Logo
শিরোনাম
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোয়ার হোসেন

ফকিরহাটের জন্য সম্মান বয়ে আনলেন

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

 এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২২ উপলক্ষে উপজেলা ক্যাটাগরিতে তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ফকিরহাট উপজেলার  উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. মনোয়ার হোসেনকে তথ্য অধিকার পুরস্কার -২০২২ এ পুরস্কৃত করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় । আজ ২৮ সেপ্টেম্বর  তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডা. হাসান মাহমুদ তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তথ্য কমিশনের মাননীয় সচিব জিএম আব্দুল কাদেরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। মনোয়ার হোসেন এর পূর্বে শরীয়তপুর জেলার আরডিসি, গোপালগঞ্জ সদর  উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও মাদারীপুর জেলার এনডিসি হিসেবে  সততা, নিষ্ঠা ,কর্ম দক্ষতা ও স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।


আরও খবর



কুমিল্লার কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রা‌মে ২০০৯সা‌লের ২৫জুন গৃহবধূ ঝর্ণা আক্তারকে যৌতুকের জন্য হত্যার ঘটনায় ১৩ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ও দশহাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ অনাদা‌য়ে ২মা‌সের সশ্রম কারাদ‌ন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।                                          বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালতের নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেষাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত। 

দণ্ডপ্রাপ্ত হ‌লেন জেলার চৌদ্দগ্রা‌মের আব্দুল কাদের। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার মালু মিয়ার ছেলে। 

নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেশাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত জানান  ২০০৯ সালের ২৪ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার আব্দুল কাদের তার স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার ৪ মাস আগেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়েতে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের কথা থাকলেও তারা ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকি ৩০ হাজার টাকার জন্যই তাকে হত্যা করে স্বামী আব্দুল কাদের। পরে তার লাশ পাশবর্তী একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার পর নিহতের বোন খা‌লেদা বেগম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত‌্যা  মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা,ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেটসহ ১২জ‌নের স্বাক্ষ‌্য গ্রহ‌ণ শে‌ষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর মামলার রায় দেন আদালত।  রা‌য়ে স্বামীর  মৃতু‌্যদন্ড হ‌লে এ মামলায় বাকী আসামী ২জন‌কে ‌বেকসুর খালাস প্রদান ক‌রে আদালত।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। আদাল‌তের রা‌য়ের পর আসামী‌কে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হ‌য়ে‌‌ছে। ২০০৯সা‌লের ২৫জুন গৃহবধূ ঝর্ণা আক্তারকে যৌতুকের জন্য হত্যার ঘটনায় ১৩ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ও দশহাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ অনাদা‌য়ে ২মা‌সের সশ্রম কারাদ‌ন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।                                          বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালতের নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেষাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত। 

দণ্ডপ্রাপ্ত হ‌লেন জেলার চৌদ্দগ্রা‌মের আব্দুল কাদের। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার মালু মিয়ার ছেলে। 

নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেশাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত জানান  ২০০৯ সালের ২৪ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার আব্দুল কাদের তার স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার ৪ মাস আগেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়েতে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের কথা থাকলেও তারা ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকি ৩০ হাজার টাকার জন্যই তাকে হত্যা করে স্বামী আব্দুল কাদের। পরে তার লাশ পাশবর্তী একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার পর নিহতের বোন খা‌লেদা বেগম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত‌্যা  মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা,ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেটসহ ১২জ‌নের স্বাক্ষ‌্য গ্রহ‌ণ শে‌ষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর মামলার রায় দেন আদালত।  রা‌য়ে স্বামীর  মৃতু‌্যদন্ড হ‌লে এ মামলায় বাকী আসামী ২জন‌কে ‌বেকসুর খালাস প্রদান ক‌রে আদালত।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। আদাল‌তের রা‌য়ের পর আসামী‌কে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হ‌য়ে‌‌ছে।


আরও খবর



মহাযজ্ঞ উদ্বোধন আজ

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান :  স্বপ্নের আল বায়াত স্টেডিয়ামে হবে স্বপ্নযাত্রার সূচনা। আজ রাত ৮টা। হয়তো থেমে যাবে সব ব্যস্ততা। চোখ জোড়া লেপ্টে যাবে ওই টিভি সেটের সামনে। কাতার মহাযজ্ঞের শুরুটা হবে যেখানে। কৌতূহলের তুঙ্গে তাই কী থাকবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনীতে।

