Logo
শিরোনাম

ফুলবাড়িতে,১২৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ-এক মাদক কারবারি আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম,জেলা পুলিশ সুপার এর নেতৃত্বে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে,এক মাদক কারবারি কে,১২৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ-হাতেনাতে আটক করে।

জানাযায়,১৫ (জুন) ফুলবাড়ী থানা পুলিশের এসআই পলাশ চন্দ্র রায় এর নেতৃত্বে, মাদক উদ্ধার কারি একটি আভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে,রাত নয় টায় উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের,(নন্দীর কুটি) গ্রামের মৃত:খগেন চন্দ্রের বসত বাড়িতে,তল্লাশি চালিয়ে তার মাদক কারবারি ছেলে,স্বদেশ চন্দ্র সেন,পঁচা (৪৫) কে,১২৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ-আটক।

এব্যাপারে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ

(ওসি) ফজলুর রহমান জানান, আটক ঐ মাদক কারবারির বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। 


আরও খবর



রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর হতে ইয়াবাসহ ০১ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানাধীন আমিনবাগ আলী আহমেদ গলি এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ২৩,৪০,০০০ টাকা মূল্যের ৭,৮০০  পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম মোসাঃ সোনিয়া বেগম (২৭) বলে জানা যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মহিলা একজন পেশাদার মাদক ব্যাবসায়ী। সে বেশ কিছুদিন যাবত কামরাঙ্গীরচরসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে জানা যায়।

গ্রেফতারকৃত মহিলার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।


আরও খবর



৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা বাজেট

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

করোনা মহামারি না পেরোতেই অর্থনীতিকে নতুন করে ঝুঁকির মুখে ফেলছে বৈশ্বিক সংকট। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অর্থনীতি টালমাটাল। দেশে দেশে মূল্যস্ফীতি গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশেও পড়েছে সেই প্রভাব। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে। ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আগামীকাল ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’।

এবারের বাজেটের আকার চূড়ান্ত করা হয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা ছিল ছয় লাখ তিন হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে নতুন বাজেটের আকার বাড়ছে ৭৪ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা। কিন্তু ব্যয়ের বিপরীতে অর্থের সংস্থান কম।

সরকার আয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওপর। চলতি অর্থবছরের বাজেটের ৫৫ শতাংশ অর্থ জোগান দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে এনবিআরকে; সব মিলিয়ে তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুন-মার্চ) মাত্র দুই লাখ চার হাজার কোটি টাকার শুল্ক-কর আদায় হয়েছে। অর্থাৎ ঘাটতি লাখো কোটি টাকার বেশি। এই ঘাটতি পূরণই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল নিজেও বলছেন, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তিনি চাপবোধ করছেন। তবে সবশ্রেণির মানুষ যাতে উপকৃত হন, সেভাবেই তিনি বাজেট প্রণয়ন করেছেন। ছোট-মাঝারি ও বড় শিল্প উদ্যোক্তা সবাই উপকৃত হবেন। নতুন বাজেটে মোট কর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে চার লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা ছিল তিন লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। আর এনবিআরকে তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। চলতি বাজেট থেকে এটি ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি।

এনবিআরবহির্ভূত কর থেকে আদায় করা হবে ১৮ হাজার কোটি টাকা এবং কর ছাড়া প্রাপ্তি খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে তিন হাজার ২৭১ কোটি টাকা বিদেশি অনুদান পাওয়া যাবে বলে বাজেটে উল্লেখ থাকবে।

জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ মীর্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, প্রতি অর্থবছরেই বিশাল বাজেট দেওয়া হয়। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকে অযৌক্তিক। এগুলো বাস্তবতাবিবর্জিত টার্গেট। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ অসম্ভব হবে।

নতুন বাজেট ইস্যুতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, বাজেটে প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে মানুষের সুরক্ষা। এজন্য সামাজিক সুরক্ষা খাতের কর্মসূচিগুলোর বরাদ্দ ও আওতা দুটোই বাড়াতে হবে।

আসন্ন বাজেটে ব্যাপক কর্মসৃজনের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এজন্য ধরা হয়েছে বিনিয়োগের বড় লক্ষ্যমাত্রা। নতুন জিডিপির ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ ধরা হয়েছে বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা। এর মধ্যে বেসরকারি বিনিয়োগ ২৪ দশমিক ৯ শতাংশ এবং সরকারি বিনিয়োগ ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

এদিকে জিডিপি ৫ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে রেখে ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। ফলে এই বাজেটে ঘাটতি (অনুদানসহ) হবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রীর কাছে বড় অঙ্কের ঘাটতি পূরণ করাই চ্যালেঞ্জ হবে। ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহণ করা হবে ৯৫ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা। অন্যান্য খাত থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৫ হাজার ১ কোটি টাকা।

