন ২ বলে করেন ৮ রান।


২২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উইজার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১ উইকেট হারিয়ে ১০ রান তুলতে সক্ষম হয় ওমান। ফলে ১১ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নামিবিয়া।    






আরও খবর



নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image


নিজস্ব প্রতিবেদক:


ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটটি দিল্লি সময় বেলা ১১টা ৫১ মিনিটে অবতরণ করে বলে জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে।


শনিবার (৮ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে ফ্লাইটটি।


আগামীকাল রোববার (৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন নরেন্দ্র মোদির অভিষেক আয়োজনে।


অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ভারতীয় প্রেসিডেন্ট কর্তৃক আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এছাড়া সফরকালে বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন এবং রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।



সোমবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।


তৃতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রোববার (৯ জুন) শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি। কংগ্রেস নেতা জওহরলাল নেহরুর পর তিনিই হচ্ছে ভারতের দ্বিতীয় ব্যক্তি, যিনি টানা তৃতীয়বার দেশটির প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন।


প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গত বুধবার (৫ জুন) টেলিফোনে নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আলাপকালে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে আমন্ত্রণ জানান মোদি। 


আরও খবর



রাত নয়টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে গভীর নিম্নচাপ

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আজ শনিবার রাত নয়টার মধ্যে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে এই তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বলা হয়, এটি শুক্রবার মধ্যরাতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

এই কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে- এই গভীর নিম্নচাপ শনিবার (২৫ মে) দুপুরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রিমালে পরিণত হবে। যেটি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে বাংলাদেশের খুলনা ও বরিশাল উপকূল অতিক্রম করবে। পরদিন রবিবার দুপুরের পর এটি উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগ পটুয়াখালীর খেপুপাড়া দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার বিকেলের পর থেকেই উপকূলে বৃষ্টিপাত শুরু হবে। মধ্যরাতের পর টানা বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে।

ঘূর্ণিঝড়ের সময় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা কতটুকু-এমন প্রশ্নের জবাবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক আজিজুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার সম্ভাব্য সময় রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে। এ সময় ভাটা চলবে। তাই এ সময় আঘাত হানলে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা কম। তবে রাত ১২টা বা এর পরে আঘাত হানলে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা আছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। আজ (শনিবার) পরিস্থিতি মোকাবিলায় সভা করবে মন্ত্রণালয়।


আরও খবর