কাতারের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে থাকবে বিশেষে প্রদর্শনী। উঠে আসবে মরুর বুকে কীভাবে ফুটল ফুল। বিশাল সব ইমারতের পেছনের গল্প। বিশ্বকাপের ইতিহাসও পাবে প্রাধান্য। এরপর সুরের মূর্ছনায় হারিয়ে যাওয়ার পালা। ২২তম আসরের অফিশিয়াল থিম সং ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ইউরস টু টেক’ গাইবেন লিও বেবি। তার সঙ্গে বিশেষ পারফর্ম করবেন বলিউড হার্ডথ্রুব নোরা ফাতেহি। নোরার সঙ্গে থাকবেন মানাল ও রেহমা।

জোর গুঞ্জন আছে গাইবেন শাকিরা আর কিজ ড্যানিয়েলও। কিন্তু বিষয়টি এখন পর্যন্ত রহস্যই রেখে দিয়েছেন আয়োজকরা। তবে কোরিয়ার বিখ্যাত ব্যান্ড বিটিএসের গান, তৈরি করবে ভিন্ন আবহ। যেখানে চমক বিটিএসের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য জাংকুক। যিনি অংশ হতে যাচ্ছেন এই সাউন্ডট্র্যাকের। এ ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেখা যেতে পারে পপগায়িকা দুয়া লিপা, ব্ল্যাক আইড পিস, জে বালভিন ও নাইজেরিয়ার সংগীতশিল্পী প্যাট্রিক নায়েমেকা ওকোরিকে। স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনাও পাবে বিশেষ স্থান। উদ্বোধন অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রদর্শন করা হবে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল মাসকট লা’ইব। আরবি যার অর্থ অতি দক্ষ খেলোয়াড়। এরপর শুরু হবে আতশবাজির ঝলকানি। আর এরই মধ্যে শেষ হবে জমকালো আয়োজন। স্টেডিয়ামে সরাসরি যা উপভোগ করবেন ৬০ হাজার দর্শক। এরপরই ইকুয়েডর-কাতার ম্যাচের রোমাঞ্চ।

২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসে ২২তম বিশ্ব ফুটবলের আসর। আজ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাতারে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্ব ফুটবলের মহারণ। এই প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে ও এশিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজিত হতে যাচ্ছে। এর আগে ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল। এবারই শেষবারের মতো ৩২টি দেশের অংশগ্রহণে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিত টুর্নামেন্টে ৪৮টি দেশ অংশ নেবে।

২০০৯ সালে জানুয়ারিতে ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে আগ্রহীদের বিডিং প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০১৮ টুর্নামেন্ট আয়োজনের গ্যারান্টি পাওয়ার পর ২০২২ বিশ্বকাপের বিডিং থেকে সব ইউরোপিয়ান দেশ তাদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। শেষ পর্যন্ত ২০২২ বিশ্বকাপের জন্য পাঁচটি বিড টিকে ছিল : অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। ২২ সদস্যের ফিফা কার্যনির্বাহী কমিটি ২০১০ সালের ২ ডিসেম্বর ভোটের মাধ্যমে উভয় টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ বেছে নেয়।

কাতারের প্রচন্ড গরমের কথা বিবেচনা করে প্রথমবারের মতো জুন-জুলাই থেকে সরিয়ে টুর্নামেন্ট নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টে পরিধি কমিয়ে এনে ২৯ দিনে শেষ করা হচ্ছে। আগামী ১৮ ডিসেম্বর কাতারের জাতীয় দিবসে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। চার বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স।

বিশ্বকাপের স্বত্ব পাওয়ার পর থেকেই পুরো কাতারজুড়ে আটটি নতুন স্টেডিয়াম তারা নির্মাণ করেছে। নির্মাণকৃত স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়াম। দোহার ১৫ কিলোমিটার উত্তরে ২ লাখ জনসংখ্যার পরিকল্পিত একটি শহর লুসাইল। সেখানেই গড়ে তোলা হয়েছে ৮০ হাজার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন লুসাইল স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামে আগামী ১৮ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। আজ কাতার বনাম ইকুয়েডরের মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আল-খোরের আল-বায়াত স্টেডিয়ামে। এ ছাড়া অন্যান্য ভেন্যু হলো : এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম, আহমাদ বিন আলি স্টেডিয়াম, খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম, আল থুমামা স্টেডিয়াম, স্টেডিয়াম ৯৭৪ এবং আল-জানুব স্টেডিয়াম।

