Logo
শিরোনাম

ফের অস্থির ডিমের বাজার

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


ফের অস্থির হয়ে উঠেছে ডিমের বাজার। রাজধানীর খুচরা বাজারে গত এক মাসের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। ফলে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।


শনিবার (১৮ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, মালিবাগ, নিউমার্কেট, হাতিরপুলসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়। যা মাসখানেক আগেও বিক্রি হয়েছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়।


এদিকে ডিমের দাম বাড়ার বিষয়টি বাজারদরের প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশও (টিসিবি)।


ডিম ব্যবসায়ীরা বলেছেন, গত কিছু দিনে সারা দেশে তীব্র দাবদাহের কারণে খামারে অনেক মুরগি মরে গেছে। এতে ডিমের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।



ব্যবসায়ীরা আরও বলছেন, এক মাস আগে রমজানের সময় ডিমের চাহিদা কম ছিল। তখন দামও কমেছিল। এখন ডিমের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু ডিমের উৎপাদন কমেছে। এরফলে বেড়েছে ডিমের দাম।


তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, হালিপ্রতি ডিমের দাম যা বেড়েছে, তা অস্বাভাবিক। আমাদের কিছু করার নেই।


কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ডিমের উৎপাদন খরচ হিসেব করে একটি ডিমের দাম সর্বোচ্চ ১০ টাকা ৪৯ পয়সা হতে পারে বলে জানিয়েছে। গত ১৫ মার্চ কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ২৯টি পণ্যের দাম বেঁধে দিয়েছিল। সেখানে ডিমের খুচরা দাম নির্ধারণ করা হয় ১০ টাকা ৪৯ পয়সা।


এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব খন্দকার মো. মোহসিন বলেন, গরমের কারণে ডিমের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে ডিমের দামের ওপর।


তিনি বলেন, বাজারে সবজি ও মাছের দাম বাড়ায় ভোক্তারা ডিমের প্রতি বেশি ঝুঁকেছে। ডিমের দাম বাড়ার এটিও একটি কারণ বলে মনে করেন তিনি।


এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী কোল্ড স্টোরেজে ডিম সংরক্ষণ করেছে। এখন সেই ডিম তারা বেশি দামে বিক্রি করছে। এ কারণে ডিমের দাম বেড়েছে। এমন অভিযোগ প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) সভাপতি সুমন হাওলাদারের।


ভোক্তারা বলছেন, পুষ্টি চাহিদা পূরণে ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডিম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। 


বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে পরিবার নিয়ে টিকে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আরও খবর



ভিকারুননিসার সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধ মামলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image


নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজধানীর ভিকারুননিসা স্কুল এন্ড কলেজে অবৈধভাবে ৭২ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক অধ্যক্ষ কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।


 বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. রুহল হক বাদী হায়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কামরুন নাহার এক আদেশে অবৈধ প্রক্রিয়ার ৭২ জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ প্রধান করে অপরাধমূলক অসদাচরণ করে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।


মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৬ সালের ২০ এপ্রিল এক আদেশ অবৈধ প্রক্রিয়া শুরু করে ৭২ জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেছেন। অথচ কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এডহক কমিটি কোনো শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিতে পারবে না। 


তারপরও কামরুন নাহার নোটিশ বোর্ডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে একক স্বাক্ষরে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেছেন। ২০২২ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।


এজাহারে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত বেশ কয়েকজন শিক্ষক অবসর গ্রহণ করার কারণে নতুন করে এনটিআরসির মাধ্যমে শূন্য পদে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ দেয়া হয় অস্থায়ীভাবে। স্কুল ফান্ড থেকে তাদের যাবতীয় বেতনভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। 


এই অস্থায়ী নিয়োগ প্রাপ্তদের অব্যাহতি প্রদান বা পরবর্তীতে এনটিআরসির মাধ্যমে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের কোনো ধরনের ব্যবস্থা কামরুন নাহার নিজে অধ্যক্ষ থাকাকালীন বা স্কুল কর্তৃপক্ষ অদ্যাবধি গ্রহণ করেননি। যাদের নিয়োগ করা হয়েছে তাদের কোনো ধরনের লিখিত পরীক্ষা বা মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। 