বাড়বে ব্যয় ও ঋণ : আয়ের অবস্থা যেমনই থাক, খরচ তো করতেই হবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, দেশি-বিদেশি ঋণের সুদব্যয় করতেই হবে। আগামী অর্থবছরে দেশি-বিদেশি ঋণের সুদই দিতে হবে ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উন্নয়নব্যয় তো আছেই। আয় তেমন নেই। তাহলে উপায়? ধার করে ঘাটতি পূরণ হবে। আগামী বাজেটে ঘাটতিই থাকবে দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, জিডিপির অংশ হিসেবে যা সাড়ে ৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ছিল দুই লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারকে বেশি নির্ভর করতে হবে ব্যাংক খাতের ওপর। এই খাত থেকে নিট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য দেওয়া হচ্ছে এক লাখ ছয় হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ৬৮ হাজার ১৯২ কোটি টাকা। স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেওয়া হবে ৩৮ হাজার ১৪২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণের লক্ষ্য আছে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরের ব্যাংকবহির্ভূত ঋণের মধ্যে শুধু সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা রয়েছে ৩২ হাজার কোটি টাকা।

কোথায় অর্থ ব্যয় করা হবে : আগামী অর্থবছরের বাজেটে পরিচালনব্যয় ধরা হয়েছে চার লাখ ১১ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সুদ দিতেই ব্যয় করতে হবে তিন লাখ ৭৩ হাজার ২৪২ কোটি টাকা। এই সুদের মধ্যে আবার দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদব্যয় ৭৩ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা। বিদেশি ঋণের সুদ গুনতে হবে সাত হাজার ২০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদব্যয়ের জন্য ধরা রয়েছে ৬২ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ৬৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) : আগামী অর্থবছরের জন্য এডিপির আকার ধরা হয়েছে দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা ছিল দুই লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে দুই লাখ ৯ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে।

চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি : মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখাই আগামী বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর দেশ। একদিকে যেমন বাড়ছে মূল্যস্ফীতির চাপ, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দামে লাগাম টানা যাচ্ছে না। টানা তিন মাস মূল্যস্ফীতির হার ৬ শতাংশের বেশি। মানুষকে চাল, ডাল, তেলসহ সব নিত্যপণ্যই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। গত এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬.২৯ শতাংশ। মার্চ মাসে ছিল ৬.২৪ শতাংশ এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ৬.১৭ শতাংশ। গত দুই বছরে এমন মূল্যস্ফীতি আর ওঠেনি। গত মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতির বিপরীতে মজুরি বেড়েছে ৬.১৫ শতাংশ হারে। ফেব্রুয়ারি মাসেও মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৬.০৩ শতাংশ। এর অর্থ, দৈনিক আয়ের মানুষ বাড়তি আয় দিয়ে বাজার থেকে আগের মতো পণ্য ও সেবা কিনতে পারছে না। কারণ মজুরি বা বেতন বাড়লেও মূল্যস্ফীতি তা খেয়ে ফেলছে। নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৫.৬ শতাংশ।


আরও খবর



ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।

১৯৬৬ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬-দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। দিনটি বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে প্রতিবাদ এবং আত্মত্যাগের গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামী অনন্য এক দিন।

ঐতিহাসিক এই দিবসটি উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।

দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (৭ জুন) সকালে নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা নীরবে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন।

পরে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির অপপ্রচারের জবাব কাজের মাধ্যমে দেবে আওয়ামী লীগ। যারা ৭ জুন মানে না, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয় বলেও মন্তব্য করেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। ১৯৬৬ সালের এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। এ দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তৎকালীন পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন বাঙালি শহীদ হন। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপসহীন সংগ্রামের ধারায় উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি।

পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক ৬ দফাভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনই ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত হয়। এ দাবির সপক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাঙালিরা বিজয়ী করে।

অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাকিস্তানের শাসকরা বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে আবারো বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।


আরও খবর



পদ্মায় দুই ফেরির সংঘর্ষে নিহত এক, আহত ১৫

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

শাহআলম নিতুল : শরীয়তপুরের শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি রুটে দুই ফেরির সংঘর্ষে একজন নিহত । এ সময় একজন নিখোঁজ ও আহত  অন্তত ১৫ জন। রবিবার (১৯ জুন) ভোর ৪ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত পিকআপ ভ্যানচালকের নাম মোহাম্মদ খোকন। তার বাড়ি ঝালকাঠি জেলায়।