কাতার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৩২ দেশের মধ্যে ২৪টি দেশই চার বছর আগে রাশিয়ায় খেলেছে। ১৯৩৪ সালে ইতালির পর আয়োজক দেশ হিসেবে একমাত্র কাতার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে। নেদারল্যান্ডস, ইকুয়েডর, ঘানা ও ক্যামেরুন রাশিয়ায় খেলতে ব্যর্থ হওয়ার পর আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে। ১৯৮৬ সালে একমাত্র বিশ্বকাপ খেলা কানাডা ৩৬ বছর পর ফিরে এসেছে। অন্যদিকে ইউরোপিয়ান দল হিসেবে ১৯৫৮ সালের ৬৪ বছর পর দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে ওয়েলস। ফিফা বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০ দলের মধ্যে একমাত্র বাদ পড়েছে ষষ্ঠ স্থানে থাকা ইতালি। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে ব্যর্থ হলো আজ্জুররিা। সর্বনিম্ন ৬১তম র‌্যাংকে থেকে মাঠে নামবে ঘানা।

৩২ দেশ আটটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রথম পর্বে লড়াই করবে। ২০ নভেম্বর-২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে গ্রুপ পর্বের খেলা। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। ৩-৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত শেষ ১৬ এবং ৯-১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা। ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর হবে দুটি সেমিফাইনাল। ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ১৮ ডিসেম্বর হবে বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল। প্রখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সঙ্গে ফিফার সম্পর্কটা বেশ পুরোনো। ১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপের প্রতি আসরের জন্য বল প্রস্তুত করে আসছে এই প্রতিষ্ঠান।

এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। গত মার্চে কাতার বিশ্বকাপের জন্য তৈরি বলটি উন্মোচন করে ফিফা। যার নাম ‘আল রিহলা’। আরবি ভাষায় শব্দটির অর্থ ভ্রমণ। কাতারের পতাকা, ঐতিহ্যবাহী নৌকা, স্থাপত্য ও সংস্কৃতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই তৈরি করা হয়েছে বলটি। যেখানে ২০টি প্যানেলের ডিজাইন ব্যবহার করেছে অ্যাডিডাস। প্যানেলগুলো ত্রিভুজাকৃতির। যা মধ্যপ্রাচ্যের ‘ধো’ নৌকাকে মনে করিয়ে দেয়। প্যানেলের দুই দিক বিভিন্ন রঙে, যা কাতারের পতাকা ও আরবের ঐতিহ্যবাহী সাদা পোশাককে ফুটিয়ে তুলেছে।

দল গুলো কাড়ি কাড়ি ডলার খরচ করা কাতার নেমেছে হিসেব কষেই। আট স্টেডিয়ামে ফুটবল তারকাদের পায়ের জাদুতে বুঁদ হয়ে থাকবেন সমর্থকরা। ফিফা জানিয়েছে, মোট তিন মিলিয়ন টিকিট বিক্রি করেছে। শুধু টিকিট বিক্রি থেকেই ফিফা রেকর্ড রেভেনিউ পেতে পারে। রাশিয়া বিশ্বকাপে টিকিট বিক্রি থেকে ফিফার আয় ছিল ৫.৪ বিলিয়ন ডলার। এবার সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলেই রিপোর্টে এসেছে। এর পেছনে কারণ, ম্যাচ টিকিটের দাম বৃদ্ধি। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপে চোখ রাখবে বিশ্বের প্রায় ৫০০ কোটি মানুষ।



আরও খবর

প্রতিপক্ষকে মূল্যায়ন করতে হবে.. স্কালোনি

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

নারায়ণগঞ্জ নগরের গভীর রাতে আনন্দ মিছিল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