শুধুমাত্র অল্প কয়েকজনের ডেমোলট্রেশন ক্লাস নেওয়া হয়েছিল। স্কুলের শিক্ষকদের নিয়ে নামমাত্র একটি নিয়োগ কমিটি করে এই কমিটির মাধ্যমে শুধু প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাই করে অধ্যক্ষ কামরুন নাহার এসব নিয়োগ দিয়েছেন।



পরবর্তীতে এসব শিক্ষক কর্মচারীর বেতন প্রদান নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা উপেক্ষা করেছেন।



এনটিআরসির মাধ্যমে শূন্যপদে স্থায়ী নিয়োগ না দিয়ে, কোনো প্রকারের জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে, কোনো লিখিত পরীক্ষা না নিয়ে, অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে শুধুমাত্র শিক্ষাগত সনদ যাচাইয়ের মাধ্যমে একক আদেশে মোট ৭২ জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।



আরও খবর



সিলেটে ৬ লাখ মানুুষ পানিবন্দি

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



সিলেট অফিস:


সিলেটের পাঁচ উপজেলার বেশিরভাগ স্থানে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। 


ভারতের পাহাড়ি ঢলের প্রকোপ হ্রাস পেয়েছে। তবে সিলেটের প্রধান নদী সুরমা, কুশিয়ারাসহ বেশ কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন অন্তত ৬ লাখ মানুষ।  


এদিকে শুক্রবার (৩১ মে) তেমন বৃষ্টিপাত না হলেও উজানের পানি নিচের দিকে নেমে বন্যা পরিস্থিতি বিস্তৃত হচ্ছে। সিলেটে নগরীর মাছিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি ঢুকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। 


সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, সুরমা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। 


নগরের কাজিরবাজারসহ যেসব ড্রেন সুরমায় পড়েছে, সেসব ড্রেন দিয়ে পানি নিষ্কাশনের বদলে উল্টো পানি ঢুকছে। এর জন্য এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।  



এদিকে গোয়াইঘাট উপজেলার কিছু কিছু রাস্তাঘাট ভেসে উঠলেও ক্ষত চিহ্ন ভয়াবহ। ১৩টি ইউনয়নের রাস্তাঘাট, সড়ক, ব্রিজ, কালভার্টসহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিরুপন করছে প্রশাসন। বৃহষ্পতিবার কমলগঞ্জে পাত্রখলা চা-বাগানে টিলা ধসে এক মহিলা চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়।  


গত বুধবার ও বৃহষ্পতিবারের প্রবল বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সিলেটের ৫ উপজেলার অন্তত ৭০০ গ্রামের ৬ লাখ মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে। বহু স্থানে রাস্তাঘাট ডুবে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ। 


বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে জেলার সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল, বাড়িঘর ও বহু মাছের ঘের। সবজি ক্ষেতগুলেতে পানির ঢেউ খেলছে।  



সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান জানান, পানিবন্দী মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে ও নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের খোলা ৪৫২টি আশ্রয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন উঁচু ভবনে বানভাসি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। 


এ পরিস্থিতিতে প্রশাসন সিলেটের সবকটি পর্যটন কেন্দ্র বৃহষ্পতিবার বন্ধ ঘোষণা করেছে। সাদা পাথর, রাতারগুলসহ বিভিন্ন পর্যটকেন্দ্রে এখন পর্যটকদের ভীড় থাকার কথা। কিন্তু এসব স্থানে পানির তীব্র স্রোত। 





আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালে স্থগিত ২০ উপজেলায় ভোট ৯ জুন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:


ঘূর্ণিঝড় রেমালে স্থগিত ২০ উপজেলায় ভোট ৯ জুন 

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া উপকূলীয় ২০ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটের নতুন তারিখ ৯ জুন নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 


বুধবার (২৯ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম। 


তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে স্থগিত চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়ায় ভোট হবে চতুর্থ ধাপের সঙ্গে ৫ জুন।


 একই দিনে কুমিল্লার চান্দিনায় ভোটগ্রহণ হবে। এসব উপজেলায় বুধবার ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। ওইসব বাদ দিয়ে এদিন তৃতীয় ধাপের ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হয়েছে।



ইসির কর্মকর্তারা জানান, তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে উপকূলীয় ২০টি উপজেলার ভোট স্থগিত করে কমিশন। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলায় ভোট স্থগিত করা হয়।