ফেরির চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত থেকেই পদ্মা নদীতে প্রচণ্ড স্রোত ছিল। এই স্রোতের মধ্যে ফেরি চলাচল করছিল। ভোরের দিকে বেগম রোকেয়া ও সুফিয়া কামাল নামে দুই ফেরি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি। এ সময় তাদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি ফেরির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ফেরিতে থাকা একজন গাড়ির চালক আহত হন। আরেক চালক নদীতে পড়ে যান। সংঘর্ষের পর দুটি ফেরিই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে যানবাহন ও যাত্রীদের নামিয়েছে।

পরে বেগম রোকেয়া ফেরির মাস্টার মিন্টু রঞ্জন দাস বলেন, নদীতে অনেক স্রোত ছিল। জাজিরা পয়েন্টের কাছাকাছি মোড়ে পৌঁছালে স্রোতের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরি সুফিয়া কামালের সঙ্গে আমার ফেরির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে আমার ফেরিতে থাকা ৮-১০টি গাড়ির ক্ষতি হয় এবং পিকআপ ভ্যানচালক নিহত ও নদীতে পড়ে একজন নিখোঁজ রয়েছে।

সুফিয়া কামাল ফেরির মাস্টার মোহাম্মদ হাসান বলেন, নদীতে প্রচণ্ড স্রোতে টার্নিংয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।

তবে যাত্রীরা জানিয়েছেন, ফেরি চালকদের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বর্তমানে এই রুটে ছয়টি ফেরি চলাচল করছে। দুর্ঘটনাকবলিত ফেরিতে অর্ধশতাধিক যান এবং কয়েকশ যাত্রী ছিলো।


আরও খবর



রাত ৮টার পরও খোলা থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সোমবার (২০ জুন) থেকে রাত ৮টার পর সারাদেশে দোকান, বিপণি-বিতান, মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। সেগুলো হলো; সিনেমা হল, তরিতরকারির দোকান, সেলুন, পান, বিড়ি, সিগারেটসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, এফবিসিসিআই, এমসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, ঢাকা চেম্বারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী মালিক সংগঠন এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

যেসব প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর খোলা থাকবে :

* ডক, জেটি, স্টেশন, বিমানবন্দর এবং পরিবহন সার্ভিস টার্মিনাল অফিস।

* তরিতরকারি, মাছ, মাংস, দুগ্ধজাতীয় সামগ্রী, রুটি, পেস্ট্রি, মিষ্টি এবং ফুল বিক্রির দোকান।

*ওষুধ, অপারেশন সরঞ্জাম, ব্যান্ডেজ অথবা চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান।

* দাফন ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রির দোকান।

* তামাক, সিগারেট, পান-বিড়ি, বরফ, খবরের কাগজ, সাময়িকী বিক্রির দোকান এবং দোকানে বসে খাওয়ার (হালকা) নাশতা বিক্রির খুচরা দোকান।

* খুচরা, পেট্রল বিক্রির জন্য পেট্রলপাম্প এবং মেরামত কারখানা নয় এমন মোটরগাড়ির সার্ভিস স্টেশন।

* নরসুন্দর এবং কেশ প্রসাধনীর দোকান।

* যেকোনো ময়লা নিষ্কাশনকারী প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।

* যেকোনো শিল্প, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান যা জনগণকে শক্তি আলো অথবা পানি সরবরাহ করে এমন প্রতিষ্ঠান।

* ক্লাব, হোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবার দোকান, সিনেমা অথবা থিয়েটার।

তবে শর্ত থাকে যে, একই দোকানে অথবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যদি একাধিক ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হয় এবং অধিকাংশ তাদের প্রকৃতির কারণে এই ধারার অধীন অব্যাহতি পাওয়ার যোগ্য হয়, তাহলে সমগ্র দোকান বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রে উক্তরূপ অব্যাহতি প্রযোজ্য হবে।

এছাড়াও প্রধান পরিদর্শক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা উপরোক্ত প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠান শ্রেণির জন্য খোলা ও বন্ধের সময় স্থির করে দিতে পারবেন।

মুদি দোকানের ক্ষেত্রে কী হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহী বলেন, আইনে যেসব প্রতিষ্ঠান নির্দেশনার বাইরে থাকবে বলা হয়েছে, তার বাইরে সব ধরনের দোকান বন্ধ থাকবে। সেক্ষেত্রে মুদি দোকানও রাত ৮টার পর বন্ধ থাকবে।

এর আগে গত ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকের সই করা চিঠিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিজনিত বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ১১৪ ধারার বিধান কঠোরভাবে প্রতিপালনপূর্বক সারাদেশে রাত আটটার পর দোকান, শপিংমল, মার্কেট, বিপণি বিতান, কাঁচাবাজার ইত্যাদি খোলা না রাখার বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২