৮ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সম্মেলন

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম কেন্দ্রীয় সম্মেলন আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক দলীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সমাবেশ ১৫ ডিসেম্বর পুনঃনির্ধারিত হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে গণভবনে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের ৩ তারিখের পরিবর্তে ওই মাসের অন্য কোনো তারিখে সম্মেলনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দেন।

আগামী ২৯ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। এ কারণে ৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ওই মাসের অন্য কোনো দিন সম্মেলনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই কারণে ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় যুব মহিলা লীগের সম্মেলনও পেছানো হয়।


আরও খবর



গাজীপুর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

সাত বছর পর গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হবে ১৯ নভেম্বর। এই সম্মেলনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ- উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

এই সম্মেলনের প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থক মিলে কয়েক লাখ লোক জমায়েতের প্রস্তুতি রয়েছে। শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে নির্মাণ হয়েছে মঞ্চ ও প্যান্ডেল। ২০১৩ সালে গাজীপুরকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার দুই বছর পর গঠন করা হয় মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি। সাত বছর পর হতে যাওয়া সম্মেলনে নতুন কমিটি ঘোষণা হবে, সেখানে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের দেখতে চান তৃণমূল কর্মীরা।


আরও খবর



সমাজ বদলাতে চরিত্রের পরিবর্তন প্রয়োজন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক, গবেষক :

প্রতিদিন শিশু, বৃদ্ধা পর্যন্ত ধর্ষিত হচ্ছে। শিক্ষক, পেশাজীবী সব শ্রেণির মানুষ প্রায় সময় দেখা যাচ্ছে ধর্ষণে জড়িত। ইদানীং মাদরাসা অধ্যক্ষ, শিক্ষককে দেখা যাচ্ছে বেশি ধর্ষণে জড়িত হতে। অথচ মাদরাসা শিক্ষক হচ্ছে ইসলামি শিক্ষার গুরু।

সমাজে ভালো কাজের উপদেশ, ধর্মীয় শিক্ষা, ধর্মীয় জ্ঞান মাদরাসা শিক্ষকরা যুগ যুগ ধরে দিয়ে আসছেন। কলেজ, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের ঘৃণ্য খারাপ কাজে নিয়োজিত হতে প্রায় পত্রিকায় খবরে প্রকাশ পাচ্ছে। ধর্ষণ এই চিত্র আজকাল বেশি বেশি প্রকাশ পাচ্ছে। কিন্তু অনেকে বলেন, ধর্ষণ আগেও সমাজে ছিল। তখন নারী সমাজ প্রতিবাদ করত না, তা প্রকাশ পেতও না। তখন নারী সমাজ শিক্ষিত, প্রতিবাদ শিখেছে। তাদের সাহস হয়েছে। তাই ঘটনা খবরের কাগজের খবর হয়ে প্রতিনিয়ত বের হচ্ছে।
অনেকে বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি রয়েছে। ঘটনা ঘটছে। তা ওইসব দেশে তেমন প্রকাশ পায় না। কিন্তু আমাদের দেশে প্রকাশ বেশি। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারতেও যৌন হয়রানি, ধর্ষণ ঘটনা বেশ ঘটছে। প্রকাশও পাচ্ছে। নারী জাতিকে স ষ্টা অনেক বেশি সম্মান, মান-মর্যাদা ও অধিকার দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু আমরা কি সেই সম্মান রক্ষা করে চলতে পারছি। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোয় নারীকে সম্মান অধিকার দিয়ে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে। নারী-পুরুষের কোনো ভেদাভেদ উন্নত দেশগুলোয় এখন নেই। শুধু অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে নারী এখনও অবহেলিত।
একসময় আমাদের দেশে নারীদের এসিড মেরে আহত করার বেশ প্রচলন হয়েছিল। প্রতিদিন যুবকরা কিছু কিছু নারীকে যৌন হয়রানি করত। প্রেমের ভ্রান্ত দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হলে তখন এসিড মেরে ওই নারীকে আহত করত। এখন বেশ কম দেখা যায় এসিড নিক্ষেপ। কেন এসিড নিক্ষেপ কমল। কী কারণ রয়েছে এর পেছনে। সমাজ বিজ্ঞানীরা তখনও এ বিষয়ে গবেষণা প্রকাশ করেননি। নিশ্চয় এসিড নিক্ষেপ কমে যাওয়ার পেছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
এখনও আমাদের সমাজে অনিয়ম, অন্যায়, আইন অমান্য, ঘুষ, দুর্নীতি নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতিদিন অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্যের নানা খবর দেশে আসছে। বর্তমান সরকারও এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে বেশ সোচ্চার। দুর্নীতি দমন কমিশনও এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সক্রিয়। বেশ কিছু মামলা হয়েছে। অনেক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। নতুন নতুন অনুসন্ধান চলেছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। পত্রপত্রিকায়ও প্রকাশ পাচ্ছে। সরকারও বেশ কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে বলে ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি বেশ কম হচ্ছে। কেন এ অবস্থার সৃষ্টি হলো। কিংবা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।
বাংলাদেশি বিপুলসংখ্যক ধনী ব্যক্তি সুইস ব্যাংকে প্রচুর অর্থ জমা রেখেছেন। ব্যাংকে অর্থ কীভাবে জমা হয়েছে, তা নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। শুধু যে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার হয়েছে তা নাও হতে পারে। এই অর্থ বিদেশে উপার্জিত অর্থ থেকেজমাও হতে পারে। শুধু যে পাচারের টাকা জমা হয়েছে তা নয়।