 ওই দুই উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণের কথা ছিল। আর আইনি জটিলতায় চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠেয় ৫ জুনের কুমিল্লার চান্দিনার ভোট আটকে গিয়েছিল।


এসব নির্বাচনের বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম। তিনি বলেন, স্থগিত উপজেলাগুলোর ভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।


 উপকূলীয় এলাকাগুলোয় ভোট হবে ৯ জুন। আর চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলায় ভোট হবে চতুর্থ ধাপের ভোটের দিন অর্থাৎ ৫ জুন। 


মামলার কারণে স্থগিত কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলারও ভোট হবে একই দিনে। সব মিলিয়ে চতুর্থ ধাপে ভোট হবে ৫৭ উপজেলায়।



৯ জুন যেসব উপজেলায় ভোট হবে, সেগুলো হচ্ছে—বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা; খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া; বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝারা; পটুয়াখালীর সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি; পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া; ভোলার তজুমদ্দিন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া; বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা; রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বাঘাইছড়ি ও নেত্রকোনার খালিয়াজুরী।  



আরও খবর



ফারিয়া করলে ‘লীলাখেলা’ আমি করলে অশ্লীল: ময়ূরী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক :


বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া বরাবরই খোলামেলা পোশাকে পর্দায় হাজির হয়ে ভক্তদের মনে ঝড় তোলেন ফারিয়া। 


এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকিনি পরা একটি ছবি শেয়ার করেছেন ফারিয়া; যা দেখে উত্তাল নেটদুনিয়া।


ফারিয়ার এমন লুকের ছবি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। চিত্রনায়িকা পলি অভিনেত্রীর বিকিনি লুকের ছবি শেয়ার করে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নুসরাত ফারিয়া, তোমাকে দেখতে সুপার লাগছে।’



পলির সেই পোস্টে মন্তব্য করতে দেখা গেছে চিত্রনায়িকা ময়ূরীকে। যেখানে ফারিয়ার খোলামেলা ছবির সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, নুসরাত ফারিয়া করলে ‘লীলাখেলা’ আমরা করলে অশ্লীল। ময়ূরীর এমন কমেন্টে চুপ থাকেননি পলিও। 


সেই মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘এইবার বুঝলা দোস্ত, কেনো পোস্ট করলাম।’


 

ঢালিউডের অশ্লীল যুগের নায়িকা বলা হয় চিত্রনায়িকা ময়ূরী ও পলিকে। পর্দায় তাদের অভিনীতি বেশকিছু সিনেমা নিয়ে ব্যাপক আপত্তি রয়েছে দর্শকমহলে। যদিও নিজেদেরকে ‘অশ্লীল’ যুগের নায়িকার তকমায় ভীষণ আপত্তি রয়েছে পলি-ময়ূরীর।


তবে নেটিজেনদের ধারণা, হয়তো সেই আপত্তি থেকেই ফারিয়ার খোলামেলা ছবি নিয়ে ‘খোঁচা’ দিতে দেখা গেল তাদেরকে। তবে সমালোচকদের মন্তব্য কিংবা আপত্তিকে পাত্তাই দেননা ফারিয়া। বর্তমানে ভ্যাকেশন মুডে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি।


সর্বশেষ বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে দেখা গেছে ফারিয়াকে। শ্যাম বেনেগাল নির্মিত ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।


আরও খবর

ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪




নড়াইলে যুবকের দু’পায়ের রগ কেটে হত্যা, আটক ১

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

নড়াইল প্রতিনিধি:


নড়াইলে আনিস শেখ (৩৬) নামে এক যুবককে কুপিয়ে ও দু’পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।


গতকাল শুক্রবার (৩১ মে) রাতে নড়াইলের নড়াগাতি থানার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চরকান্দিপাড়া গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।


নিহত আনিস শেখ চরকান্দিপাড়া গ্রামের মোশারেফ হোসেন ছেলে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একই গ্রামের ওসিকার শেখ নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।


পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে আনিস শেখ বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী ইটভাটা এলাকায় ঘুরতে যায়। সেখানে একদল দুর্বৃত্ত তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দু’পায়ের রগও কেটে দেয়। 


এসময় তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আনিস শেখকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।


নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আজ শনিবার (১ জুন) ভোরে ওসিকার শেখ নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। 


এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে।


আরও খবর