কেন এসব ঘটছে :

 আমরা এগিয়ে চলেছি। আমাদের চরম উন্নতি হচ্ছে বলে আমাদের রাষ্ট্রীয় ঘোষণা রয়েছে। রাষ্ট্র এগিয়ে চলেছে। কিন্তু জনগণ তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে যেন বারবার হোঁচট খাচ্ছে। চলতি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা-দীক্ষা ও উন্নয়নে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই পাশাপাশি দেশের সমাজব্যবস্থায় বিভিন্ন কারণে বাড়ছে অস্থিরতা, বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা, বাড়ছে হতাহতের ঘটনা।
খবরের কাগজ উল্টালেই চোখে পড়ছে ধর্ষণ, আত্মহত্যা, খুন, শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাসবাদ, মাদক, মারামারি আর হানাহানির খবর। সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ মূল্যবোধ তথা মানুষগুলোর নৈতিক অবক্ষয়। পাশাপাশি পারিবারিক বন্ধন ঢিলে হয়ে যাওয়া এবং অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার
বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য।


বাড়ছে পারিবারিক কলহ: পরিবার আমাদের সমাজব্যবস্থার অন্যতম মূল ভিত্তি। এ সময়টায় বিভিন্ন কারণে পারিবারিক কলহের ঘটনা বেড়ে গেছে। বেড়ে গেছে পরিবারের এক সদস্যের হাতে আরেক সদস্যের খুন হওয়ার ঘটনা। স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে প্রাণ দিতে হচ্ছে নিষ্পাপ শিশুদের।

পারিবারিক কলহের কারণে পরিবারের সবাই একসঙ্গে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটছে। মানুষ এখন শুধু ঘরের বাইরেই নয়, তার আপনজনদের কাছেও নিরাপদ নয়। বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ বিভাগের তথ্যানুযায়ী বছরে মোট হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪০ শতাংশ সংঘটিত হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে।


অপরাধ বিশ্লেষক তৌহিদুল হক বলছেন
: অভাব-অনটন, অর্থের প্রতি প্রবল দুর্বলতা, চাওয়া-পাওয়ার অসংগতির কারণে দাম্পত্য কলহ ও স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের প্রতি বিশ্বাসহীনতা, নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অস্থিরতা, অন্য দেশের সংস্কৃতির আগ্রাসন, স্বল্প সময়ে ধনী হওয়ার আকাক্ষা, বিষন্নতা ও মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন কারণে সামাজিক অশান্তি বাড়ছে। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, দেশে প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫ জন। আর এর অধিকাংশই পারিবারিক ও সামাজিক অস্থিরতার কারণে।


মনোবিজ্ঞানী মোহিত কামাল জানান
: সমাজে কেউ অপরাধী হয়ে জন্ম নেন না। মানুষ অপরাধী হয়ে ওঠে পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে। বেশিরভাগ সময়ে সে পরিবেশ তার কাছের মানুষরাই তৈরি করে দেয়। কখনও কখনও সমাজে মানুষদের আচরণ, অসহযোগিতার কারণে পরিবারে, সমাজে দ্বন্দ্ব সংঘাতের মাত্রা বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে মানসিক যন্ত্রণা বা মনোকষ্টে ভুগলে এসব হতে পারে। এ জন্য কাউন্সিলিং দরকার। প্রত্যেককে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।


একাকিত্ব থেকে অশান্তি: একাকিত্ব মানসিক বিষন্নতা সৃষ্টির অনেক বড় একটা কারণ। অনেক সংসারেই স্বামীরা বুঝতে পারেন না তার কাজের ব্যস্ততার কারণে স্ত্রীকে একদম সময় দেওয়া হচ্ছে না। এ জন্য অফিসে গেলে মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে ফোন দিতে হবে। মাঝে মধ্যে কী করছে না করছে সেটির খোঁজ নিতে হবে।

অফিস থেকে আসতে দেরি হলে বাসায় জানাতে হবে। নিজের ব্যস্ততার বিষয়টি স্ত্রীকে বোঝাতে হবে। আবার স্ত্রীকেও স্বামীর ব্যস্ততা বুঝতে হবে। ব্যস্ততার মাঝেও সপ্তাহে অন্তত একটা দিন স্ত্রীকে নিয়ে বিনোদনের জন্য পার্ক বা দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে যাওয়া, সিনেমা দেখা, রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। কোনো কারণে স্ত্রী যদি বুঝতে পারে তার স্বামী তাকে যথেষ্ট সময় দিচ্ছেন না, তাহলে তাদের মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টিই হবে। একাকিত্বের ফাঁদে পড়ে মেয়েরা অনৈতিক কোনো সম্পর্ক বা মানসিক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।


দাম্পত্য জীবনে অতৃপ্তি: বিয়ে বা সাংসারিক জীবনে কোনোভাবেই যৌনতাকে বাদ দেওয়া যাবে না। বরং যৌনতাকে ঘিরেই দাম্পত্য জীবনে গতি আসে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোনো সংসারে অভাব-অনটন থাকলে যতটা অশান্তি হবে তার চেয়ে ভয়াবহ অশান্তি হবে যদি কোনো দম্পতির যৌনজীবন সুখের না হয়। পরকীয়া বা বিবাহ বিচ্ছেদের সবচেয়ে আদিম কারণ শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ থাকা।
 স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি, হতাশা বা দূরত্ব বাড়ার অন্যতম একটি কারণ হলো শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ থাকা। আমাদের দেশের অধিকাংশ ছেলে জানে না, একটা মেয়েকে কীভাবে শারীরিকভাবে সুখী করতে হয়। অনেকেই জানেন না, আদিম এই খেলায় ছেলের পাশাপাশি মেয়েরও পরিপূর্ণতা বা সন্তুষ্ট হওয়ার একটা ব্যাপার আছে।

মেয়েদের অর্গাজম ঘটানোর ব্যাপারেও উদাসীন ছেলেরা। ছেলেদের যৌনজ্ঞানের অভাব মেয়েদের চরমানন্দ থেকে বঞ্চিত করে। এভাবে দিনের পর দিন মেয়েরা বঞ্চিত হতে হতে একটা সময় তাদের মধ্যে এক ধরনের উদাসীনতা বা হতাশার সৃষ্টি হয়। আমাদের দেশের ছেলেরা মনে করে, মেয়েরা শুধু ভোগের বস্তু।
বিছানায় নিজের সন্তুষ্টি অর্জন হলেই সব শেষ। সঙ্গীর জৈবিক চাহিদার ব্যাপারে কোনো তোয়াক্কা নেই। এরকম ঘটনা যে শুধু ছেলেদের ক্ষেত্রেই ঘটে, সেটি নয়। অনেক মেয়েও তার সঙ্গীর শারীরিক চাহিদা পূরণে সচেতন, কিংবা আগ্রহী নন। এই শারীরিক অপূর্ণতাই পর-পুরুষ বা পর-নারীতে আগ্রহের সৃষ্টি করে। কাজেই শারীরিক চাহিদা পূরণের ব্যাপারে উভয়কে সচেতন হতে হবে।


আরও খবর